শনিবার ২৫ মে ২০১৩, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২০ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


আজ সাকিব আল হাসানের জন্মদিন




সাকিব আল-হাসান ( জন্ম: ২৪ মার্চ ১৯৮৭) একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার। ২০০৬ সালের আগস্ট মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে অভিষেক। বাম হাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। বাম হাতি অর্থোডক্স স্পিনার। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

ব্যক্তিগত তথ্য
পুর্ণ নাম সাকিব আল হাসান
জন্ম ২৪ মার্চ ১৯৮৭ (বয়স ২৫)
মাগুরা, বাংলাদেশ
ডাক নাম সাকিব , ফয়সাল
ব্যাটিং স্টাইল বামহাতি
বোলিং স্টাইল বামহাতি অর্থোডক্স
ভূমিকা অলরাউন্ডার
আর্ন্তজাতিক দলগত তথ্য
জাতীয় দল বাংলাদেশ
টেস্ট অভিষেক (cap ৪৬) ১৮ মে ২০০৭ v ভারত
সর্বশেষ টেস্ট ১৭ ডিসেম্বর ২০১১ v পাকিস্তান
ওডিআই অভিষেক (cap ৮১) ৬ আগস্ট ২০০৬ v জিম্বাবুয়ে
সর্বশেষ ওডিআই ২২ মার্চ ২০১২ v পাকিস্তান
ওডিআই জার্সি নম্বর ৭৫
টি-টোয়েন্টি অভিষেক (cap ১১) ২৮ নভেম্বর ২০০৬ v জিম্বাবুয়ে
সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ২৯ নভেম্বর ২০১১ v পাকিস্তান
ঘরোয়া দলগত তথ্য

২০০৪–বর্তনাম খুলনা বিভাগ
২০১০–বর্তনাম ওর্চেস্টারশায়ার
২০১১–বর্তনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স
২০১২–বর্তনাম খুলনা রয়েল বেঙ্গলস

প্রথম জীবনে এবং যুব ক্রিকেটে

তরুণ বয়সেই সাকিব ফুটবল খেলা শুরু করেছিল। তাঁর বাবা খুলনা বিভাগের হয়ে খেলতেন এবং এক কাজিন(মেহেদি হাসান উজ্জ্বল ভাই), বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে। এরকম ফুটবল পাগল পরিবারে বড় হওয়া সত্ত্বেও সাকিবের ক্রিকেট দক্ষতা ছিল অসাধারণ। গ্রাম-গ্রামান্তরে তাঁকে খেলার জন্য ভাড়া করে নিয়ে যাওয়া হত। এরকমই এক ম্যাচে সাকিব এক আম্পায়ারকে অভিভূত করেছিলেন যিনি এরপরে সাকিবকে ইসলামপুর পাড়া ক্লাব (মাগুরা ক্রিকেট লীগের একটি দল) এর সাথে অনুশীলন করার সুযোগ করে দেন। সাকিব তাঁর স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্নক ব্যাটিং ও দ্রুতগতির বোলিং অব্যাহত রাখেন, সেই সাথে প্রথমবারের মত স্পিন বোলিং নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করেন ও সফল হন। ফলস্বরূপ, ইসলামপুর দলে খেলার সুযোগ পান এবং প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন। সত্যিকারের ক্রিকেট বল দিয়ে এটাই ছিল তাঁর প্রথম করা বল। এর আগ পর্যন্ত তিনি টেপড টেনিস বল দিয়েই খেলতেন।
মাত্র পনের বছর বয়সেই সাকিব অনূর্দ্ধ-১৯ দলে খেলার সুযোগ পান। ২০০৫ সালে অনূর্দ্ধ-১৯ ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের ফাইনালে (অপর দুটি দেশ ছিল ইংল্যান্ড ওশ্রীলঙ্কা) মাত্র ৮৬ বলে সেঞ্চুরি করে ও তিনটি উইকেট নিয়ে দলকে জেতাতে সহায়তা করেন তিনি। ২০০৫ থেকে '০৬ সালের মধ্যে সাকিব অনূর্দ্ধ-১৯ দলের হয়ে ১৮টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন। ৩৫.১৮ গড়ে তিনি মোট ৫৬৩ রান সংগ্রহ করেন এবং ২০.১৮ গড়ে নেন মোট ২২টি উইকেট।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সূচনালগ্নে

