ইবনে সিনার প্যাথলজি বানিজ্য, দেখার কি কেউ নেই?
গত ১৪/০৭/২০১০ইং তারিখের ঘটনাঃ ১১/০৭/১০ তারিখে আমার স্ত্রীর একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান হয়েছে। ১৪/০৭/১০ তারিখে ক্লিনিক থেকে রিলিজ হোয়ার আগে ডঃ মিজানুর রহমান (নবজাতক ো শিশো রোগ বিশেষজ্ঞ, ইবনে সিনা হাসপাতাল) আমাদের এডভাইস করলেন যে, আমাদের সন্তানের জন্ডিস দেখা দিয়েছে, তারা তারি রক্ত চেক করেন। সে মোতাবেক ইবনে সিনা হতে রক্ত পরীক্ষা করার পর রক্তে ১৭.৩ বিলোরমিন ধরা পরে এবং ডাঃ আমাদেরকে ইবনে সিনা হাসপাতাল, সংকর এ ফটো থেরাপি দেয়ার জন্য পরামশর্ দেন, তিনি উল্লেখ করেন জন্ডিস অনেক বেশি, সময়মত নিয়ন্ত্রন না করলে অবস্থার মারাত্নক অবনতি হতে পারে এমনকি নবজাতকের রক্ত বদলিয়ে ফেলতে হতে পারে। স্বভাবতই ৩ দিনের নবজাতককে নিয়ে আমি এবং আমার স্ত্রী ইবনে সিনা হসপিটালে যাই এবং ৫০০০ টাকা অগ্রীম দিয়ে ফটো থেরাপি ইউনিটে বেড নং ০৩ এ আমার নবজাতককে এডমিট করাই। তখন হতেই আমার সিজারিয়ান স্ত্রী (৩ দিনের) এবং আমি হসপিটালে অবস্থান করি। আমার স্ত্রীর জন্য একটি কেবিনের ব্যবস্থা করা না যাোয়ার কারনে সোফাতেই রাত - দিন কাটাতে হয় (নবজাতককে বুকের দুধ খাোয়ানোর জন্য আমার অসুস্থ স্ত্রীকে হাসপাতালে অবস্থান করাতে বাধ্য হই)। ফটো থেরাপি ইউনিটে আমার বাবুর থেরাপি চলছিল। এভাবে ২৪ ঘন্টা পর সংশ্লিষ্ট ডাক্তার আবার রক্ত পরীক্ষা করার জন্য বলেন এবং যথারীতি পরিক্ষা করার পর বিলোরমিন ১৮.১৫ পাোয়া যায়। সভাবতই আমরা সন্তানের অবস্থা সম্বন্ধে চিন্তিত হয়ে পরি। সন্তানের ভাল -মন্দ জানার জন্য কোন ডাক্তারকে পাোয়া না গেলে নিচতলায় রিসেপশনে খোজ নিতে যাই এবং সেখানথেকে আমাকে জানানো হয় উক্ত ইউনিটে নিদির্ষ্ট কোন ডাক্তার নেই। এক এক দিন এক এক জন ডাক্তার ভিজিট করেন (বিশ্বয়কর), উক্ত দিন (১৫/০৭/১০) তারিখে কোন ডাক্তার ডিউটি করছেন জেনে তারপর আমাকে খোজ নিতে বলেন। আমি থেরাপি ইউনিটে খোজ নিতে গেলে ডাক্তার আসেননি বলে জানানো হয়, অতঃপর আমি দায়িত্বরত নাসর্দের কাছে ডাক্তারের ফোন নাম্বার চাইলে ফোন নাম্বার দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং রিসেপশনে ফোন করে বলেন "একেকেদিন এক এক ডাক্তার ভিজিট করেন এগুলো অন্যদের জানানোর দরকার টা কি"। এহেন ঘটনায় আমার মাঝে চিকিৎসা ব্যাবস্থা নিয়ে সন্দেহের উদ্দেক হয়। অন্যান্য রোগীর অভিাভাবকের সাথে কথা বলার পর জানতে পারি প্রত্যেকেই কমপক্ষে ৭ থেকে ৩০ দিন ধরে ফটো থেরাপি নিচ্ছেন। খরচ দৈনিক ৩০০০ খেকে ৯০০০ টাকা পযর্ন্ত। আমি আমার নবজাতকের জন্য কত খরচ হতে পারে জানার জন্য বিলিং সেকশনে গেলে "নিদির্ষ্ট কোন এমাউন্ট নেই" বলে জানানো হয়। সাবির্ক ঘটনায় আমি একটু ইন-ডিসিশনে ভুগতে থাকি। ঠিক করছি নাকি ভুল করছি ? এ অবস্থায় অন্যান্য পরিচিত ডাক্তারদের সাথে কথা বললে তারা জানান শতকরা ৮০ ভাগ নবজাতকই জন্ডিস এ আক্রান্ত হন এবং ৯৮% শিশিুই এমনিতেই ভাল হয়ে যায়। সেহেতু আমার নবজাতকের জন্য চিন্তিত হবার কোন কারন নেই । এভাবেই সময় পার হয়ে ১৫/০৭/১০ তারিখ রাত প্রায় ১০ টার সময় আমার স্ত্রী আমাকে বলেন আমাদের বাবুর বেডে বিকেল থেকে আরো একজন নবজাতক রাখা হয়েছে (যাহা সম্পূনর্ নিয়ম পরিপন্থি, অস্বাষ্থকর, বিপদজনক)। ঘটনা শুনে আমি কতর্বরত নাসর্/এস্টিেন্ট কে বিশয়টি জিজ্ঞেশ করলে বলেন "সিট না থাকার কারনে ওক্ত রোগী আমার সন্তানের সাথে রাখা হয়েছে এবং ডাক্তারের নিদের্শেই এটা করা হয়েছে" আমি ডাক্তারের ফোন নাম্বার চাইলে "দেয়া যাবেনা বেেল জানান"। আমার দৃষ্টিতে নিন্মলিখিত কারনে বিষয়টি বিপদজনকঃ১) ফটো থেরাপি ইউনিটের মত ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে একটি সংরক্ষীত এলাকা যেখানে কাউকেই ঢুকতে দেয়া হয় না এমন কি বাচ্চার মাকেো না।
২) নবজাতকদের বয়স মাত্র ৩-৫ দিন। যারা রোগ প্রতিরোধে অক্ষম।
৩) দুই নবজাতক এক বেডে কাছাকাছি থাকলে অন্য রোগে আক্রান্ত হোয়ার ঝুকি বেরে যায়।
৪) দুই নবজাতকেই স্যালাইন পুশ করা থাকার কারনে যে কোন সময় দুঘর্টনা ঘটতে পারে।
৫) বেডের ভারা বাবদ প্রতিদিন আমার কাছ থেকে প্রায় ২০০০ টাকা আদায় করা হয় (শুধুমাত্র বেড ভাডা)।
৬) একই বেডে থাকার কারনে বিভিন্ন মেডিসিনের প্রয়োগ ভুল হতে পারে। বিল চাজর্ করতে ো ভুল হোয়ার সম্ভাবনা থাকে।
অতঃপর বিভিন্ন ডাক্তারের সাথে (ইবনে সিনার সাথে সংশ্লিষ্ট নন) কথা বললে জানান "একই বেডে দুই শিশুর চিকিৎসা দেয়ার কোন সুযোগ নেই, বিষয়টি বিপদজনক। অতঃপর বিষয়টি নিয়ে কতর্ব্যরতদের চ্যেলেন্জ করলে তারা প্রথমে ভুল অশ্বিকার করেন কিন্তু পরে বলেন তাদের ভুল হেেয় গেছে। ইচ্ছা করলে আমরা আমাদের সন্তানকে নিয়ে যেতে পারি। কথা শুনে আমার তো মাথায় হাত। ভয়ে অন্তরটা ছোট হয়ে গেছে। অপরাধ বোধ হচ্ছে আমার বাবুর পরিনতির জন্য । জন্মের ৩ দিন পার হোয়ার আগেই ঘৃন্য ডাক্তারদের লালসার সিকার হতে হল আমার সন্তানকে। আমি তাকে ইবনে সিনার লালসার হাত থেকে বাচাতে পারলাম না।
তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম যত দ্রুত সম্ভব এই রাজাকারদের কাছ থেকে আমাকে চলে যেতে হবে। না হলে আমি আমার সব হারাব। সে মোতাবেক রাত প্রায় ১২ টার সময় যখন বিল পরিশোধ করতে যাই তখন আরেকবার তাদের লালসার চিহ্ণ দেখতে পাই "তারা আমার কাছ থেকে এবং অন্য রোগীর কাছ থেকে পূরন দিনের জন্য ভাড়া কেটে রাখছেন। কারন জানতে চাইলে তারা বলেন এটাই নিয়ম। অত্বপর পুরো ৮৩৮০ টাকা বিল (১৪/০৭/১০ বিকাল ৩.৩০ হতে ১৫/০৭/১০ রাত ১০.৩০ পযর্ন্ত) পরিশোধ করেই োখান থেকে মুক্তি পাই। (দুই রুগীর কাছ থেকেই ১ দিনের বেড ভাড়া আদায় করা হয়েছে)
পরদিন ১৬/০৭/১০ তারিখে ইবনে সিনার আসল চেহারা আমার কাছে প্রকাশ পায়- বাসায় আনার পর বাবুর পেম্পার খুলে দেখি সারাদিনে সম্ভবত একবারো পেম্পার পরিবতর্ন করা হয় নি, বাবুর পায়খানা শুকিয়ে আছে। বাসায় নিয়ে আসার পর ১৩-১৪ ঘন্টা পার হয়ে যেলেো বাবু প্রস্রাব না করলে আবার চিন্তিত হয়ে পরি। অতপর খুজা খুজি করে দেখি বাবুর (ছেলে) প্রস্রাবের রাস্তার মুখ তুলা এবং সাদা কষ্টেপ দিয়ে সুক্ষ ভাবে আটকানো (এভাবে সুস্থ মাসুষো অসুস্থ হয়ে যায়)।
এর একটাই অথর্ ইচ্ছাকৃত ভাবে টাকার লোভে তারা আমার বাবুকে নিয়ে খেলা করেছে।
ইবনে সিনা হতে মুক্তির পর ১৬/০৭/১০ তারিখে শিশু ো নবজাতক হাসপাতাল , ধানমন্ডিতে শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোশের্দকে দেখানোর পর "ডাক্তারদের এহেন মনমানসিকতার জন্য অনুশুচনা করেন" এবং বলেন আমার বাবুর অবস্থা সম্পুনর্ ভাল, আমরা অপ্রয়োজনীয় ফটো থেরাপী দিয়েছে। ১৭.৩ লেভেলের জন্ডিস এমনিতেই (৪-৫ দিনের মধ্যে) ভাল হয়ে যায়। আল্লাহর রহমতে আমার বাবু এখন সুস্থ।
১৫/০৭/১০ তারিখেই আমি একটি লিখিত অভিযোগ ইবনে সিনা হাসপাতাল এর পরিচালক বরাবর এডমিন বিভাগে জমা দিয়ে এসেছি। জানিনা কি ব্যবস্থা তারা গ্রহন করলেন। জানিনা টাকার লোভে মাত্র ৩ দিনের শিশুর সাথে কেন এমন অমানবিকতা।
এর প্রতিকার কি হবে না ?
এর বিচার কি আমি পাব না ?
ইবনে সিনার এহেন প্রতারনা থেকে কি মানুষের জীবন রক্ষা সম্ভব নয় ?
প্রথম আলো কি এ ব্যাপারে সহযোগীতা করবে?
লেখক শুচনা১৮১
- শুচনা১৮১ -এর ব্লগ
- ৮৮ টি মন্তব্য
- ১৮ জুলাই ২০১০, ১৩:২৭
- নীতিমালা
প্রিন্ট করুন
- ৮৮ টি মন্তব্য
-
ভালবাসার দেয়াল১৮ জুলাই ২০১০, ১৩:৫২
ইবনে সিনা! সম্ভব তাদের পক্ষে এরকম করা।
ওদের এখানে দুইদিন কেউ একনাগারে ফ্রন্ট ডেস্কে বসে নজর রাখলেই জানতে পারবে কি চলছে।
আপনি তাদের বিরুদ্ধে যে কোন আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারেন,তা ধোপে টিকবে কি না তার জন্য অবশ্যই একজন ভাল আইনজীবির সাথে পরামর্শ করে নিবেন আগে।
আপনার পোষ্টে যেভাবে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেছেন,তার পক্ষে যথার্থ লিখিত রুপ প্রমান হিসেবে রাখবেন। -
রিয়াদ১৮ জুলাই ২০১০, ১৩:৪০
ইবনে সিনার মতো সেবামূলক প্রতিষ্ঠান থেকে এরকম ব্যবহার কখনই কাম্য নয়। তীব্র ঘৃণা ও নিন্দা জানাচ্ছি। লোভের একটা সীমা থাকা উচিত।
ভারতের ডাক্তাররা কেন যে বলে- বাংলাদেশের ডাক্তারদের যদি টাকার বেশি দরকার হয় তাহলে তারা ব্রথেল খুলে বসে না কেন!!!! এটাই তার বাস্তব উদাহরণ।
আর অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার মাধ্যমে বাচ্চাদের এই ব্যাপারটা জানতে পারলাম। -
মোস্তা১৮ জুলাই ২০১০, ১৩:৫৬
তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। ইবনে সিনার মতো প্রতিষ্ঠান থেকে এ রকম আশা করি নি। ছি: ছি:
প্রথম আলোর এ ব্যাপারে সহযোগীতা কমনা করছি। -
সাইফুদ্দীন মাসুক১৮ জুলাই ২০১০, ১৪:২০
ইবনে সিনা রাজাকারের রাজাকারী প্রতিষ্ঠান। এ বেজন্মাদের দ্বারা সবই সম্ভব।
১ দিনের নবজাতক, ১০ দিনের শিশু, ১০০ বছরের বৃদ্ধ এদের কাছে সবাই সমান।
ইসলামী নামের আড়ালে চলে এদের জগন্য কার্যক্রম।
এবং একটা কথা বলে রাখি, বিশ্বাস করেন না করেন আপনাদের ব্যাপারঃ
বাঙলাদেশে যত ইসলামী নামধারী প্রতিষ্ঠান আছে সেসব প্রতিষ্ঠানের একটা নির্দিষ্ট অংশ জঙ্গিদের পেছনে ব্যয হয়।
এমন কি আমরা মসজিদে যে টাকা দান করি তারও একটা অংশ জঙ্গি'রা পায়। -
পাশা১৮ জুলাই ২০১০, ১৫:৪৫
এবং একটা কথা বলে রাখি, বিশ্বাস করেন না করেন আপনাদের ব্যাপারঃ
বাঙলাদেশে যত ইসলামী নামধারী প্রতিষ্ঠান আছে সেসব প্রতিষ্ঠানের একটা নির্দিষ্ট অংশ জঙ্গিদের পেছনে ব্যয হয়।
এমন কি আমরা মসজিদে যে টাকা দান করি তারও একটা অংশ জঙ্গি'রা পায়।
আপনার এই কথার সাথে আমি সম্পুর্ন দ্বিমত পোষন করলাম। আপনি না জেনে কথা বলেছেন। -
সাদি১৮ জুলাই ২০১০, ১৪:২৭
দু:খজনক। আমার স্ত্রীর এক বান্ধবী ঢাকা কমিনিউটি হাসপাতালে এরুপ অজ্ঞ ডাকতারদের ভুল চিকিৎসায় মরতে বসেছিল। পুরো পরিবারকে নিঃস্ব করে অবশেষে সে পিজি থেকে সুস্থ হয়ে এসেছে। -
হাজারি১৮ জুলাই ২০১০, ১৬:৫২
আপা, আমার বাড়ি তো চট্টগ্রাম, আপনি জানেন,
এটা আমার জন্য শুদ্ধ ভাষা
ব্লগে বইলা শুদ্ধ কইরা বললাম , না হলে চালাতাম বাংলা
হা হা হা হা -
সাইক্লোন১৮ জুলাই ২০১০, ১৪:৪৫
ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য
আপনার ছেলের সুস্থতা কামনা করি.
