বৃহস্পতিবার ২৮ আগস্ট ২০১৪, ১৩ ভাদ্র, ১৪২১ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


ছেলের দুধের জন্য...

বিয়ের ১২ বছর পর জন্ম হয়েছিল ছেলেটির। মা-বাবা দরিদ্র হলেও শখ করে সন্তানের নাম রাখলেন রবিনহুড। কিন্তু জন্মের পরপরই ধনুষ্টঙ্কারে আক্রান্ত হয় শিশুটি। চিকিত্সক পরামর্শ দিয়েছেন, ওষুধের পাশাপাশি দুর্বলতা সারাতে হলে শিশুটিকে নিয়মিত দুধ খাওয়াতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, শিশুটির মা বাসন্তীও অসুস্থ। তাই মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশুটি। কিন্তু শিশুটির জন্য বাজারের ব্যয়বহুল দুধ কেনার সামর্থ্য নেই মা-বাবার।

শিশুটির বাবার নাম মতিলাল রবিদাস। থাকেন নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার আশুজিয়া ইউনিয়নের নন্দউড়া গ্রামে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জুতো সেলাই করে জীবন কাটে তাঁর। তিনি বলেন, ‘অনেক কষ্টে ধারদেনা কইরা যে টেহা পাইছি, তা দিয়া ডাক্তার দেহাইছি। তারা কইছে, ও ভালা অইব। এর লাইগ্যা নিয়মিত দুধ খাওয়াইতে অইব। কিন্তু স্ত্রীর অসুখের জন্য তার ভাগ্যে মায়ের বুকের দুধও জুটছে না। আর বাজারের দুধ যে কিনবাম, এরও সামর্থ্য নাই। দুধ খাওয়াতে না পারলে ছেলেটি আমার বাঁচব না। তাই এহন কীভাবে যে কী করবাম, তা বুঝতাছি না।’

ছেলেকে বাঁচাতে দুধের খরচের টাকা জোগানোর জন্য এখানে-সেখানে ঘুরছেন মতিলাল। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় আশুজিয়া ইউপির চেয়ারম্যান মো. আবু তাহের বলেন, ‘মতিলাল খুবই গরিব ও অসহায় একজন মানুষ। সাহায্যের জন্য সে আমার কাছেও এসেছিল।’

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি | তারিখ: ২৪-০১-২০১৩



(গতকাল প্রথম আলো পত্রিকার অনলাইনে এই খবর দেখে খুবই কষ্ট পেলাম। চেয়ারম্যান তো তাকে কিছু টাকা সাহায্য করতে পারতো । যাই হোক যদি নেত্রকোনার কোন ব্লগার ভাই/ বোন এই ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়, তাহলে আমি / আমরা অবশ্যই যে যা পারি কিছু সাহায্য অবশ্যই করবো । )
২২ টি মন্তব্য
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৫ জানুয়ারি ২০১৩, ২৩:৫৫
কয়জনকে এভাবে সাহায্য করা যাবে।

আমাদের প্রযোজন এর স্থায়ি সমাধান।..................
fardousha ফেরদৌসা২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০০:৫৫
কয়জনকে এভাবে সাহায্য করা যাবে।

আমাদের প্রযোজন এর স্থায়ি সমাধান।..


তাতো অবশ্যই । তারপরও এমন খবর দেখে খুব কষ্ট লাগে।
baganbilas1207 কামরুন্নাহার ২৫ জানুয়ারি ২০১৩, ২৩:৫৯
স্থায়ী সমাধান কিভাবে হবে ? মা / বাচ্চা দু'জনকেই আগে সুস্থ করে তুলতে হবে।
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০০:১৭
কিন্তু শিশুটির জন্য বাজারের ব্যয়বহুল দুধ কেনার সামর্থ্য নেই মা-বাবার।

দ্রারিদ্রতা দূরিকরণ; কাজের বিনিময়ে খাদ্য + অর্থ ।তখন স্বামিয় পারবে তার স্ত্রীকে সুস্থকরে তুলতে।আমাদের প্রযোজন হবে না।.................
fardousha ফেরদৌসা২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০১:০৮
জানিনা আপা, খবরটা দেখে খুব কষ্ট পেলাম। কিছু করতে পারলে তাও কিছুটা ভাল লাগবে, কিন্তু কিভাবে করা যায় তাই হচ্ছে সমস্যা
fardousha ফেরদৌসা২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০১:০৮
ধন্যবাদ ধ্বংস আপনার মতামতের জন্য।
MainulAmin মাইনুল আমিন২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০০:০১
প্রিয় ফেরদৌসা আপা
আপনার পোস্টটি পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল । আসলে নেত্রকোনার দিকের কোন ব্লগার সাথী থাকলে যদি এগিয়ে আসেন তাহলে শিশুটিকে বাঁচানো যেত । বড় বিষয় না এটি ।
পোস্টটির জন্যে আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ আপা ।

ভালো থাকবেন সবসময় । বাবুটা এবং ভাইয়া ভালোতো -----?
আপনি কেমন আছেন ------------?
আমি ভালো এখন । শুভকামনা রইলো অনেক -------------------------
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০০:১২
হায়রে নিয়তি !!! অনেকে আছে যাদের কাছে কত টাকা তার নিজেরাও তা জানে না । আবার অনেক মতিলালের মত লোক আছে যাদের বাচ্চাকে দুধ কিনে দেবারও সাধ্য নেই ।
shahidulhaque77 শাহিদুল হক২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০০:২৪
আমি সংবাদটা পড়ে ব্যথিত হলাম। আমি নেত্রকোণা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলায় চাকরি করি। আমি কেন্দুয়া উপজেলায় আমার সহকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করব এবং যতটুকু পারি পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করব। আপনার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
mehedi7070 অসংজ্ঞায়িত মেহেদী২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০০:৫৮
মানবিক আবেদন।

কিন্তু সামর্থ্যবানেরা শুধুমাত্র ষ্টেটমেন্ট দিয়েই কর্তব্য সারতে চায়, নিজে কিছু করার চিন্তা করে না

আল্লাহ তার জন্য সবকিছুর ব্যবস্থা করুক
Srm123 মানচেষ্টার২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০১:১৭
যার কেহ নাই তার জন্য আল্লাহ আছেন ।
KohiNoor মেজদা২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০১:৩৩
এই হল আমাদের মন।

মনকে বলি শুধু বশ মানিতে
মন চায় শুধু আকাশে উড়িতে।


আমরা আছি তার পাশে। কেউ আছে আমাদের ব্লগের ?
Shimi12 ফেরদৌসী বেগম (শিল্পী)২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০৩:০৭
উহহ! কি ভীষণ কষ্ট লাগছে!!! কিছু করতে পারলে হয়ত কিছুটা ভাল লাগতো।
FKabirTipu সাফ-কথা২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০৩:৫৩
এটা ঠিক এটা স্থায়ী সমাধান না। কিন্ত আমরা কিছু মানুষ যদি সাধ্যমত অন্তত মাঝেমধ্যে দু‘চারজন মানুষকে সাহায্য করতে পারি সেটা হয়ত আরো মানুষদের উতসাহিত করবে। ইন্ডিয়ান এক বন্ধুর মুখ থেকে শুনেছি - মাদার তেরেসা কলকাতাতে বড় এক ব্যবসায়ীর কাছে তার চ্যারিটির সাহায্যের জন্যে বারবার যেতেন। ব্যবসায়ী বিরক্ত হয়ে একদিন মাদার তেরেসার মুখে থুথু নিক্ষেপ করেন। তখন মাদার তেরেসা বললেন ‘‘আমাকে তো থুথু দিলেন। আমি তাতেই সন্তষ্ঠ । । এখন বলেন আমার মিশনের অসহায় শিশুদের জন্যে আপনি কি দেবেন?‘‘
লজ্জ্বিত ব্যবসায়ী পরবর্তীতে তার ব্যবসার লভ্যাংশের এক বিরাট অংশ মাদার তেরেসার চ্যারিটিতে দান করে দিয়েছিলেন।
চলুন কিছু করি। অামিও আছি আপনাদের সাথে।
অসংখ্য ধন্যবাদ এ ধরণের মানবিক বিষয় আমাদের অবহিত করার জন্যে।
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০৪:২২
আমার মেয়ে যখন খাবার নষ্ট করে তখন আমার ঠিক এইসব বাচ্চাদের কথা মনে পড়ে যারা খাবারের অভাবে ধুঁকে ধুঁকে শেষ হচ্ছে । গতকাল খবরটি পড়ে খুব কষ্ট লেগেছে ।
যে খবরটি তৈরি করেছিলো তার উচিত ছিল ঠিকানা দেওয়া । কেউ না কেউ এগিয়ে আসবেই ।
Shongkhobas সেলিনা ইসলাম২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ০৫:০৭
খবরটা অনেক কষ্টের। আমাদের দেশে এমন হাজারো পরিবার আছে কিন্তু এর কোন সমাধান নেই । ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ১১:৩২
দুঃখজনক সংবাদটিতে মন্তব্য করার জন্য হেই সক্কাল থাইকা চিষ্টা করতেছি, আলো ব্লগের বিয়াদপির জন্য এতো দেরি অইলো। শনিবারে শনির দশা অইছিলো, তাই ঢুকতে চাইলে কয় “আপনার পাসওয়ার্ডে ভুল অইছে”।