২০০৬ সালের জিম্বাবুয়ে ট্যুরে সাকিব প্রথমবারের মত বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পান। একই ট্যুরে ওয়ানডে অভিষেক হয় ফরহাদ রেজা ও মুশফিকুর রহিমের। সাকিব ও রেজাকে তখন "দেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় তরুণ প্রতিভা" হিসেবে গণ্য করা হত, সকল ডিপার্টমেন্টে যাদের দক্ষতা অসামান্য। তৎকালীন প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদের বক্তব্য এ প্রসঙ্গে স্মরণযোগ্যঃ "তরুণদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। এখনই সময় তাদের আন্তর্জাতিক লেভেলে খেলার সুযোগ করে দেয়া।" একদিনের আন্তর্জাতিক খেলায় সাকিবের অভিষেক হয় ৬ই আগস্ট। তার প্রথম শিকার হন এল্টন চিগাম্বুরা। ৩৯-১, এই ছিল তাঁর সেদিনকার বোলিং ফিগার। ব্যাট হাতে তিনি ৩০ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন।শাহরিয়ার নাফিস সেদিন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশকে ম্যাচ জেতাতে ভূমিকা রাখেন। ম্যাচটি ছিল সিরিজের শেষ ম্যাচ যাতে জিম্বাবুয়ে ৩-২ ব্যবধানে জয়ী হয়। একই বছর সেপ্টেম্বর মাসে সাকিব, ফরহাদ রেজা ও মেহরাব হোসেন জুনিয়র বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। ফলে, বোর্ডের সাথে চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়ের সঙ্খ্যা ২০ থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ২৩ এ।
ওয়েস্ট-ইন্ডিজ আয়োজিত 'বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০০৭' এ হাবিবুল বাশারের নেত্‌ত্বাধীন ১৫ জনের বাংলাদেশ স্কোয়াডে ডাক পান এই তরুণ ক্রিকেটার । টুর্নামেন্টের দ্বিতীর পর্বে যেতে সক্ষম হয় এই দল এবং ৭ নম্বর টিম হিসেবে টুর্নামেন্ট শেষ করে । শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে দলটি বড়সড় রকমের আপসেটের জন্ম দেয় । তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও সাকিব-তিনজনের হাফ সেঞ্চুরির উপর ভর করে বাংলাদেশ সহজেই ১৯২ রানের টার্গেটে পৌঁছে যায়। টুর্নামেন্টে সাকিব ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আরেকটি হাফ সেঞ্চুরি করেন। ৯ ম্যাচে তিনি ২৮.৮৫ গড়ে ২০২ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেনমোহাম্মদ আশরাফুল (২১৬)। সাকিব ৪৩.১৪ গড়ে ৭টি উইকেটও নেন ।
সে বছরই মে মাসে দুই টেস্ট ও তিন ওয়ানডে'র এক সফরে ভারত বাংলাদেশে আসে। মে মাসের ১৮ তারিখ সাকিবের টেস্ট অভিষেক হয় ভারতের বিপক্ষে। অভিষেকটা ঠিক স্বপ্নের মত হয়নি তার জন্য। এক ইনিংস ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে এই অলরাউন্ডার ২৭ রান করেন এবং ১৩ ওভার বল করে উইকেটশূণ্য অবস্থায় থাকেন। ম্যাচটি ড্র হয়। ভারত টেস্ট সিরিজ জেতে ১-০ ব্যবধানে এবং ওয়ানডে সিরিজ ৩-০ তে। সিরিজ শেষে ডেভ হোয়াটমোর দলের কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দেন এবং হাবিবুল বাশারের স্থলাভিষিক্ত হন মোহাম্মদ আশরাফুল । সেপ্টেম্বর মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা আয়োজিত 'আইসিসি টি-২০ ওয়ার্ল্ড কাপ' এর প্রথম রাউন্ডে ওয়েস্ট-ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয়ের সুবাদে বাংলাদেশ দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার সুযোগ পায় । ম্যাচটিতে সাকিব ৩৪ রানে নেন ৪ উইকেট। সাকিব-ই প্রথম বাংলাদেশী যিনি টি-২০ ফরম্যাটে ৩টির বেশি উইকেট নেয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। অক্টোবর মাসে ঘোষণা করা হয় যে, জিমি সিডন্স, অস্ট্রেলিয়ার তৎকালীন সহকারী কোচ, বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিতে আসছেন । সিডন্স বাংলাদেশের উন্নতিকল্পে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নেন এবং ট্যালেন্টেড তরুণদের আন্তর্জাতিক লেভেলে বেশি বেশি সুযোগ দেবার ঘোষণা দেন।
২০০৭ এর ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ দল দুই টেস্ট ও তিন ওয়ানডে খেলতে নিউজিল্যান্ড আসে । প্রথম টেস্টে খেলার সুযোগ না পেলেও পরের টেস্টেই সাকিব এনামুল হক জুনিয়রকে রিপ্লেস করেন তার ব্যাটিং কোয়ালিটির জন্য। এটা ছিল সাকিবের চতুর্থ টেস্ট। তখন পর্যন্ত সাকিব টেস্টে উইকেটশূণ্য ছিলেন। সাকিবের প্রথম টেস্ট শিকার হন নিউজিল্যান্ডের ক্রেইগ কামিং। নিউজিল্যান্ড জেতে এক ইনিংস ও ১৩৭ রানে। ওয়ানডে সিরিজেও নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করে। তিন ম্যাচে সাকিব ১০.৩৩ গড়ে ৩১ রান করেন এবং ৪২.৩৩ গড়ে তিনটি উইকেট নেন। ২০০৮ এর ফেব্রুয়ারী-মার্চে দুই টেস্ট ও তিন ওয়ানডে খেলার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ সফরে আসে। দুটো টেস্টেই সফরকারী দল জয়লাভ করে। সাকিব ১২২ রান দিয়ে মাত্র একটি উইকেট নেন এবং ব্যাট হাতে ৭৫ রান করেন। ওয়ানডে সিরিজেও দক্ষিন আফ্রিকা ৩-০ তে জয় পায়। এ সিরিজেই সাকিব ওয়ানডেতে ১০০০ রানের মাইলস্টোন অতিক্রম করেন। ৩৯টি ম্যাচ খেলে সাকিবের ব্যাটিং গড় তখন ৩৫.৩৭।

বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার হয়ে ওঠা (২০০৮-২০০৯)

একজন অলরাউন্ডার হওয়া সত্ত্বেও অক্টোবর,২০০৮ এর নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ ট্যুরের আগ পর্যন্ত সাকিবকে বোলার নয়, ব্যাটসম্যান হিসেবেই গণ্য করা হত। টেস্টে সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামলেও ওয়ানডেতে কিন্তু প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের মধ্যেই থাকতেন তিনি। ট্যুরের আগ দিয়ে কোচ জিমি সিডন্স জানালেন, সাকিবকে স্পেশালিস্ট বোলার হিসেবেই টেস্ট সিরিজ খেলানো হবে। কোচকে হতাশ করেননি সাকিব। উদবোধনী টেস্টের প্রথম ইনিংসেই তিনি ৩৭ রান দিয়ে তুলে নেন ৭টি উইকেট। তখন পর্যন্ত কোন বাংলাদেশী বোলারের টেস্টে এটাই ছিল বেস্ট বোলিং ফিগার। বাংলাদেশ সিরিজ হারে ২-০ তে, কিন্তু সাকিব ১৭.৮০ গড়ে ১০টি উইকেট নিয়ে সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হন। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচটিতে বাংলাদেশ জয় পায়। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডেতে এটাই ছিল বাংলাদেশের প্রথম জয় । শেষ পর্যন্ত অবশ্য স্বাগতিক দল সিরিজ হারে ২-১ এ । সাকিব ৩ ম্যাচে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে মাশরাফি মুর্তজা (৭ উইকেট)'র পেছনে থেকে সিরিজে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হন ।
পরের মাসেই বাংলাদেশ দল দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও একটি টি-২০ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যায় । সাকিবের বোলিং পারফরম্যান্স এখানেও অব্যাহত থাকে। প্রথম টেস্টের প্রথম দিন সাকিব উইকেটশূণ্য থাকলে মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন, বাংলাদেশের তৎকালীন সহকারী কোচ, তাকে বলে 'ফ্লাইট' দেবার পরামর্শ দেন। গুরুর উপদেশ শিরোধার্য করে সাকিব দ্বিতীয় দিনেই পাঁচ-পাঁচটি উইকেট তুলে নেন। দ্বিতীয় টেস্টে সাকিব আবারও এক ইনিংসে ৫ উইকেট তুলে নেন। সিরিজ শেষে সাকিবের ঝুলিতে জমা হয় ২০.৮১ গড়ে ১১টি উইকেট । সাকিবের বোলিং দেখে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়ার সাবেক লেগ স্পিনার ক্যারি ও' কীফে তাকে 'বিশ্বের সেরা ফিঙ্গার স্পিনার' হিসেবে অভিহিত করেন। ২০০৮ এর ডিসেম্বর মাসে শ্রীলঙ্কা এদেশে দুটি টেস্ট ও একটি ত্রিদেশীয় ওয়ানডে টুর্নামেন্ট (অপর দলটি ছিল জিম্বাবুয়ে) খেলতে আসে । দুটো টেস্টই শ্রীলঙ্কা জিতে নেয়। সেই সাথে ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনালও। গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য সাকিবের করা ৯২* রানের ইনিংসটি বাংলাদেশকে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজের একমাত্র জয়ের স্বাদ এনে দেয় । সাকিব ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন।
২২ জানুয়ারী, ২০০৯ সাকিব আইসিসি'র ওডিআই অলরাঊন্ডার এর র‍্যাংকিং এ ১ নম্বরে উঠে আসেন । ২০১১ সালে আইপিএল এর নিলামে তাকে ৪ লাখ ২৫ হাজার ডলারের বিনিময়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স কিনে নেয়।