আল্লাহতাআলা ডাক্তার নামক ঐ সব ব্যবসায়ীদের হেদায়েত করুক -
সজল শর্মা১৮ জুলাই ২০১০, ১৫:২১
আপনিও আর জায়গা পান নাই নিয়ে যাবার। আগে থেকে জেনেশুনে গেলেই তো হয়। বাচ্চার কোন সমস্যা হলে আপনিও তো দায়ী কম না। জলজ্যান্ত একটা মানুষ ঢাকায় থাকেন, অথচ চারপাশের কোন খবরও রাখেন না। পরিচিত ডাক্তারের সাথে কথা বলেন না। ঘটনা পড়ে ওদের আগে আপনার উপর মেজাজ চরম খারাপ হয়েছে। বাচ্চা হবার আগে থেকেই ভেবেচিন্তে রাখতে হয়, সেটাও আপনার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
-
পাশা১৮ জুলাই ২০১০, ১৫:৪৪
এইটা ইবনে সিনার সমস্যা না। এই ঘটনা প্রায় সব জায়গায়। কিছুটা ভাল সেবা পাওয়া যায়।
আমার মেয়েটা হয় একটা প্রাইভেট ক্লিনিকে। হওয়ার পর বিকেলে ও এই কথা, ব্লাড টেস্ট করতে হবে। আমি নিষেধ করে দিলাম। আমার বাবু আমি বুঝবো। রাতে হাসপাতালে গিয়ে দেখি হাতে ক্যনোলা লাগানো। অল রেডি টেষ্ট করে ইনজেকশন লিখে দিয়ে একটা পুশ করে দিয়ে গেছে। আরো ৯ টা দিতে হবে জানিয়ে গেলেন। বাবু প্রচুর কান্না করছে দেখে আমি রেগে মেগে সব খুলে ফেললাম। আর দেইনি।
আমার মাকে ভুল ইনজেকশন দিয়েছিলেন রেলওয়ে হাসপাতালের এম বিবি এস চিকিৎসক। এর ফলে আমার তের বছর পঙ্গুর মত হেটেছেন। কম বেশী সবাই একই ডাক্তারী সন্ত্রাসের স্বীকার। কারন আমি যেখানে গিয়েছি সেইটা জামায়াতের কোন প্রতিষ্টান ছিলনা।
একটি বিষয় বলতে চাই। ধর্ম কাউকে অপরাধ করার পারমিশান দেয়না। তাই লেবাসদারি যেই হোক তার অপরাধের জণ্য ধর্মকে গালি দেয়াটা শোভন মনে করিনা। অপরাধ অপরাধই তা যেই নামেই করুক না কেন? -
পাশা১৮ জুলাই ২০১০, ১৫:৪৬
এইটা ইবনে সিনার সমস্যা না। এই ঘটনা প্রায় সব জায়গায়। কোন কোন জায়গায় কিছুটা ভাল সেবা পাওয়া যায়। -
ভালবাসার দেয়াল১৮ জুলাই ২০১০, ১৯:৫৮
আমি শুধু এইটুকু বলবো-আমাদের পবিত্র ইসলাম ধর্মেও আছে যে জেনে অপরাধ করা বেশি গুনাহ।তার চেয়েও বেশি গুনাহ হচ্ছে না জেনে অপরাধ করা।
তাই এই ধর্ম ব্যাবসায়িরা এই সুযোগে সব অনিয়ম করে জেনে,কারন তারা জানে যে জেনে অপরাধ করা কম পাপের!
ইবনে সিনা একটি জামাত পরিচালিত সংগঠন,তাতে কোন সমস্যা ছিল না।কারন এটি একটি হাসপাতাল।কিন্তু তাদের সেই শুরুর ইবনে সিনা আর এখনকার ইবনে সিনা
। তাদের চিকিৎসা ব্যবসা আর তা দিয়ে কি করা তা কে না জানে
।
তাদের সেই আগের রমরমা অবস্থা ঠিক এই কারনেই নাই।
ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে নিবেন সবাই।কেউ কেউ ইবনে সিনার পক্ষে সাফাই গাইবার চেষ্টা করেছে,তাই কথা গুলো বললাম।
আর প্রমান হ্যা ঠিক বলেছেন কোন হাসপাতাল কেন বেশির ভাগ ধুর্ত প্রতিষ্ঠানই তাদের অনিয়মের প্রমান রাখে না,যদি না তারা ভুল করে! -
কামরুল ইসলাম২০ জুলাই ২০১০, ১৭:২৭
আমি শুধু এইটুকু বলবো-আমাদের পবিত্র ইসলাম ধর্মেও আছে যে জেনে অপরাধ করা বেশি গুনাহ।তার চেয়েও বেশি গুনাহ হচ্ছে না জেনে অপরাধ করা।
--জনাব ভালবাসার দেয়াল, আপনি কি জেনে এসব বলছেন। কমন সেন্স বলে এর উল্টোটা হবে। আমি জানি যে না জেনে অপরাধ করে তার অপরাধ ই হবে না। সেনসেটিভ বিষয়ে জেনেশুনে কমেন্ট দিবেন। -
ধ্রুবো১৮ জুলাই ২০১০, ১৬:০৫
দেশের সরকারী-বেসরকারী সব মেডিকেল যেনো এক একটা কসাই কারখানা, বিশেষ করে শহর গুলোতে। এর থেকে মনেহয় মফস্বলের স্বাস্হ্য সেবা কেন্দ্র ভাল সেবা দেয়। -
রুবেল আহমদ ১৮ জুলাই ২০১০, ১৬:৩৪
আপনার ছেলের সুস্থতা কামনা করি
ইবনে সিনার মতো সেবামূলক প্রতিষ্ঠান থেকে এরকম ব্যবহার কখনই কাম্য নয়। তীব্র ঘৃণা ও নিন্দা জানাচ্ছি। -
সুলতানা১৮ জুলাই ২০১০, ১৬:৪২
প্রতিকার হবে কিনা জানিনা। শুধুমাত্র ইবনে সীনা নয় , এটা পুরো বাংলাদেশেরই চিত্র। আমার আরও বাজে অভিজ্ঞতা আছে। আপনার বাবুর জন্য ভালবাসা আর আপনাদের পুরো পরিবারের জন্য শুভকামনা থাকল। -
ভালবাসার দেয়াল১৮ জুলাই ২০১০, ১৬:৪৫
ধন্যবাদ ব্লগ সঞ্চালককে এই পোষ্ট সঞ্চালক নির্বাচিত করায়।তাতে অনেকেই এই ব্যাপারটায় সচেতন হবে। -
মুকুট ১৮ জুলাই ২০১০, ১৭:০০
সমবেদনা রইলো। আপনি কোন আইনজীবির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, রাজাকারদের সব প্রতিষ্ঠান পরিহার করুন -
সজল শর্মা১৮ জুলাই ২০১০, ১৭:৪৭
এটা আমিও বলছি- আইনজীবির সাথে আলাপ করে একটা মামলা করে দেন।আপনি এগিয়ে গেলে আপনার কারণে অন্য কেউ হয়তো সুফল পেয়ে যাবে। কিছু হবে না বলে আমরা পিছিয়ে থাকি, বিচার প্রার্থী হলে কিছু হতেও পারে, ঐ প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহিতায় আওতায় আনা হবে। আর ইদানিং দেখেছি আদালত বিভিন্ন বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। এমনকি প্রশাসনের(জেলা প্রশাসক, পুলিশও শাস্তি পেয়েছেন) লোকদেরও আদালতে ডেকে এনে শাস্তি দিচ্ছে। এই বিষয় আদালতের কাছে নিয়ে যাবার অবশ্যই দরকার আছে। তবে সবকিছুর আগে আইনজীবির সাথে কথা বলে, আপনার দিক মজবুদ করে যাবেন। জনমত গঠনের জন্য এখানে ব্লগ আছে, দরকার হলে আমরা ব্লগারস' ফোরামকেও আহ্বান জানাবো, প্রথম আলো পত্রিকাও সাথে থাকবে বলে আশা রাখি। দরকার হলে অন্যান্য ব্লগেও এ ব্যাপারে আহ্বান জানানো যাবে। -
চাঁদের বুড়ি১৮ জুলাই ২০১০, ১৭:১৮
ইবনে সিনার এই অবস্থা,ঘটনাটা শুনে খুব খারাপ লাগছে।কি বলবো বুঝতে পারছিনা।
-
আমার কবিতা১৮ জুলাই ২০১০, ১৭:৩১
অতপর খুজা খুজি করে দেখি বাবুর (ছেলে) প্রস্রাবের রাস্তার মুখ তুলা এবং সাদা কষ্টেপ দিয়ে সুক্ষ ভাবে আটকানো (এভাবে সুস্থ মাসুষো অসুস্থ হয়ে যায়)।
আহা : বুকটা হু হু করে উঠছে ।
ভাবছি এরা মানুষ না কসাই । জাহানামের এসব কিট দের কোন বিচার হয় না । আল্লাহ্ এগুলোকে পঙ্গ করে ফেলুক , নি:বংশ করুক ,অপঘাতে মৃত্যু দিক - তবেই বুঝবে মানুষের সন্তান কে নিয়ে খেললে কি হয় । -
ত্রিভুজ১৮ জুলাই ২০১০, ১৮:৪৮
আপনার লেখা পড়ে বোঝা গেল আপনি মূলত নিজের ধারণার উপরে ভিত্তি করে তাদেরকে খারাপ ভাবছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে যেসব কান্ড হয় সেগুলোর তুলনায় আপনার পোস্টের তথ্যগুলো নিতান্তই সাধারণ এবং বেশির ভাগই আপনার নিজের ধারণা প্রসূত। আপনার বাচ্চার জন্ডিস সহ যদি হাসপাতাল কতৃপক্ষ ছেড়ে দিতো এবং যদি পরে বাচ্চার কোন ক্ষতি হতো তাহলেও আপনি হসপিটাল কতৃপক্ষের মুন্ডুপাত করতেন। কোন এক ডাক্তার বলেছে ৯৮% বাচ্চাই জন্ডিস নিয়ে জন্মায় তাই আপনি ধরে নিয়েছেন যে আপনার বাচ্চার জন্ডিস তেমন ক্ষতিকর কিছু ছিলো না, এটা তো ঠিক হলো না। আপনার মূল ক্ষোভ হচ্ছে টাকা নিয়ে। দুইদিন হাসপাতালে থেকে এত চিকিৎসা নেয়ার পর ৮ হাজার টাকা দিয়ে আপনার ধারণা হয়েছে আপনি অনেক টাকা দিয়ে ফেলেছেন... একই মানের অন্য কোন হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পারেন... বিল এর তিনগুনেরও বেশি হবে।
আরেকটা বিষয়... আপনি লিখেছেন রাজাকারদের হাসপাতালে আর না... তা ভাইজান, জেনেশুনে রাজাকারদের হাসপাতালে গেলেন কেন?
-
পামর১৮ জুলাই ২০১০, ১৯:৪০
রাজাকার বলনে তিরিভুজের এত লাগে কেন? শুনেন মিয়া ভাই, কুত্তা হওন ভাল, তয় এইরম লেজ ছাড়া কুত্তা হইয়া লাভ নাই। পোস্টের লেখক উনার অভিজ্ঞতা কইছেন। সকলেই জানি হসপিটালগুলাতে কি হয়। এই জায়গায় উনার সাথে অন্যায় হইছে, উনি তার বিচার চাইতেই পারেন। এক জায়গা ঠিক হইলে পরে সব জায়গাই ঠিক হইবো। যাই হউক গা, রাজাকার বলায় রাজাকারগো লাগি আপনের দরদ দেইখা টাসকি খাইলাম। লইজ্জা করে না? রাজাকারগো লাগি আইসা এখান দরদ দেখাইতে? যে পাতিলের ভাত খাইতেছেন সে পাতিলরে লাথ মারেন না? লইজ্জা হওন উচিত আপনাগো মত আগাছাদের। থু মারি আপনেগো মুখে। আর পায়ের জুতা রেডি রাখি।
মডুর কাছে যাইয়া বিচার দিবেন মনে লয়। দেখি মডু রাজাকার গো পক্ষ লয় কেমনে।যত্তসব আগাছা এখনও বাংলাদেশে রইয়া গেছে। -
ত্রিভুজ১৮ জুলাই ২০১০, ২০:৩৬
ইবেন সিনা নয় শুধু.. অকারণে ডাক্তারদের গালাগালি দেয়া অনেকের ব্লগেও আমার এধরনের নিরপেক্ষ মন্তব্য ছিলো আছে এবং থাকবে। বাংলাদেশের ডাক্তাররা এবং হাসপাতালগুলো অনেক কাজ ঠিক করে না এটা যেমন ঠিক তেমনি জনগন যেসব ইস্যুতে ডাক্তারদের গালি দেয় সেটাও অতিরিক্ত রকমের বাড়াবাড়ি। বাঙালি প্রত্যেকেই একেকজন বিরাট ডাক্তার... ডাক্তারদের উপরে তাদের ডাক্তারির বহু নমুনা আমার নিজ চোখে দেখা, সুতরাং এইসব বাঙালিপনা দেখতে বিরক্ত লাগে।
আর ভদ্রলোক লেখার এক পর্যায়ে এসে বললেন, "তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম যত দ্রুত সম্ভব এই রাজাকারদের কাছ থেকে আমাকে চলে যেতে হবে।"। রাজাকারদের হাসপাতালে জেনে শুনে যাওয়ার পর এটা বলার অধিকার তাঁর অবশ্যই নাই। সেটা রাজাকারদের হাসপাতাল হোক বা অন্য কারো হোক। এখানে রাজাকারদের প্রতি কোন রকম দরদ দেখানো হয় নাই।
আর আপনার ভাষা যথেষ্ঠ পরিমানে খারাপ। কিছু শিক্ষা আছে যা শুধুমাত্র পরিবার থেকে পাওয়া যায়। আপনি সেরকম কিছু না পেয়ে থাকলে আসলে আমার কিছু করার নাই, তাই কিছু মনে করি নাই। -
কামরুল ইসলাম২০ জুলাই ২০১০, ১৭:৩৪
সভ্য দেশের সভ্য নাগরিক আমরা। অন্যের মতামতের উপর সম্মান দেখানো উচি্ত। -
দূরবীণ১৮ জুলাই ২০১০, ১৯:৫৪
ইবনে সিনার প্যাথলজি বানিজ্যের শিকার হয়ে আপনি ও আপনার নবজাতক শিশু যে বাস্তবতার সন্মুখিন হয়েছেন তা জেনে রীতিমত চমকে উঠেছি। প্রসাবের রাস্তার মুখ তুলা এবং কষ্টেপ দিয়ে সুক্ষ ভাবে আটকিয়ে একটা নবজাতকে এভাবে মৃত্যু মুখে ঠেলে দেয়ার কোন মানে হয় না। শুধুমাত্র অর্থের জন্যে নবজাতকের জীবন নিয়ে এ কোন নিষ্ঠুর খেলা চলছে চিকিৎসার নামে? আপনার জন্যে আমার পরামর্শ হচ্ছে আপনি অতি সত্বর মামলা দায়ের করুন। অন্ততপক্ষে আপনার মামলার মাধ্যমে ইবনে সিনার পৈশাচিক ও অর্থলিপ্সু চিকিৎসা বানিজ্যের কথা সারা দেশের মানুষ জানবে ও সচেতন হবে। আপনার বাবুর মত হাজারটা বাবু চিকিৎসা নামের অপচিকিৎসা থেকে রেহাই পাবে।
ইবনে সিনা হাসপাতাল জামায়াত বা জামায়াতের ইসলামীর অঙ্গ সংগঠনের সাথে জড়িত কিনা তা আমার জানা নেই। এটাও সত্য যে সাংগঠনিক নামে ইসলাম থাকলেও জামায়াতে ইসলামীর গঠন এবং আদর্শ ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক কিনা এনিয়ে আলেমদের মাঝে দ্বিমত আছে।