এক্কনে ঢুকলাম হেই একই পাসওয়ার্ড দিয়া, কিচ্ছু কয় না!

ফেরদৌসা আপাকে ধন্যবাদ। খবরগুলো শেয়ার করলে অন্তত বিবেকবানদের হৃদয়ে নাড়া খাবে।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:৫৩
প্রথমত আশা রাখি সংবাদটি ব্লগে আলোচিত হবে তারপরে অন্তত দুই চার জন এগিয়ে আসবে। আর দুই চার জন এগিয়ে আসলে অনেকেই এগিয়ে আসবে। ধন্যবাদ আপনাকে বিষয়টি নজরে আনার জন্য।
shsiddiquee ছাইফুল হুদা ছিদ্দীকি২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:৫৫
শাহিদুল হক ভাই যেহেতু খবর নিচ্ছেন কিছু একটা করা যাবে।
অনেক ধন্যবাদ।
tmboss172 তৌফিক মাসুদ২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ১৩:৫১
লগ ইন করতে না পেরে মন্তব্য করতে পারিনি, গত কয়েক দিন ধরেই আমার খুব ব্যস্ততা।
************
আমি খবরের পাতায় সংবাদটি দেখেছিলাম, ভাল করে সময় নিয়ে পড়া হয়নি। আপাকে ধন্যবাদ সামনে তুল ধরবার জন্য। এই ঘটনাগুলো অনেক সময় আড়ালে থেকে যায়। তবে কিছু করবার ইচ্ছে রইল।
WAHIDUDDIN ওয়াহিদ উদ্দিন২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ১৩:৫৪
সংবাদটি পড়ে খুব খারাপ লাগল।
FKabirTipu সাফ-কথা২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ১৫:০৯
সকালে উঠেই ‘‘শিশুটির পাশে যারা দাঁড়াতে চান‘‘ শিরোনামের সংবাদটি পড়ে খুব তৃপ্তি পেলাম।
খুব ভালো লাগল। এই তো বাস্তব প্রমাণ যে ভাল কাজে সত উদ্দেশ্যে উদ্যোগ নিলে সফল হওয়া যায়।
প্রথম আলো প্রতিনিধি শেখ কামালকে এবং ফেরদৌসা আপাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
অমি ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করব ই উদ্যেোগে শরীক হতে।
আবার ও লিকতে ইচ্ছে করছে
এটা ঠিক অমরা কতজনকে সাহায্য করব? লাখো লাখো বা কোটি কোটি
দরিদ্র মানুষের মিছিল ।
কিন্ত এভাবে আমরা সবাই যদি ধীরে ধীরে হলেও সম্পৃক্ত হই তাহলে হয়ত আশা আছে।
সরকারের উপর তো আর আশা নেই , কখনো ছিল কি ?