কাপুরুষ শব্দে দূর্বহ প্রেম
কোথায় চলেছ তুমি
শীতের পড়ন্ত বিকেলে ?
নিস্তেজ সূরয বড় সাবধানে
আলতো আলো ফেলেছে
তোমার সাদা শাড়িতে
হাতে কপালে ফর্সা তুলতুলে গালে
দুই ভুরুর মাঝে ছোট্ট সাদা টিপটিতে ,
নরম স্নিগ্ধ উত্তাপে
গন্ডদেশে গোলাপী আভার বিকিরন ;
ঘাড়খানি ডান পাশে
অল্পখানি কাত হয়ে আছে ,
কগাছি চুল জড়ো হয়ে
ডান চোখের পাশ ঘেঁসে
পরম মমতায় ছুঁয়েছে গোলাপী আভা ,
নরম শান্ত শীতল নিস্তরংগ
দীঘির মত চোখ মেলে
হেঁটে চলে গেলে দৃষ্টির আড়ালে ,
অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা দূরবোধ্য কবিতার মত
তুমি ভাবনার তুলিতে আঁকা অচেনা পরবাসী ।
রাতের নির্জনতায় ,
আলোহীন ব্যালকনিতে
ঠায় নিস্চল অন্ধকারের মুখোমুখী
দাঁড়াও যখন তুমি ঘোলাটে পূর্ণ চাঁদ
কুয়াশার দুধ সাদা শরীর চুইয়ে
তোমার ওই চুলে ওই ঠোঁটে
নাকে মুখে চোখে মায়ার পরশ বোলায় ;
অপরুপা স্বপ্নচারিনী , জান নাত তুমি
ভালবাসায় অন্তঃস্বত্তা হৃদয়
সুতীব্র সুখ-যন্ত্রনায় চেতনা তোলপাড় করে ।
সূরয না উঠা শীতার্ত ভোরে
গুটি গুটি কাঁপা কাঁপা পায়ে
তোমার আগেই পৌঁছে গেছি
বকুল গাছটির নিচে দাঁড়িয়েছি এসে ,
সহস্র বকুল কুয়াশার জল গায়ে মেখে
মাটিতে শুয়ে প্রহর গুনছে কার ?
খুঁটে খুঁটে বেছে বেছে
চাদরের ভাঁজ ভরে ফেলেছি বকুল ফুলে ,
মাটিতে পরে নেই আর
তুমি এসে হতাশা বিধুর চোখে চেয়ে রইলে ;
ভাবনায় লালিত সাধ ছিল
বলব তোমাকে, ‘ফুল নেবে,
তোমার কোচর ভরে দেব সুগন্ধি বকুল’
ভালবাসার কাপুরুষ শব্দ
জমে রইল বরফের মত
ওইতো তুমি আবার হারালে দৃষ্টির অন্তরালে ।
শীতের পড়ন্ত বিকেলে ?
নিস্তেজ সূরয বড় সাবধানে
আলতো আলো ফেলেছে
তোমার সাদা শাড়িতে
হাতে কপালে ফর্সা তুলতুলে গালে
দুই ভুরুর মাঝে ছোট্ট সাদা টিপটিতে ,
নরম স্নিগ্ধ উত্তাপে
গন্ডদেশে গোলাপী আভার বিকিরন ;
ঘাড়খানি ডান পাশে
অল্পখানি কাত হয়ে আছে ,
কগাছি চুল জড়ো হয়ে
ডান চোখের পাশ ঘেঁসে
পরম মমতায় ছুঁয়েছে গোলাপী আভা ,
নরম শান্ত শীতল নিস্তরংগ
দীঘির মত চোখ মেলে
হেঁটে চলে গেলে দৃষ্টির আড়ালে ,
অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা দূরবোধ্য কবিতার মত
তুমি ভাবনার তুলিতে আঁকা অচেনা পরবাসী ।
রাতের নির্জনতায় ,
আলোহীন ব্যালকনিতে
ঠায় নিস্চল অন্ধকারের মুখোমুখী
দাঁড়াও যখন তুমি ঘোলাটে পূর্ণ চাঁদ
কুয়াশার দুধ সাদা শরীর চুইয়ে
তোমার ওই চুলে ওই ঠোঁটে
নাকে মুখে চোখে মায়ার পরশ বোলায় ;
অপরুপা স্বপ্নচারিনী , জান নাত তুমি
ভালবাসায় অন্তঃস্বত্তা হৃদয়
সুতীব্র সুখ-যন্ত্রনায় চেতনা তোলপাড় করে ।
সূরয না উঠা শীতার্ত ভোরে
গুটি গুটি কাঁপা কাঁপা পায়ে
তোমার আগেই পৌঁছে গেছি
বকুল গাছটির নিচে দাঁড়িয়েছি এসে ,
সহস্র বকুল কুয়াশার জল গায়ে মেখে
মাটিতে শুয়ে প্রহর গুনছে কার ?
খুঁটে খুঁটে বেছে বেছে
চাদরের ভাঁজ ভরে ফেলেছি বকুল ফুলে ,
মাটিতে পরে নেই আর
তুমি এসে হতাশা বিধুর চোখে চেয়ে রইলে ;
ভাবনায় লালিত সাধ ছিল
বলব তোমাকে, ‘ফুল নেবে,
তোমার কোচর ভরে দেব সুগন্ধি বকুল’
ভালবাসার কাপুরুষ শব্দ
জমে রইল বরফের মত
ওইতো তুমি আবার হারালে দৃষ্টির অন্তরালে ।
লেখক ওয়াসেত সাহিন
- ওয়াসেত সাহিন -এর ব্লগ
- ২ টি মন্তব্য
- ১৩ নভেম্বর ২০১২, ০২:২১
- কবিতা
প্রিন্ট করুন
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
মাটিতে শুয়ে প্রহর গুনছে কার ?
খুঁটে খুঁটে বেছে বেছে
চাদরের ভাঁজ ভরে ফেলেছি বকুল ফুলে।
ধন্যবাদ