কিন্তু উপরে অনেক ব্লগারের মন্তব্য পড়ে একটু হতাশ হলাম, ইবনে সিনার প্রতি ঘৃনা প্রকাশ করতে গিয়ে এর চিকিৎসা অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ না করে জামায়াত ইসলামীকে নিয়ে টানা হেচড়া শুরু করে দিয়েছেন। অনেকে তো আবার জামায়াত ইসলামীতে তাদের বক্তব্য সীমাবদ্ধ রাখেন নাই, ইসলাম ও আল্লাহ নিয়ে মন্তব্য করে নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করে দিয়েছেন। এটা অত্যন্ত দুঃখ জনক। -
জাকির বেপারী১৮ জুলাই ২০১০, ২০:১৪
খুবই দুঃখজনক। এই ধরনের অপকর্মের সাথে যারা জড়িত, তাদেরকে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দেয়া হোক। -
প্রতীপ১৮ জুলাই ২০১০, ২০:২৮
ভাগ্য ভালো যে শিশুটির বড় ধরনের কোন ক্ষতি হয়নি।
এখন ইবনে সিনা'র বিরুদ্ধে যদি কোন ব্যবস্হা নেয়া হয় তাহলে দেখবেন সব চিকিৎসক একজোট বেধে ধর্মঘটে যাবেন।
চিকিৎসা ব্যবস্হা হয়ে যাবে অচল।
সরকার যাবে কোথায়? -
শ্রাবণ আকাশ১৮ জুলাই ২০১০, ২০:৩৪
এ রকম কাহিনী হাজার হাজার হচ্ছে, কিন্তু এ ধরনের প্রতিবাদমূলক লেখা খুব কম বলেই নাটকের কুশীলবেরা পার পেয়ে যায়। আশা করি কিছু একটা সমাধান হবে। -
ক্রান্তিবীর১৮ জুলাই ২০১০, ২০:৪২
ত্রিভুজ মিয়া খুব চটেছেন বোধহয় এই লেখকের উপর। চটবেনই তো। কেন উনি ইবনে সিনার এই অপকীর্তি গুলো এভাবে জনসম্মুখে প্রকাশ করে দিলেন !! ভাই শুচনা১৮১, এটা কিন্তু আপনার ভাই অন্যায়।
নিজের স্বজাতি কসাইদের ডিফেন্ড করতে গিয়ে ত্রিভুজ মিয়ার আসল রূপটা প্রকাশ হয়ে গেছে।
এতটুকু বাচ্চার সাথে যে আচরণটা করা হলো সেটা নিয়ে ত্রিভুজ মিয়া কিন্তু একটা কথাও বলেননি। রক্তেই যাদের নেশা তাদের লেখনীতেই বা মানবীয় সহানুভূতি আসবে কোথা থেকে!!
ত্রিভুজ মিয়ার আরও একটা গুণ আছে দেখলাম - তিনি "থট রিডিং" করতে পারেন। বেশ সুন্দর এই লেখকের মনের কথা, মস্তিস্কের কথা জেনে গেছেন। বলেন তো, আমার মন এখন কি ভাবছে?
আমিই বলে দিই - আমি ভাবছি "রাজাকারের বাচ্চা" বলে গালি দেয়ার একজন মানুষ পাওয়া গেল।
নবজাতকের জন্য শুভকামনা। ওর জন্য ছোট্র একটা মেসেজ থাকলো -"পৃথিবীটা কিন্তু অনেক অনেক সুন্দর" -
মোজাম্মেল হায়দার১৮ জুলাই ২০১০, ২১:০৭
পুরো লিখাটি পডলাম,খুব খারাফ লেগেছে আপনার বাবুর জন্য
বিচার হবে এই দুনিয়াইতে না হলে আখেরাতে হবে।
মন খারাফ করবেন না,লিখা পডে বুজতে পারতেছি অপনার মনের অবস্থা খুবি খারাফ।
কি করবেন বলেন এই আমাদের বাংলাদেশ,এই দেশে জন্ম গ্রহণ করে ও এইদেশকে গ্রিনা করতে মন চায়।
বাবুর দিকে খেয়াল রাখবেন। -
ক্রান্তিবীর১৮ জুলাই ২০১০, ২১:৫১
ভাই ত্রিভুজ আপনি একেবারে খাটিঁ কথা বলেছেন "কিছু শিক্ষা আছে যা শুধুমাত্র পরিবার থেকে পাওয়া যায়" । ঠিক তেমনি " কিছু গুণ আছে যা শুধুমাত্র পরিবার থেকে পাওয়া যায়" । যেমন - "সহানুভুতি" এবং "মানবতাবোধ" । এই দুটোর কোনটাই আপনার মাঝে নাই। যদি থাকতো এই বাচ্চাটির জন্য একটা শব্দ হলেও আপনি লিখতেন। তা তো করেনিনিই, উল্টো ইবনে সিনার পক্ষে সাফাই গাইছেন।
কান টানলে মাথা আসে । আর আপনাকে টানলে প্রথমে ইবনে সিনা আসবে, তারপর রাজাকার আসবে, সবশেষে আসবে গণহত্যা আর ধর্ষণ। -
রিপন২৩১৮ জুলাই ২০১০, ২২:০৬
ভাই সত্য কথা কি সবাই ব্যবসা নিয়ে ভাবে কেউ ভাবছে কি আপনার বেবি র কথ।া যদি ভাবত তাহলে তো আপনাকে এতো কস্ট করতে হয় না ।
আর হসপিটাল এখন হয়েছে মরনের প্রধান যায়গা। আমি অবাক হয়ে যাই তারা রোগি র থেকে টাকা টা বেশি চিনে আজিব দেশে আছি ভাই
দোয়া করি আপানার বেবি ভাল হয়ে যাক
ভাল থাকবেন -
মনজুরুল হক১৮ জুলাই ২০১০, ২২:২৫
আমার বাবা গত বছরে ওখানে মারা গিয়েছিল বিনা চিকিৎসায়।
লজজায় কাউকে বলতে পারিনি ভাই।
আপনি সাহস করে লিখেছেন বলে ধন্যবাদের ভাষা পাচছি না।ভাল রইবেন। -
ওয়াচডগ১৮ জুলাই ২০১০, ২৩:৩১
আমাদের গোটা চিকিৎসা ব্যবস্থার যে করুণ অবস্থা তার ছোট একটা চিত্র ফুটে উঠেছে লেখকের অভিজ্ঞতায়। ক্ষমতার হোমরাচোমরা কজনকে বাদ দিলে বাংলাদেশের প্রায় সবাইকে কমবেশি এ ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়। লেখক যদি চিকিৎসা ব্যবস্থার এই দৈন্যতাকে রাজাকারী রঙ দিতে চান তা উনার স্বাধীনতা, তবে বাংলাদেশের অলিগলিতে ব্যাঙ এর মত বেড়ে উঠা অনেক হাসপাতালের মালিক কথিত দেশপ্রেমিকরা। দুঃখজনক হলেও সত্য সবখানে একই অবস্থা। আমরা এক অসুস্থ সমাজে বাস করেছি, আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা তার নেংটা উদাহরণ। -
কাজলাদিদি১৯ জুলাই ২০১০, ০১:২৮
আমার বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার কথা মুটামটি সবাই কম বেশী জানি।
এই জ্ঞান দান আজ এখানে মুখ্য নয়।

একটা সুপ্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান বলেইইবনে সিনা কে জানতাম কিন্তু তাদের
থেকে দায়িত্বশীলতার পরিবর্তে অবহেলা,দায়িত্বহীনতা,পাশবিকতা, চশমখরিতার
এহেন চিত্র দেখতে হবে তাও আবারমোটা অংকের টাকা খরচ করার পরে। সেখানে
প্রতিবাদ করা যাবেনা,ইবনে সিনার রুগ্ন মানসিকতা তুরে ধরা যাবেনা কিন্তু কেন ?
শুচনা ১৮১ দারুনভাবে ভুক্তভোগী,নির্যাতিত তার হাজার বার প্রকাশ করার অধিকার
আছে। তার সন্তান তার কাছে তার মতই প্রিয়।সন্তানের অনিশ্চয়তা,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের
নামে হয়রানি,অব্যবস্থাপনা,পানির মত পয়সা ব্যয় এগুলো বিষয় ভাববার দাবী রাখে।
অথচ কয়েকজন কলিজা ফেটে যাওয়া ইবনে সিনা দরদী ব্লগার স্বস্থ্যসেবায় ইবনে সিনা
কে অন্যান্য হাসপাতালের সাথে তুলনা করতে ব্যস্ত একবারও তারা নুতন সন্তানের
জন্যে ভাবার সুযোগ পেলেন না আমাদের বন্ধু ব্লগারকে সমবেদনা জানানোর ভাষা
খুজে পেলেন না। হায়রে মনুষ্যত্ব ! হায়রে ইবনে সিনা পাগল ! হায়রে জামাতি প্রেম !
হায়রে রাজাকার প্রীতি ! ছি ! ছি ! এটি মানবতার লজ্জা। ধর্মীয় লেবাসের লজ্জা ! !

আমি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলতে পারি ইবনে সিনা জামাতি অধ্যুষিত একটি প্রতিষ্ঠান।
আসুন ধিক্কার জানাই ইবনে সিনা কে, আসুন চিহ্নিত করি এই পোষ্টে যারা ইবনে-
সিনার পক্ষে দালালীপনা করছে, আসুন বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারনা করি যারা কানা-
অন্ধ হয়ে মানবতার কথা ভুলতে বসেছে, ধর্মলেবাসীর অন্তরালে জামাতি, জঙ্গির
বিস্তারে বাংলার সহজ সরল মানুষকে ধোকা দিয়ে অর্থ সম্পদ লুটপাট করছে আসুন
তাদের কথা বাংলার সকল দৈনিকে সমস্বরে প্রকাশ করি।
যত কথায় বলি তার মধ্যে একটি মর্দ্দা কথা হলো...
শুচনা ১৮১ ভাই দ্রুত ভালো উকিলের সাথে কথা বলে শক্ত করে মামলা করুন।
বর্তমান সরকার এখন প্রচলিত অইনেই রাজাকারদের শায়েস্তার জন্যে বদ্ধ পরিকর
সুতরাং সরকারের দৃষ্টি আনার জন্যে আমরা নিরলস আপনার পাশে আছি এবং
থাকবো।

আমরা ইবনে সিনার মত সকল জামাতী ঘেষা ধর্ম ব্যবসায়ীদের কলংকিত অধ্যায়ের
দিন শেষ করতে রাজাকারী খতম যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত।

আসুন সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া জামাতি ঘেষা ধর্ম ব্যবসায়ীদের সকল প্রতিষ্ঠানে
যার যার সাধ্যমত অভিযান চালাই, তথ্য সংগ্রহ করি ।
নিজেদের পাশাপাশি দেশবাসীকে রক্ষা করি।
বন্ধু শুচনা ১৮১ আপনার ও ভাবীর জন্যে সহমর্মিতা ও পাশে থাকবার অঙ্গিকার এবং
লক্ষিসোনার অনেক অনেক আদর... অনন্ত ভালোবাসা।

ভালো থাকবেন। -
বিডি আইডল১৯ জুলাই ২০১০, ০৮:২৪
এই পোষ্টে কিছু আলোচনা হচ্ছে....উত্তরগুলো এখানে বা ওখানে দিলে খুশী হতাম
বিডি আইডল বলেছেন: দোষটা ইবনে সিনার না...দোষটা আমাদের সিস্টেমের চাইল্ড জন্ডিস যে সাধারণ একটা বিষয় আপনারা সন্তান আসার আগে এই বিষয়ে পড়াশোনা করেন নি কেন বুঝলাম না...যে কোন চাইল্ড কেয়ার বইতেই এই জিনিষ থাকে..
আর আমাদের সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্হা নিয়ে কিছু বলা মানে সময় নষ্ট
বিডি আইডল বলেছেন: নব দম্পতি বাচ্চার বাবা-মা হয় না...এটা প্ল্যান এবং সময়ের ব্যাপার...বই পড়ে কামেল হওয়ার কথা বলিনি....বলিছি সাধারণ বিষয়গুলো...যেগুলো প্রেগনেন্সির সময়ে ও বাচ্চা হবার পর জানা থাকা প্রয়োজন....
ওই দম্পতি কি সৎ ও বেটার সার্ভিসের জন্য ইবনে সিনায় গিয়েছিলেন? -
পাশা১৯ জুলাই ২০১০, ০৯:২৮
উপরে পোস্ট পড়ে এবং কয়েক জনের মন্তব্য পড়ে আমি শিউর না লেখক চিকিৎসার জন্য ইবনে সিনায় গিয়েছিলেন নাকি ইবনে সিনাকে টেস্ট করার জন্য গিয়েছিলেন।
আমি খুব অবাক হলাম একজনতো ত্রিভুজকে গালাগাল শুরু করে দিল। কেউ তো এক ধাপ বাড়িয়ে ইসলাম কে নিয়ে টানা হেচড়া শুরু করে দিল। মুল বিষয়টা বাদ দিয়ে এল রাজাকার আর ইসলাম।
একটা জানা দরকার অপরাধ যে করবে সেই অপরাধী তার লেবাস যাই হোক না কেন? কেউ মাথায় টুপি দিয়ে খুন করুক আর মুজিব কোট গায়ে দিয়ে হোক কিংবা সেন্ডু গেন্জী গায়ে দিয়ে হোক। তার মানে এই নয় এটা ইসলাম কিংবা মুজিব কিংবা জিয়ার অপরাধ।
আমি কোন দিন ইবনে সিনায় যাইনি। এমনকি জামায়াত নিয়ন্ত্রিত কোন প্রতিষ্টানে যাইনি।। তবে যত অপচিকিৎসার শিকার হয়েছি তার একটাও জামায়াতের প্রতিষ্টান ছিল। যে অপরাধ করেছে তাকে শাস্তি হোক এটাই চাই। আমরা চাই ভাল চিকিৎসা হোক।
কিছুদিন আগে মেয়াদউত্তির্ন ওষুধ দিয়ে কি্ডনী ডায়ালাইসিস করার সময় হাতে নাতে ধরা সোহরাওয়ার্দির এক ডাক্তার। গত সপ্তাহে ব্লগার শিমুল তুলার বাবাকে ভর্তি করা হল জাতীয় চক্ষু ইনস্টিটিউটে। সেখানে ডাক্তারদের ভুল চিকিৎসায় তার বাবার চোখ নস্ট হয়ে গেছে। এখন আপনারা কি বলবেন? ওই প্রতিষ্টার গুলাতো জামাতি না। নাকি খুজা শুরু করবেন ওই ডাক্তার জামায়াত করে কিনা, নামাজ পড়ে কিনা , আর কিছু না হোক সেই মসজিদ কিংবা জামাতির বাসার পাশে ভাড়া থাকে কিনা। এক ধরনের মানুষ আছে কোন ব্যক্তি কোন অন্যায় করলেই খুজতে শুরু তার সাথে ধর্মকে লাগানো যায় কিনা। মনে হয় ইসলাম সবাইকে অপরাধী বানিয়ে ছাড়ছে।
এই গুলো খুব দুঃখ জনক। এই চর্চার অবসান হওয়া প্রয়োজন। অপরাধী অপরাধীই সে যেই হোক।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিজের সচেতন হওয়া প্রয়োজন। আমি একটা বিষয় বিশ্বাস করি ভুল চিকিৎসার চেয়ে বিনা চিকিৎসায় মরে যাওয়া ভাল। -
ভালবাসার দেয়াল১৯ জুলাই ২০১০, ২১:০০
ঠিক আছে আপনার যুক্তি,মানলাম।
আপনি দয়া করে ওদের ওইখানে একদিন সারাদিন না বলে শুধু বসে থাইকেন ফ্রণ্ট ডেস্কের সামনের চেয়ার গুলোতে,তাহলেই বুঝতে পারবেন। -
কাজলাদিদি১৯ জুলাই ২০১০, ২১:১৩
আজকের বিষয়টি নিয়ে যেখানে সরাসরি ইবনে সিনা'র সার্বিক নোংড়া ব্যবস্থাপনা জড়িত।
ভুক্তভোগী একটা মানুষ সূচনা ১৮১। জীবন মরণ সমস্যা তার একমাত্র সন্তানের।সে বিষয়ে
এখানে চুল চেরা বিশ্লেষন করা হচ্ছে দীর্ঘদিনের জানা দেশের প্রতিষ্ঠিত ইবনে সিনা
হাসপাতাল নিয়ে। অথচ কেউ কেউ যেন শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মত বুঝাতে চাচ্ছেন
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবার কথা, অন্যান্য হাসপাতাল বা ক্লিনিকের কথা। এটা এক ধরনের
হীনমন্যতার মত অবস্থা। আমার বক্তব্য পরিস্কার প্রথমত আলোচ্য বিষয় নিয়েই আলোচনা
হওয়া জরুরী তারপর প্রাসঙ্গিক যে কোন বিষয় আলোচনায় আসতে পারে সমস্যা নেই।
কিন্তু বারবার জ্ঞান দেবার ধৃষ্টতা দেখে অবাক হচ্ছি যে, উপরে মন্তব্য করা ভদ্রলোক এখন
পর্যন্ত ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়িয়ে সমবেদনা জানাতে পারলেন না অথচ বারবার ইবনে
সিনার অব্যবস্থাপনার পক্ষে দাঁড়িয়ে খামাখা অতিরিক্ত জ্ঞান দেবার বৃথা চেষ্টা করছেন।
একটা বিষয় মনে রাখা দরকার অন্যায় অপরাধের সময় অপরাধীর যাবতীয় বিষয় জনমনে
বা ভুক্তভোগীদের কাছে উঠে আসে এটা হলো বাংলার ইতিহাস। সুতরাং জামাত অধ্যুষিত
দীর্ঘদিনের মানুষ চোষা প্রতিষ্ঠান স্বস্থ্যসেবার নামে যেন তেন আচরন করবে,মোটা মোটা অঙ্ক
খোসে নিবে আর তার গোপনাংগ ধরে কেউ টানাটানি করবে না এটা ভাবা বোধয় অর্বাচিন।
আর জামাতি সংশ্লিষ্টতার কথা উঠলেই আপনাদের মাথা খারাপ কেন হয় ?
ব্যাপারটা আমরা ইতিমধ্যে বেশ বুঝে গেছি।
নারায়ে তকবির দিয়ে ইসলামের ডাক দেয়া বা ভালো কাজে ডাক দেয়া সুন্নত এবং সোয়াবের
কাজ কিন্তু নারায়ে তকবির দিয়ে রগ কাটা, মানুষ হত্যা করা বা যে কোন খারাপ কাজে ব্যবহার
করা চরম গুনাহ বা খারাপ দৃষ্টান্ত এবং ধর্মকে অবমাননা করার সামিল। এমনিভাবে ধর্মীয়
লেবাস বা ধর্মীয় সংশ্লিষ্টতার নামে কোন খারাপ কাজ অবশ্যই নিন্দনীয় এবং ধর্মীয় অনুভূতি
আঘাত করার সামিল।
আমাদের মনে রাখা দরকার, ধর্মীয় লেবাস আমাদের ইজ্জত, আমাদের সন্মান এটার মর্যদা সব
সময় রাখা উচিৎ যারা এটা পরিধানে অভ্যস্ত হবেন।অন্য পোষাকের বেলায় এত কথা কখনোই
উঠবেনা। আপনি আমার চ্যালেঞ্জ প্রমাণ করে জন সমূক্ষে বলুন যে ইবনে সিনা জামাত অধ্যুষিত
প্রতিষ্ঠান নয়। তাহলে আমি আর ইবনে সিনা কে জামাতের সাথে, রাজাকারের সাথে, ধর্মীয়
লেবাসের সাথে জড়াবো না। আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিব।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান আমরা মুটামুটি কমবেশী সবাই জানি তার সাথে ব্যাঙের ছাতার
মত গজিয়ে উঠা ক্লিনিক বা মানুষ চুষে খাওয়া নামি দামী হাসপাতালের কথাও জানি। এমন কি
দেশ বিদেশ সেরা শিক্ষিত ডাক্তার বাবুদের কথাও জানি। তবে এটি ভুক্তভোগীর আবেদন নয়।
সুতরাং প্রসঙ্গ ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার বৃথা চেষ্টা করার দরকার কি ? -
সজল শর্মা১৯ জুলাই ২০১০, ১০:৪১
হাস্যকর অবস্থা হচ্ছে দেখি, একজন মনের ক্ষোভে যেকোন দলকে গালি দিতেই পারে। চিকিতসাব্যবস্থায় সর্বত্র কি হচ্ছে তা আমরা সবাই জানি। কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মূল বিষয় ঢেকে যাচ্ছে এসব আলোচনায়।
মূল কথা হচ্ছে, পোস্টের লেখকের সাথে অন্যায় হয়েছে। উনি তার প্রতিকার এবং বিচার চাইতে পারেন। দেশের সবার সচেতনতার জন্য পোস্ট দিতে পারেন। উনার মনের দিকও বুঝা দরকার। একজন যাতনা সইতে সইতে ক্ষোভের বশে গালিও দিতে পারে। আর সেটা জামায়াতের প্রতিষ্ঠান হোক বা অন্য কারও হোক, ক্ষোভের বশে আমরা মূল টেনে না ধরে ছাড়ি না। জামাত যেহেতু ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কথা বলে, সেহেতু জামাতের কোন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মানবিকতাই বেশি আশা করে, কারণ সেটাও ধর্মীয় শিক্ষা। তা না পেলে নেগেটিভ দিক টেনে ধরতে কেউ দ্বিধা করে না, এই জায়গাতে আরও বেশি করে বলে। পোস্টের লেখক ঐ জায়গায় চিকিতসা নিতে গিয়েছেন, স্বভাবতই উনার তখন জামায়াত নিয়ে কোন মাথাব্যথা ছিল না। উনি ভাল সেবাই আশা করেছিলেন, বিপদের মুহূর্তে ধর্মভিরু জাতি হিসেবে ধর্মের কাণ্ডারীতে ভিড়ে যাবার স্বভাব বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই আছে। উনিও হয়তো সেটাই করেছিলেন। যখন পান নাই, ভুক্তভোগী হয়েছেন, তিন দিনের বাচ্চাকে লালসার শিকার হতে হয়েছে একজন বাবা হিসেবে উনার ক্ষোভ আসবেই। এটা বুঝা উচিত। আর ক্ষোভ আসলেই তখন মূল ধরে টান দেয় সবাই, কারণ জামায়াতের মূল নীতি ধর্মের নামেই। তখন নেগেটিভ দিক উঠে আসেই। (এটা তো কিছুই না, দুইজনের মাঝে ঝগড়া শুরু হলে- একেবারে চৌদ্দ জেনারেশনের নেগেটিভ দিক উঠে আসে।) আজ সেই প্রতিষ্ঠান থেকে ভাল সেবা পেলে উনি তো আর এমন বলতেন না। তখন জামায়াতের নামে যতই বদনাম থাক, উনি নিজে জামায়াতের গুণ গাইতেন। (অনেক বিষয়ে আমি নিজেও জামায়াতের গুণ গাই)। এটা যদি জামায়াতের প্রতিষ্ঠান হয়েই থাকে, তবে জামায়াতকে এই বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত, কারণ তারাও এদেশে একটা রাজনৈতিক দল। আর অপরাধ করলে শাস্তি অবশ্যই আছে, সেটা জামায়াত হোক, বিএনপি হোক, আঃলীগ হোক। জামায়াতের কেউ কেউ কোন অপরাধ করে থাকলে তার শাস্তি পাবে, সে অন্য কথা।
তবে এখানে মজার দিক হল, কাউকে কাউকে পোস্টের বাইরে গিয়ে, একজন সদ্যজাত সন্তানের উপর বয়ে যাওয়া লালসার আক্রমনে বিপর্যস্ত এক পিতার মনের কথা না বুঝে, উনার উপর ঘটে যাওয়া অন্যায়ের দিক না চেয়ে- সবাই শুরু করেছে ধর্মের সাফাই গাওয়া, দলের সাফাই গাওয়া, রাজাকারের পক্ষে সাফাই গাওয়া। পোস্টে রাজাকারের বিরুদ্ধে যেমন কথা চলে এসেছে, তেমনি চলে আসছে রাজাকারের পক্ষপাত অবলম্বন। যারা এরকম শুরু করেছেন- তাদের বলব লজ্জা হওয়া উচিত। উক্ত প্রতিষ্ঠান রাজাকারের হোক, দেশ প্রেমিকের হোক- অনিয়ম-অবিচার-অনাচার করলে বিচারের সম্মুখীন হতে বাধ্য। আশাকরি সবাই পোস্ট লেখকের উল্লেখিত মূল বিষয়ে আলোকপাত করবেন। সোকল্ড ধর্মনীতি, রাজনীতি, দেশনীতি, দেশপ্রেমনীতি- একটু দূরে রেখে ন্যায়বিচার নীতির আলোচনা করবেন। -
মাহাফুজুর রহমান১৯ জুলাই ২০১০, ১০:৫১
আপনার ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তা খুব দুঃখ জনক । আপনার জন্য সমবেদনা ।
প্রতিষ্ঠান যাই হোক ইবনে সিনা হোক বা অন্যটা তাদের উদ্দেশ্যই ব্যাবসা । সেবা এখন সূদূর পরাহত । এক একজন ডাক্তার শুধু কসাইর সাথে তুল্য । আর কেউ কানের সমস্যা নিয়ে গেলে ডাক্তাররা পায়ের এক্সরে ধরিয়ে দেয় পার্সেন্টিস পাওয়ার আশায় । এই সব কুত্তাদের প্রতি ঘৃনা । -
রাহাবি১৯ জুলাই ২০১০, ১২:৪০
চিকিৎসার নামে এইসব ব্যবসাকে ঘৃণা জানাই। আপনাকে ধন্যবাদ আপনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরার জন্য। আপনার বাচ্চার প্রতি শুভকামনা। -
মং হ্লা প্রু পিন্টু১৯ জুলাই ২০১০, ১৭:০৮
গত রাতে পোস্টটি যখন পড়ছিলাম তখন মাঝপথে ইলেক্ট্রিসিটি চলে যাওয়ায় পুরোপুরি পড়তে পারিনি। মন্তব্যও করা হয়ে ওঠেনি। আজ বিকালে কর্মস্থল থেকে ফিরে নেটে বসে দেখতে পেলাম পোস্টটি সঞ্চালক নির্বাচিত হয়ে ব্লগের প্রথম পৃষ্ঠার দ্বিতীয় শীর্ষে স্থান পেয়েছে। এ জন্য ব্লগ সঞ্চালককে আন্তরিক ধন্যবাদ।
আমি প্রথমেই পোস্টদাতাকে আন্তরিক স্বাধুবাদ জানাই রাজধানীর অন্যতম বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসার নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার এই বাস্তব চিত্রটি (ভুক্তভোগী হিসাবে স্বীয় অভিজ্ঞতাটুকু) ব্লগে শেয়ার করার জন্য এবং সঙ্গে-সঙ্গে তাঁর প্রতি সহজাত সহমর্মিতাও প্রকাশ করছি।
আমার ধারণা, সিংহভাগ বাংলাদেশি ডাক্তার/চিকিৎসক চিকিৎসাসেবাকে বাণিজ্য জ্ঞান করেন। তাঁরা সেবা-মনোবৃত্তি নিয়ে চিকিৎসা করেন না, তাঁরা চিকিৎসাবিজ্ঞান পড়তে যান বাণিজ্য-মনোবৃত্তি নিয়ে অর্থাৎ চিকিৎসক হয়ে তাঁরা শর্টকাটে অত্যাধুনিক গাড়ি-বাড়ির মালিক ও কোটিপতি হওয়ার দৌঁড়ে শামিল হন। এই যখন অবস্থা তখন অর্থলোভী চিকিৎসকদের কাছ থেকে বেশি টাকার বিনিময়ে তথাকথিত চিকিৎসা হয়তো পাওয়া যাবে, কিন্তু প্রকৃত চিকিৎসাসেবা কেউই পাবেন না। -
কামাল উদ্দিন১৯ জুলাই ২০১০, ১৯:৩৯
দেশের অধিকাংশ ক্লিনিকগুলোতেই এমনটা হয়ে থাকে কিন্তু ইবনে সিনার মতো নামকরা একটা ক্লিনিকে এমনটি হওয়া সত্যিই বিশ্ময়কর, তবে খুব একটা বিশ্ময়করও বলবো না........রাজাকর বলে কথা ।
ওদের নামে মামলা ঠুকে দেওয়া উচিৎ -
উজ্জ্বল ধর২০ জুলাই ২০১০, ০১:৪৭
ইবনে সিনা সম্পর্কে এর আগেও দু-একটা কাহিনী শুনেছি। প্রাইভেট চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় একই রকমের কসাই। তবে ইবনে সিনা একটু এগিয়ে..................





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক