শুক্রবার ২৪ মে ২০১৩, ১০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২০ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


মুছে যাচ্ছে জীবনের দিনগুলো


এই বছর থেকে নুরেনের পকেট মানি ১০০ টাকা আর ওর ব্যাংকে ফেলার জন্য ১০০টাকা করে দেওয়া হয় । বাচ্চাদের হাতে টাকা দেওয়া আমি পছন্দ করিনা । কিন্তু নুরেন আম্মুর যুক্তি ভিন্ন । এ নিয়ে একদিন কথা হয়েছে , আমি যুক্তি মেনে নিয়েছি তাই এ নিয়ে আর কোন কথা বলাবলির মধ্যে আমি নেই ।

এ নিয়ে এ বছর নুরেন টাকা হারাল চারবার । দুইবার ঈদি পেয়ে ,একবার দাদীর কাছে টাকা পেয়ে আরেকবার পেকেট মানি থেকে । এ নিয়ে পরশুদিন আমি দুই লাইনের শক্ত কথা বলেছি বলে কাল বিকালে মাঠে নিয়ে ঘুরিয়ে এনেছি । দুইজন মিলে কুটুস কুটুস করে বাদাম খেয়ে শেষে একটা কেক খাওয়ালাম । নিজেকে ঠান্ডা করলাম । নুরেন কেক আর আইসক্রীম পছন্দ করে ,সব শিশুরা আসলে কেক আর আইসক্রীম পছন্দ করে । নুরেন খুশি । আমিও খুশি ।

রাতে হাটতে বের হলাম । মনে হল ঠাণ্ডা আসে যায় একটু পর পর । আমি রাতের আকাশ দেখতে বের হয়েছিলাম একা একা । নিজেকে কেন যেন বারবার মনে হচ্ছিল ৭০০ কুটি মানুষের একজন । নিজেকে দেখতে ইচ্ছে করছিল । নিজেকে রহস্যময় বলে মনে হচ্ছিল । আমি ঘরে ফিরে কিছু দেখলাম ,সেটা আরেকদিন শেয়ার করব ।

নুরেন গতমাসে নিজের টাকায় কাউকে কিছু খাওয়াতে পারেনি । এবার ১০০টাকা পেয়ে মনে হচ্ছে নড়চড়া পাল্টাচ্ছে । ছটদের বলছে কে কি খাবিরে ? আমি ওর বলার সাল্টাইলে মজাই পেলাম । ভাবছি ওকে বলব ,আমার জন্য কি কিনবে ? নুরেনের ব্যাংকে কিছুদিন আগে হিসাব করে পেয়েছি ৬৭০০টাকা ,যা গতবছর দুই ঈদের কোন এক ঈদ থেকে জমাচ্ছে । ঈদি ,জন্মদিন ,পরীক্ষার রেজাল্টের খবরে আর প্রতিমাসে ব্যাংকে জমা টাকা মিলে এই টাকাটা হয়েছে । নুরেন কে নিয়ে কিছুদিন আগে অনুষ্ঠান করে মাটির ব্যাংক ভেঙ্গে টাকা নিয়ে একটা ব্যাংকে একাউন্ট খুলে দিয়েছি । অবস্য তাতে নুরেন পরে খুশি হয়নি বলে জানিয়েছে ,ওর মাটির ব্যাংক নাকি অনেক নিরাপদ । নুরেন টাকা জমানোর একটা উদ্দেশ্য আছে , সে নিজ টাকায় বাবা কে একটা গিফট দিবে । প্রতিবার ঈদ শেষে ,পরীক্ষা শেষে সে হিসাব করে ,তার টার্গেট ফিলাপ করতে তাকে আগামী ঈদ বা জন্মদিন বা ফাইনাল পরীক্ষা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে । পারবে নুরেন ,প্রায় এক বছর যেহেতু পেরেছে ।ইনশাল্লাহ পারবে বলে মনে হচ্ছে । প্রথমে হেসেছি ,এখন মনে হচ্ছে সঞ্চয়ের হাতটা থাকা অনেক ভালো । নুরেন বাবাকে গিফট দিক তারপর নুরেনের টাকার সমান টাকা ওকে না বলে উঠিয়ে রাখব । একদিন এ নিয়ে ওকে সারপ্রাইজ দিব । আরেকটা মজার কথা, নুরেন আরেকটা মাটির ব্যাংক বাবাকে দিয়ে কিনাতে পেরেছে ।

