উপজাতি না আদিবাসী ?
আদিবাসী হল আদিকাল হতে কোন দেশে কোন জাতি বাস করলে পরবর্র্তিতে অন্য কোন নতুন জাতি এলে পূর্বের জাতিরা আদিবাসী হিসেবে পরিগনিত হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে আদিবাসী শব্দটা ইছ্ছাকৃত ভাবে ভুল জায়গায় ভুল ভাবে প্রয়োগ করা হছ্ছে।কেননা বাংলাদেশে বাস্তবে কোন আদিবাসী নাই। এক শ্রেণীর পাহাড়ী ও এক শ্রেণীর এনজিওরা বাংলাদেশের উপজাতিদেরকে আদিবাসী হিসেবে পরিচিত করানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে ।তারা নিজেদেরকে বাংগালী বলে পরিচয়ও দেয়না।তারা দেশে বিদেশে নিজেদের আদিবাসী(?) পরিচয় দিয়ে আমাদের বাংগালী জাতিদের এদেশে অত্যাচারী ও দখলদার হিসেবে পরিচিতি করাতে চাছ্ছে যা স্বাধীন বাংগালী জাতি হিসেবে আমদের প্রাপ্য নয়। তারা মোটেই আদিবাসী নয় তারা হল উপজাতি।নৃতত্ত্বে আদিবাসী বলতে যা বোঝায় সে অর্থে বাংলাদেশে কোন আদিবাসী নাই।প্রধানত আদিবাসী বলতে বোঝায় অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার আদিবাসীদের।যারা আজ ইউরোপ থেকে আসা সাদা মানুষদরে অত্যাচারে নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে। বাংলাদেশের মুল জনগোষ্টি সেই অর্থে কাউকে বিতারিত করে এই দেশে বসবাস করেনি।অতি প্রাচীন কাল থেকেই এই দেশে বর্তমান মুল জন গোষ্ঠি বাংগালীরা তাদের উন্নত সভ্যতা ও সংস্কৃতি নিয়ে বসবাস করছে।আর যাদেরকে আদিবাসী(?) হিসেবে পরিচিত করানোর জন্য তথাকথিত গোষ্ঠি উঠে পড়ে লেগেছে তারা মাত্র কয়েকশ বছর আগে ও এই দেশে ছিলই না। তাদের পূর্ব পুরুষরা কয়েকশ বছর আগে থেকে পর্যায়ক্রমে এই দেশে আসে।ব্রিটিশ আমলে ইংরেজরা তাদের আদমশুমারীর বিবরনে এদের উপজাতি হিসেবে উল্লেখ করে।জাতি আর উপজাতির মধ্যে পার্থক্য হল জাতির থাকে উন্নত রাজনৈতিক সংগঠন যারা দেশ শাসন করার মত যোগ্যতা সম্পন্ন।তারা গড়ে তোলে রাষ্ট্র ব্যাবস্থা, প্রশাসন ও ভূমি আইন।তারা রাষ্ট্র পরিচালিত করে দলিল দস্তাবেজের মাধ্যেমে।উপজাতির ক্ষেত্রে সেরকম কিছু থাকেনা। তারা বাস করে ছোট ছোট দল ভুক্ত হয়ে।তারা প্রধানত পরিচালিত হয় তাদের গোত্র প্রধান বা সর্দারের নির্দেশে।প্রত্যক উপজাতি তাদের নিজস্ব ভাষা ও সংষ্কৃতিকে আলাদা ভাবে পালন করে।ইংরেজরা যখন তাদেরকে উপজাতি হিসেবে উল্লেখ করা হয় তখন তাদের জীবন ছিল যথেষ্ঠ আদিম প্রকৃতির।
বাংলাদেশের উপজাতিরা সবাই এক মানব গোষ্ঠি নয় এবং বাংলাদেশে তারা এক জাযগায় বসবাস করে না।সাওতালরা বসবাস করে উত্তরান্চলে, গারোরা বাস করে উত্তর পূর্বান্চলে ও চাকমা মারমারা বাস করে দক্ষিন-পূর্বান্চলে।উপজাতিরা বালাদেশে সংখ্যায়ও নগন্য। সাওতালদের নৃতাত্বিক ভাবে প্রটো-অষ্ট্রেলয়েড মানব শাখায় ধরা হয়।এদের দৈহিক অষ্ট্রেলিয় আদিবাসীদের সাথে মিলে যায়।সাওতালরা বাংলাদেশে এসেছে ভারতের নাগপুর থেকে।ওরা ভারতের ছোট নাগপুর অরণ্য বাস করত।ইংরেজ আমলে নীল কুঠির সাহেবেরা নীল চাষ করার জন্য তাদের নিয়ে আসে তখনকার বাংলাদেশের উত্তরান্চলে।এদের গায়ের রং ঘোর কৃষ্ণ বর্ণ, দৈহিক আকৃতি খর্বকায়,মাথার চুল তরংগাকৃতি।মাথা লম্বাটে ধরনের।চোয়াল উচু নয় ।নাকের অগ্রভাগ চওড়া ও মাংসল।
চাকমা ,মারমা(মগ),ত্রিপুরা প্রভৃতি মন্গোলীয় মানব শাখা ভুক্ত। চাকমা মারমারা এদেশে এসেছে বেশিদিন হয়নি ।চাকমা রাংগামাটি এসেছে ১৭৩৭ সালের দিকে।মারমারা (মগ) অষ্টাদশ শতাব্দির শেষ ভাগে ।ব্রম্ম ও আরকান রাজ্যর যুদ্ধের সময়।এদের মাথার চুল সাধারনত সোজা ও খরখরে প্রকৃতির এদের গন্ডদেশের হাড় বিশেষ ভাবএ উচু তাই এদের মুখমন্ডল দেখে মনে হয় সমতল।এদের চোখের উপরের পাতায় এক ধরনের ভাজ থাকে বিধায় এদের চোখ ছোট মনে হয় এদের নাক সাধারনত চ্যাপ্টা হয়।মুখে দাড়ি গোফ তেমন একটা দেখা যায় না।এর মধ্যে ত্রিপুরাদের মাথার খুলির আকৃতি কিছুটা লম্বাটে হয় চাকমা ও মারমাদের মাথার আকৃতি হয় গোল।ময়মনসিংহের গারোরাও চাকমাদের মতই।
উপজাতিরা সবাই এক ভাষায় কথা বলে না।সাওতালদের ভাষা কোল বা মুন্ডা পরিবার ভুক্ত।ত্রিপুরা, চাকমা ও মারমাদের ভাষা চৈনিক পরিবার পরিবারভুক্ত।মারমারা যে ভাষায় কথা বলে তা বর্মি ভাষার উপভাষা।চাকমারা তাদের নিজস্ব ভাষা হারিয়ে ফেলেছে।তারা এখন কথা বলে চট্টগ্রামের আন্চলিক বাংলা ধারায় চাকমারা সাহিত্য চর্চা করে বাংলা ভাষায়।অথচ চাকমারা সবচেয়ে গলা উচু করে বলে দাবি করে আমরা আদিবাসী।চাকমারা নিজেদের বৌদ্ধ বলে দাবি করলেও মনোভাবের দিক হতে হিন্দুভাবাপন্ন।মারমা বৌদ্ধ ধর্মের সব নিয়ম কানুন মেনে চলে।চাকমাদের সাথে মারমাদের কোন সদ্ভাব নাই।তারা এক জাতি অন্য জাতিকে সহ্য করতে পারেনা।
১৯৭২ সালের সংবিধানে উপজাতিদের আলাদা কোন স্বিকৃতি দেওয়া হয়নি।
বাংলাদেশের উপজাতিরা সবাই এক মানব গোষ্ঠি নয় এবং বাংলাদেশে তারা এক জাযগায় বসবাস করে না।সাওতালরা বসবাস করে উত্তরান্চলে, গারোরা বাস করে উত্তর পূর্বান্চলে ও চাকমা মারমারা বাস করে দক্ষিন-পূর্বান্চলে।উপজাতিরা বালাদেশে সংখ্যায়ও নগন্য। সাওতালদের নৃতাত্বিক ভাবে প্রটো-অষ্ট্রেলয়েড মানব শাখায় ধরা হয়।এদের দৈহিক অষ্ট্রেলিয় আদিবাসীদের সাথে মিলে যায়।সাওতালরা বাংলাদেশে এসেছে ভারতের নাগপুর থেকে।ওরা ভারতের ছোট নাগপুর অরণ্য বাস করত।ইংরেজ আমলে নীল কুঠির সাহেবেরা নীল চাষ করার জন্য তাদের নিয়ে আসে তখনকার বাংলাদেশের উত্তরান্চলে।এদের গায়ের রং ঘোর কৃষ্ণ বর্ণ, দৈহিক আকৃতি খর্বকায়,মাথার চুল তরংগাকৃতি।মাথা লম্বাটে ধরনের।চোয়াল উচু নয় ।নাকের অগ্রভাগ চওড়া ও মাংসল।
চাকমা ,মারমা(মগ),ত্রিপুরা প্রভৃতি মন্গোলীয় মানব শাখা ভুক্ত। চাকমা মারমারা এদেশে এসেছে বেশিদিন হয়নি ।চাকমা রাংগামাটি এসেছে ১৭৩৭ সালের দিকে।মারমারা (মগ) অষ্টাদশ শতাব্দির শেষ ভাগে ।ব্রম্ম ও আরকান রাজ্যর যুদ্ধের সময়।এদের মাথার চুল সাধারনত সোজা ও খরখরে প্রকৃতির এদের গন্ডদেশের হাড় বিশেষ ভাবএ উচু তাই এদের মুখমন্ডল দেখে মনে হয় সমতল।এদের চোখের উপরের পাতায় এক ধরনের ভাজ থাকে বিধায় এদের চোখ ছোট মনে হয় এদের নাক সাধারনত চ্যাপ্টা হয়।মুখে দাড়ি গোফ তেমন একটা দেখা যায় না।এর মধ্যে ত্রিপুরাদের মাথার খুলির আকৃতি কিছুটা লম্বাটে হয় চাকমা ও মারমাদের মাথার আকৃতি হয় গোল।ময়মনসিংহের গারোরাও চাকমাদের মতই।
উপজাতিরা সবাই এক ভাষায় কথা বলে না।সাওতালদের ভাষা কোল বা মুন্ডা পরিবার ভুক্ত।ত্রিপুরা, চাকমা ও মারমাদের ভাষা চৈনিক পরিবার পরিবারভুক্ত।মারমারা যে ভাষায় কথা বলে তা বর্মি ভাষার উপভাষা।চাকমারা তাদের নিজস্ব ভাষা হারিয়ে ফেলেছে।তারা এখন কথা বলে চট্টগ্রামের আন্চলিক বাংলা ধারায় চাকমারা সাহিত্য চর্চা করে বাংলা ভাষায়।অথচ চাকমারা সবচেয়ে গলা উচু করে বলে দাবি করে আমরা আদিবাসী।চাকমারা নিজেদের বৌদ্ধ বলে দাবি করলেও মনোভাবের দিক হতে হিন্দুভাবাপন্ন।মারমা বৌদ্ধ ধর্মের সব নিয়ম কানুন মেনে চলে।চাকমাদের সাথে মারমাদের কোন সদ্ভাব নাই।তারা এক জাতি অন্য জাতিকে সহ্য করতে পারেনা।
১৯৭২ সালের সংবিধানে উপজাতিদের আলাদা কোন স্বিকৃতি দেওয়া হয়নি।
লেখক সিকদা৭১
- সিকদা৭১ -এর ব্লগ
- ২২ টি মন্তব্য
- ২৫ আগস্ট ২০১০, ১২:৩৬
- নীতিমালা
প্রিন্ট করুন
- ২২ টি মন্তব্য
-
বই পাগল২৫ আগস্ট ২০১০, ১২:৫৪
তারা দেশে বিদেশে নিজেদের আদিবাসী(?) পরিচয় দিয়ে আমাদের বাংগালী জাতিদের এদেশে অত্যাচারী ও দখলদার হিসেবে পরিচিতি করাতে চাছ্ছে যা স্বাধীন বাংগালী জাতি হিসেবে আমদের প্রাপ্য নয়।
ঠিক বলছেন।
আসলে এটা যে কেন করে মিডিয়াগুলো বুঝি না।
দেশের মাটিতে সবাইকে সমান অধিকার দেওয়া হোক।
আর যে জনসংহতি সমিতির সাথে চুক্তি করে শান্তি আনা হয়েছে দাবি করা হয় তারাই এখন বিভক্ত। -
বড়দাদা২৫ আগস্ট ২০১০, ১৩:০৫
ধন্যবাদ।যেই দেশের মাটি পানি খেয়ে মানুষ হয়েছে সেই দেশের ভাব মূর্তি নষ্ট করছে তারা বিদেশের সাহায্যর আশায় ধিক তাদের ধিক তাদের নাগরিকত্বকে। -
আ,শ,ম,এরশাদ২৫ আগস্ট ২০১০, ১৩:০৭
"
আইনটি কার্যকর হওয়ার ফলে এতকাল আদিবাসী নামে তাদের যে পরিচয় ছিল, সেটা আইনত বাতিল হয়ে গেল, এখন তাদের পরিচিতি হবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
মন্ত্রিপরিষদে ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন’-এর খসড়া বিল অনুমোদিত, ও পরে জাতীয় সংসদ কর্তৃক বিলটি পাস হওয়ায় এখন তা আইনে পরিনত হয়েছে। বিলটিতে বাংলাদেশের আদিবাসীদের নতুন নামকরণ করা হয়েছে যে তারা ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী’। অর্থাৎ আইনটি কার্যকর হওয়ার ফলে এতকাল আদিবাসী নামে তাদের যে পরিচয় ছিল, সেটা আইনত বাতিল হয়ে গেল, এখন তাদের পরিচিতি হবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। এই শব্দগুচ্ছটি কার কিংবা কাদের মস্তিষ্ক থেকে বের হয়েছে এবং কেন বের হয়েছে, সেটা মৌখিকভাবে জানতে পারলেও লিখিত সাক্ষ্য-সাবুদ এখনো না পাওয়ায় সে বিষয়ে এখন লিখছি না। তবে আসুন প্রিয় পাঠক/পাঠিকা, বাংলা ভাষার অভিধান খুলে পড়াশোনা করা যাক। নৃ-শব্দটির অর্থ নর, মনুষ্য, মানুষ। শব্দটি বাংলা ভাষায় উপসর্গ হিসেবে ব্যবহূত হয়। যথা—নৃকপাল, অর্থ নরমুণ্ড কিংবা নৃকেশরী, অর্থ নরশ্রেষ্ঠ। ইংরেজি ভাষায় নৃ শব্দটির প্রতিশব্দ হচ্ছে ‘অ্যানথ্রপ’ যথা—অ্যানথ্রপলোজি, অর্থ নৃতত্ত্ব; কিংবা অ্যানথ্রপইড, অর্থ নৃসদৃশ।
অতএব দেখা যাচ্ছে, নৃ-গোষ্ঠী শব্দগুচ্ছটির অর্থ হচ্ছে মানবগোষ্ঠী। যিনি কিংবা যাঁরা এই শব্দগুচ্ছটি তৈরি করেছেন, দেখা যাচ্ছে, তাঁর কিংবা তাঁদের মতে, বাংলাদেশের নাগরিকেরা দুই ভাগে বিভক্ত—বৃহৎ নৃ-গোষ্ঠী আর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। সে ক্ষেত্রে আমি আর বাঙালি থাকছি না, আমিও হয়ে যাচ্ছি বৃহৎ নৃ-গোষ্ঠী।
নৃ-বিজ্ঞান পরিভাষা আদিবাসী শব্দটির এই সংজ্ঞা দেয়: ‘কোনো এলাকার প্রাচীন জনবসতি ও তাদের সংস্কৃতি বোঝাতে টার্ম বা পদটি ব্যবহূত হয়। আধুনিক জনগোষ্ঠীর জৈব সামাজিক প্রভাবজাত নয়, এমন জনগোষ্ঠীকে আদিবাসী বলা হয়। পৃথিবীর সর্বত্রই কমবেশি আদিবাসী রয়েছে। সাধারণভাবে পার্বত্য এবং অরণ্য অঞ্চলে বসবাসকারী শতাব্দীর লালিত সংস্কৃৃতির ধারক-বাহকদের আদিবাসী বলা হয়। সম্ভবত অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা সবচেয়ে আদিম জনগোষ্ঠী।’ এই সংজ্ঞা অনুযায়ী বাংলাদেশের উত্তর-মধ্য ও উত্তর-দক্ষিণ অংশে লাল শক্ত মাটির ঢিবি ও পাহাড়ি অঞ্চলের নাগরিকদের আদিবাসী হিসেবে চিহ্নিত করা খুবই সহজ। বাংলাদেশের বরেন্দ্র অর্থাৎ সমতল অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমাংশের নাগরিকদের মধ্যে অবাঙালি প্রাচীন জাতিগুলোকে আদিবাসী হিসেবে চিহ্নিত করাও তেমনি সহজ হবে, যদি ইতিহাস থেকে সাক্ষ্য নেওয়া হয়। খুব বেশি দূরবর্তী সময়ের কথা নয়। বাংলাদেশের বরেন্দ্র ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল অনাবাদি ও জঙ্গলাকীর্ণ ছিল। এই অঞ্চলগুলোকে যারা বসতযোগ্য ও আবাদযোগ্য করেছে সেসব সাঁওতাল, ওঁরাও প্রভৃতি জাতিগুলোই বাংলাদেশের সমতল আদিবাসী।
সুত্র--গোলাম রব্বানী-http://prothom-alo.com/detail/date/2010-08-25/news/73560 -
মাহফুজ মেহেদী২৫ আগস্ট ২০১০, ১৩:৪৮
দরকারী বিষয় । এ বিষয়ে যারা ভালো জানেন তারা যদি তাদের কথাগুলো তুলে ধরতেন তাহলে আমরা যারা কম জানি কিন্তু জানতে চাই তাদের জন্য ভালো হতো । -
চে২১২৫ আগস্ট ২০১০, ১৪:০২
লিখেছেন ভাল ই।ইস্যুটাও গুরুত্বপুর্ণ। কিন্তু একটু কি বেশি কড়া ভাষায় একটা জতি গোষ্ঠীকে আক্রমন করা হল না?
আদিবাসী কথাটা যেমন বলা যায় না ওদের,আবার উপজাতি ও না।কারন সবশেষে ওরাও মানুষ।কোন মানব বা মানব জাতি কখনো উপজাতি হতে পারে না।
আমি দেখেছি ঢাকা বা বাংলাদেশের অন্য প্রান্ত থেকে যখন কেউ কক্সবাজার বা রাংগামাটি বা বান্দরবানে যায় তারা খুব ই উৎসুক দৃষ্টি দিয়েই এই জাতি গোষ্ঠীর দিকে তাকিয়ে থাকে,কেন? কেন এরকম হবে, ওরাও তো মানুষ,সেটা কেন আমরা সমতল বাসিন্দারা মেনে নিতে পারিনা।খুজঁ নিয়ে দেখেন ঢকায় ওরা সংখ্যায় কত,অনেক,অনেক মানে অনেক।শিক্ষার হার ও যথেষ্ট।ঢাবি তে সবচেয়ে যে বড় ও একতাবদ্ধ সংগঠন তা ছাত্র দল বা লীগ নয় সেটা পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ।
আমি শুধু এটুকুই বলি দেশ এক সুতরাং সবাই মিলেমিশেই থাকব,এই যুগে ভাই য়ে ভাই য়েই মিল হয় না,সেখানে ওদের এই ব্যাপারটাকে এত বড় করে দেখার কিছুই নাই,শুধু সহনশীল হলে ই হয় সবাই। -
বই পাগল২৫ আগস্ট ২০১০, ১৬:৫৫
খুজঁ নিয়ে দেখেন ঢকায় ওরা সংখ্যায় কত,অনেক,অনেক মানে অনেক।শিক্ষার হার ও যথেষ্ট।ঢাবি তে সবচেয়ে যে বড় ও একতাবদ্ধ সংগঠন তা ছাত্র দল বা লীগ নয় সেটা পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ।
এই জিনিষটার পরই ওদের প্রতি মায়া কান্না কাঁদতে দেখলে খারাপ লাগে। -
মং হ্লা প্রু পিন্টু২৫ আগস্ট ২০১০, ১৪:৫২
আপনার পোস্টটি পড়ে আমার ধারণা হল, আদিবাসী বলুন কিংবা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীই বলুন আপনি তাদের উপজাতি বানিয়েই ছাড়বেন। বাংলায় উপজাতি শব্দটা নিশ্চয়ই কোনো ইংরেজি শব্দ থেকে এসেছে, তাই না? এবার দয়া করে বলুন, কোন ইংরেজি শব্দ থেকে অবমাননাকর এই উপজাতি শব্দটা এসেছে। তার পর আমি আমার বক্তব্য উপস্থাপন করব। -
মং হ্লা প্রু পিন্টু২৫ আগস্ট ২০১০, ১৬:০৭
আপনি কিন্তু আমার প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন।
আপনাদের স্বজাতি, এখানে আমার বা আমাদের স্বজাতি বলতে আপনি কাদের বুঝিয়েছেন ঠিক বোধগম্য হল না। ধরে নিচ্ছি, আপনি চাকমাদের বুঝিয়েছেন। আদিবাসী বা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমারাই রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা বেশি নিয়েছে কিংবা পেয়েছে। অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য বিদেশি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শিক্ষাবৃত্তির বলতে গেলে ৯৯ শতাংশই চাকমাদের দখলে। আর এগুলোর বেশির ভাগ হয়েছে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে, যোগ্যতার মাপকাঠিতে হয়েছে খুব কম।
সে যা-ই হোক, উপজাতি কন্সেপ্ট বা ধারণা নিয়ে আমি আপনার সঙ্গে আলোচনা করতে চেয়েছিলাম। এখানে বলে রাখা ভালো যে, আমি উপজাতি শব্দের ঘোর বিরোধী। -
মং হ্লা প্রু পিন্টু২৫ আগস্ট ২০১০, ১৯:৩৫
নিজাম ভাই, কিছু মনে করবেন না। এখানেও (আপনার ওই বাক্যের ব্যাপারে) আমার দ্বিমত আছে।
দ্বিমতের প্রধান কারণ, আমি বাংলা ভাষাভাষির লোক নই অর্থাৎ আমার মাতৃভাষা বাংলা নয়। -
সাইদুর রহমান চৌধুরী২৬ আগস্ট ২০১০, ০২:৩৩
যে বা যারাই এই 'উপজাতি' শব্দটির প্রচলন করেছেন তাঁরা এটা মাথায় আনেননি যে শব্দটি যাদের উদ্দেশ্যে ব্যবহুত হচ্ছে তাঁদের জন্য অসম্মানজনক, কারন 'উপ' দিয়ে কম, অধস্তন বা নিম্নমানের এরকম বোঝানো হয়। কাজেই উপজাতি বললে জাতির-উপ হয়ে যায়, সে হিসাবে ইংরেজি ট্রাইব এর বাংলা হিসাবে 'উপজাতি' যথাযথ শব্দ হয়নি, এটা ব্যবহার করাও অনুচিত মনে করি।
ট্রাইব-এর যে নৃতাত্ত্বিক সঙ্গা, তাতে আমাদের দেশের এই জাতিসত্ত্বাসমূহ ট্রাইবই, ইংরেজিতে ট্রাইব শব্দটি অসম্মানজনকও নয়, কিন্তু তার বাংলা 'উপজাতি' করলে তা অসম্মানজনক হয়ে যায়। -
মং হ্লা প্রু পিন্টু২৬ আগস্ট ২০১০, ১২:৩৪
সাইদ ভাই, আপনি ট্রাইব-এর সংজ্ঞা টানতে গিয়ে নৃতাত্ত্বিক প্রসঙ্গটি টেনেছেন, এবং টেনে আমাদের ( ক্ষুদ্র জাতিসত্তাসমূহ) ট্রাইব অভিধায় আখ্যায়িত করেছেন। আমার মতে, এ ব্যাপারেও বিস্তর আলোচনার অবকাশ রয়েছে।
স্থান-কাল ভেদে ট্রাইবরা কখনো জাতিতে (নেশন) উন্নীত হয় কি না? কিংবা জাতি কখনো ট্রাইব-এ পরিণত হয় কি না?
আপনি তো এখন বিদেশে আছেন। ইংল্যান্ডের পূর্ব লন্ডনে তো অনেক বাঙালি (বাংলা ভাষাভাষি) স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। তারা সেখানে কেবল বাঙালি, না বাংলাদেশি বাঙালি / ভারতীয় বাঙালি, না কি বাঙালি ট্রাইব (উপজাতি) নামে পরিচিত?
প্রশ্নটা অন্যভাবেও করা যায়, ভারতে তো একাধিক ট্রাইবাল (ক্ষুদ্র জাতিসত্তা অধ্যুষিত) প্রদেশ এখনও বিদ্যমান। যেমন: মণিপুর, ত্রিপুরা, মিজোরাম প্রভৃতি। অদূর ভবিষ্যতে এ সমস্ত প্রদেশ থেকে প্র অব্যয়টি খসে গেলে এরা কি জাতিতে (নেশন) উন্নীত হয়ে যাবে?
এই ভূখণ্ডে বাঙালিরা শাসকশ্রেণী তো, তাই নিজের (সংকীর্ণ) অবস্থান থেকেই তারা সবকিছুকে দেখে এবং সংজ্ঞায়িত করে।
সাইদ ভাই, এ প্রসঙ্গে আমি আপনার further বক্তব্য প্রত্যাশা করছি। -
চে২১২৯ আগস্ট ২০১০, ০৬:২২
সবাই এত অস্তির কেন??,,,,,, কেন অন্যকে হেয় করার মানসিকতা কাজ করে। মানুষ আবার উপ হয় কিভাবে??
আর মায়া কান্না নয়,মানুষে জন্য কিসের মায়া কান্না,হয়ত আপনার কোন বন্ধু নেই তাদের মধ্যে কেউ।





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক