হাতের লেখার কলম
বিশ্বের খবরের খবর হলাম আমরা, বিদেশী পোশাক আমদানীকারকরাও আতংকিত, দেশের খবর নিচ্ছেন ঘন ঘন। সঠিক সময়ে তাঁদের ফরমায়েশকৃত পোষাকগুলি রপ্তানী হবে তো !! ব্যবসায়ে কোন ক্ষতি হবে না তো !!
একই দিনে দেশে দুইটি বড় দূর্ঘটনা , ইতিহাস কাঁপানো, বিশ্ব কাঁপানো দূর্ঘটনা ঘটে গেল, শোকে আমরা পাথর । কিন্তু কি হবে শোক শোক করে !! দেহটাকে, প্রাণটাকে বাঁচানোর জন্যে আগুনের মধ্যে অন্ধ হয়ে ছুটে চলেছি, পাথরে চাপা পড়ে পাথরটাকে সর্ব শক্তি দিয়ে সরানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি - এ সব কথা লিখা যায় সাহিত্যের বর্ণনায়, কল্পনা করা যায়। সেই আগুনের মধ্যে অন্ধ হয়ে ছুটে চলার মধ্য দিয়ে, তাপের মধ্যে গলে যাওয়ার, কংকাল হয়ে যাওয়ার, পোড়া কংকাল হয়ে যাওয়ার কষ্ট, প্রাণটা চলে যাওয়ার কষ্ট, পাথরে চাপা পড়ে পাথরটাকে সর্ব শক্তি দিয়ে সরানোর অভিজ্ঞতা, নিশ্বাস বন্দ হয়ে আসার পূর্ব ক্ষণের বর্ণনা দিয়ে আমাদের কী লেখা হবে !!!
যিনি অভিজ্ঞতা নিয়েছিলেন তিনি এখন না ফেরার দেশে। কী হবে শোক শোক পালন করে !!! ভাষা নেই , সামনের দিকে আগানোর পথও জানা নেই এখন। কে বা আজ দেহে আগুন জ্বালিয়ে বুঝার চেষ্টা করছে আগুনের দাহ !! কে বা পাথর চাপা খেয়ে বুঝার চেষ্টা করছে নিশ্বাস বন্দ হয়ে বুক ফাটার যন্ত্রনা !!
দেশের অর্থনীতির যারা গতি দিলেন, অর্থনীতির চাকা যারা ঘুরালেন তাদের কে কীট পতংগ বানিয়ে আগুনে পোড়ানো !! অসতর্কতায় আমাদের জুতার তলায় পৃষ্ট হয়ে পিপিড়া যেমন, ঠিক তেমনই যেন এখন সাধারণ মানুষের জীবন। কল-কারখানার বদলে যেন মৃত্যু ফাঁদ, সড়কের বদলে, সেতুর বদলে মৃত্যু ফাঁদ, উড়াল সেতুর বদলে, আট্টলিকার বদলে মৃত্যু ফাঁদ বসিয়ে রেখেছি। উন্নত দেশগুলিতে যখন উন্নত ও সহজ জীবন যাপনের জন্যে সড়ক আর শিল্প কারখানা গড়ে উঠছে সেখানে আমাদের জন্য গড়া হচ্ছে মৃত্যু-কূপ !!
ধরা যাক, অর্থনীতির জোয়ারে দেশ এগিয়ে চলছে. পুরাতন জরা-জীর্ণকে বাতিল করে দিয়ে অর্থনীতি এগিয়ে চলেছে নূতন গতিতে আর একই দিনে ধসে পড়ল পাঁচটি আট্টলিকা, পাঁচটি সেতু, আগুন জ্বলে উঠলো পাঁচটি কারখানায়, পাঁচটি মর্মান্তিক দূর্টঘনা ঘটে গেল মহা সড়কে !! এসব হওয়ার কথা নয়, তবুও আজ এ সবই ভাবতে হচ্ছে, লেখার কলমে এসব লেখাই আসছে। এ সব দূর্ঘটনা না ঘটার জন্য কি আছে আমাদের হাতে প্রস্তুতি !! আমরা কি প্রতিরোধ ব্যবন্থা গড়ে তুলেছি !!
আমাদের হাতে কোন অস্ত্র নেই, তবে হাতে আছে শক্তিশালী কলম, মাঠে, সড়কে গিয়ে প্রতিবাদ না করে ব্লগে লিখে সমাজকে দেশের সাধারণ জনগনকে জাগ্রত করা না গেলেও কোন অগ্রগতি বয়ে না আনা গেলেও আমাদের ব্লগেই বেশি করে লেখা উচিত। লেখা আরও স্বচ্ছ ও ধারালো করা উচিত। যে লেখায় সমাজের অসংতিগুলি বেড়িয়ে আসবে, সচেতনতা বাড়বে, দায়ীরা কাঠগড়ায় দাঁড়াবে।
অথবা, দেশের হত দরিদ্র মানুষদেরকে বলি - ফিরিয়ে নিন আমাদের লেখা-পড়া, শিক্ষার সনদ আর হাতের লেখার কলম।
একই দিনে দেশে দুইটি বড় দূর্ঘটনা , ইতিহাস কাঁপানো, বিশ্ব কাঁপানো দূর্ঘটনা ঘটে গেল, শোকে আমরা পাথর । কিন্তু কি হবে শোক শোক করে !! দেহটাকে, প্রাণটাকে বাঁচানোর জন্যে আগুনের মধ্যে অন্ধ হয়ে ছুটে চলেছি, পাথরে চাপা পড়ে পাথরটাকে সর্ব শক্তি দিয়ে সরানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি - এ সব কথা লিখা যায় সাহিত্যের বর্ণনায়, কল্পনা করা যায়। সেই আগুনের মধ্যে অন্ধ হয়ে ছুটে চলার মধ্য দিয়ে, তাপের মধ্যে গলে যাওয়ার, কংকাল হয়ে যাওয়ার, পোড়া কংকাল হয়ে যাওয়ার কষ্ট, প্রাণটা চলে যাওয়ার কষ্ট, পাথরে চাপা পড়ে পাথরটাকে সর্ব শক্তি দিয়ে সরানোর অভিজ্ঞতা, নিশ্বাস বন্দ হয়ে আসার পূর্ব ক্ষণের বর্ণনা দিয়ে আমাদের কী লেখা হবে !!!
যিনি অভিজ্ঞতা নিয়েছিলেন তিনি এখন না ফেরার দেশে। কী হবে শোক শোক পালন করে !!! ভাষা নেই , সামনের দিকে আগানোর পথও জানা নেই এখন। কে বা আজ দেহে আগুন জ্বালিয়ে বুঝার চেষ্টা করছে আগুনের দাহ !! কে বা পাথর চাপা খেয়ে বুঝার চেষ্টা করছে নিশ্বাস বন্দ হয়ে বুক ফাটার যন্ত্রনা !!
দেশের অর্থনীতির যারা গতি দিলেন, অর্থনীতির চাকা যারা ঘুরালেন তাদের কে কীট পতংগ বানিয়ে আগুনে পোড়ানো !! অসতর্কতায় আমাদের জুতার তলায় পৃষ্ট হয়ে পিপিড়া যেমন, ঠিক তেমনই যেন এখন সাধারণ মানুষের জীবন। কল-কারখানার বদলে যেন মৃত্যু ফাঁদ, সড়কের বদলে, সেতুর বদলে মৃত্যু ফাঁদ, উড়াল সেতুর বদলে, আট্টলিকার বদলে মৃত্যু ফাঁদ বসিয়ে রেখেছি। উন্নত দেশগুলিতে যখন উন্নত ও সহজ জীবন যাপনের জন্যে সড়ক আর শিল্প কারখানা গড়ে উঠছে সেখানে আমাদের জন্য গড়া হচ্ছে মৃত্যু-কূপ !!
ধরা যাক, অর্থনীতির জোয়ারে দেশ এগিয়ে চলছে. পুরাতন জরা-জীর্ণকে বাতিল করে দিয়ে অর্থনীতি এগিয়ে চলেছে নূতন গতিতে আর একই দিনে ধসে পড়ল পাঁচটি আট্টলিকা, পাঁচটি সেতু, আগুন জ্বলে উঠলো পাঁচটি কারখানায়, পাঁচটি মর্মান্তিক দূর্টঘনা ঘটে গেল মহা সড়কে !! এসব হওয়ার কথা নয়, তবুও আজ এ সবই ভাবতে হচ্ছে, লেখার কলমে এসব লেখাই আসছে। এ সব দূর্ঘটনা না ঘটার জন্য কি আছে আমাদের হাতে প্রস্তুতি !! আমরা কি প্রতিরোধ ব্যবন্থা গড়ে তুলেছি !!
আমাদের হাতে কোন অস্ত্র নেই, তবে হাতে আছে শক্তিশালী কলম, মাঠে, সড়কে গিয়ে প্রতিবাদ না করে ব্লগে লিখে সমাজকে দেশের সাধারণ জনগনকে জাগ্রত করা না গেলেও কোন অগ্রগতি বয়ে না আনা গেলেও আমাদের ব্লগেই বেশি করে লেখা উচিত। লেখা আরও স্বচ্ছ ও ধারালো করা উচিত। যে লেখায় সমাজের অসংতিগুলি বেড়িয়ে আসবে, সচেতনতা বাড়বে, দায়ীরা কাঠগড়ায় দাঁড়াবে।
অথবা, দেশের হত দরিদ্র মানুষদেরকে বলি - ফিরিয়ে নিন আমাদের লেখা-পড়া, শিক্ষার সনদ আর হাতের লেখার কলম।
লেখক রব্বানী চৌধুরী
- রব্বানী চৌধুরী -এর ব্লগ
- ৪২ টি মন্তব্য
- ২৬ নভেম্বর ২০১২, ১৮:৫৭
- সমাজ
প্রিন্ট করুন
- ৪২ টি মন্তব্য
-
মোঃ হাসান জাহিদ২৬ নভেম্বর ২০১২, ১৯:১২
অথবা, দেশের হত দরিদ্র মানুষদেরকে বলি - ফিরিয়ে নিন আমাদের লেখা-পড়া, শিক্ষার সনদ আর হাতের লেখার কলম।
ঠিক বলেছেন প্রিয় রব্বানী ভাই । যখন কোন কিছু করার ক্ষমতা নেই তখন এটাই আমার মনের কথা । আর বলি পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিও । -
মুক্তমন৭৫২৬ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৫০
লিখে লাভ কি হবে? আমাদের লেখা আমরাই পড়ি।
যেই দেশে থাকি, সেখানে আমাদের থাকতে দেয়া হয়, এই-ই কত বড় ব্যাপার!!!
তারপরেও আবার আরও কিছু চাইলে তো দ্যাশ থাইকা তল্পী তল্পা বগলদাবা কইরা চইলা যাইবার কইবো!!!
সেই হুশ আছে?? -
মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা ২৬ নভেম্বর ২০১২, ২০:২৫
আমাদের হাতে কোন অস্ত্র নেই, তবে হাতে আছে শক্তিশালী কলম, মাঠে, সড়কে গিয়ে প্রতিবাদ না করে ব্লগে লিখে সমাজকে দেশের সাধারণ জনগনকে জাগ্রত করা না গেলেও কোন অগ্রগতি বয়ে না আনা গেলেও আমাদের ব্লগেই বেশি করে লেখা উচিত। লেখা আরও স্বচ্ছ ও ধারালো করা উচিত। যে লেখায় সমাজের অসংতিগুলি বেড়িয়ে আসবে, সচেতনতা বাড়বে, দায়ীরা কাঠগড়ায় দাঁড়াবে।
সাথে সাথে --------------------------------------
নিজের মধ্যে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গঠন করতে হবে এবং সমাজে অবদান রাখতে হবে। গত কয়দিন প্রথম আলোতে দেখলাম শুধু এক একজন মানুষই এক একটি আলোকিত সমাজ গড়ে তোলছেন। আমরা চাইলে আমরা পারি।
আপনার জন্য শুভকামনা।
-
মেজদা২৬ নভেম্বর ২০১২, ২০:৩৯
আমাদের দেশ নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে,
এ নিয়ে যাদের ভাবার কথা তারা
কিছুই ভাবছে না। তাই জনগনকে
চোখ কান খুলে নিজেদের সমস্যা
নিজেদের সমাধান করতে হেব।
ধন্যবাদ রব্বানী ভাই।
-
নোমান সারকার২৬ নভেম্বর ২০১২, ২০:৫৩
লিখে লাভ কি হবে? আমাদের লেখা আমরাই পড়ি। মুক্তমন৭৫ ব্লগার বন্ধু লেখেছেন। আসলে লেখার আছে অনেক কিছু। আছে ছোট ছোট সমাধান। যা আমরা শেয়ার করতে পারি,কিন্তু এখন বুঝি আমাদের লেখা আমরা কেবল পড়ি। যাদের পড়া দরকার তারা তো পড়বেন না, কাল পোশাক কারখানায় আগুন নিয়ে একটা পোস্ট দিব। কিন্তু হতাশা আমাকে পেয়ে বসেছে যাদের জন্য লেখা তারা কি পড়বেন?