সহ-অধিনায়কের দায়িত্বে
২০০৯ এর শুরুতে বাংলাদেশের টানা কয়েকটি হার এবং দীর্ঘ রানখরার কারণে আশরাফুলের অধিনায়কত্ব প্রশ্নের সম্মুখীন হয়। তখন থেকেই বিসিবি সাকিবকে জাতীয় দলের 'সম্ভাব্য কর্ণধার' হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে। বিসিবি অবশ এতো দ্রুত সাকিবের কাঁধে অধিনায়কত্বের বোঝা চাপিয়ে দেয়ার পক্ষপাতী ছিল না। পরবর্তীতে 'টি-২০ ওয়ার্ল্ড কাপ,২০০৯' এর প্রথম পর্বেই বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড ও ভারতের কাছে হেরে বিদায় নেবার ফলে আশরাফুলের অধিনায়কত্বের বিষয়টি আবার সামনে চলে আসে। জুন,২০০৯ এর মাশরাফিকে অধিনায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়, সাকিবকে করা হয় সহ-অধিনায়ক।
জুলাই মাসে বাংলাদেশ ওয়েস্ট-ইন্ডিজ সফরে যায়। প্রথম টেস্টেই মাশরাফি হাঁটুর ইনজুরিতে আক্রান্ত হন। খেলার শেষ দিনে তিনি মাঠেই নামতে পারেননি এবং তার জায়গায় অধিনায়কত্ব করেন সাকিব। অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়ে সাকিব যেন নতুন রূপে জ্বলে ওঠেন। তিনি ও মাহমুদউল্লাহ বাংলাদেশের বোলিং অ্যাটাকের নেত্‌ত্ব দেন এবং দু'জনে মিলে মোট ১৩টি উইকেট তুলে নিয়ে দেশকে এক ঐতিহাসিক জয় এনে দেন। দেশের বাইরে এটাই ছিল বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়। ওয়েস্ট-ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম এবং সর্বসাকুল্যে দ্বিতীয় টেস্ট বিজয়। ওয়েস্ট-ইন্ডিয়ান দলটি অবশ্য খানিকটা অনভিজ্ঞ ছিল। বেতনাদি নিয়ে তখন ওয়েস্ট-ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ও 'খেলোয়াড় সংগঠন'এর মধ্যে রেষারেষি চলছিল। দলের প্রথম একাদশ এ সিরিজটি বর্জন করে এবং সম্পূর্ণ নতুন একটি দল মাঠে খেলতে নামে। সাতজন খেলোয়াড়ের টেস্ট অভিষেক হয় এই ম্যাচে। দলের নেতৃত্ত্বে ছিলেন ফ্লয়েড রেইফার, যিনি কিনা শেষ ১০ বছরে মাত্র ৪টি টেস্ট খেলেছিলেন।

অধিনায়কের দায়িত্বে (২০০৯-২০১০)

ওয়েস্ট-ইন্ডিজ
মাশরাফির ইনজুরিজনিত অনুপস্থিতির কারণে সিরিজের বাকি সময়টা সাকিবই বাংলাদেশকে নেত্‌ত্ব দেন। ২২ বছর ১১৫ দিন বয়সে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ ও ইতিহাসের পঞ্চম কনিষ্ঠতম অধিনায়ক হিসেবে যাত্রা শুরু করেন তিনি। সাকিবের নেত্‌ত্বে বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টও জিতে নেয় এবং দেশের বাইরে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় । ব্যাট হাতে ১৬ ও ৯৬* রান করে এবং বল হাতে ৫৯/৩ ও ৭০/৫ উইকেট নিয়ে সাকিব ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ ও ম্যান অফ দ্যা সিরিজ-দুটো পুরস্কারই নিজের ঝুলিতে পুরেন। গোটা সিরিজে তিনি ৫৩.০০ গড়ে ১৫৯ রান করে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার হন এবং ১৮.৭৬ গড়ে ১৩ উইকেট নিয়ে কেমার রোচের সাথে যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হন । টেস্ট সিরিজ ২-০ তে জেতার পর বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজও ৩-০ তে জেতে। সিরিজে সাকিব দুটি হাফ-সেঞ্চুরি করেন। ব্যাটিং গড় ছিল ৪৫.০০ । ৪৮.০০ গড়ে তিনি দুটো উইকেটও নেন। এই অনবদ্য পারফরম্যান্সের জন্য ওয়ানডে সিরিজেও তিনি 'সেরা খেলোয়াড়ে'র খেতাব জিতে নেন।
জিম্বাবুয়ে
মাশরাফি ইনজুর্‌ড থাকায় সাকিবকেই আগস্ট মাসে জিম্বাবুয়ে ট্যুরে অধিনায়ক পদে বহাল রাখা হয়। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সাকিব মাত্র ৬৪ বলে ১০৪ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর গড়তে ও দলকে ২-০ তে এগিয়ে যেতে সহায়তা করেন । সাকিব সিরিজ শেষ করেন ৪২.৫০ গড়ে ১৭০ রান করে, পঞ্চম সর্বোচ্চ স্কোরার হিসেবে। ৩৯.৬৬ গড়ে নেন মোট ৬ট উইকেট। ৪-১ এ সিরিজ জয় শেষে কুঁচকির ব্যথা সারানোর জন্য সাকিব অস্ট্রেলিয়া পাড়ি জমান । ওয়েস্ট-ইন্ডিজ সফর থেকেই ব্যথাটা তাকে ভোগাচ্ছিল। ব্যথাকে উপেক্ষা করেই তিনি জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে নেত্‌ত্ব দেবার সিদ্ধান্ত নেন। পুরো বছর জুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে সাকিব আইসিসি কর্ত্‌ক 'টেস্ট প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার, ২০০৯' ও 'ক্রিকেটার অফ দ্যা ইয়ার, ২০০৯' এর জন্য মনোনীত হন। সাকিবই প্রথম বাংলাদেশী যিনি এ ধরণের ক্যাটাগরীতে মনোনয়ন পেয়েছেন।
২০০৯ এর সেপ্টেম্বরে ঘোষণা করা হয় যে, পরের মাসে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ানডে সিরিজে মাশরাফি-ই বাংলাদেশকে নেত্‌ত্ব দেবেন এবং সাকিব আবারও সহ-অধিনায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন [। কিন্তু মাশরাফি হাঁটুর ইনজুরি থেকে সময়মত সেরে উঠতে না পারায় সাকিবকেই অধিনায়কের দায়িত্ব দেয়া হয় । উদ্বোধনী ম্যাচে হারলেও সাকিবের নেতত্বে বাংলাদেশ ঠিকই ঘুরে দাঁড়ায় [এবং ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় । নভেম্বর মাসে 'দ্যা উইজডেন ক্রিকেটার্স' সাকিবকে 'বছরের সেরা টেস্ট ক্রিকেটার' ঘোষণা করে।
ইংল্যান্ড ট্যুর ও এশিয়া কাপ
২০১০ এর ফেব্রুয়ারী-মার্চে দুই টেস্ট ও তিন ওয়ানডে খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসে ইংল্যান্ড। সবগুলো ম্যাচেই ইংল্যান্ড জয় পায়। টেস্ট ও ওয়ানডে- দুটোতেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী ছিলেন সাকিব (টেস্টে ৯ উইকেট ও ওয়ানডেতে ৫ উইকেট) । দ্বিতীয় টেস্টের দু'ইনিংসে সাকিব যথাক্রমে ৪৯ ও ৯৬ রান করেন এবং ১২৪ রান দিয়ে নেন ৪টি উইকেট। দুটো টেস্টই শেষ দিন পর্যন্ত গড়িয়েছিল। ম্যাচের ত্‌তীয় দিনে আম্পায়ারের কিছু ভুল সিদ্ধান্ত অবশ্য যথেষ্ট বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। ম্যাচে দুর্ভাগ্যজনক হারের জন্য সাকিব আম্পায়ারদের পরোক্ষভাবে দোষারোপ করেন। সে বছরই মে মাসে বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ট্যুরে যায়। এবারও বাংলাদেশ ২-০তে টেস্ট সিরিজ হারে এবং ৮টি উইকেট নিয়ে সাকিব সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হন। ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে দিয়ে বাংলাদেশ 'এশিয়া কাপ, ২০১০' খেলার উদ্দেশ্যে শ্রীলঙ্কা যায়। তিনটি ম্যাচের প্রতিটিতেই বাংলাদেশ হারে । সাকিব ও শফিউল ৫টি করে উইকেট নিয়ে যৌথভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হন।
অধিনায়ক হিসেবে সাকিব নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছিলেন না। সেই সাথে অলরাউন্ডার হিসেবেও নিজের সেরাটা দিতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন। এই দ্বিবিধ জটিলতার কারণে জুলাই মাসে সাকিব অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। দলের দায়িত্ব পুনরায় মাশরাফির কাঁধে বর্তায়। ব্যাপারটাকে সিডন্স ব্যাখ্যা করেন এভাবে, "দেখুন, সাকিব বুঝেশুনেই সিদ্ধান্তটা নিয়েছে। ব্যাটিংয়ে ওর ফর্মটা খারাপ যাচ্ছিল। ওর একটু রেস্ট দরকার ।" শ্রীলঙ্কা থেকে ফিরে এসে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ প্রথমবারের মত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইংল্যান্ডকে হারাতে সমর্থ হয় । বাংলাদেশ সিরিজ হারে ২-১ এ। ইংল্যান্ড সফর শেষে বাংলাদেশের আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি এবং স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১টি করে ওয়ানডে খেলার কথা ছিল। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয় এবং আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ড-উভয়ের কাছেই বাংলাদেশ হারে ।
জুলাই মাসে সাকিব পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী ইংল্যান্ডের সেকেন্ড ডিভিশন কাউন্টি দল উর্চেস্টারশায়ারে যোগ দেন। সাকিবই প্রথম বাংলাদেশী যিনি কাউন্টিতে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। এ দলের পক্ষেই সাকিব করেন তাঁর ফার্স্টক্লাস ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং (৩২/৭, মিডলসেক্সের বিরুদ্ধে)। ৮টি ফার্স্টক্লাস ম্যাচ খেলে সাকিব ২৫.৫৭ গড়ে করেন ৩৬৮ রান এবং ২২.৩৭ গড়ে নেন মোট ৩৫টি উইকেট । উর্চেস্টারশায়ার প্রথম ডিভিশন লীগে উন্নীত হয় এবং সাকিবও দলের হয়ে ৫টি ওয়ানডে খেলার সুযোগ পান। দুটো অর্ধ-শতকের সাহায্যে সাকিব ৩৭.৪ গড়ে করেন ১৮৭ রান এবং ১৭.৭৭ গড়ে নেন ৯টি উইকেট ।
নিউজিল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে
অক্টোবর, ২০১০ এ পাঁচ ওয়ানডে'র একটি সিরিজ খেলতে নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশে আসে। প্রথম ম্যাচেই মাশরাফি অ্যাংকেল ইনজুরির শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। ফলশ্রুতিতে সাকিব অধিনায়কের দায়িত্ব নেন। সাকিব একেবারে সামনে থেকে দলকে নেত্‌ত্ব দেন। ব্যাট হাতে করেন ৫৮রান, বল হাতে নেন ৪টি উইকেট। দল জেতে ৯ রানে । চতুর্থ ম্যাচে সাকিব আবারও শতক হাঁকান এবং তিন উইকেট নিয়ে দলের বিজয় নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশ সিরিজ জেতে ৪-০তে । পূর্ণশক্তির কোন টেস্ট খেলুড়ে দলের বিরুদ্ধে এটাই বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ জয়। ২১৩ রান করে সাকিব সিরিজের সর্বোচ্চ স্কোরার হন এবং ১১ উইকেট নিয়ে হন সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী।
ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়ে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসে। মাশরাফি ততদিনে ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফিরেছেন। এতদ্‌সত্ত্বেও সাকিবকেই দলের অধিনায়ক পদে বহাল রাখা হয়। প্রথম ম্যাচে পরাজয়র পর প্রেস কনফারেন্সে সাকিব বলেন, "দায়িত্বটা নিতে আমি ঠিক মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না এবং অধিনায়ক হিসেবে আমার ভূমিকা নিয়েও আমি সন্তুষ্ট না ।" সিরিজের বাকি তিনটি ম্যাচেই বাংলাদেশ জয় পায় , একটি ম্যাচ ব্‌ষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়। ১৫৬ রান করে সাকিব বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার হন, বল হাতে নেন ৯টি মূল্যবান উইকেট ।

অধিনায়কত্ব হারানোর পরবর্তী সময় (২০১১–বর্তমান)
নতুন নেতৃত্বের বাংলাদেশ দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে নামে অক্টোবর ২০১১। অধিনায়কত্ব থেকে মুক্তির পর,বাংলাদেশী হিসেবে টেস্ট এবং ওডিয়াই-তে সর্বাধিক উইকেট শিকারী হন,এরপর, সাকিব বাংলাদেশের শীর্ষ রানকারী এবং উইকেট শিকারী হন [বাংলাদেশে পাকিস্তান দল ২০১১–১২| দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজ]]২০১১ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে।সিরিজের ২য় টেস্টে তিনি প্রথম বাংলাদেশী খেলোয়াড় হিসেবে একটি শতরান (তাঁর সেরা ইনিংস ১৪৪) এবং একই টেস্টে ৫ উইকেট নেন ।সিরিজের পর তিনি আইসিসির টেস্ট র‍্যাঙ্কিং এ ১ নম্বরে উঠে আসেন।
দেশী-বিদেশী সবাইকে পেছনে ফেলে বিপিএলের প্রথম আসরের সেরা খেলোয়াড় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। সেই সাথে পুরস্কার হিসেবে হিরো কোম্পানীর গাড়ীটি নিজের করে নেন সাকিব। ১১ ম্যাচে এক ফিফটিতে ২৮০ রান আর বল হাতে ৪২ ওভারে ২৯৯ রানের খরচায় ১৫ উইকেট শিকার করে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতায় কোনো প্রশ্নে মুখে পড়েননি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। গাড়ি নিয়ে পুরো মিরপুর স্টেডিয়ামে ঘুরলেন সাকিব। বিপিএল আসল হিরোতো সাকিবই। এশিয়া কাপের সেরার পুরস্কার অন্য কারও হাতে গেলে তা বড় অবিচার হতো। ৪ ম্যাচে ৫৯.২৫ গড়ে ২৩৭ রান। সঙ্গে ৪০ ওভার বল করে ১৯৯ রান দিয়ে ৬ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সের পর টুর্নামেন্ট সেরা হতে তাই মোটেই বেগ পেতে হয়নি সাকিবকে। তোর জন্ম দিনে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা।


আমি ও সাকিব

মনে পড়ে সেই শৈশবের দিনগুলো, স্কুলের দিনগুলো। আম বাগানে খেলাএ স্মৃতি, অথবা ৫০,১০০ অথবা ২০০ টাকায় খ্যাপ খেলতে যাওয়া। অথবা স্কুল মাঠে খেলা। বন্ধু ভাল থাকিস। তোকে পারতে হবে ১৬ কোটি মানুষের মুখের হাসি যুগাতে। ক্লাস ৯ থেকে ফয়সাল(সাকিব) বিকেএসপিতে চলে আসে। তবু থাকে বন্ধন। অনেক আগে একটা নিউজ পড়েছিলাম, মাগুরাতে সাকিবের কোন বন্ধু নেই। কিছু স্মৃতি তুলে ধরলাম।


ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিজয়ের পর বন্ধুদের পক্ষ থেকে মাগুরা আসাদুজ্জামান মিলনায়তনে বরণ করে নিচ্ছি আমি।


এই সেই মডেল স্কুলের মাঠে, যেখানে বেড়ে উঠা। এবার ঈদের পরদিন খেলার পরে তোলা ছবি।


রাতে ছাগল দিয়ে পিকনিকে সাকিব ও আমরা বন্ধুরা। ২০১০ সালে।


অলস দুপুরবেলা মাগুরা রামনগর এক বন্ধুর ফার্মে আমরা কজন।

তথ্যসুত্র- ১) উইকিপিডিয়া
২) ক্রিকইনফো
১০৫ টি মন্তব্য
agnidiptoshimanto মোঃ মুজিব উল্লাহ২৩ মার্চ ২০১২, ২৩:৫৬
শুভ জন্মদিন সাকিব আল হাসান

চমৎকার তথ্যসমৃদ্ধ পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ সফেদ কুহেলি ভাই
attariq সফেদ কুহেলি২৩ মার্চ ২০১২, ২৩:৫৯
মুজিব ভাই আপনাকে।

মোবাইলে রিমাইন্ডার ১০টার সময় মনে করিয়ে দিলো, তাই অনেকটা তড়িঘড়ি করে লেখা। ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলা। আরো কিছু তথ্য দিন ভাই, যেমন কোন দেশের বিপক্ষে কত রান ও উইকেট।
rinku1977 মিনহাজ আহমেদ২৪ মার্চ ২০১২, ০০:০৩
অসাধারণ পোস্ট। শুভ জন্মদিন সাকিব। তোমার সাথে গোটা দেশবাসী আছে।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:০৬
মিনহাজ ভাই আপনাকে
Shohiduzzaman পাপলু বাঙ্গালী২৪ মার্চ ২০১২, ০০:০৪
অনেক ধন্যবাদ বিশাল তথ্য পেলাম ।
আপনাকে পেলাম সাকিবের বন্ধু হিসেবে এদিক থেকে আপনেও বস অলরাউণ্ডার।
শুভজন্মদিন সাকিব।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:০৭
পাগলু ভাই আপনাকে।


আপনাকে পেলাম সাকিবের বন্ধু হিসেবে এদিক থেকে আপনেও বস অলরাউণ্ডার।

কি যে কন ভাই
Shohiduzzaman পাপলু বাঙ্গালী২৪ মার্চ ২০১২, ০০:১৯
সাকিবের হয়ে আমাদের কিছু খাওয়ান দেন........
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:৩৪



ভাই খাইবেন আর দোয়া করবেন যেন ও পারে
miufaysal পেনিসিলিন ফয়সাল২৪ মার্চ ২০১২, ০০:০৫
শুভ জন্মদিন সাকিব..............
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:০৯
ফয়সাল ভাই আপনাকে।

ডাক নাম সাকিব , ফয়সাল আমরা বন্ধুরা এখনো এই নামে ডাকি
hkabir78 হুমায়ুন কবির বিদ্যুৎ২৪ মার্চ ২০১২, ০০:১১
ভাই, আপনি তো ২৪ তারিখের পোষ্ট ২৩ তারিখে মারছেন। হা.হা..হা...। অনেক ধন্যবাদ।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:১৬
বিদ্যুৎ ভাই আপনাকে।

আপনি ২৪ মার্চ ২০১২, ০০:১১ মন্তব্য করেছেন।

লেখাটি দিয়েছিলাম ১১টা ৩৫ মিনিটে, সঞ্চালক মহাদয় দয়া করে সময়মত পোস্টটি ছেড়েছেন। তাই একটু আগে এসেছে।

শুভেচ্ছা রইল
hkabir78 হুমায়ুন কবির বিদ্যুৎ২৪ মার্চ ২০১২, ০০:২১
কুহেলি ভাই, আমিও একটা পোষ্ট করেছি। করেই দেখি আপনারটা। তবে, আপনি সাকিবের বন্ধু হন জেনে খুব ভালো লাগল।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:২৭
আপনার লেখার অপক্ষায় থাকলাম

ভাল থাকুন সতত
MainulAmin মাইনুল আমিন২৪ মার্চ ২০১২, ০০:১৫
শুভ জন্মদিন সাকিব আল হাসান।
সাবাস হীরে-সোনা বাংলাদেশের।
সাবাস বাংলাদেশ! এগিয়ে চল।

"কেঁদোনা- সাকিব তামিম মুশফিকুর ক্রিকি যোদ্ধারা-
তোমরা হারোনি-
হারাওনি আমাদেরকেও।

ষোলকোটি মানুষেরে দাঁড় করিয়েছো একটি বিন্দুপাঠে
জয়ের কী অদম্য নেশায় আমরা আজ এক হয়ে গেছি
দল মত ভেদাভেদ সব ভুলে সোনালী কবিতার মাঠে।"

"কী অজোর কবিতা তোমরা শোনালে-
বাঁধভাঙ্গা অশ্রু-হাসি তুলে বিনম্রতায়
বিন্দু বিন্দু অশ্রু-শোকের পাহাড় ডিঙ্গিয়ে
কাল ভোরের নিরাপদ নিশ্চিত স্বপ্নডাঙায়।"

তোমার জন্যে আমারও ভালবাসা নিরন্তর..............।।

তোমরা পারবে- আমাদের অসমাপ্ততা ভেঙ্গে দিতে
কপট হানাহানি হিংসা দ্বেষ তাড়াতে এদেশ হতে
আমরা বয়ো:গতরা ক্ষত-বিক্ষত ভুলগুলো ভালবাসি
আজও এক হতে জানি না কোনমতে।
তোমাদের হাতে ভুলগুলো তাড়া খাক আজ হতে।

সব ভার আজ তোমাদের সাহসে ভর করে
ঐক্যের মুক্তির বিজয়ের সোনালী প্রত্যাশার
তোমাদের হাত ধরে আসুক সেই মহাক্ষণটি
আগামি দিনের সকল সোনালী কাব্য লিখার।
তোমার জন্যে আমারও ভালোবাসা............................নিরন্তর।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:২০
মাইনুল ভাই আপনাকে সুন্দর কবিতা উপহার দেবার জন্য।


সাকিব,তামিম, নাসির তোমরা অম্লান
অবাক পৃথিবী দেখে তোমাদের সম্মান
দেশের সোনার ছেলেরা হলে তোমরা
হৃদয়মাঝে পূজিত করব আমরা।
আমার লেখা।
সাকিব তামিম নাসির ওরা
করবে বিশ্ব জয়
এগিয়ে যাবে দৃঢ় পায়ে
করবে না আর ভয়

রশীদ জামীল ভাই এর লেখা।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ মার্চ ২০১২, ০০:১৯
আমি ও সাকিব--------- আমিটাকে আলাদা করে চিনিয়ে দেয়ার জোর দাবি জানাই
সাকিবের জন্য শুভ কামনা।

---------------
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:২৩
জামীল ভাই আপনার চশমা কোথায়? চশমা পরলে চিনতে পারবেন।

১ম ছবিতে পতাকা হাতে।
২য় ছবিতে ফয়সালের পাশে তারেক
৩য় ছবিতে মোবাইল হাতে
৪র্থ ছবিতে গামছা মাথায় হলাম আমি

চিনতে পেরেছেন
Rjamil রশীদ জামীল২৪ মার্চ ২০১২, ০০:২৬
চেনা চেনা লাগছে
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:২৯
বলেছিলাম চশমা পরলে চিনতে পারবেন
Rjamil রশীদ জামীল২৪ মার্চ ২০১২, ০০:৪১
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:৪৩
এইবার হইছে

ভাই আপনার জন্য একটা সীল তৈরি করেছি নিবেন নাকি
Rjamil রশীদ জামীল২৪ মার্চ ২০১২, ০১:০৬
দেখি?
পশন্দ লাগলে পইসা, নাইলে নাই
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০১:১৪
চলবে
Rjamil রশীদ জামীল২৪ মার্চ ২০১২, ০১:১৬
এইটা কি !!!
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০১:১৭
পুরা আপনার লাইগা
Trinity ট্রিনিটি ২৪ মার্চ ২০১২, ০০:২১
ভাই জানতাম না যে সাকিব আপনার বন্ধু। আমার হয়ে সাকিবকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা পৌছে দিবেন।
আর সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:২৫
ট্রিনিটি ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভেচ্ছা পৌছে দেব।

ভাল থাকুন সতত
meherajsarmin1 পাহাড়ী২৪ মার্চ ২০১২, ০০:২২
পড়তে পড়তে একটু আনমনা হয়ে গেলাম... অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটা পোষ্টের জন্য...
শুভ জন্মদিন সাকিব... ওর জন্য অনেক ভালোবাসা ...।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:৩৫
পাহাড়ী আপনাকে

ভাল থাকুন সতত
vuterachor ভূতের আছড় ২৪ মার্চ ২০১২, ০০:৫০
ওরে মাওলা এতো বড় পোস্ট
ভালো লাগলো
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০০:৫৪
ভুতের আছড় ভাই আপনাকে।

অনেক বড় করে ফেলেছি

তারপরো কত কিছউ বাকি
Badal1995 শওকত হোসেন বাদল২৪ মার্চ ২০১২, ০০:৫৯
বস লেখা ছক্কা !
ভাল লেগেছে।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০১:০৫
বাদল ভাই আপনাকে।

শুভেচ্ছা প্রিয়
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন২৪ মার্চ ২০১২, ০১:১১
সাকিব আপনার বন্ধু, আমরা আপনার ব্লগ বন্ধু । তারমানে তো সাকিব আমারও বন্ধু। এইজন্য সাকিব কে বেশি বেশি জন্মদিনের শুভেচ্ছা ।
আপনাকে ধন্যবাদ কিছু দুর্লভ ছবি দেওয়ার জন্য ।আমরা দুজনেরই ছবি দেখতে পেলাম ।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০১:১৯
জেসমিন আপনাকে

সাকিব আপনার বন্ধু, আমরা আপনার ব্লগ বন্ধু । তারমানে তো সাকিব আমারও বন্ধু। এইজন্য সাকিব কে বেশি বেশি জন্মদিনের শুভেচ্ছা । অতি অবশ্যয়।

শুভেচ্ছা রইল
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন২৪ মার্চ ২০১২, ০১:৩৩
আপনার এই ধন্যবাদ সিল টা আমার পছন্দ হয়নি । কেমন কমার্শিয়াল লাগে। কিছু মনে করেন নি তো ?
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০১:৪১
না আমি কিছু মনে করে নাই, দেখুন তো এইটা পছন্দ হয় কিনা

শুভেচ্ছা প্রিয়
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন২৪ মার্চ ২০১২, ১৫:৩৯
হুম খুব পছন্দ হয়েছে । অনেক ধন্যবাদ ।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১৭:১১
জেসমিনপা ধন্যবাদ
sujonsarkar অনিন্দ্য অন্তর অপু২৪ মার্চ ২০১২, ০১:১৭
শুভ জন্মদিন। দারুণ সাকিব আপনার বন্ধু.।। শুভেচ্ছা নিবেন

attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০১:২১
অপু আপনাকে, সুন্দর কেকের লাইগা।

ভাল থাকুন প্রিয়
sujonsarkar অনিন্দ্য অন্তর অপু২৪ মার্চ ২০১২, ০৯:২৩
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১০:৩১
ripon89 রিপন ঘোষ২৪ মার্চ ২০১২, ০১:৫৮
সুন্দর পোষ্ট। প্রিয় সাকিবের জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০২:০৩
রিপন ভাই আপনাকে।

ভাল থাকুন সতত
Nisshongo01 নিঃসঙ্গ আমি২৪ মার্চ ২০১২, ০২:২৩
পড়ে ভালো লাগলো......অনেক তথ্যই জানতাম না!

ধন্যবাদ কুহেলি ভাই!

সেই সাথে শুভ জন্মদিন সাকিব ভাই, বিকেএসপির ক্যান্টিনে তোমার সাথে চা খাওয়ার সুযোগ হয়েছিল, সেইদিন আমাকে বিল দিতে দাও নি, সে ঋণ আমি ভূলি নি!
মনে থাকবে আজীবন!
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ০২:৩২
নিঃসঙ্গ আমি আপনাকে।

ভাল থাকুন প্রিয়
Mahfuz318 মাহফুজ আন্দালিব২৪ মার্চ ২০১২, ০৩:৩৫

শুভ জন্মদিন। সুন্দর হোক সাকিবের জীবন, সাকিবময় হোক বাংলাদেশের ক্রিকেট।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১০:২৫
আন্দালিব ভাই ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর এই কেক উপহার দেবার জন্য।

ভাল থাকুন প্রিয়
kamaluddin কামাল উদ্দিন২৪ মার্চ ২০১২, ০৭:১৫
বাংলাদেশে আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্রিকেটারকে ফুলেল শুভেচ্ছা.......
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১০:২৬
কামাল ভাই ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর এই ফুল উপহার দেবার জন্য।

ভাল থাকুন প্রিয়
kabul2010 নাসির আহমেদ কাবুল২৪ মার্চ ২০১২, ০৭:৫৭
তথ্যসমৃদ্ধ পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ শুভ সকাল।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১০:২৭
কাবুল ভাই শুভ সকাল।

ধন্যবাদ আপনাকে

ভাল থাকুন প্রিয়
linajambil লিনা জামবিল২৪ মার্চ ২০১২, ০৮:৫০
সুন্দর তথ্য তুলে ধরার জন্য অভিনন্দন
সাথে সাকিবের জন্য --শুভ জন্মদিন--------
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১০:২৮
লিনা জামবিল

ধন্যবাদ আপনাকে

ভাল থাকুন প্রিয়
pramanik99 শ‍হীদুল ইসলাম প্রামানিক২৪ মার্চ ২০১২, ০৯:২৬
তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১০:২৯
শহীদুল ভাই শুভেচ্ছা রইল।

ধন্যবাদ আপনাকে

ভাল থাকুন প্রিয়
jafria জাফিরয়া২৪ মার্চ ২০১২, ১০:১১
অনেননননননন.............ক ভালোবাসা সাকিব-এর জন্য..........
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১০:৩০
জাফিরয়া ভাই আপনাকে।



ভাল থাকুন প্রিয়
mdumeralikhan মোঃউমর আলী খান২৪ মার্চ ২০১২, ১০:৪৪
শুভ জন্মদিন সাকিব ভাই
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১০:৫৫
উমর ভাই ধন্যবাদ
Smiqbal11 এস এম ইকবাল হুসাইন২৪ মার্চ ২০১২, ১১:৪৩
আমার পক্ষ খেকে আপনাদের দুজনকে শুভেচ্ছা ।
Smiqbal11 এস এম ইকবাল হুসাইন২৪ মার্চ ২০১২, ১১:৫০
বুঝতে পারলাম না আমি তো মাত্র একবার পোষ্ট টি দিলাম কিন্তু তিন তিন বার দেখাচ্ছে কেন ? আমার পোষ্টটিতে একটা ছোট ভুল দেখতে পাচ্ছি সঠিকটা পুনরায় লিখলাম

""আমার পক্ষ থেকে আপনাদের দুজনকে শুভেচ্ছা ""
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১১:৫৩
ধন্যবাদ ইকবাল ভাই।

আগের দুটি মুছে দিয়েছি।

ভাল থাকুন প্রিয়
dollar জিনজির২৪ মার্চ ২০১২, ১১:৫৩
বাংলাদেশের ‍কীর্তিমান সোনার টুকরা ছেলে সকিব আল হাসানের জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। এই কীর্তিমানের জন্য দোয়া রইল। কামনা রইল, প্রকৃতি যেন তার মঙ্গলময় হাত দিয়ে একে ছুয়ে আরও মহান খেলোয়াড়ে পরিনত করুন। আমরা সম্মানিত হই তার সম্মানে। তার জীবন শুভ হোক।

সফেদ কুহেলি ভাইজান, আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ এই চমৎকার পোষ্টটি দেওয়ার জন্য। আপনার কল্যানে আমরা অনেক কিছু জানতে পারলাম। ভাল থাকুন। অনেক ভাল থাকুন।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১১:৫৫
জিনজির ভাই আপনাকে।

বাংলাদেশের ‍কীর্তিমান সোনার টুকরা ছেলে সকিব আল হাসানের জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। এই কীর্তিমানের জন্য দোয়া রইল। কামনা রইল, প্রকৃতি যেন তার মঙ্গলময় হাত দিয়ে একে ছুয়ে আরও মহান খেলোয়াড়ে পরিনত করুন। আমরা সম্মানিত হই তার সম্মানে। তার জীবন শুভ হোক।


শুভেচ্ছা জানবেন প্রিয়
Niloy1073 নির্ঝর নাসির২৪ মার্চ ২০১২, ১৪:৪৭
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১৭:০৮
মুন ভাই ধন্যবাদ
shahidulhaque77 শাহিদুল হক২৪ মার্চ ২০১২, ১১:৫৮
সাকিবের জন্ম দিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
শুবেচ্ছা আপনার জন্যও।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১২:১০
শাহিদুল ভাই ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানবেন।

সব সময় ভাল থাকুন প্রিয়
nomaansarkar নোমান সারকার২৪ মার্চ ২০১২, ১২:০৯
শুভ জন্মদিন আমাদেরই একজনের ! অনেক শুভ আর উল্লাসের ধ্বনি তার মধ্য দিয়ে আমাদের অন্তরে পৌঁছে যাক !

একটা তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ,অনেক শুভেচ্ছাও !
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১২:১২
নোমান ভাই আপনাকে।


শুভ জন্মদিন আমাদেরই একজনের ! অনেক শুভ আর উল্লাসের ধ্বনি তার মধ্য দিয়ে আমাদের অন্তরে পৌঁছে যাক !

ভালো থাকুন প্রিয়
Bedouin মুহাম্মদ সাঈদ আরমান২৪ মার্চ ২০১২, ১৩:০৬
সাকিবের জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা। সাকিবের আপনজনকে ব্লগে পেয়ে খুব ভাল লাগছেন ।
পোস্ট দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১৭:০৭
আরমান ভাই ধন্যবাদ।


ভাল থাকুন প্রিয়
Abdukkhalik চাচাজি২৪ মার্চ ২০১২, ১৪:০৫
সাকিবের জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।

attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১৭:১২
খালিক ভাই শুভেচ্ছা জানবেন
sazzad77 সাজ্জাদ হোসাইন ২৪ মার্চ ২০১২, ১৪:১৮
শুভ জন্মদিন সাকিব
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১৭:১৩
ধুসর ভাই ধন্যবাদ।

ভালো থাকুন প্রিয়
jannati জান্নাতী২৪ মার্চ ২০১২, ১৪:২৬
আমার প্রিয় খেলোয়াড় সাকিব..........।
জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল সাকিব এর জন্য।

attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১৭:১৪
জান্নাতী ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভেচ্ছা রইল ও ভাল থাকুন
Niloy1073 নির্ঝর নাসির২৪ মার্চ ২০১২, ১৪:৪৬
অসাধারণ পোস্ট। শুভ জন্মদিন সাকিব।
আমার ও প্রিয় খেলোয়াড় সাকিব..... অনেক ধন্সযবাদ সফেদ কুহেলি
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১৭:১৫
মুন ভাই ধন্যবাদ।


ভাল থাকুন প্রিয়
imran8189 মোঃ সোহাগ আল ইমরান২৪ মার্চ ২০১২, ১৫:৩৪
অনেক অনেক ধন্যবাদ... এতোগুলো কথা আমাদেরকে জানানোর জন্য, আপনারা অনেক ভাগ্যবান, এতো বড় মাপের একজন খেলোয়ার আপনাদের বন্ধু, ভাই চির দিন অটুট থাকুক আপনাদের বন্ধুত্ত... শুভ জন্মদিন,সাকিব... ক্ষমা কর আমাকে
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১৭:১৭
ইমরান ভাই ধন্যবাদ আপনাকে, আপনার লেখাটা পড়লাম। ভাল লেগেছে,


শুভেচ্ছা জানবেন
mizan_comilla মিযান২৪ মার্চ ২০১২, ১৬:২৩
শুভ জন্মদিন সাকিব আল হাছান।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১৭:১৮
মিযান ভাই ধন্যবাদ।
nchakma গঙ্গা২৪ মার্চ ২০১২, ১৬:৩৩
আপনার বন্ধুর জন্য লাল গোলাপ শুভেচ্ছা (ছবি দিচ্ছি না কেননা পাতা লোড করতে দেরী হবে অন্যদের) আর আপনার জন্য শুভ কামনা। বেশ তথ্য নির্ভর লেখা সাজিয়েছেন, অভিনন্দন সাথে।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ১৭:১৯
গঙ্গা ভাই ধন্যবাদ ও আমার ব্লগবাড়িতে স্বাগতম।


শুভেচ্ছা রইল
genius জিনিয়াস২৪ মার্চ ২০১২, ১৭:৫৩
আমার পরিবার এর পক্ষ থেকে জনম দিনের শুভেচ্ছা।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ২০:২২
জিনিয়াস ভাই ধন্যবাদ ।।

শুভেচ্ছা রইল
RezwanTanim রেজওয়ান তানিম২৪ মার্চ ২০১২, ১৯:৫৯
চমৎকার লিখেছেন। এই রকম বিস্তারিত পোস্ট আমার পছন্দ।

ভাল লাগল
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ২০:২৩
তানিম ভাই শুভেচ্ছা রইল


কেমন আছেন?
joybangla2010 আব্রাহাম আল আমিন জয়২৪ মার্চ ২০১২, ২১:৩৪
মাগুরার সেই ছেলেটির জন্য গর্বিত বাংলাদেশ। সাকিব তোমায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা আর কুহেলি ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ২৩:০৫
জয় ধন্যবাদ আপনাকে
wadudraj স্বপ্ন আসক্ত২৪ মার্চ ২০১২, ২১:৫৫
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ২৩:০৬
স্বপ্ন আসক্ত
Spellbuinder অজানা পথিক ২৪ মার্চ ২০১২, ২২:৩৫

শুভ জন্মদিন।
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ২৩:০৭
পথিক ভাই ধন্যবাদ

ভাল থাকুন প্রিয়
proprodeepto প্রদীপ্ত প্রদীপ২৪ মার্চ ২০১২, ২২:৩৯
অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে প্রার্থনা করছি ভগবানের কাছে...ভগবান সাকিব আল হাসানকে সবসময় সুস্থ রেখো, ও ছাড়া যে আমাদের গর্ব করার আর কেউ নেই....
attariq সফেদ কুহেলি২৪ মার্চ ২০১২, ২৩:০৭
প্রদীপ্ত প্রদীপ ভাই অনেক অনেক ধন্যবাদ।

অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে প্রার্থনা করছি ভগবানের কাছে...ভগবান সাকিব আল হাসানকে সবসময় সুস্থ রেখো, ও ছাড়া যে আমাদের গর্ব করার আর কেউ নেই....
proprodeepto প্রদীপ্ত প্রদীপ২৪ মার্চ ২০১২, ২৩:২৩
আপনাকে স্বাগতম।আপনি সাকিব এর বন্ধু এটা জেনে খুব ভাল লাগছে......।
attariq সফেদ কুহেলি২৮ মার্চ ২০১২, ০১:৪০
প্রদীপ ভাই আপনাকে ধন্যবাদ।


ভাল থাকুন সতত
theone মাসুদ অিনন্দ্য২৫ মার্চ ২০১২, ০০:১০
শুভ জন্মদিন সাকিব

লেখাটার জন্য ধন্যবাদ সফেদ কুহেলি ভাইকে।
attariq সফেদ কুহেলি৩০ মার্চ ২০১২, ০০:৩০
মাসুম ভাই আপনাকে