বুধবার ০১ অক্টোবর ২০১৪, ১৬ আশ্বিন, ১৪২১ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


তবুও জলবতী ধারা বহে কি?

যখন কেউ ছিলোনা,সন্ধ্যেবেলা সারাদিনের হিসেব নেয়ার ,

যখন বৃষ্টি , একাই ভেজার,

তখন কান্না, গিলতে শেখা,

শুধুই কলম, সঙ্গী আমার।


ভাতঘুমে চলে যাই সতেরোর কাছে ,

একা রিকশায় নিঝুম দুপুর,

বায়োস্কোপে একটার পর একটা দৃশ্যের যাওয়া আসা,

ফুটপাতে নাপিতের পরদাঘেরা দোকান,

উদাম আয়নায় এ্কঝলক নিজেকে দেখে নেয়া ...

প্রথমবারের মতো কাজল পড়েছে চোখে,

বেশ লাগছে তো!

এইরকম অগুনতি রিকশা -যাত্রা...

কতরাত অচেনা ডাঙ্গায়...উনিশ পেরিয়ে যায়...

জীবনের সমীকরণ কিছুতেই মেলেনা.....





কলম থামেনি।

মফঃস্বলের শিরীষ গাছের শব্দ এখনো শোনায় সাদা খাতার মাঝে...



এবার মুখ; বন্দী স্নানঘরের আয়নায়,

কাজল হয়েছে সজল,

চোখের জলের সাথে অবাধ মৈথুনে...





চোখের পলকে চৌষট্টি মাস ,

তোমাদের এই নগরে ।

ঘুপচি গলির ভিজে বাতাস,

খুপরি ঘরের ব্যাক্তিগত ঝগড়া আর

অস্থির সন্ধ্যায় সস্তা হোটেলের ব্যাস্ততা...



খাতা হারিয়েছে কোন ফাঁকে ,

কলম থেমেছে ।

মস্তিষ্ক এখন সমাধিক্ষেত্র ,

আমার পঙক্তিগুলো প্রতিদিন জন্মায় আর সমাধিস্থ হয়।

এখন চোখ খুললেই দীর্ঘশ্বাস ,

ডুবতে থাকি, ভাসতেও চাই ।

প্রখর রোদ আপন করেনা আমাকে আর!

ঘড়ির কাঁটার সাথে পাল্লা দিয়ে অস্থিরতা বাড়ে,

শেষ হয় দিনের ভাসান;রাতপদ্মায়।

স্বপ্নের জলপদ্মেরা স্বপ্নেই থেকে যায়...
২ টি মন্তব্য
sulary আলভী২৪ নভেম্বর ২০১২, ২০:৫৬
চমৎকার কবিতা প্রিয় কবি......
BABLA মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা ২৫ নভেম্বর ২০১২, ০০:১৯
লিখতে থাকুন অবিরত।
আপনার জন্য অবিরাম শুভকামনা।