স্টাইল ও ফ্যাশন
স্টাইল আর ফ্যাশন নিয়ে বেশ দ্বিধা ভুগছি আমরা । কখনো দুটোকে এক ভাবছি আবার ফ্যাশনকে স্টাইল বলছি আবার স্টাইল বলছি ফ্যাশন । মতভেদ থাকতে পারে । আমি আমার মত প্রকাশ করছি। স্টাইল আর ফ্যাশন নিয়ে বলতে গেলে আরও একটি শব্দ আমাকে বলতে হবে তা হলো স্মার্ট ।এখন প্রশ্ন হল স্মার্ট হতে হলে ফ্যাশনাবল হব না স্টাইলিস ।
ফ্যাশন দিয়েই শুরু করি ।বর্তমান যুগে মানুষ ফ্যাশন করতে বেশি ভালোবাসে । বিশেষ করে তরুন ও কিশোর ছেলে – মেয়েদের মধ্যে ফ্যাশন অনেক বেশি জনপ্রিয় । মানুষ নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে চায় ।প্রশংসা শুনতে চাওয়া মানুষের সহজাত ধরন । নিজেকে সুন্দর করতে মানুষের কতনা দৌড় ঝাপ । আমার কাছে ফ্যাশন হল মুখোশ । মুখোশের আড়ালে নিজেকে লুকানো । মানুষের দৃষ্টি ফেরানর জন্য ফন্দি ফিকির । আমি যা নই তা হতে চাওয়া । যার নাম ডাক বেশি তার মত হতে চাই । তার বেশ ভূষণ ধারন করি । তবু কি আমরা তার মত হতে পারি? যেমন ধরুন আপনি এক নায়কের ভক্ত আপনি তার মত চুল কাটেন , পোশাক পড়েন , তার মত কথা বলতে চান নিজের নিজস্বতা বিকিয়ে দিয়ে হলেও । তবু হতে পারি না সেই মানুষটার মত । প্রতিটা মানুষ আলাদা । কেও কারো মত হতে পারে না । বেশ ভূষন বদলালেই কেও কারো মত হতে পারে না। ফ্যাশনটা ঠিক সেরকম । ফ্যাশনের মধ্যে মেকি ভাব রয়েছে ।
ফ্যাশন যদি হয় মুখোশ তাহলে স্টাইল হল মুখশ্রী । স্টাইল টা ব্রান্ডের মত ।আপনার নিজস্বতাই হল স্টাইল । আপনার কাজের ধরন এবং চলন ভূষণ সব হবে সবার চাইতে আলাদা এবং মানুষের কাছে গ্রহন যোগ্য ।স্টাইল এক দিনে হয়না সেটা ধিরে ধিরে অভিজ্ঞতার সাথে অর্জন করতে হয়। আবার এটা কেও কাওকে শেখাতে পারে না সেটা নিজের মধ্যে থাকে তা আবিস্কার করতে হয়। যেমন ধরুন কণ্ঠ শিল্পী আসিফ তার একটা গায়কি আছে সে তার নিজের স্টাইলে গায় । এখন কেও সে স্টাইল অনুকরন করে আসিফ হতে পারবে না । সে মানুষের কাছে গ্রহন যোগ্যতাও পাবে না ।
এখন সমাজে স্টাইল এর চেয়ে ফ্যাশনের কদর বেশি । আমরা নায়ক , গায়ক , সে কোন জনপ্রিয় লোকের মত সাজবার চেষ্টা করছি । আর মিডিয়া সেটা ফলাও করে বোঝাবার চেষ্টা করছে যত বেশি ফ্যাশন তত বেশি স্মার্ট । এতে ব্যবসা জড়িত । সবাই যদি ফ্যাশনাবল হয় তাতে যে বাক্তির অনুকরন করা হচ্ছে তার পোশাকের ঢং , চুলের কাটিং থেকে শুরু করে সব বিক্রি করা যাবে । মানুষ স্টাইলিস হলে সে তার বাক্তিত্ব অনুযায়ী তাকে সাজাবে তাতে কে কোন ধরনের সাজ নিল সেটা ব্যবসায়ীদের বুঝতে কষ্ট হয় । তাই সবাইকে যদি একটা ফরম্যাটে আনা যায় তাতে লাভটা বেশি হয় । টার্গেটটা মুলত নতুন প্রজন্ম । একজন নায়ক ছেড়া প্যান্ট পড়লে আমকেও পড়তে উৎসাহিত করে মিডিয়া । মিডিয়া এখানে কাওকে চাপ প্রয়োগ করে না । মানুষ একটা সময় এসে পার্থক্যটা বুজতে পারে । তখন হয়তো সময় অনেক দেরি হয়ে যায় ।
জ্ঞান ,ব্যক্তিত্ব , নিজস্বতা দিয়ে নিজেকে সাজানো দরকার ।অন্যের অনুকরন , নিজস্বতার বলি দেয়া হল নিজের সাথে প্রতারনা করা এবং মহা প্রতারনার ফাঁদে পা দেয়া । আমরা আশা করি নতুন প্রজন্ম তার নিজস্বতার আলো ছড়াবে চারদিক ।
ফ্যাশন দিয়েই শুরু করি ।বর্তমান যুগে মানুষ ফ্যাশন করতে বেশি ভালোবাসে । বিশেষ করে তরুন ও কিশোর ছেলে – মেয়েদের মধ্যে ফ্যাশন অনেক বেশি জনপ্রিয় । মানুষ নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে চায় ।প্রশংসা শুনতে চাওয়া মানুষের সহজাত ধরন । নিজেকে সুন্দর করতে মানুষের কতনা দৌড় ঝাপ । আমার কাছে ফ্যাশন হল মুখোশ । মুখোশের আড়ালে নিজেকে লুকানো । মানুষের দৃষ্টি ফেরানর জন্য ফন্দি ফিকির । আমি যা নই তা হতে চাওয়া । যার নাম ডাক বেশি তার মত হতে চাই । তার বেশ ভূষণ ধারন করি । তবু কি আমরা তার মত হতে পারি? যেমন ধরুন আপনি এক নায়কের ভক্ত আপনি তার মত চুল কাটেন , পোশাক পড়েন , তার মত কথা বলতে চান নিজের নিজস্বতা বিকিয়ে দিয়ে হলেও । তবু হতে পারি না সেই মানুষটার মত । প্রতিটা মানুষ আলাদা । কেও কারো মত হতে পারে না । বেশ ভূষন বদলালেই কেও কারো মত হতে পারে না। ফ্যাশনটা ঠিক সেরকম । ফ্যাশনের মধ্যে মেকি ভাব রয়েছে ।
ফ্যাশন যদি হয় মুখোশ তাহলে স্টাইল হল মুখশ্রী । স্টাইল টা ব্রান্ডের মত ।আপনার নিজস্বতাই হল স্টাইল । আপনার কাজের ধরন এবং চলন ভূষণ সব হবে সবার চাইতে আলাদা এবং মানুষের কাছে গ্রহন যোগ্য ।স্টাইল এক দিনে হয়না সেটা ধিরে ধিরে অভিজ্ঞতার সাথে অর্জন করতে হয়। আবার এটা কেও কাওকে শেখাতে পারে না সেটা নিজের মধ্যে থাকে তা আবিস্কার করতে হয়। যেমন ধরুন কণ্ঠ শিল্পী আসিফ তার একটা গায়কি আছে সে তার নিজের স্টাইলে গায় । এখন কেও সে স্টাইল অনুকরন করে আসিফ হতে পারবে না । সে মানুষের কাছে গ্রহন যোগ্যতাও পাবে না ।
এখন সমাজে স্টাইল এর চেয়ে ফ্যাশনের কদর বেশি । আমরা নায়ক , গায়ক , সে কোন জনপ্রিয় লোকের মত সাজবার চেষ্টা করছি । আর মিডিয়া সেটা ফলাও করে বোঝাবার চেষ্টা করছে যত বেশি ফ্যাশন তত বেশি স্মার্ট । এতে ব্যবসা জড়িত । সবাই যদি ফ্যাশনাবল হয় তাতে যে বাক্তির অনুকরন করা হচ্ছে তার পোশাকের ঢং , চুলের কাটিং থেকে শুরু করে সব বিক্রি করা যাবে । মানুষ স্টাইলিস হলে সে তার বাক্তিত্ব অনুযায়ী তাকে সাজাবে তাতে কে কোন ধরনের সাজ নিল সেটা ব্যবসায়ীদের বুঝতে কষ্ট হয় । তাই সবাইকে যদি একটা ফরম্যাটে আনা যায় তাতে লাভটা বেশি হয় । টার্গেটটা মুলত নতুন প্রজন্ম । একজন নায়ক ছেড়া প্যান্ট পড়লে আমকেও পড়তে উৎসাহিত করে মিডিয়া । মিডিয়া এখানে কাওকে চাপ প্রয়োগ করে না । মানুষ একটা সময় এসে পার্থক্যটা বুজতে পারে । তখন হয়তো সময় অনেক দেরি হয়ে যায় ।
জ্ঞান ,ব্যক্তিত্ব , নিজস্বতা দিয়ে নিজেকে সাজানো দরকার ।অন্যের অনুকরন , নিজস্বতার বলি দেয়া হল নিজের সাথে প্রতারনা করা এবং মহা প্রতারনার ফাঁদে পা দেয়া । আমরা আশা করি নতুন প্রজন্ম তার নিজস্বতার আলো ছড়াবে চারদিক ।
লেখক মুক্তমন ৭১
- মুক্তমন ৭১ -এর ব্লগ
- ২৫ টি মন্তব্য
- ২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৪৮
- রূপচর্চা
প্রিন্ট করুন
- ২৫ টি মন্তব্য
-
মেজদা২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:৪৯
সমস্ত স্টাইল বা নিত্য নতুন ফ্যাশন গ্রহন/বর্জন করা যায় কিন্তু নিজের ভিতরের সৃজনশীলতা বদলানো যায় না। কাউকে উপহারও দেয়া যায় না।
ধন্যবাদ মুক্তমন৭১। ভালো লেগেছে বিষয়ের বিষয় বের করে আনার জন্য।
-
ঘাস ফুল২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২৩:৩২
ফ্যাশন, স্টাইল আর স্মার্ট এই তিনটির চমৎকার ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছেন। আশা করছি মানুষ আপনার এই পোস্টটি পরে ঠিকটা বেছে নিবে। সত্যিই ভালো লিখেছেন মুক্তমন ৭১। -
ফেরদৌসা২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২৩:৩৭
জ্ঞান ,ব্যক্তিত্ব , নিজস্বতা দিয়ে নিজেকে সাজানো দরকার ।অন্যের অনুকরন , নিজস্বতার বলি দেয়া হল নিজের সাথে প্রতারনা করা এবং মহা প্রতারনার ফাঁদে পা দেয়া ।
ঠিক বলেছেন। -
কামরুন্নাহার ২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২৩:৪০
"জ্ঞান ,ব্যক্তিত্ব , নিজস্বতা দিয়ে নিজেকে সাজানো দরকার ।অন্যের অনুকরন ,
নিজস্বতার বলি দেয়া হল নিজের সাথে প্রতারনা করা এবং মহা প্রতারনার
ফাঁদে পা দেয়া ।"- - - - -
আপনার ব্যাখ্যা আপনার নিজের স্টাইল, ধরন টা সুন্দর।
ধন্যবাদ আপনাকে। -
আমি অনিমেষ মিত্র ৩০ জানুয়ারি ২০১৩, ০১:৩২
আমার কাছে ফ্যাশন হল মুখোশ । মুখোশের আড়ালে নিজেকে লুকানো ।
ভাইজান খাসা লিখেছেন । ভালো লাগলো ।
ভালো থাকবেন । -
লুৎফুন নাহার জেসমিন৩০ জানুয়ারি ২০১৩, ০৩:৫১
চমৎকার লেখা । নিজস্বতা বলি দিয়ে অন্যের ফ্যাশনকে অনুসরণ না করে নিজস্ব স্টাইল তৈরি করে স্মার্ট হতে হবে । -
নুসরাত জাহান আজমি৩০ জানুয়ারি ২০১৩, ১১:৩৯
নিজস্বতা বলে একটা ব্যাপার আছে। যারা এটা বুঝেনা,তারাই অনুকরণ করতে ব্যস্ত থাকে।
দারুন একটা পোস্ট.
-
আমিনা তারান্নুম৩০ জানুয়ারি ২০১৩, ১৭:৩০
জ্ঞান ,ব্যক্তিত্ব , নিজস্বতা দিয়ে নিজেকে সাজানো দরকার ।অন্যের অনুকরন , নিজস্বতার বলি দেয়া হল নিজের সাথে প্রতারনা করা এবং মহা প্রতারনার ফাঁদে পা দেয়া । আমরা আশা করি নতুন প্রজন্ম তার নিজস্বতার আলো ছড়াবে চারদিক।
চমৎকার একটি পোস্টের জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক