শুক্রবার ২৫ এপ্রিল ২০১৪, ১২ বৈশাখ, ১৪২১ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


মো ইয়ানের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ সাহিত্য: ২০১২ নোবেল সাহিত্য পুরস্কার


মো ইয়ান সাম্প্রতিক সময়ে চীনের সবচেয়ে আলোচিত লেখক যিনি ১৯৮০ সাল থেকে অব্যাহতভাবে লিখে চলেছেন তার অগণিত ভক্ত-পাঠকের জন্য। একজন জনপ্রিয় লেখক, আমাদের হুমায়ূন আহমেদের মতো, যিনি ইতিহাস ও সমসাময়িকতাকে ধারণ করেছেন দক্ষ হাতে। সমসাময়িক লেখকদের তুলনায়, তার লেখাগুলো সবচেয়ে বেশি অনূদিত হয়েছে ইংরেজি ভাষায়। রেড সরগাম তার প্রধান কীর্তি, যা নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করে জাং ইমু বিখ্যাত হয়ে যান এবং অর্জন করেন ‘গোল্ডেন বেয়ারসহ’ অসংখ্য এওয়ার্ড। মো ইয়ান একজন প্রলিফিক রাইটার, মাত্র ৪২ দিনে তিনি লিখে ফেলেন ‘লাইফ এন্ড ডেথ আর ওয়্যারিং মি আউট’ উপন্যাসটি। ‘দ্য গারলিক ব্যালাডস’ কৃষকদের প্রতি সরকারের অন্যায় আচরণের ওপর একটি বাস্তব ঘটনা-ভিত্তিক উপন্যাস।

জন্ম ও জীবিকা
মাও জেদং-এর সময়ে শানদং প্রদেশের একটি কৃষক পরিবারে নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী মো ইয়ানের জন্ম (১৯৫৫)।
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় পর্যন্ত মো ইয়ান লেখাপড়া চালিয়ে যান। ছেড়ে দেন মাত্র ১২ বছর বয়সে। পরিবারের সাথে কৃষিকাজে যোগ দেন। তারপর পেট্রোলিয়াম কারখানায় কাজ। একসময় যোগ দেন চীনা পিপলস লিবারেশন আমিতে (১৯৭৬)। সাহিত্য বিষয়ের শিক্ষক এবং বর্তমানে চীনা লেখক সমিতির উপ-সভাপতি।

সেনাবাহিনীতে থাকা অবস্থায় লেখক মো ইয়ানের জন্ম (১৯৮১)।
ওই সময়েই তার লেখক সত্ত্বার আবির্ভাব। লেখতেন ছোট গল্প আর উপন্যাস। জাপানী আগ্রাসনের ফলশ্রুতিতে, তার প্রথম জীবনের লেখাগুলো ইতিহাস-ভিত্তিক এবং অনেকটাই সরল উপস্থাপনা। আসল নাম গুয়ান মোয়ে হলেও ‘মো ইয়ান’ ছদ্মনাম গ্রহণ করেন, যার অর্থ ‘কথা বলো না’।
একেই তো সৈনিক, তারমধ্যে কমিউনিস্ট সরকারের কর্তৃত্ব, তাহলে কথা বলার সুযোগ কই? সে বিবেচনায় মো ইয়ান বা কথা-বলো-না নামটি কিন্তু বেশ জুতসই একটি ছদ্মাবরণ। তবে চাইনিজ লেখকদের বায়োগ্রাফি দেখলে বুঝা যায়, সরকারী কর্মকতা থেকে লেখক হবার ব্যপারটি একটি মামুলি বিষয়।

১৯৮৪ সালে মো ইয়ান চীনা সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত সাহিত্য একাডেমিতে শিক্ষকের পদ লাভ করেন এবং একই বছরে প্রকাশ করেন তার প্রথম উপন্যাস ‘আ ট্রান্সপারেন্ট র্যা ডিশ’। ১৯৯১ সালে সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯৮ সাল থেকেই তিনি বিভিন্ন পুরস্কারে সজ্জিত হয়ে আসছেন, যদিও অধিকাংশই পূর্ব এশিয়ান। অবশেষে ২০১২ সালে লাভ করেন সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার।

“মো ইয়ানের সাহিত্যে দৃষ্টিবিভ্রমকারী বাস্ততবতাকে লোককাহিনী, ইতিহাস এবং সমসাময়িকতার সাথে যুক্ত করা হয়েছে।” নোবেল কমিটির ঘোষণায়, এই ছিলো মো ইয়ানকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়নের আনুষ্ঠানিক যুক্তি। হ্যালুসিনেটরি রিয়েলিজম নিয়ে নিজেই একটু হ্যালুসিনেশনে পড়ে গিয়েছিলাম, এটা আবার কী! শেষের দিকে একটু আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।

মো ইয়ান কি নোবেল পুরস্কারের উপযুক্ত ছিলেন? এবিষয়ে বিবিসি’র ভাষ্য এরকম: তিনি নোবেল পুরস্কারের উপযুক্ত ছিলেন। মো ইয়ান দশকের পর দশক ধরে লিখে যাচ্ছেন। তার আছে অগণিত পাঠক-ভিত। তিনি মানবতাকে এমনভাবে তুলে ধরেছেন তার লেখায়, যা নোবেল নির্বাচনী পরিষদের পছন্দ হয়েছে।



কী নিয়ে লেখেন

শানদং-এ মো ইয়ায়ের বাল্যস্মৃতি, নিজের একান্ত দেখা জীবন ও প্রকৃতি নিয়ে মো ইয়ান লিখেছেন। জাপানের আগ্রাসনে ক্ষতবিক্ষত সমাজের চিত্র তুলে ধরেন তার Hallucinatory Realism বা ‘দৃষ্টিবিভ্রমকারী বাস্ততা’ সমৃদ্ধ লেখাগুলোতে। কমিউনিস্ট মতবাদের প্রতি অনুগত হয়েও মো ইয়ান ব্যঙ্গাত্মকভাবে সমালোচনা করেছেন চীনের এক-সন্তান নীতির। মূলত তিনি একজন স্যাটায়ার (বিদ্রুপ সাহিত্য) লেখক। তার ‘ফ্লাইস’ গল্পে সৈনিক জীবনের এক বিদ্রুপাত্মক চিত্র ফুটে ওঠে। অন্য দিকে তার লেখায় আছে লৌমহর্ষক ও চাঞ্চল্যকর জীবনের বর্ণনা, যা বাস্তবও বলা যায় না আবার অসম্ভবও বলা যায় না।

নিজের সমাজকে সরল বর্ণনায় লেখতে শুরু করেন আর এর মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দেন অতিপ্রাকৃতিক আর যাদুমন্ত্রের সংমিশ্রণ। এভাবে কৌশলে সরকারি নীতি, আগ্রাসন ও সমসমায়িকতাকে ব্যঙ্গ করেছেন। ‘রেড সরগাম’-এর একটি উদ্ধৃতি আমাদের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসকে আলোকিত করে দেয়: “গ্রামের ডাকাতটিও মহান বীরে পরিণত হতে পারে।



কী দ্বারা প্রভাবিত/ লেখার অনুপ্রেরণা

সাহিত্য-সমঝদারেরা মো ইয়ানকে ‘সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে অভিনব ও সৃজনশীল ঔপন্যাসিক’ হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন। তিনি অতীত-বর্তমান, মৃত-জীবিত এবং ভালো-মন্দ নিয়ে বিচরণ করেছেন তার লেখায়। সৃষ্টি করেছেন হ্যালুসিনেটরি রিয়েলিজম বা দৃষ্টিবিভ্রমকারী বাস্তবতা এবং তার লেখার এ অভিনবত্ব দিয়ে মুগ্ধ করেছেন নোবেল কমিটিকে। কী ছিলো তার অনুপ্রেরণা?

রেড সরগাম-এর পটভূমি নিয়ে তার একটি কথা অনেক লেখকের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তা হলো, “আমি অনেক গল্প শুনেছি আমার এলাকায় যা মুখে মুখে প্রজন্ম প্রজন্ম পর্যন্ত টিকে থাকতো।” এই একজন যাদুকরী কাহিনীকার, যার লেখা প্রকাশ হওয়া মাত্রই পাঠকের হাতে চলে যেতো, কোথায় পেতেন তার বিষয়?

পাশ্চাত্যদের একটি ধারণা ঠিকই। এশিয়ার সমগ্র সাহিত্য জুড়ে আছে ইতিহাস, ক্ষমতাগ্রহণ, আগ্রাসন আর ক্ষমতাহীনেরা। এ অঞ্চলের সাহিত্যে রাজনৈতিক প্রভাব অনিবার্য। যেমনটি ঘটেছে মো ইয়ানের সাহিত্যজুড়ে: চীনে জাপানের অন্যায্য অভিভাবকত্ব না থাকলে রেড সরগামের পটভূমি কোথা থেকে আসতো? লেখকদের রাজনীতিক কর্মী হতে বাধা নেই, কিন্তু প্রথমত লেখক হতে হবে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথাও স্মরণ করিয়ে দেন।

মো ইয়ান বিশ্বসাহিত্যের একজন নিয়মিত পাঠক। ভিনদেশী সাহিত্য দ্বারা তিনি দারুনভাবে প্রভাবিত, বিশেষত পশ্চিমা সাহিত্যের ইংরেজি অনুবাদ। তিনি লু সানের সামাজিক বাস্তবতাবাদ এবং গাব্রিয়েল গারসিয়া মার্কেজের যাদুকরী বাস্তবতাবাদ দ্বারা প্রবলভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন, যা তিনি নিজেও স্বীকার করেছেন।



হ্যালুসিনেটরি রিয়েলিজম/ দৃষ্টিবিভ্রমকারী বাস্তবতা জিনিসটা কী?

হ্যালুসিনেটরি রিয়েলিজম বা দৃষ্টিবিভ্রমকারী বাস্তবতা সম্পর্কে কিছু আলোচনা করে শেষ করছি লেখাটি। প্রাকৃতিক বর্ণনায় প্রাণবন্ত হলে দৃষ্টিবিভ্রমকারী বাস্তবতাই আমাদেরকে বেশি আকর্ষণ করে।

১) 1) The Oxford Companion to Twentieth Century Art (1981)-এর সংজ্ঞা অনুসারে দৃষ্টিবিভ্রমকারী বাস্তবতা হলো:
“a careful and precise delineation of detail, yet a realism which does not depict an external reality since the subjects realistically depicted belong to the realm of dream or fantasy”

‘দৃষ্টিবিভ্রমকারী বাস্তবতা’ হলো বিস্তারিত বিষয়ের সুনির্দিষ্ট এবং সূক্ষ্ম বর্ণনা; এটি এমন এক বাস্তবতা যা বাইরের কোন বিষয়কে বর্ণনা না করে স্বপ্ন বা কল্পনাপ্রসূত বিষয়কে বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরে।

২) Burkhardt Lindner এর মতে দৃষ্টিবিভ্রমকারী বাস্তবতা হলো:
“the attempt to make the bygone present with a documentary factuality and at an Aesthetic enhancement of the reality”

বাস্তবতার নান্দনিক বিস্তৃতির মাধ্যমে কোন অতিক্রান্ত বর্তমানকে দালিলিক বাস্তবতা দিয়ে উপস্তাপনা করার প্রচেষ্টাকে ‘হ্যালুসিনেটরি রিয়েলিজম’ বলে।



কাল্পনিক ও বিমূর্ত বিষয়কে বাস্তব ও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার জন্য প্রয়োগ করা হয় হ্যালুসিনেটরি রিয়েলিজমের। জঁ টমি, কেবিন বেইকার এবং পিটার ক্যারি প্রমুখ লেখক হ্যালুসিনেটরি রিয়েলিজমের প্রয়োগ করেছেন, কিন্তু তাদের লেখা বিভিন্ন কারণে একই মাপকাঠিতে বিবেচনা করা যায় না। অতএব এখন মো ইয়ানের নামই হ্যালুসিনেটরি রিয়েলিজমের সাথে একাকার ও সমার্থক হয়ে গেলো, অনেকটা অফিশিয়ালভাবেই!




*২০১২ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার সম্পর্কে পূর্বতন পোস্ট। পরবর্তী কোন পোস্টে মো ইয়ানের দু’একটি সাহিত্য কর্ম নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে।

**তথ্যসূত্র:
ক) জেফরি কিংক্লি’র ওয়ার্ল্ড লিটারেচার ইন রিভিউ, খ) বিবিসি ও উইকিপিডিয়া, গ) চীনা ও বাংলা পত্রিকা এবং ঘ) ব্যক্তিগত অনুসন্ধান।
২৭ টি মন্তব্য
BABLA মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা ১৭ নভেম্বর ২০১২, ২১:১০
মো ইয়ানের
অনেক কিছুই জানা হলো। খুবই ভালো পোস্ট।
আশাকরি পোস্টটি প্রিয় ব্লগ সঞ্চালক এর দৃষ্টি আকর্ষন করবে।

লিখতে থাকুন অবিরত। আপনার জন্য অবিরাম শুভকামনা।

BABLA মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা ১৭ নভেম্বর ২০১২, ২১:২৬
প্রিয় ব্লগ সঞ্চালক,
অনুরোধে সাড়া দিয়ে আমাদের বাধিত করলেন।
প্রিয় ব্লগ সঞ্চালক এবং প্রিয় মইনুল ভাইকে শুভেচ্ছা।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৮:৩৪
প্রিয় ব্লগার বাবলা ভাইকে অনেক ধন্যবাদ, অবিরত শুভকামনার জন্য।
KohiNoor মেজদা১৭ নভেম্বর ২০১২, ২১:৩২
মো ইয়ানের লেখা-লেখি সহ তার জীবনের সংক্ষিপ্ত ঘটনা বর্ণনায় আমরা যারা অলস মানুষের জন্য বিরাট কাজ করে দিচ্ছেন মাইনুল ভাই। লিখুন কিছু, শিখি ও জানি। সুন্দর মহৎ উদ্যোগ।

১০১ টা গোলাপ লাল।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৮:৩৫
১০১টি লালগোলাপের জন্য অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় গীতিকার কোহিনূর ভাই। ভালো থাকবেন।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৫:০৬
মো ইয়ান সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা হলো মইনুল ভাই, আপনার তথ্য বহুল এ পোষ্টটির জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

( " সেনাবাহিনীতে থাকা অবস্থায় লেখক মো ইয়ানের জন্ম (১৯৮১)। " ) বাক্যটিতে কি কোন সংশোধনের দরকার পড়ে কি !! ভালো থাকেবেন মইনুল ভাই।
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৭:৪১
" সেনাবাহিনীতে থাকা অবস্থায় লেখক মো ইয়ানের জন্ম (১৯৮১)। " ) --এটা বলতে উনি বোধহয় বুঝাতে চেয়েছেন এই সালে ইয়ানের লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৮:৩৬
প্রিয় রব্বানী চৌধুরী ভাই, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ লেখাটি পড়ে সুন্দর মতামতের জন্য।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৮:৪৩
" সেনাবাহিনীতে থাকা অবস্থায় লেখক মো ইয়ানের জন্ম (১৯৮১)। "
--------------------

মানুষ মো ইয়ানের জন্ম শানদং প্রদেশে ১৯৫৫ সালে, যা আগে উল্লেখ করেছি। জেসমিন আপাকে অনেক ধন্যবাদ ব্যাপারটি বুঝিয়ে দেয়ার জন্য। ‘লেখক’ শব্দটিতে সুনির্দিষ্টকরণ চিহ্ন থাকলে হয়তো আরও স্পষ্ট হতো। তবে পরের বাক্যটি পড়লেও বুঝা যায়। পরের লাইনটি নিচে নামিয়ে দিতে হলো, কারণ একই লাইনে রাখলে লেখা বক্স হয়ে যায়, বাংলা ইউনিকোডের কত যে জ্বালা!
MainulAmin মাইনুল আমিন১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৩৩
প্রিয় মিতা মাইনুদ্দিন মইনুল ভাই।
অবিরাম শুভেচ্ছা আপনাকে----------------------------------

অনেক মহিয়ষীর জীবনীর সাথে মো ইয়ানের লেখা-লেখি সহ তার জীবনের সংক্ষিপ্ত ঘটনা বর্ণনায় আমরা যারা অলস মানুষ, আমাদের জন্যে একটা বিরাট কাজ করে যাচ্ছেন আমার প্রিয় মিতা মাইনুদ্দিন মইনুল ভাই।

অবিরাম লিখুন কিছু, এভাবে আমরা শিখি ও জানি। সুন্দর মহৎ উদ্যোগের জন্যে প্রশংসা এবং কৃতজ্ঞতা আপনারই পাওয়া ।
ভালো থাকবেন সবসময় এ প্রত্যাশা -----------------------------------
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৮:৪৬
প্রিয় মিতা মাইনুল আমিন ভাইকে অনেক ধন্যবাদ।

অলস আমরা কেউই না, শুধু একেকজনের লেখার উদ্দেশ্য একেক রকম। আপনি যে উদ্দেশ্যে লিখছেন, তা আমাদের জন্য যথেষ্ট, এবং অনুরোধ করি দয়া করে লিখে যান অবিরত।

অনেক শুভেচ্ছা মিতা আপনার জন্য!
KANTHASHILON পরিব্রাজক খোকন১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৪৪
ভালো লাগলো লেখাটি।
শুভকামনা রইলো।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৮:৪৭
পরিব্রাজক খোকন ভাইকে মাঈনউদ্দিন মইনুল-এর ব্লগে স্বাগতম।

লেখাটি পড়ে মতামত দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা।
fardousha ফেরদৌসা১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৭:৪৪
ক) জেফরি কিংক্লি’র ওয়ার্ল্ড লিটারেচার ইন রিভিউ, খ) বিবিসি ও উইকিপিডিয়া, গ) চীনা ও বাংলা পত্রিকা এবং ঘ) ব্যক্তিগত অনুসন্ধান।



চালিয়ে যান , একসময় নোবেল ও পেতে পারেন

বাঙ্গালী তো আবার নোবেলকে হাতের মোয়া মনে করে


ধন্যবাদ তথ্য বহুল পোস্টের জন্য
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৮:৪৯
হাহাহা, ধইন্যা পাতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় ফেরদৌসা আপা।
আপনি হয়তো বুঝে ফেলেছেন যে, আমাদের বাসায় ধইন্যা পাতা নিষিদ্ধ। গন্ধ নাকি ভালো লাগে না, বলেন কই যাই!

হ্যা, নো-বেইল পুরস্কার আমার জন্য নিশ্চিত, শুভ কামনার জন্য ধন্যবাদ। হাহাহা!
nomaansarkar নোমান সারকার১৮ নভেম্বর ২০১২, ২০:১০
মাঈনুল ভাই তথ্য কে সাজান ,উপস্থাপন আমার কাছে অনেক সময় সাপেক্ষ আর জটিল বলে মনে হয় । অনেক কষ্ট হয়েছে । খুব ভালো লাগল। আর ভালো লাগল পড়ে । শুভকামনা রইল ।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ নভেম্বর ২০১২, ২০:৪৭
“মাঈনুল ভাই তথ্য কে সাজান ,উপস্থাপন আমার কাছে অনেক সময় সাপেক্ষ আর জটিল বলে মনে হয়। অনেক কষ্ট হয়েছে ।”

একদম ঠিক, মনে কথা বলে ফেলেছেন, প্রিয় নোমান ভাই!

অনুপ্রেরণার জন্য অনেক ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা।
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ১৮ নভেম্বর ২০১২, ২০:৩৩
চমৎকার একটি পোস্ট । অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় । শুভেচ্ছা ।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ নভেম্বর ২০১২, ২০:৪৯
প্রিয় হাসান জাহিদ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ, পাশে পাশে থাকার জন্য।

অনেক শুভেচ্ছা রইলো।
meghneel মেঘনীল১৮ নভেম্বর ২০১২, ২১:০৯
গ্রেট।

মইনুল ভাই একটা শব্দ ব্যাবহার করলাম এই পোষ্টের জন্য।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ নভেম্বর ২০১২, ২১:২৬
মেঘনীল ভাইকে অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!
mukto75 মুক্তমন৭৫১৮ নভেম্বর ২০১২, ২১:৩১
চমৎকার একটি পোস্ট । অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই আপনাকে
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ নভেম্বর ২০১২, ২১:৪০
আপনাকেও ধন্যবাদ প্রিয় মুক্তমন৭৫ ভাই!
sopnerdin45 এনামুল রেজা২২ নভেম্বর ২০১২, ০০:২৩
এই পোস্ট টা স্টিকি করা হয়েছিল কিনা জানিনা। ও কদিন ব্লগে ছিলাম না।
অনেক কিছু জানা গেল।
মাঈনউদ্দিন ভাই, ধন্যবাদ জানবেন।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল২৩ নভেম্বর ২০১২, ০০:১৮
প্রিয় অরিত্র অন্বয় ভাইকে অনেক ধন্যবাদ, লেখাটি পড়ে মতামত দেবার জন্য।
kamalghatail শ্যামল নওশাদ০৪ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:২২
ম্যাজিক রিয়েলিজম এর পর হ্যালুসিনেটরি রিয়েলিজম- ধ্ন্যবাদ মইনুল ভাই।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল০৪ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৫৪
আমাদের রাজনীতিবিদেরা প্রতিনিয়ত হ্যালুসিনেটরি রিয়েলিজম প্রয়োগ করে চলেছেন। অবশ্য অজান্তেই। জানলে খবর আছে! নোবেল (উপন্যাস) চেয়ে বসবে!

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment