বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৩, ৬ আষাঢ়, ১৪২০ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্যঃ সবচেয়ে বেশি ফাঁসির আসামিকে ক্ষমা!!!

বর্তমান সরকারের আমলে রেকর্ড পরিমাণ বন্দী রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে ক্ষমা পেয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, স্বাধীনতার পর থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত (১৯৭২-২০১১) মোট ২৫ জন মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া বন্দী রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়েছেন। এই ২৫ জনের মধ্যে স্বাধীনতার পর বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই ২১ জন আসামি রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে ক্ষমা পেয়েছেন। বর্তমান সরকারের আমলে এই হলো আইনের শাসন । বুধবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ফজলুল আজিমের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এ তথ্য জানান। ফজলুল আজিমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ১৯৮৭ সালে ১ জন, ২০০৫ সালে ২ জন, ২০০৮ সালে ১ জন, ২০০৯ সালে ১ জন, ২০১০ সালে ১৮ জন এবং ২০১১ সালে ২ জন রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে ক্ষমা পান। বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে ২০০৫ সালে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পান মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের আমলে যেসব ফাঁসির আসামি রাষ্ট্রপতির অনুগ্রহে মুক্তি পেয়েছেন, তার মধ্যে লক্ষ্মীপুরের বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতা আবু তাহেরের পুত্র এইচএম বিপ্লব অন্যতম। বহুল আলোচিত অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের মুত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিপ্লব গত বছরের ৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পান।

মাননীয় রাষ্ট্রপতি আপনি কি একটিবার ভেবে দেখেছেন শাস্তিযোগ্য এই লোকগুলো কত মায়ের বুক খালি করেছে, স্ত্রীকে করেছে স্বামীহারা, সন্তানকে করেছে বাবাহারা, বাবাকে করেছে সন্তান হারা। আর আপনি একটি কলমের খোচাই এদেরকে মাফ করে দিলেন।

এমন সংবাদের মধ্যে যুদ্ধাপরাধি জামাতকে প্রাণ ভিক্ষা চাওয়ার আহ্বান জানানোর গন্ধ পাওয়া যায়। আ'লীগ আবার ক্ষমতায় আসার জন্য এমন মহানুভবতার কৃতিত্ত প্রকাশ করছেন নাতো ? যেন ভবিষ্যত ফাঁসির দন্ডাদেশ প্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধিদের ক্ষমা করতে এ সরকার আবার ক্ষমতায় আসতে পারে।
৪ টি মন্তব্য
Rjamil রশীদ জামীল১৫ নভেম্বর ২০১২, ০১:১৫
অপরাধীকে ক্ষমা করার নৈতিক অধিকার কেবল তারই, যে অপরাধের শিকার।
সে মারা গিয়ে থাকলে তার উত্তরাধিকারীদের এই ক্ষমতা থাকতে পারে।
এর বাইরে কারো এই সযযোগ থাকা উচিত নয়।

কিন্তু এই সুযোগটি আমরা সাংবিধানিকভাবেই বৈধ করে রেখেছি। কী আর করা!
বার বার সংশোধিত হয় আমাদের সংবিধান। পনেরো বার হয়ে গেছেএ যাবত।
আমি অপেক্ষা করে আছি কোনো একদিন এই ধারাটিও সংশোধিত হবে।


শুভেচ্ছা আনোয়ার ভাই
--------
imran121 দিশেহারা জীবন১৫ নভেম্বর ২০১২, ০৩:২৮
হেহেহেহে এ আর তেন কি ?

এইতো রাজনীতি!!
এইতো রাজনীতিবিদদের আদর্শ!!

এসব নিয়ে ভেবে লাভ নেই। এসব অসভ্য রাজনীতি নিয়ে শুধু শুধু মাথা নষ্ট করবেন না...

সব সময় একটা কথা স্মরণ রাখবেন- রাজনীতিবিদ মানেই অসভ্য। অতএব বুঝতেই পারছেন তাদের কোন দৃষ্টিতে দেখবেন..

শুভকামনা রইলো আপনার প্রতি....
mazbah মেজবাহ‍‍‍১৫ নভেম্বর ২০১২, ১১:০৭
আমি বুঝলাম না তাহের কোন জাতীয় নেতা নন। তবু তার পালক পুত্রের জন্য জিল্লুর রহমানের এত দরদ কেন?
tmboss172 তৌফিক মাসুদ১৫ নভেম্বর ২০১২, ১৬:১২
তাই আজ একটা লেখা দিয়েছি নাম তার নেতা ভাই, এটা আপনার লেখার উত্তর হতে পারে।

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment