জীন আলিফ এবং ফিরোজ’রা
গ্রামটির নাম ‘সয়া’ । একে আদর্শ গ্রাম বলা যেতে পারে । মেঠো পথ, ইলেক্ট্রিসিটি নেই । সন্ধ্যা হলেই সব অন্ধকার । হারিকেন আর টর্চের আলো ছাড়া কোন আলো দেখা যায় না । এই গ্রামের ছেলে ফিরোজ । বয়স এগারো । ফিরোজরা এক ভাই এক বোন । বাবা-মা, দাদা-দাদী সহ ছয় জনের পরিবার । ফিরোজের আরও দু’জন বন্ধু আছে । জামিল এবং সুমন । ওরা পড়ালেখায় যেমন ভালো তেমনি দুষ্টুমিতেও । সারাদিন বনে বাদাড়ে ঘুরে বেড়ানো, গাছে চড়া, নদীতে সাঁতার কাটা, পাখীর বাসা ভেঙ্গে আনা এসবই নিত্য দিনের ঘটনা । এখন আবার বার্ষিক পরীক্ষা শেষ, তাই দুষ্টুমির মাত্রাও একটু বেশি । যাই হোক, একদিন সন্ধ্যায় বাড়ী ফিরছে ফিরোজ । হঠাৎ জঙ্গলের মত একটি যায়গায় এসে থমকে দাঁড়ায় ও । অদ্ভুত রকমের দেখতে একটি ছেলে ফিরোজের সামনে এসে দাঁড়িয়ে পরে । ফিরোজ এমনিতে খুব সাহসী । তাই ও কখনো ভূতের ভয় পায়না । ফিরোজ ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করে,
- কে তুমি ? তোমার নাম কি ? কোথায় থাক ?
- আমি আসলে... (আমতা আমতা করে বলে) তুমি ভয় পাবে নাতো ?
- আরে ধেৎ, ভয় পাব কেন ? বলনা তুমি কে ?
- আমি একটা জীন । আমার নাম আলিফ । আমার খুব দুঃখ । আমার খুব শখ তোমাদের মত বয়সের মানুষের বাচ্চাদের সাথে বন্ধুত্ব করা । কিন্তু আমাকে দেখে সবাই ভয়ে পালিয়ে যায় । এখন কি করি ?
- ওহ্! তাই নাকি! তুমি জীন ? ঠিক আছে, আমি আজ থেকে তোমার বন্ধু । আমার আরও দু’জন বন্ধু আছে ওরাও তোমার বন্ধু হবে । এইবার খুশিতো ?
- হ্যাঁ, খুব খুশি । আমি তাহলে তোমার সাথেই থাকব সবসময় ।
- কিন্তু... কেউ যদি দেখে ফেলে ?
- কেউ দেখবে না । আমি অদৃশ্য হয়ে থাকব ।
পরদিন সকালবেলা সুমন এবং জামিলের সাথে পরিচয় হয় আলিফের । জামিল একটু ভীতু টাইপের । প্রথমে একটু ভয় পেলেও একটু পরেই স্বাভাবিক হয়ে যায় । আলিফকে জিজ্ঞেস করে,
- তোমার বয়স কত ?
- ৩৮ বছর ।
- বল কি ? সবাই অবাক হয়ে যায় ।
- হ্যাঁ, আমরা তোমাদের চাইতে একটু বেশি বছর বাঁচি । আমাদের কিছু বাড়তি ক্ষমতা আছে । যেমন, যে কোন রূপ ধরা, বাতাসে ভেসে বেড়ানো, যে কারও শরীরে প্রবেশ করা । আরও কত কি ।
ওরা সবাই অবাক হয়ে যায় আলিফের কথা শুনে । মাঝে মাঝে আলিফ ওর ক্ষমতা দেখায় । ওরা মুগ্ধ হয়ে দেখে । এখন ওদের গাছে উঠে ফল পেরে খেতে হয় না । আলিফ সহজেই পেরে এনে দেয় । খুব আনন্দেই দিন কাটাচ্ছিল ওরা । কিন্তু, হঠাৎ একদিন রাতে হৈ চৈ শুনে ফিরোজের ঘুম ভাঙ্গে । আলিফের কাছে জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে । ও মুহূর্তেই বাইরে থেকে ঘুরে দেখে এসে জানায় গ্রামে ডাকাত পরেছে । ফিরোজ ভাবছে কি করা যায় । কারণ, এ সময় গ্রামের কোন লোক ভয়ে বাড়ি থেকে বের হবে না । ফিরোজ, আলিফকে বলে ওকে সবার চোখের আড়ালে বাড়ির বাইরে নিয়ে যেতে । বাড়ির বাইরে গিয়ে সুমন এবং জামিলকে একই উপায়ে এনে দিতে বলে । আলিফ তাই করে । ওরা চারজন চুপি চুপি যে বাড়িতে ডাকাতরা ঢুকেছে ওখানে ঢুকে পরে । আলিফ অদৃশ্য হয়ে সারা বাড়ি ঘুরে এসে জানায় বাড়ির সবাইকে হাত, পা, মুখ বেঁধে রেখেছে । ফিরোজ আলিফকে বলে,
- আলিফ একটু তোমার ক্ষমতা দেখাও ।
- ঠিক আছে । দেখ কি করি ।
কয়েক সেকেন্ড পর তাকিয়ে দেখে ডাকাত গুলো আহ্, উহ্ করছে এবং সবার মাথায় হাত । ডাকাত সর্দার হুংকার দিয়ে উঠে,
- কে মাথায় মেরেছেরে ? সামনে এগিয়ে আয় ।
ওরা তিনজন আড়াল থেকে বেড়িয়ে ডাকাতদের সামনে গিয়ে দাঁড়ায় । ডাকাত সর্দার ওদেরকে দেখে প্রথমে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে । পরক্ষণেই অট্টহাসিতে ফেটে পরে । ওর সাথে সবাই হাসতে থাকে । ঠিক দু’মিনিট পর ফিরোজরা খিক্ খিক্ করে হাসতে থাকে ওদের কাণ্ড দেখে । সবাই অস্র ফেলে দিয়ে নিজেদের লুঙ্গি ঠিক করতে ব্যস্ত হয়ে পরে । ওদের বুঝতে বাকি নেই এটা জীন আলিফের কাজ । ডাকাতরা ভেবেছে ভূতের কারবার । ভয়ে সব গুলো গিয়ে একটা ঘরে ঢুকে পরে । আলিফ বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেয় । এদিকে ডাকাত সর্দার কিন্তু ভয় পায়নি । লুঙ্গি ঠিক করে হাতে লাঠি নিয়ে ঘুরাতে ঘুরাতে বলে,
- কে আসবি আয় সামনে ।
ফিরোজরা ভয় না পেয়ে তিনজনে তিনটি লাঠি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পরে ওর উপর । আলিফ ওদের সাহস দেখে মুগ্ধ হয়ে যায় । আলিফ এক একবার একেক জনের শরীরে ঢুকে পরে । কখনো সুমনের, কখনো জামিলের কখনো বা ফিরোজের শরীরে । ঠাস-ঠুস লাঠির বারির শব্দ শোনা যায় । প্রচণ্ড বিক্রমে যুদ্ধ করতে থাকে ওরা চারজনে । পিটুনির চোটে এক সময় ডাকাত সর্দার হার মানে । মাটিতে লুটিয়ে পরে । সবাই মিলে খুব ভালো করে বেঁধে ফেলে ওকে । একে একে বাড়ির সবাইকে বাঁধন-মুক্ত করে । পরদিন পুলিশ এসে ডাকাতদেরকে বেঁধে নিয়ে যায় । ওদের এই অবস্থা কি করে হল কেউ বলতে পারে না । ফিরোজদেরকে জিজ্ঞেস করা হলে ওরাও বলে কিছু জানে না । ওরা ঐ বাড়িতে ঢুকে এই অবস্থাতেই দেখেছিল ডাকাতদেরকে । এর বেশি কিছু বলতে পারে না । তবে যাই হোক, গ্রামের লোকজন খুব খুশি । কারণ এই ডাকাতদের অত্যাচারে আশেপাশে দশ গ্রামের লোকজন ভীত হয়ে থাকত । সবাই এবার হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে ।
পরিশিষ্ট, কিছুদিন পরে আলিফ তার নিজের ভুবনে ফিরে যায় । ফিরোজরা আবার পড়ালেখায় মন দেয় । সব কিছু আবার আগের মত হয়ে গেছে । ওরা তিনজনে আলিফের কথা প্রায়ই বলে । ওরা জানে ওরা যেমন আলিফের কথা ভুলতে পারবে না । আলিফও তেমনি ওদের কথা ভুলতে পারবে না । এর নামইতো ভালবাসা এবং এর নামইতো বন্ধুত্ব ।
- কে তুমি ? তোমার নাম কি ? কোথায় থাক ?
- আমি আসলে... (আমতা আমতা করে বলে) তুমি ভয় পাবে নাতো ?
- আরে ধেৎ, ভয় পাব কেন ? বলনা তুমি কে ?
- আমি একটা জীন । আমার নাম আলিফ । আমার খুব দুঃখ । আমার খুব শখ তোমাদের মত বয়সের মানুষের বাচ্চাদের সাথে বন্ধুত্ব করা । কিন্তু আমাকে দেখে সবাই ভয়ে পালিয়ে যায় । এখন কি করি ?
- ওহ্! তাই নাকি! তুমি জীন ? ঠিক আছে, আমি আজ থেকে তোমার বন্ধু । আমার আরও দু’জন বন্ধু আছে ওরাও তোমার বন্ধু হবে । এইবার খুশিতো ?
- হ্যাঁ, খুব খুশি । আমি তাহলে তোমার সাথেই থাকব সবসময় ।
- কিন্তু... কেউ যদি দেখে ফেলে ?
- কেউ দেখবে না । আমি অদৃশ্য হয়ে থাকব ।
পরদিন সকালবেলা সুমন এবং জামিলের সাথে পরিচয় হয় আলিফের । জামিল একটু ভীতু টাইপের । প্রথমে একটু ভয় পেলেও একটু পরেই স্বাভাবিক হয়ে যায় । আলিফকে জিজ্ঞেস করে,
- তোমার বয়স কত ?
- ৩৮ বছর ।
- বল কি ? সবাই অবাক হয়ে যায় ।
- হ্যাঁ, আমরা তোমাদের চাইতে একটু বেশি বছর বাঁচি । আমাদের কিছু বাড়তি ক্ষমতা আছে । যেমন, যে কোন রূপ ধরা, বাতাসে ভেসে বেড়ানো, যে কারও শরীরে প্রবেশ করা । আরও কত কি ।
ওরা সবাই অবাক হয়ে যায় আলিফের কথা শুনে । মাঝে মাঝে আলিফ ওর ক্ষমতা দেখায় । ওরা মুগ্ধ হয়ে দেখে । এখন ওদের গাছে উঠে ফল পেরে খেতে হয় না । আলিফ সহজেই পেরে এনে দেয় । খুব আনন্দেই দিন কাটাচ্ছিল ওরা । কিন্তু, হঠাৎ একদিন রাতে হৈ চৈ শুনে ফিরোজের ঘুম ভাঙ্গে । আলিফের কাছে জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে । ও মুহূর্তেই বাইরে থেকে ঘুরে দেখে এসে জানায় গ্রামে ডাকাত পরেছে । ফিরোজ ভাবছে কি করা যায় । কারণ, এ সময় গ্রামের কোন লোক ভয়ে বাড়ি থেকে বের হবে না । ফিরোজ, আলিফকে বলে ওকে সবার চোখের আড়ালে বাড়ির বাইরে নিয়ে যেতে । বাড়ির বাইরে গিয়ে সুমন এবং জামিলকে একই উপায়ে এনে দিতে বলে । আলিফ তাই করে । ওরা চারজন চুপি চুপি যে বাড়িতে ডাকাতরা ঢুকেছে ওখানে ঢুকে পরে । আলিফ অদৃশ্য হয়ে সারা বাড়ি ঘুরে এসে জানায় বাড়ির সবাইকে হাত, পা, মুখ বেঁধে রেখেছে । ফিরোজ আলিফকে বলে,
- আলিফ একটু তোমার ক্ষমতা দেখাও ।
- ঠিক আছে । দেখ কি করি ।
কয়েক সেকেন্ড পর তাকিয়ে দেখে ডাকাত গুলো আহ্, উহ্ করছে এবং সবার মাথায় হাত । ডাকাত সর্দার হুংকার দিয়ে উঠে,
- কে মাথায় মেরেছেরে ? সামনে এগিয়ে আয় ।
ওরা তিনজন আড়াল থেকে বেড়িয়ে ডাকাতদের সামনে গিয়ে দাঁড়ায় । ডাকাত সর্দার ওদেরকে দেখে প্রথমে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে । পরক্ষণেই অট্টহাসিতে ফেটে পরে । ওর সাথে সবাই হাসতে থাকে । ঠিক দু’মিনিট পর ফিরোজরা খিক্ খিক্ করে হাসতে থাকে ওদের কাণ্ড দেখে । সবাই অস্র ফেলে দিয়ে নিজেদের লুঙ্গি ঠিক করতে ব্যস্ত হয়ে পরে । ওদের বুঝতে বাকি নেই এটা জীন আলিফের কাজ । ডাকাতরা ভেবেছে ভূতের কারবার । ভয়ে সব গুলো গিয়ে একটা ঘরে ঢুকে পরে । আলিফ বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেয় । এদিকে ডাকাত সর্দার কিন্তু ভয় পায়নি । লুঙ্গি ঠিক করে হাতে লাঠি নিয়ে ঘুরাতে ঘুরাতে বলে,
- কে আসবি আয় সামনে ।
ফিরোজরা ভয় না পেয়ে তিনজনে তিনটি লাঠি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পরে ওর উপর । আলিফ ওদের সাহস দেখে মুগ্ধ হয়ে যায় । আলিফ এক একবার একেক জনের শরীরে ঢুকে পরে । কখনো সুমনের, কখনো জামিলের কখনো বা ফিরোজের শরীরে । ঠাস-ঠুস লাঠির বারির শব্দ শোনা যায় । প্রচণ্ড বিক্রমে যুদ্ধ করতে থাকে ওরা চারজনে । পিটুনির চোটে এক সময় ডাকাত সর্দার হার মানে । মাটিতে লুটিয়ে পরে । সবাই মিলে খুব ভালো করে বেঁধে ফেলে ওকে । একে একে বাড়ির সবাইকে বাঁধন-মুক্ত করে । পরদিন পুলিশ এসে ডাকাতদেরকে বেঁধে নিয়ে যায় । ওদের এই অবস্থা কি করে হল কেউ বলতে পারে না । ফিরোজদেরকে জিজ্ঞেস করা হলে ওরাও বলে কিছু জানে না । ওরা ঐ বাড়িতে ঢুকে এই অবস্থাতেই দেখেছিল ডাকাতদেরকে । এর বেশি কিছু বলতে পারে না । তবে যাই হোক, গ্রামের লোকজন খুব খুশি । কারণ এই ডাকাতদের অত্যাচারে আশেপাশে দশ গ্রামের লোকজন ভীত হয়ে থাকত । সবাই এবার হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে ।
পরিশিষ্ট, কিছুদিন পরে আলিফ তার নিজের ভুবনে ফিরে যায় । ফিরোজরা আবার পড়ালেখায় মন দেয় । সব কিছু আবার আগের মত হয়ে গেছে । ওরা তিনজনে আলিফের কথা প্রায়ই বলে । ওরা জানে ওরা যেমন আলিফের কথা ভুলতে পারবে না । আলিফও তেমনি ওদের কথা ভুলতে পারবে না । এর নামইতো ভালবাসা এবং এর নামইতো বন্ধুত্ব ।
লেখক মোঃ হাসান জাহিদ
- মোঃ হাসান জাহিদ -এর ব্লগ
- ২০ টি মন্তব্য
- ০৭ ডিসেম্বর ২০১২, ০৮:২৭
- কিশোরসাহিত্য
প্রিন্ট করুন
- ২০ টি মন্তব্য
-
মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা ০৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:২৫
বরাবরের মতো প্রাণবন্ত বর্ণনা। শিশুকিশোর সাহিত্য আপনাকে দিয়ে এগিয়ে যাক।
আপনার প্রবাসজীবন শুভ হোক। -
লুৎফুন নাহার জেসমিন০৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৫২
সুন্দর একটি গল্প । বাচ্চারা দারুণ আনন্দ পাবে । সঙ্গে আমিও পেলাম । আপনি খুব ভালো লিখেন । -
মেজদা০৮ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:০০
চমৎকার ভাবে ভূতের গল্প সাথে পরিসমাপ্তি বন্ধুত্বের আলিঙ্গনে। এভাবেই গল্পের ধারা ভাল লাগে।
সুন্দর হাসান। শুভেচ্ছা।
-
তৌফিক মাসুদ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ১৩:২১
দেরীতে খেজে পেলাম আপনার লেখা, সচরাচর আমার চোখে পড়েনা।
***********
এবার লেখা সম্পর্কে বলি, আপনার লেখাটি আদর্শ এই ক্যাটাগরির জন্য। কিশোর সাহিত্যের পাশ আপাশি সমাজকে তুলে ধরেছেন। অনেক অনেক ভাল থাকবেন জাহিদ ভাই যেখানেই থাকুন। -
মাটিরময়না২৫ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:১৮
অবাক কান্ড-- এতো প্রানবত্ন একটা জিনিস আমি এতোদিন পড় পড়লাম।
নিজের উপর খুব রাগ হচ্ছে----
শুভেচ্ছা জাহিদ ভাই -
মাটিরময়না২৫ ডিসেম্বর ২০১২, ০২:০১
আমি আসলেই অবাক। কবে দিলেন আর কোন ফাকে চলে গেল দেখাই পেলাম না। আজ আপনাকে অনলাইনে না দেখলে হয়তো অদেখাই রয়ে যেত।
আবারো শুভেচ্ছা জানবেন জাহিদ ভাই। সব সময় ভালো থাকবেন। -
নোমান সারকার২৬ ডিসেম্বর ২০১২, ০৭:৫৭
কিশোরসাহিত্য হলেও বাচ্চারা বেশ মজা পাবে। অনেক সুন্দর গল্প হয়েছে । গল্পের জন্য শুভেচ্ছা।
সকাল সাড়ে সাতটায় কম্পিউটার অন করে প্রথমে আপনার গল্প পড়লাম। রাতে রেখেছিলাম ঠিক করে সকালে কি কি পড়ব। প্রথমেই গল্প পড়ে ভালো লাগছে ,সেই কথাটি জানিয়ে গেলাম।
জিন নিয়ে আমারও অনেক কৌতুহল। তবে এখন বুঝি ,প্রানীর মধ্যে মাছ যেমন পানি ছাড়া টিকতে পারেনা। তেমনি গভীর আর খুব নীচের পানির মাছ কখনো তীরে না অগভীর পানিতে আসে না ,তেমনি জিনদের নিজেসব এলাকা আছে। তারা লোকালয়ে আসেনা বা পারে না। হাজারে ১ টা শক্তিশালী জিন ছাড়া। যেমন পানিতে বা মাটির অনেক নীচে বাস করা প্রানীরা খোলা জায়গায় বা মাটির উপরে আনলে মারা যাবে। তেমনি বিষয়টা। আর সব প্রানীর যেমন সীমাব্দধতা আছে ,জিন্ দের ও তেমনি সীমাবদ্ধতা আছে। আমরা ওদের জানি না বলে ওদের কে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী মনে করি। যেমন বাঘ আমাদের চেয়ে দৈহিক শক্তি বেশি,কিন্তু বুদ্ধিতে খাট বলে তাকে কেবল বনের রাজা হয়েই থাকতে হচ্ছে।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
শুভেচ্ছা জানবেন প্রিয় জাহিদ। ভালো থাকবেন।