ইল্কেকটিক বিষয়ে নুরেন শিখেছে ওর আম্মুর কাছে ,তা হচ্ছে কারেন্ট কম খরচ করলে টাকা সেইভ হয় । সেই টাকা সংসারে কাজে লাগে । আর দুই , কিছু কারেন্ট সেইভ হলে অন্য একটা শিশু ইল্কেটিক আলোতে বই পড়তে পারবে । টিভির কোন একটা বা দুইটা এড নুরেনের ধারনা কে মজবুত করেছে । আমি অন্ধকার পছন্দ করি যখন আমি একা থাকি । অন্য সময় বা সব সময় আলো আমার পছন্দ ,নুরেন আর ওর আম্মু আমার উল্টো । কি আর করা । এক ঘরে থাকলে হলে ত্যাগের ধর্ম কে বিশ্বাস করতেই হয় ।
৩১ টি মন্তব্য
charumannan চারুমান্নান১২ নভেম্বর ২০১২, ১৪:৩২
আমি অন্ধকার পছন্দ করি যখন আমি একা থাকি । অন্য সময় বা সব সময় আলো আমার পছন্দ ,নুরেন আর ওর আম্মু আমার উল্টো । কি আর করা । এক ঘরে থাকলে হলে ত্যাগের ধর্ম কে বিশ্বাস করতেই হয় । বাহ দারুন বলেছেন,,,,,,,ঠিক যেন আমার মত,,,,,,হেমন্ত ভালবাসা
nomaansarkar নোমান সারকার১২ নভেম্বর ২০১২, ১৭:১৮
বাহ দারুন বলেছেন,,,,,,,ঠিক যেন আমার মত,

কথা পড়ে মনটা যেন ভিজে গেল । যারা ঘরের সুখকে দুই হাত ছুয়ে দেখতে চায় ,তাদের এমন করেই তো চাইতে হয় । কেবল নিজেকে চাওয়ার মধ্যে কি বা থাকে ,কত গুলো ঝরা পাতা ছাড়া ।

আল্লাহর কাছে লাখ শুকরিয়া তিনি যেন হৃদয় কে আরো প্রসস্ত করে দেন । জীবনের অনেক না পাওয়ার পরও যেন এই সব পেয়ে দুই চোখ ভিজে যায় খুশিতে আর সন্তুষ্টিতে । দোয়া আমার জন্য আর আপনার জন্য ও ।- আমিন
Numan75 নুমান১২ নভেম্বর ২০১২, ১৪:৫৫
আসসালামুয়ালাইকুম,
আপনারা সকলের জন্য শুভকামনা।
nomaansarkar নোমান সারকার১২ নভেম্বর ২০১২, ১৭:২১
ওয়ালাইকুম সালাম ।

আপনার জন্য ও অনেক অনেক শুভকামনা । চঞ্চল বাতাস আপনার সাথী হোক ।
Jalampwd আলম পিডাব্লিউডি১২ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৪৭
নোমান ভাই কেমন আছেন? অনেক দিন পর ব্লগে সাইন ইন করলাম। শুভ কামনা রইল।
nomaansarkar নোমান সারকার১২ নভেম্বর ২০১২, ১৭:২৮
আলম ভাই , আসসালামুয়ালাইকুম ।

কেমন আছেন ? আমি আছি মোটামুটি । লেখা শুরু করলাম । দেখা যাক ।
kamaluddin কামাল উদ্দিন১২ নভেম্বর ২০১২, ১৭:২৩
বাচ্চাদেরকে ছোট থেকে টাকা জমাতে শেখানো, ইলেকট্রিসিটি সেভ করা ইত্যাদি শেখাতে পারলে ভালো, আমি পারিনি । নুরেনের জন্য রইলো অনেক আদর ।
nomaansarkar নোমান সারকার১২ নভেম্বর ২০১২, ১৭:৩১
আমি পারিনি । আমি লাইট অফ করা ভুলে যাই । নুরেন খুব মন খারাপ করে । আমাদের মধ্যে এ নিয়ে ঝগড়া হয় । তবে শিশুদের ব্যাখ্যা দিয়ে বুঝা লে ওরা বিষয়টা গুরুত্ব দেয় ,নুরেন তার একটা প্রমান ।
kamaluddin কামাল উদ্দিন১২ নভেম্বর ২০১২, ১৭:৩৩
আমি ও চেষ্টা করবো ।
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ১২ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৫৮
ইল্কেকটিক বিষয়ে নুরেন শিখেছে ওর আম্মুর কাছে ,তা হচ্ছে কারেন্ট কম খরচ করলে টাকা সেইভ হয় । সেই টাকা সংসারে কাজে লাগে । আর দুই , কিছু কারেন্ট সেইভ হলে অন্য একটা শিশু ইল্কেটিক আলোতে বই পড়তে পারবে ।

এ ধরনের শিক্ষা শিশুদের জন্যে খুব প্রয়োজন । খুব ভালো লাগলো লেখাটা পড়ে । ভালো থাকবেন নোমান ভাই । শুভেচ্ছা ।
nomaansarkar নোমান সারকার১৩ নভেম্বর ২০১২, ০৯:৫৩
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে । হুম শিশুদের বড় হোয়ার সাথে সাথে কিছু কিছু মেসেজ দিতে হবে ,তা না হলে সে বুঝবে না বড় হলে জীবন কে । আসলে শিশু সে নরম মাটি । তাকে যেভাবে নিয়ে যাব ,তারা সেদিকেই যাবে ।
MainulAmin মাইনুল আমিন১২ নভেম্বর ২০১২, ২০:২৬
শিশুদের জন্যে অনেক শিক্ষনীয় গল্পটি চমত্কার লেগেছে। বড়দেরও অনেক কিছু শিক্ষনীয় গল্প এটি । লিখা চালিয়ে যান ।
অবিরাম শুভকামনা ---------------------------------
nomaansarkar নোমান সারকার১৩ নভেম্বর ২০১২, ১০:০১
একটি শিশু সে কিন্তু উচুতে উঠতে জানে না ,তাকে কৌশল শিখাতে হয় যে ,কত নিরাপদে উঠা যায় বা কত নিরাপদে নামা যায় । সব শিশু আবার দান হাতি না ,অনেকেই বা হাতি আছে । তাই বড়দের এ নিয়ে গবেষনা করতে হয় ,কোন পথটা ভালো । পাশাপাশি জীবনের জন্য অনেক প্রয়োজনীয় বিষয় এখন থেকে শিখানো খুব দরকার , কারন জীবন জটিলতার দিকে যাচ্ছে । অর্থনৈতিক বিষয় গুলো অতি মাত্রায় গুরুত্ব পূর্ণ হয়ে উঠেছে ।

নুরেন নিজেই যখন বলে না বাবা ,এটা বেশি দাম ,কেনার দরকার নেই । আমি অবাক হই । আমাদের সময় এটার প্রয়োজন ছিল না । কিন্তু একই জিনিস হাজার ধরনের ভিড়ে ওদের শিখতে হবে ,কোনটা দামে সস্তা কিন্তু মান সম্পন্ন । আমাদের সময় এত কিছু ছিল না । একটা কাগজের প্লেন তখন অনেক কিছু ছিল ।
meghneel মেঘনীল১২ নভেম্বর ২০১২, ২০:২৯
আমি অন্ধকার পছন্দ করি যখন আমি একা থাকি

নোমান ভাই পোষ্টটা অন্যরকম এবং তাৎপর্যপূন্য।শুভেচ্ছা রইলো।
nomaansarkar নোমান সারকার১৩ নভেম্বর ২০১২, ১০:০৪
আমি অন্ধকার পছন্দ করি । অন্ধকারে আমি যেন আমার ছায়াকে জীবন্ত হতে দেখি । যেন সে প্রিয় বন্ধুর মতন কথা বলতে শুরু করে । আর অন্ধকার থেকে আকাশ দেখবার মজা সব সময় আলাদা । এর স্বাদ যেন বৃষ্টিতে কলা পাতা মাথায় নিবার মতন সুখকর ।
Tirzok তীর্যক নীল১২ নভেম্বর ২০১২, ২০:৩৭
“এক ঘরে থাকলে হলে ত্যাগের ধর্ম কে বিশ্বাস করতেই হয় ।”

এক ব্লগে থাকার জন্য কি এই ধর্ম বিশ্বাসকে কেউ কাজে লাগাতে পারিনা?
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১২ নভেম্বর ২০১২, ২১:৫৯
Tirzok তীর্যক নীল১২ নভেম্বর ২০১২, ২২:১৯
মূছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে..........
nomaansarkar নোমান সারকার১৩ নভেম্বর ২০১২, ১০:১০
পরিবারের মজাটা হল কাজ ভাগ করে নিবার সুবিধা থাকে । য়ার দায়িত্ব নিয়ে সেই কাজ করে গেলে পরিবারে হাসি ফিরে আসে । তবে পরিবারে কাজের চেয়ে বড় বিষয় বিশ্বস্ত থাকা ,একে অন্যের কাছে । এটার প্রয়োজন সবার আগে । যেখানে বিশ্বাস নেই সেখানে শ্রদ্ধা থাকে না । আর শ্রদ্ধাটা ধরে রাখতে হয় ,এই ধরে রাখতে ত্যাগের বিষয়টা আসে । মানে সততার সাথে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধার সাথে আমরা যতটা পরিবারে কাজগুলো করব ,সেখানে প্রান থাকবে ,অন্যথায় নয় ।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১২ নভেম্বর ২০১২, ২২:০০
সত্যিকার ব্লগীয় লেখা। তাহলে বলতে হবে নুরেন ভালোভাবেই বড় হচ্ছে।
nomaansarkar নোমান সারকার১৩ নভেম্বর ২০১২, ১০:১৯
পৃথিবীতে সব চেয়ে জটিল একটা কাজ শিশুদের কে বুঝা ,ওদের গড়া । কারন হিসাবে মনে হয় আমরা বড়রা এমন এক পৃথিবীতে থাকি যেখানে শিশুদের কে কেবল চোখ দিয়ে ছুয়া যায় আর স্বার্থ আর স্বার্থপরের এই দুনিয়ার সাথে প্রত্যেক মুহূর্তয়ে যুদ্ধ করতে করতে শিশুদের অচেনা মনে হয় । স্বার্থ না বুঝা এই নিষ্পাপ শিশুদের বিষয় তখন জটিল হয়ে যায় । তাই আমরা জোট করে স্মাধান খুজে বের করী ।শিশু কাঁদছে একটা চকলেট কিনে দিয়ে ঝামেলা মিটিয়ে ফেলি । আসলে ঝামেলা মিটানো দিয়ে কোন সমস্যা কি মিটে ? মিটে না ।
BABLA মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা ১২ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩৫
একটু অন্য রকম লেখা । ভালো লাগল। আপনার জন্য অবিরাম শুভকামনা।
nomaansarkar নোমান সারকার১৩ নভেম্বর ২০১২, ১০:২৪
অনেক অনেক ধন্যবাদ উৎসাহ দিবার জন্য । অনেক অনেক ভালো থাকবেন । শুভেচ্ছা রইল ।
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন১২ নভেম্বর ২০১২, ২২:৫৯
বাহ ! নুরেনের সঞ্চয়ী মন দেখে খুব ভালো লাগলো । আসলে বাবা মা ছেলেমেয়েকে যত্ন করে বুঝাতে পারলে তারা তা আন্তরিকতার সাথে করে । আমি এখান থেকে কিছু শিখে নিলাম , তা আমার সন্তানের বেলায় , সংসারের বেলায় প্রয়োগ করবো ।

ভালো থাকবেন নোমান ভাই ।
nomaansarkar নোমান সারকার১৩ নভেম্বর ২০১২, ১০:৪৪
সাধারণত ফকির কে টাকা দিবার বিষয়ে আমার আর আমার স্ত্রীর কিছুটা অনিহা আছে । তাই বৃদ্ধ পঙ্গু ছাড়া আমরা ভিক্ষা দেই না । আর তাই আগে ( এখন কেবল নুরেনের ব্যাংক আছে ) আমার বাসায় মাটি বা প্লাস্টিকের ৩ টা ব্যংক ছিল ,৩ ধরনের বা ৩ রং এর । একটিতে থাকত বড় নোট যা আমাদের । ২ নম্বর ব্যাংকে থাকত কাউকে হেল্প করার জন্য ৫ টাকা নোট এখানে ফেলা হত । ৩য় টা হচ্ছে গরিব মানুষের জন্য । নুরেন জীবনের শুরুতে এই ব্যাংকের সাথে পরিচিত হতে পেরেছে । ওর হাতে টাকা ফেলে ফেলে শিখিয়েছি নিজের জন্য জমাও ,আর অন্যের জন্য জমাও । নিজে একা খেয় না । শিখেছিল , এই ভাতের চাল তৈরিতে কৃষকের সে কি কষ্ট ,কত দ্রুত খেয়ে ফেলি কত পরিশ্রমের ভাত ।

আমি বিশ্বাস করি নুরেনের স্কুলে পড়ার চাপ কম থাকলে এই শিক্ষাগুলো অনেক গভীর ভাবে থাকত । কারন প্রায় যখন আগের কথাসবাস,দেখা গেল ভুলে গেছে ।এত পড়ার চাপ ,এভাবে শিশুদের রোবটে পরিনত করার ফলাফল ভালো হবে না । নুরেন আগে গাছের প্রান আছে বলে পানি খেতে দিত , দেরি হলে গাছ খিদেয় কাঁদবে ,সে মায়া নিয়ে পানি হাতে দৌড়ে যেত । কিন্তু সেই মেয়ে আজ পড়ার চাপে বারেন্দায় থাকা আমাদের ছেলে মেয়ে (গাছ ) দের দেখতে আসে না । ভুলেই গেছে গাছের প্রান আছে ।
sujonsarkar অনিন্দ্য অন্তর অপু১২ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৩৪
বাব বেটার স্বর্গ ভালো লাগল। নুরেনের মত একটা সুনিশ্চিত পরিবার পাক সব শিশু।
nomaansarkar নোমান সারকার১৩ নভেম্বর ২০১২, ১০:৫০
বাব বেটার স্বর্গ ভালো লাগল। নুরেনের মত একটা সুনিশ্চিত পরিবার পাক সব শিশু।

অনেক না পাওয়ার ভিতর অনেক ছোট ছোট পাওয়া গুলো নিজের অনেক কষ্ট ভুলিয়ে দেয় ,হাল্কা করে দেয় ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা ।
MatirMoyna মাটিরময়না১২ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৪৮
ডিফ্রেন্ট টাচ।
nomaansarkar নোমান সারকার১৩ নভেম্বর ২০১২, ১০:৫৫
শিশুরা অর্থ খুজে বা খুজতে থাকে মনে মনে সামনে থাকা প্রত্যেক প্রশ্নের । যখন উত্তর খুজে পায় না ,তখন সেই প্রশ্নের উত্তর নিজে নিজে বানিয়ে নেয় । জ্ঞান হীন ,অভিজ্ঞতা বিহীন সেই সব উত্তর অধিকাংশ ওদের ভয়াবাহ ক্ষতি বা আশা ভঙ্গের দুনিয়ায় নিয়ে যায় । যে কোন জটিওলতার শুরুতে মায়া নিয়ে কাছে গেলে এক বা একাধিক ক্ষতি থেকে উদ্ধার পাওয়া যায় ।
jalahaddin জালাহ্ আদ-দীন১৩ নভেম্বর ২০১২, ১১:০৩
ধন্যবাদ।
nomaansarkar নোমান সারকার১৩ নভেম্বর ২০১২, ১২:৫১
ধন্যবাদ ।

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment