মা তুমি দেবতাকে বলো
মা তুমি দেবতাকে বলো

মা দীর্ঘদিন দেবতার সাথে সংযোগ নেই
আদান প্রদান হয়না কোন ভাব তথ্য
যদিও প্রয়োজন নেই এ সবের আগের মতো
দেবতা কেমন আছে মা
ওষুধপত্তর ঠিকমত খায়
সিগারেট খেতে বারণ করেছেন হৃদরোগের ডাক্তার
জানো মা সেবার অসুখের খবরে কী কাতরইনা হয়েছিলাম
দেবতার মুক্তির জন্য
মাজারে খানকায়ে কতইনা মানত করেছিলাম
দোয়ার কী ক্ষমতা দেবতার রোগমুক্তি
এরপর কঠির কঠোর পাথুরে পরিবর্তন
কী থেকে কী হয়ে গেল আমাদের প্রেমাকাশে
মেঘের গর্জনে ধূলিতে ধূসর মলিন
স্মৃতির জাবরকাটাই এখন চলমান স্মৃতি
আচ্ছা মা দেবতা কী এখনো আমাদের মনে করে
ত্রিবেনী বাড়ি গেলে উচ্ছলতায় এগিয়ে নিয়ে যায়
অথবা ওদের বিদায় বেলায় অশ্রু ঝরে জলজ চোখে
মা দেবতা কী সে হোয়াইটট্রান্সপারেন্ট
সুন্দর চশমাটা দিয়ে
রাত জেগে পেপার পড়ে নিশুতি আবাহনে
না না নিষেধ করো
হৃদরোগীদের বেশি রাত জাগতে নেই
তা না হলে প্রেসার খুউব বেড়ে যাবে
দামি পাম্পসু গুলো ভালো আছে
নিয়মিত পলিশ করাতে বলো
তা না হলে আমাদের হৃদ্যতার মতো মলিন হয়ে যাবে
জানো মা
স্যুটেড বুটেড হলে দেবতাকে হেভি সুন্দর লাগে
এ ব্যাপারে আমরা সবাই একমত
আচ্ছা ছোট সেজোর দেয়া এক ভরির আংটিটা বা
চব্বিশ ক্যারটের গোল্ডপ্লেটেড ঘড়িটা হাতে পড়ে
সাবধান হতে বলো দিনকাল ভালোনা
বয়সের ভারে চুল গোফ দাড়ি পেকে গেছে
নিয়মিত কার্ল করাতে বলো বলো সেভ হতে
তা না হলে ছোট্ট বুন্নু নন্দিনী ভীষণ রাগ করবে
বলবে ভাইজু আপনাকে বুড়ো বুড়ো লাগে
মা ছোটবেলায় দেবতার খাই খাই ভাব এখনো আছে
কতবার খেতে বসে কৌশলে বাণিজ্যের প্রলোভন দেখিয়ে
আমাদের প্লেটের মাছ মাংস ডিম কিনে খেয়েছে
পাওনাদার হিসেবে কোনদিন তোমার আদালতে
একক বা যৌথ নালিশ করিনি
কেননা মানুষতো দেবতাকেই বর দেয়
আমরাও তা-ই দিয়েছি
আচ্ছা মা দুধের শরটুকু কী এখনও একটানে খেয়ে ফেলে
রান্না বেশি সুস্বাদু হলে
পরের বেলার জন্য রেখে দিতে বলে
কোরবানির ঈদে পশু জবাই চামড়া ছড়ানো কী ব্যস্ততা
কত তাড়তাড়ি কোরবানির মাংস খাওয়া যায়
তার দেমাগী চেষ্টা ...
এখন আর আমাদের তাড়াহুড়া করার কেউ নেই
সময় আসে সময় চলে যায়
আমাকে আদুরে নাম লেদা বলে ডাকারও কেউ নেই
সুকন্যাদের কতইনা আদর করতো
এখন নাকি ওদের দিকে ফিরে তাকাবার সময়ও নেই
মা শীতের রাতে তিন বোনকে নিয়ে খেজুরের রসের
গরম পায়োশ ফিরনি খাওয়া বুঝি আর কোন দিন হবেনা
রাতভর কথার ফুলঝুড়ি নিয়ে হৃদ্দিক মেলা বসবেনা
হৃদ্যতার বিগলনের মৌলিক রিহার্সেল আর হবেনা
কত স্মৃতি চলছে আর জ্বলছে হৃদয়পটে
কাউকে বলা যায়না বলেই কী লাভ
মা তুমি শুধু দেবতাকে বলো দেবশিশু দেবকন্যা নিয়ে
সে যেন ভীষণ ভালো থাকে নতুন আয়েশি সম্মিলনে
আমরা বিহীন প্রেমাংশুর নব্য প্রেমপরিধিতে।


মা দীর্ঘদিন দেবতার সাথে সংযোগ নেই
আদান প্রদান হয়না কোন ভাব তথ্য
যদিও প্রয়োজন নেই এ সবের আগের মতো
দেবতা কেমন আছে মা
ওষুধপত্তর ঠিকমত খায়
সিগারেট খেতে বারণ করেছেন হৃদরোগের ডাক্তার
জানো মা সেবার অসুখের খবরে কী কাতরইনা হয়েছিলাম
দেবতার মুক্তির জন্য
মাজারে খানকায়ে কতইনা মানত করেছিলাম
দোয়ার কী ক্ষমতা দেবতার রোগমুক্তি
এরপর কঠির কঠোর পাথুরে পরিবর্তন
কী থেকে কী হয়ে গেল আমাদের প্রেমাকাশে
মেঘের গর্জনে ধূলিতে ধূসর মলিন
স্মৃতির জাবরকাটাই এখন চলমান স্মৃতি
আচ্ছা মা দেবতা কী এখনো আমাদের মনে করে
ত্রিবেনী বাড়ি গেলে উচ্ছলতায় এগিয়ে নিয়ে যায়
অথবা ওদের বিদায় বেলায় অশ্রু ঝরে জলজ চোখে
মা দেবতা কী সে হোয়াইটট্রান্সপারেন্ট
সুন্দর চশমাটা দিয়ে
রাত জেগে পেপার পড়ে নিশুতি আবাহনে
না না নিষেধ করো
হৃদরোগীদের বেশি রাত জাগতে নেই
তা না হলে প্রেসার খুউব বেড়ে যাবে
দামি পাম্পসু গুলো ভালো আছে
নিয়মিত পলিশ করাতে বলো
তা না হলে আমাদের হৃদ্যতার মতো মলিন হয়ে যাবে
জানো মা
স্যুটেড বুটেড হলে দেবতাকে হেভি সুন্দর লাগে
এ ব্যাপারে আমরা সবাই একমত
আচ্ছা ছোট সেজোর দেয়া এক ভরির আংটিটা বা
চব্বিশ ক্যারটের গোল্ডপ্লেটেড ঘড়িটা হাতে পড়ে
সাবধান হতে বলো দিনকাল ভালোনা
বয়সের ভারে চুল গোফ দাড়ি পেকে গেছে
নিয়মিত কার্ল করাতে বলো বলো সেভ হতে
তা না হলে ছোট্ট বুন্নু নন্দিনী ভীষণ রাগ করবে
বলবে ভাইজু আপনাকে বুড়ো বুড়ো লাগে
মা ছোটবেলায় দেবতার খাই খাই ভাব এখনো আছে
কতবার খেতে বসে কৌশলে বাণিজ্যের প্রলোভন দেখিয়ে
আমাদের প্লেটের মাছ মাংস ডিম কিনে খেয়েছে
পাওনাদার হিসেবে কোনদিন তোমার আদালতে
একক বা যৌথ নালিশ করিনি
কেননা মানুষতো দেবতাকেই বর দেয়
আমরাও তা-ই দিয়েছি
আচ্ছা মা দুধের শরটুকু কী এখনও একটানে খেয়ে ফেলে
রান্না বেশি সুস্বাদু হলে
পরের বেলার জন্য রেখে দিতে বলে
কোরবানির ঈদে পশু জবাই চামড়া ছড়ানো কী ব্যস্ততা
কত তাড়তাড়ি কোরবানির মাংস খাওয়া যায়
তার দেমাগী চেষ্টা ...
এখন আর আমাদের তাড়াহুড়া করার কেউ নেই
সময় আসে সময় চলে যায়
আমাকে আদুরে নাম লেদা বলে ডাকারও কেউ নেই
সুকন্যাদের কতইনা আদর করতো
এখন নাকি ওদের দিকে ফিরে তাকাবার সময়ও নেই
মা শীতের রাতে তিন বোনকে নিয়ে খেজুরের রসের
গরম পায়োশ ফিরনি খাওয়া বুঝি আর কোন দিন হবেনা
রাতভর কথার ফুলঝুড়ি নিয়ে হৃদ্দিক মেলা বসবেনা
হৃদ্যতার বিগলনের মৌলিক রিহার্সেল আর হবেনা
কত স্মৃতি চলছে আর জ্বলছে হৃদয়পটে
কাউকে বলা যায়না বলেই কী লাভ
মা তুমি শুধু দেবতাকে বলো দেবশিশু দেবকন্যা নিয়ে
সে যেন ভীষণ ভালো থাকে নতুন আয়েশি সম্মিলনে
আমরা বিহীন প্রেমাংশুর নব্য প্রেমপরিধিতে।

লেখক ডঃ জাহাংগীর আলম
- ডঃ জাহাংগীর আলম -এর ব্লগ
- ২ টি মন্তব্য
- ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ০৯:০৭
- কবিতা
প্রিন্ট করুন
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
এ যেন এক গাঢ় নীল বেদনা। মায়ের সাথে ভাগাভাগি.....।