বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৩, ৬ আষাঢ়, ১৪২০ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


গোয়েন্দা মানিকজোড় (শেষ পর্ব)

আগের পর্বগুলোর লিংক

আবার সব চুপচাপ । সময় পেরিয়ে যাচ্ছে । রাত বারটা নাগাদ কারো পায়ের শব্দ শুনা গেল । চুপচাপ কান পেতে বসে রইল দু’জনে । কিছুক্ষণ পর শব্দের সাথে দুজন লোকের অবয়ব দেখা গেল । লোক দুটি আস্তে আস্তে হেটে ওদের নিচ দিয়ে সেই গুপ্ত পথে হারিয়ে গেল । অর্ক তাড়া দিল ওদের পিছু নিতে । চমক ইশারা করল অপেক্ষা করতে । আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে গাছ থেকে নামল । টর্চ জ্বালিয়ে যতটা সম্ভব নিঃশব্দের এগিয়ে গেল । উত্তেজনায় ঘেমে নেয়ে গেছে ওরা । গলা শুকিয়ে কাঠ । কিছুটা ভয় যে করছে না তা নয় । জীবনের প্রথম এই ধরনের অভিজ্ঞতা হচ্ছে । আবার যখন মনে হল চোর ধরতে যাচ্ছে তখনি সাহস ফিরে পেল । পথ শেষ । সিঁড়ির কাছাকাছি চলে এসেছে । ধীরে ধীরে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠল দু’জনে । এবার ঢাকনা খুলে যত দ্রুত সম্ভব ঘরের ভিতরে প্রবেশ করা । চমক প্রথমেই দড়াম করে ঢাকনা খুলে লাফ দিয়ে ভিতরে ঢুকল । অর্ক ওর পেছনে । ভিতরের দৃশ্য দেখে দু’জনের মুখ হা হয়ে গেল । যা দেখল তাতে শুধু ওদের কেন, যে কারো মুখ হা হয়ে যাবে । দারোয়ান ছলিম হাতুড়ি বাটাল দিয়ে মূর্তিটাকে প্রায় তুলে ফেলেছে । আর ওর পিছনে দাঁড়িয়ে তাড়া দিচ্ছে হাসমত মিয়া । চমক’রা মনে করেছিল হাসমত মিয়ার ছেলে এই কাজ করছে । ওদের মুখ যেমন হা হয়ে গেছে তেমনি হাসমত মিয়া আর ছলিমের মুখও হা হয়ে গেছে । ছলিমের হাতুড়ি হাত থেকে খসে পরে গেল । চমক বিস্ময়ে জিজ্ঞেস করল,
- হাসমত চাচা, আপনি ?
- তোমরা এখানে ? হাসমত কাঁপা কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করল ।
- আপনি এখানে কি করছেন ?
হাসমত কিছু বলতে পারল না, মাথা নিচু করে ফেলল । একটু পর ধপ করে মাটিয়ে বসে পরল লজ্জায় । ছলিমও অপরাধীর মত মুখ নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল । চমক আবার জিজ্ঞেস করল,
- আপনি কি করে এসব করলেন ?
- কি করব বাবা ? এই মূর্তিটি না দিলে আমার ছেলেটাকে ওরা মেরে ফেলবে । আমাকে বলেছিল, কিছু টাকা দিবে । আমি চিন্তা করেছিলাম ছেলেটাকে বাঁচাই । ঐ টাকা দিয়ে ওকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিব । তাই এই কাজটা করছিলাম । আমার অন্যায় হয়ে গেছে । এবার তোমার যা খুশি শাস্তি দিতে পার । হরবর করে হাসমত মিয়া কথা গুলো বলে গেলো ।
- ওরা কারা ? কিছুক্ষণ পর চমক, হাসমতকে জিজ্ঞেস করল ।
- আমি চিনি না ওদের । তবে খুব খারাপ লোক । দেখলেই বুঝা যায় ।
- মূর্তির খবর ওরা জানলো কি করে ?
- মনে হচ্ছে, পিন্টুর কাছে থেকেই জেনেছে । পিন্টুই ওদের দলের কাউকে বলেছে ।
- এটা কোথায় এবং কখন দিতে হবে ?
- আজ রাতেই নদীর পাশে যে জঙ্গলটা ওখানে ।
- দারুণ ! এটাই চাইছিলাম । ওরা আসবে কি করে ।
- নৌকায় করে আসবে ।
- পুরো গ্যাংটাকে ধরতে পারব বলেই মনে হচ্ছে । যদি আপনি আমাকে সাহায্য করেন ।
- কিন্তু ওদের সাথে পারবে কি করে ? ওরা খুব খারাপ লোক ।
- ওরা খারাপ হলে আমরাও খারাপ হব ।
- কিন্তু... যদি তোমাদের কিছু হয়ে যায় ।
- কিছুই হবে না । আমরা মার্শাল আর্ট জানি । দেখুন না ওদের কি করি । ওরা আসবে কখন ?
- রাত দেড়টায় ।
- ঠিক আছে এখনো এক ঘণ্টার উপরে সময় আছে । আপনি পুলিশকে ফোন করুন এবং এখনি । আমার মোবাইল থেকেই করুন । নাম্বার জানা আছে না ?
- হ্যাঁ, আছে । করছি এখুনি ।

ফোন করে হাসমত জানালো ওরা আসছে তবে অনেক সময় লাগবে । ওদের পুলিশ ভ্যান অন্য যায়গায় গেছে । চমক কি জানি ভাবল কিছুক্ষণ । তারপর বলল,
- আমাদের লোকবল দরকার । জামাল আর মতি চাচা কোথায় ?
- ওদেরকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে খাবারের সাথে । এখন ঘুমাচ্ছে । হাসমত বলল ।
- ঠিক আছে ওদেরকে ডেকে তুলুন । মাথায় পানি ঢেলে যেভাবে হোক ঘুম ভাঙ্গাতে চেষ্টা করুন । আমরা চা, কফি খেয়ে নেই এই ফাঁকে । সারাদিন তেমন কিছু খাওয়া হয়নি । ছলিম চাচা আপনি মূর্তিটি পুরোপুরি ভেঙ্গে ফেলুন ।
- আইচ্ছা, ঠিক আছে ।
জামাল আর মতিকে ডেকে তোলার পর ওরা দু’জনে অনেক কিছু বলতে চাইল । হাসমত থামাল । চমকদেরকে দেখে জামাল তো আরও ‘থ’। আবার কথা বলতে চাইলো । হাসমত আবার থামিয়ে দিল । চমকই জামালদেরকে উদ্দেশ্য খুব শর্টকাটে বলল,
- শুনুন জামাল চাচা, আমাদের বাড়িতে আজ রাতে ডাকাত পরেছিল । আমরা এসে বাঁচিয়েছি । আর ডাকাত যদি ধরতে চান তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে ঐ জঙ্গলে যেতে হবে । কি রাজি আছেন ?
- অবশ্যই আছি । ডাকাইতের বারোটা বাজাইয়া না দিছি তয় আমার নাম জামাল না । চল যাই ।
- ঠিক আছে এবার চলুন ।

ডাকাতের কথা শুনে ওদের ঘুম কোথায় পালিয়েছে কে জানে । সবাই চা খেয়ে রওনা হল । ছয়জনের দলটি পনেরো মিনিটির মধ্যে জঙ্গলে প্রবেশ করল । চমক সবাইকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলল,
- হাসমত চাচা ছাড়া সবাই আড়ালে থাকবেন । ওরা এলে আমরা ঝাঁপিয়ে পরব ওদের উপর । সব কটাকে আটকাতে হবে ।
পনের মিনিট পরেই লোকজনের আওয়াজ শোনা গেল । সাত-আট জনের একটি দল জঙ্গলের ভিতরে ঢুকল । অর্ক ও চমক গাছের ডালে উঠে বসল । ওদিকে হাসমত মিয়া ছাড়া সবাই গাছের আড়ালে লুকিয়ে পরল । টর্চ হাতে আট জনের দলটি হাসমতের সামনে এসে দাঁড়াল । দলের সর্দার যার নাম টমি, ওর চেহারা দেখলেই মানুষ অজ্ঞান হয়ে যাবে । সারা মুখে শুধু কাটাছেড়া । ছয় ফুটের উপরে লম্বা, বিশাল দেহ । টমি জিজ্ঞেস করল,
- হাসমত মিয়া আমার মূর্তিটি কোথায় ?
- এই যে আমার কাছে... কথা শেষ না হতেই মূর্তিটি আস্তে আস্তে উপরের দিকে উঠে যেতে থাকল ।
আসলে দড়ি দিয়ে বেঁধে একটি ডালে ঝুলান ছিল, মতি দড়ির এক প্রান্তে ধরে ওটাকে আড়াল থেকে টানছিল তাই উপরের দিকে উঠে গেল । ওদের ঘোর কাটতে না কাটতেই চমক ও অর্ক ওদের উপরে ঝাঁপিয়ে পরল । আড়াল থেকে জামালরাও বেড়িয়ে এলো । চোখের নিমিষেই চমক ও অর্কর মার সহ্য করতে না পেরে পাঁচজন শুয়ে পরল । মানে জ্ঞান হারাল । ওদিকে টমির সাথে মারামারি করছিল জামাল, মতি ও ছলিম । কিন্তু তেমন সুবিধা করতে পারছিল না । অর্করা বাকি দু’জনকে হাতের দুটো কোপ বসিয়ে অজ্ঞান করে দিয়ে টমির উপর চড়াও হল । সবাই মিলে যখন আক্রমণ করল টমি আর পারল না । নিস্তেজ হয়ে মাটিতে শুয়ে পরল । সবাইকে বাঁধা হল । চমক মোবাইল বের করে হাসমতের কাছে দিল পুলিশ কোথায় আছে জানতে । পুলিশের দারগা জানাল, আধা ঘণ্টার মধ্যে আসবে । কাঠ জোগাড় করে আগুন জ্বলানো হল । ওরা সবাই বসে রইল পুলিশ আসার অপেক্ষায় । পুলিশ এলো পঁয়তাল্লিশ মিনিট পর । আসতেই হাসমত সব ঘটনা খুলে বলল । দারগা জামান সাহেব টমিকে দেখে হাসমতকে বললেন,
- আপনারা তো জব্বর কাজ করেছেন । এই লোকটি তো কুখ্যাত স্মাগলার টমি । ওকে আমরা বহু বছর যাবত খুঁজছি ।
- আমরা কিছুই করিনি । যা করার ওরাই করেছে ।
- ওরা কারা ।
- একজন এ বাড়ির নাতি । অন্য জন ওর বন্ধু । মার্শাল আর্ট না যেন কি নাম তাই দিয়ে ওদের পিটিয়ে তক্তা বানিয়ে দিয়েছে ।
- আচ্ছা, এই কথা । খুব ভালো, এবার একটা কথা বলুন-তো এই মূর্তিটা এখানে এলো কি করে ।
- আমিই এনে দিয়েছি । আসলে... (কথার মাঝখানে চমক কথা বলে উঠল)
- আসলে আমিই উনাকে বলেছিলাম মূর্তিটা নিয়ে ওদের কাছে আসতে । আমিই প্ল্যান করেছি ওদের ধরতে ।
- তাই নাকি । তোমার মাথায় তো অনেক বুদ্ধি । খুব ভালো । তোমাদের মত ছেলে-মেয়েরা এদেশে থাকলে দেশের অবস্থা ভালো হবেই । আমি মূর্তিটাসহ ওদেরকে নিয়ে যাচ্ছি । তোমার বাবাকে ফোন করে আসতে বল ।
- ঠিক আছে কাল সকালে বাবাকে আসতে বলব ।
দারগা সাহেব ওদেরকে নিয়ে চলে গেলে হাসমত চমকের মাথায় হাত দিয়ে বলল,
- তুমি আমাকে বড় অসম্মানের হাত থেকে বাঁচালে বাবা । কিন্তু আমার ছেলেটাকে নিয়ে কি করব বল ?
- ওকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিন । টাকার ব্যবস্থা বাবাকে বলে করে দিব ।
- তোমার এই ঋণ কি করে শোধ করব জানি না । তোমার জন্যে দোয়া করি তুমি অনেক বড় হও । দেশ এবং দেশের মানুষের কল্যাণ কর ।

(শেষ)
২০ টি মন্তব্য
FaisolChowdhury ফয়সল চৌধুরী০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:০২
আমি আজকে নতুন জয়েন করলাম।।আমাকে কি বলবেন কিভাবে আমি ব্লগ এ পোস্ট করতে পারব।আমি অপশন খুজে পাচ্ছিনা
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:১০
আপনি সাইন ইন করার পর এডমিন অপশনে যাবেন । যাবার পর বামপাশে পোস্টে ক্লিক করবেন । তারপর যাবেন নতুন পোস্টে । উপরের ঘরটাতে লিখবেন আপনার পোস্টের হেডিং । মাঝখানের ঘরে বিষয় সিলেক্ট করবেন । শেষ বড় ঘরটাতে আপনার লেখাটি কপি করে পেস্ট করে দিবেন । ব্লগে আপনাকে স্বাগতম ।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:০৬
প্রিয় জাহিদ এতো বড় কষ্টের কথা। ভবিষ্যতে কাহিনীটিকে কিশোর উপন্যাসের আকারে বই ছাপাবেন আশা রাখি। এর পরে পর্ব আকারে আরো লিখবেন আশা রাখি।

" দেশ এবং দেশের মানুষের কল্যাণ কর । " এ বাক্যটি হোক সকলের তরে। শুভেচ্ছা রইল। ভালো থাকবেন ।
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:১৩
আপনাদের সাহস দিলে বই আকারে বের করতে পারি । ইনশাল্লাহ্‌ চেষ্টা করব নতুন কোন গল্প লেখার । অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় রব্বানী ভাই । শুভকামনা রইলো । ভালো থাকবেন ।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৮ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৪২
বই ছাপানোর মধ্যে দিয়ে লেখার সার্থকতা, তবে বই ছাপানো অনেক ভেবে চিন্তা করে। ভালো থাকবেন।
FaisolChowdhury ফয়সল চৌধুরী০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:১৪
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ হাসান ভাই।আশা করি বিভিন্ন ব্যাপারে আপনাদের সাথে নিজের মতামত শেয়ার করে কিছু শিখতে পারব।
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩০
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ । ভালো থাকবেন । নিয়মিত লিখবেন ।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩১
হাসমত চাচা যোগ দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত সাসপেন্স যুক্ত থাকলো। চমৎকার একটি গল্প পড়লাম, যদিও ‘ব্লগীয় স্যান্ডি’ কিছুদিন বিচ্ছিন্ন রেখেছিলো পাঠক-লেখকের যোগবন্ধন।

অনেক শ্রমসাধ্য বিষয়, অন্তত আমার কাছে। আমি দু’লাইন লেখার পর একটু ঘুমিয়ে নিতে ইচ্ছে করে। আপনার ধৈর্যের প্রশংসাও করতে হয়, প্রিয় হাসান জাহিদ ভাই। চমৎকার লেখনী আর কল্পনা শক্তি আপনার।
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩২
ভালো কথা, পোস্টটি রিপিট হয়ে গেছে। সুযোগমতো কেটে দিন নিচের অংশটি।
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ০৮ নভেম্বর ২০১২, ২৩:১৩
অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় মইনুল ভাই । আপনার মন্তব্য পড়ে উৎসাহ পেলাম নতুন কিছু লিখবার । চেষ্টা করব । জানি না হবে কিনা । দুবার এসেছে পোস্টটি সে জনে দুঃখিত । ওটা ঠিক করে দিবো । ভালো থাকবেন । শুভেচ্ছা ।
kabirbdboy কাছের মানুষ ০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩২
যাক টমি ধরা খেল তাহলে। দারুণ লাগল গল্পটা ।

আবার নতুন কোন শিরিজ শুরু হবার অপেক্ষায় রইল ভাই। এটা নিয়ে উপ্যনাস বই আকারে প্রকাশ করতে পারেন।

(গল্পটা দুইবার এসে পরেছে)
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ০৮ নভেম্বর ২০১২, ২৩:১৭
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই । চেষ্টা করব নতুন কিছু লিখতে । হ্যা, বই আকারে বের করবার একটা ইচ্ছা আছে । তবে আপনাদের মতামত না পেলে ঠিক সাহস পাচ্ছিলাম না । এবার সাহস পেলাম । দু'বার পোস্টের জন্যে দুঃখিত । ভালো থাকবেন । অনেক অনেক শুভকামনা রইলো ।
sujonsarkar অনিন্দ্য অন্তর অপু০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩৪
এবার তবে পড়া যাবে সব একসাথে।
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ০৮ নভেম্বর ২০১২, ২৩:১৮
হ্যা, পড়বেন এবং মতামত জানাবেন কেমন লাগলো । সাথে ভুলভ্রান্তি গুলো ধরিয়ে দিবেন আশা করি । অনেক অনেক শুভকামনা রইলো । ভালো থাকবেন ।
BABLA মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা ০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩৪
প্রিয় জাহিদ ভাই,

দারুন করে শেষ করলেন। শেষ না হওয়া পর্যন্ত অস্থিরতা লাগছিল। শুরু করুন আরেকটা।
আপনার জন্য অবিরাম শুভকামনা।

chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ০৮ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২১
অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় বাবলা ভাই । চেষ্টা করবো খুব তাড়াতারি আরেকটা শুরু করতে । ভালো থাকবেন । শুভকামনা রইলো ।
MainulAmin মাইনুল আমিন০৯ নভেম্বর ২০১২, ০৩:৩৮
প্রিয় হাসান জাহিদ ভাই
আগের গল্পগুলোর সাথে এটিও বেশ ভালো লাগলো । চালিয়ে যান । শুরু করুন আরেকটা।
অবিরাম শুভকামনা আর শুভেচ্ছা ----------------
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ০৯ নভেম্বর ২০১২, ২০:৪২
অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় মাইনুল ভাই । আপনাদের উৎসাহ পেয়ে আরেকটা লিখবো ভাবছি । অনেক অনেক শুভকামনা রইলো । ভালো থাকবেন ।
kamaluddin কামাল উদ্দিন০৯ নভেম্বর ২০১২, ০৭:২৯
ভালো লেগেছে, কিন্তু লিখাটা দুইবার এসেছে ।
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ০৯ নভেম্বর ২০১২, ২০:৪৩
অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় কামাল ভাই । হ্যা, দু'বার এসেছে । এর জন্য দুঃখিত । ভালো থাকবেন । অনেক অনেক শুভেচ্ছা ।