তা না হলে বিজিএমই একটা কাজ করুক ,একটা আইডিয়ার জন্য পুরুস্কার ঘোষানা করুক, এতে অজস্র আইডিয়া পাবেন তারা। -
এস এইচ মং মারমা২৬ নভেম্বর ২০১২, ২১:০৪
অনেকদিন পর সময়োপযোগী লেখাটা ভাল না লেগে পারা গেল না ।অপূর্ব লেখাটা প্রিয় রব্বানী ভাই।ভীষন ভাল লাগল। অসংখ্য শুভেচ্ছা নেবেন।ভাল থাকবেন। -
আরমানউজ্জামান২৬ নভেম্বর ২০১২, ২১:৫০
লেখা আরও স্বচ্ছ ও ধারালো করা উচিত। যে লেখায় সমাজের অসংতিগুলি বেড়িয়ে আসবে, সচেতনতা বাড়বে, দায়ীরা কাঠগড়ায় দাঁড়াবে।
-
নোমান সারকার২৬ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩০
দায়ীরা কাঠগড়ায় দাঁড়াবে।
রব্বানী ভাই আপনার কি মনে হয়না আমাদের অনেক পজেটিভ দিক নিয়ে লেখার আছে। কাঠগড়ায় দাড় করানো আর অভিযোগে এ দেশ গলা পযন্ত ডুবে গেছে।চারদিকে অভিযোগ আর অভিযোগ, এটা নেই সেটা নেই। আমরা কি কিছু আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে পারি না।
গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে আগুন লেগে মারা যাচ্ছে অসহায় শ্রমিক কিন্তু কোন সরকার আজ পযন্ত সবার প্রানের দাবী গার্মেন্টস পল্লীর বিষয়ে মাথা ঘামায়নি। ফলে তা কখনো আশার মুখ দেখেনি। অথচ একটা গার্মেন্টস পল্লী হলে রাস্তা ঘাট হত , নিজেসব দমকল বাহিনী থাকত। এত মানুষ এভেবে মারা যেত না। ঢাকা চাপ মুক্ত হত। ঢাকা ঠেকে দূরে হলে শ্রমিক সস্তায় খাবার কিনতে পারত। ঘড় ভাড়া কমে পেত। শ্রমিক বাচত।কিছু পাঠাওতে পারত গ্রামে। আপনি যতই সচেতন হন যদি সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত না নিতে পারেন ,এই ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
আপনি কি মনে করেন আশুলিয়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানার একজন মালিক চায় তার এত বড় ক্ষতি হোক। নেটের একজায়গায় পড়লাম ,আগুন বিষয়ক ইন্সুরেন্স আছে বলে মালিক নাকি বিপদ মুক্ত এ নিয়ে কথা। আরে সেই মালিক তো আর ওয়াডার সহজে পাচ্ছেনা, তার নিজের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে। তাই সে উদাসীন ভাবাটা ঠিক না। আমি কিন্তু বলছি তিনি দায়িত্ব এড়াতে পারেন। আমি বলছি ,আগুন নাশকতা ছাড়াও অনেক অনেক কারনে ঘটতে পারে। সেগুলো খুজে বের করতে হবে। সবাই এগিয়ে আসতে হবে। -
নোমান সারকার২৬ নভেম্বর ২০১২, ২২:৪১
আর কোন শ্রমিক যেন না মরে তার বিষয়গুলো খুজে বের করতে হবে। কি করুন অবস্থা সেই সব পরিবারের। হায় কি কঠিন সব দিন তাদের সামনে। এভাবে আর কত লাশ বইব আমরা। আমাদের খুজে বের করতে হবে। আর সিদ্ধান্ত নিতে হবে সবাই কে । -
আশরাফুল কবীর২৬ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২১
আমাদের হাতে কোন অস্ত্র নেই, তবে হাতে আছে শক্তিশালী কলম, মাঠে, সড়কে গিয়ে প্রতিবাদ না করে ব্লগে লিখে সমাজকে দেশের সাধারণ জনগনকে জাগ্রত করা না গেলেও কোন অগ্রগতি বয়ে না আনা গেলেও আমাদের ব্লগেই বেশি করে লেখা উচিত। লেখা আরও স্বচ্ছ ও ধারালো করা উচিত। যে লেখায় সমাজের অসংতিগুলি বেড়িয়ে আসবে, সচেতনতা বাড়বে, দায়ীরা কাঠগড়ায় দাঁড়াবে।
#নিউজগুলো দেখছিলাম..সেই পুরোনো তদন্তকারী টিম, তোতাপাখির বুলি, ক্ষতিপূরণের আশ্বাস আরো কতো কি? একজন বললেন....এই ছিলনা, ওই ছিলনা..আরো কতো কিছু, আরে আপনারা এখন চেক করে দেখুন গার্মেন্টস নামক অন্ধ কুঠুরীতে গিনিপিগের মতো মানুষগুলো কিভাবে সারাদিন রাত পার করে দেয় আর সর্বশেষে এমনভাবে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়..বিজেএমসি নামক প্রতিষ্ঠানটির চকচকে ভাবের পেছনে আর এদের কর্তাব্যক্তিদের মিষ্টি বুলির পেছনে কাদের অবদান..তা এই প্রতিষ্ঠানটি কখনোই ভাবেনি.....শুধু নিজেদের পকেট ভরেছে....
#ধন্যবাদ আপনাকে রব্বানী ভাই,শুভেচ্ছা
-
শহীদুল ইসলাম প্রামানিক২৬ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২৭
দেশের অর্থনীতির যারা গতি দিলেন, অর্থনীতির চাকা যারা ঘুরালেন তাদের কে কীট পতংগ বানিয়ে আগুনে পোড়ানো !!
আমাদের লেখা যদি োরা পড়তো তা হলে আগুনে পুড়ে মানুষ মারতো না। -
রশীদ জামীল২৬ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৪৮
এই ধরনের ঘটনার সূত্রপাত বারবার হতে থাকলে, যেভাবে হয়ে আসছে, বিদেশী পোশাক আমদানীকারকরা, মানে আমাদের নিয়মিত কাস্টমাররা যে আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে না, সেটাও কিন্তু জোর দিয়ে বলা যায় না । তৈরি পোশাক শিল্প'র রপ্তানি থেকে আমরা কিন্তু প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রার মালিক হচ্ছি। এই খাত ধাক্বা খাওয়া মানে দেশের অর্থনীতির মেরুদন্ডের হাড়ে চিড় ধরা।
এখনি সচেতন না হলে আর কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া না হলে
কপালে খারাবি আছে আমাদের
-
ভবিষ্যৎ অন্ধকার২৭ নভেম্বর ২০১২, ০০:০৩
কোন দিকে যায়।যে দিকে যায় সেদিকেয় ভবিষ্যৎ অন্ধকার।.................

-
লুৎফুন নাহার জেসমিন২৭ নভেম্বর ২০১২, ০০:২৪
একই দিনে দেশে দুইটি বড় দূর্ঘটনা , ইতিহাস কাঁপানো, বিশ্ব কাঁপানো দূর্ঘটনা ঘটে গেল, শোকে আমরা পাথর । কিন্তু কি হবে শোক শোক করে !! দেহটাকে, প্রাণটাকে বাঁচানোর জন্যে আগুনের মধ্যে অন্ধ হয়ে ছুটে চলেছি, পাথরে চাপা পড়ে পাথরটাকে সর্ব শক্তি দিয়ে সরানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি - এ সব কথা লিখা যায় সাহিত্যের বর্ণনায়, কল্পনা করা যায়। সেই আগুনের মধ্যে অন্ধ হয়ে ছুটে চলার মধ্য দিয়ে, তাপের মধ্যে গলে যাওয়ার, কংকাল হয়ে যাওয়ার, পোড়া কংকাল হয়ে যাওয়ার কষ্ট, প্রাণটা চলে যাওয়ার কষ্ট, পাথরে চাপা পড়ে পাথরটাকে সর্ব শক্তি দিয়ে সরানোর অভিজ্ঞতা, নিশ্বাস বন্দ হয়ে আসার পূর্ব ক্ষণের বর্ণনা দিয়ে আমাদের কী লেখা হবে !!!
যিনি অভিজ্ঞতা নিয়েছিলেন তিনি এখন না ফেরার দেশে। কী হবে শোক শোক পালন করে !!! ভাষা নেই , সামনের দিকে আগানোর পথও জানা নেই এখন। কে বা আজ দেহে আগুন জ্বালিয়ে বুঝার চেষ্টা করছে আগুনের দাহ !! কে বা পাথর চাপা খেয়ে বুঝার চেষ্টা করছে নিশ্বাস বন্দ হয়ে বুক ফাটার যন্ত্রনা !!
------ চোখের পানি গড়িয়ে পড়ছে লেখাটি পড়তে গিয়ে । সেই লোকগুলি কি এই কথাগুলি একবার ভেবেছে যারা প্রতি ফ্লোরে ফ্লোরে তালা দিচ্ছিল ।
হতভাগ্য মানুষগুলোর পাশে সত্যিকার অর্থে কি কেউ আছে ? যারা পাশে থাকলে এমন ঘটনা বারবার ঘটত না ।প্রধানমন্ত্রী বা বিরোধীদলীয় নেত্রী , যারা ক্ষমতার জন্য মানুষের হাত ধরে মায়াকান্না করে । -
ফেরদৌসা২৭ নভেম্বর ২০১২, ২১:৫৯
দেশের হত দরিদ্র মানুষদেরকে বলি - ফিরিয়ে নিন আমাদের লেখা-পড়া, শিক্ষার সনদ আর হাতের লেখার কলম।
এই মনে হয় ভাল । কি হয় লিখে। কিছু লিখলে কি তারা ফিরে আসবে। কিছুই হবেনা।
বার্তা দেখেন। -
নোমান সারকার২৯ নভেম্বর ২০১২, ১২:১০
রব্বানী ভায়ের আজকের লেখাইয় যে মন্তব্যটা করেছি আগে আপনাকে বলছি ,তারপর জিনজির ভাই, আপনার কথার উত্তর দিচ্ছি। আগুন কেউ চায় না। না মালিক না শ্রমিক। এখানে একটি বিল্ডিং কেমন হবে ,এ বিষয়ে মালিকের বুঝার কথা না । এটার এক্সপার্ট একজন আরকিটেক আর ইঞ্চিনীয়ারেরে। তবে বিল্ডিং ডিজাইনের অনেক বিষয় আছে। যেমন বাড়ি ডিজাইন আর হাসপাতাল ডিজাইন বা হোটেল ডিজাইন এক না। একটি পোশাক কারখানায় একটি ফ্লোরে কাজ করে হাজার শ্রমিক ,তাই ডিজাইন ,বিশেষ করে সিড়ির ডিজাইন আলাদা হবে। পোশাক শিল্প মালিকদরা সেই সব তথ্য পেত যদি দেশি আর আন্তর্জাতিক পোশাক কারখানার ডিজাইনের উপর বই থাকত ,এসব থাকতে হবে বা ইন্টারনেটে প্রচুর তথ্য থাকবে। এতে একজন ডিজাইনারের যেমন সুবিধা হবে ,তেমনি একজন কারখানা তৈরি করতে যাওয়া বা কারখানা মালিকের সুবিধা হবে। শ্রমিক মারা যাওয়ার সাথে এই অজ্ঞতা জড়িয়ে আছে।
তবে মালিকের জানা মানে শুধু জানার ভিতর থাকবে। তিনি যদি বলেন না এটি এমন না হয়ে এমন হতে হবে। সাধারনত ব্যক্তি মালিকাধীন বিল্ডিং গুলোতে যা হয়, তখন দেখা যায় বিল্ডিং এর কাজ চলার একটা সময়ে বা শেষ সময়ের দিকে আরকিটেক বা ইঞ্চিনীয়ার সরে যেতে বাধ্য হয়। তখন আসে কাজ করা আমাদের দেশের স্ব ডিগ্রী প্রপ্ত ঠিকাদার বা ফোরম্যান বা ওস্তাকার গন। তারা খুব আত্মবিশ্বাসের সাথে বলে কত দেখলাম ,এই রকম ইঞ্চিনীয়ার।
মালিক কে বুঝাতে পারলেই হলো। এভাবে তারা স্ব ডিগ্রী প্রপ্ত রা কাজ নিয়ে নেয় ব্যস্ত মালিকদের কাছে। আর বিল্ডিং এর বারটা এভাবেই বাজে। অথচ আরকিটেক বা ইঞ্চিনীয়ার কিন্তু কাজ করতে চুক্তিব্দধ হয়েছে ,তাদের সই আছে, কিন্তু টিকতে না পারলে ফেলে ত যেতে হবেই । সুতারাং বিল্ডং এর কাজ শেষ না হওয়া প্যন্ত আরকিটেক বা ইঞ্চিনীয়ারদের সাইন বা ওয়ার্ক সিটে বা লেজারে থাকা বাধ্যতামুলক করে দিতে হবেসরকার আর বিজিএমই কে। যাতে ফেলে আসতে বাধ্য হলে আরকিটেক বা ইঞ্চিনীয়ার বিজিএমই কে জানিয়ে দেয় ঘটনা সমন্ধে বা কোথায় কোথায় মালিক মানেনি,তার ডিটেলস জমা দিবে একটা ব্যবস্থা নিবার জন্য। যাতে কোন মালিক বিল্ডিং বানাওতে গিয়ে কোন মালিক সেবেচ্ছাচারী না হতে পারেন।
এই পোশাক কারখা্নার তিনিটি সিড়ি ছিল কিন্তু তা ভিতরে ছিল, এতে আমি সন্ধিহান। কারন আমার যেহেতু বাড়ি বানানোর মধ্যে একটা দীর্ঘ সময় কেটেছে। আমি আরকিটেক ইঞ্চিনিয়ার ,ফোরম্যান ,ঠিকাদার ,সাপলাইয়ার, লেবার ফ্যাংশন আর সলানোর বিষয়গুলো নিয়ে অনেক ভালো আর মন্দের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। তাই কেন যেন মনে হয়, কাজের কোন একটা সময় কাজ থেকে আরকিটেক বা ইঞ্চিনীয়ার বেড়িয়ে গেছে বা তাদের কথা কে মানা হয়নি। যেমন আমাকে যথেষ্ট বুঝানোর পরও আমি আমাদের রান্নাঘরের বিষয়টা মানি নি । ফলে অনেক কষ্ট এখন আমাকে করতে হচ্ছে। অথচ তখন মনে হচ্ছিল অনেক বিল্ডিং দেখে আমি ও কিছুটা বুঝি । এই যে বিশষজ্ঞ কে অবজ্ঞা করা তা ব্যক্তি মালিকাধীন সব বিল্ডিং হয়ে থাকে। কিন্তু বিল্ডিং হয়ে যাবার পর বুঝে বা সহসা জানতে পারে না যে আমি কি ভুল করেছ কিন্তু তখন আর সময় থাকেনা। কারন সিমেন্টের কাজ চট করে আপনি বারবার ভেঙ্গে ফেলতে পারবেন না।
আমাদের অনেক তাই সমস্যা আছে, কেবল আওইনের প্রয়োগ থাকলে ৪০% আর মালিকের যথেষ্ট জ্ঞান থাকলে সচতনতা বেড়ে গিয়ে ৩০% সমস্যা কমে যাবে। আমার এই অভিজ্ঞতা টি খুবই গুরুত্ব পূর্ণ ।আমি অনেক কাঠ কয়লা পুড়িয়ে এই বিষয়গুলো জেনেছি বলে শেয়ার করতে পারছি। এই টুকু যিনি জানে না উনার এই টুকু তথ্য অনেক অনেক কাজে দিবে। যেমন যদি আমার জানা থাকত তবে অনেক ভুল আমার হত না ,যা এখন বিরক্তের আর কষ্টের কারন হয়েছে।
বিজিএমই কে অনুরোধ করব,তারা যেন আমার পরামর্শ গুলো আমলে নেয়। শুধু এখানে নয় আমি আমার অন্য লেখা আর বিভিন্ন জমের লেখার মন্তব্যে যা লেখেছি তা যেন দেখা হয়,এই অনুরোধটি রইল। -
নোমান সারকার২৯ নভেম্বর ২০১২, ১২:১৪
দুঃখিত রব্বানী ভাই ,এই মন্তব্য গত্রাতে প্রথম আপনার এখানে পস্ট দিয়েছিলাম, কিন্তু আমার নেট লাইনের ঝামেলায় সেটা প্রকাশ হয়নি। তাই আজ দিলাম।তবে শুরুওতে একটু ভুল হয়ে গেল। এখানে আপনাকে উদ্দ্যেশ করে লেখাটা হবে।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
আমরা শোকে হয়েছি কাতর!
বুকে চেপে জগদ্দল পাথর,
পুড়ে ছারখার হচ্ছে গতর!