ব্লগ পিকনিক ২০১০ এ কেমন মজা করলাম
ব্লগ পিকনিক শেষে আজ সবাই খুব ক্লান্ত। তারপরো অনেক মজা করেছি দিনটি কেটেছে আনন্দে। এবার ছব দেখলেই বুঝবেন কেমন মজা করেছি।

ব্লগ পিকনিকের ব্যনার যেটা বাসের সামনে লাগানো ছিলো

বাসে উঠার আগে আড্ডারত ব্লগার রা

ইনাকে নতুন করে পরিচয় করে দেয়ার দরকার নাই

আড্ডারত ব্লগার মিলন ভাই,নীল সাধু ভাই,স্বপ্ন বালক ভাই, শুভ্র ভাই এবং আলপিন ভাই

কালপুরুষ দা এমন কি বলছেন যে মডারেটর চিন্তায় চিন্তিত

এই সেই আলপিন ভাই যারে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নাই

বাসে সবাই খোশ মেজাজে গল্প রত

পাশা ভাই এবং জুনিয়র পাশা(পারিজা ভবিষ্যত ব্লগার)

ইমন ভাই তার নতুন বৌয়ের সাথে কথা বলছে, নতুন বৌ উত্তরা থেকে উঠবে সেজন্য উত্তরা পর্যন্ত পুরো রাস্তা এভাবেই কথা বলেছে বৌয়ের সাথে।

বিশিষ্ঠ চান্দা বাজ চিন্তা ভাই ইনাকে ধরিয়ে দিন

আমাদের নাসরিন আপু সাথে জাহিন ও দুলাভাই আমাদের সাথে বাসে যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু পারলেন না ছেলের কান্নাকাটির জন্য । অবশেষে নিজের গাড়িতে গেলেন ।উনি যে সকালের নাস্তা পেয়েছেন তার প্রমান আপির হাতে

আমাদের পারিজা অনেক এনার্জিটিক

পাশা ভাই বাচ্চার ক্ষিদা লাগছে বইলা বিস্কুট নিছে শেষে নিজেই ভক্ষন করছে

চরম রাগী ড্রাইভার যে কিনা রাগের চোটে মাঝ পথে কয় আমি আর যামু না

সেলিনা আশরাফ আপা যিনি ফুল দিয়ে শুভেচ্চছা জানিয়েছেন । এত হাসিখুশি আন্তরিক যা কোনো ভোলার নয় । আর আমাদের এই আপা ২০০২ সালে আশুগঞ্জ এলাকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হয়েছিলেন।

আহারে জামাই বহৌ মনখুলে কথা বলতেছে
মাহমুদ ভাই খাবার আগেই এক বোল সাবাড়

হাড়িতে ডাল রান্না হচ্ছে

আহা সেই পোলাও মুখে এখনো স্বাদ লেগে আছে

মাহমুদ ভাই শেষ এ চেয়ার না পেয়ে মাটিতে বসেই হিসাব মিলাচ্ছেন
আড্ডা আর আড্ডা জামান ভাই,লুবনা আপি, আমি আর তুলা ভাবী

মডারেটর ভবিষ্যত ব্লগার কে বলছে আম্মাজান ভুলেও ব্লগে ক্যচাল করবা না আর মডারেট কে গালি দিবা না
আরো ছবি নিয়ে হাজির হবো পরের পোষ্টে।
ব্লগ পিকনিকের ব্যনার যেটা বাসের সামনে লাগানো ছিলো
বাসে উঠার আগে আড্ডারত ব্লগার রা
ইনাকে নতুন করে পরিচয় করে দেয়ার দরকার নাই
আড্ডারত ব্লগার মিলন ভাই,নীল সাধু ভাই,স্বপ্ন বালক ভাই, শুভ্র ভাই এবং আলপিন ভাই
কালপুরুষ দা এমন কি বলছেন যে মডারেটর চিন্তায় চিন্তিত
এই সেই আলপিন ভাই যারে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নাই
বাসে সবাই খোশ মেজাজে গল্প রত
পাশা ভাই এবং জুনিয়র পাশা(পারিজা ভবিষ্যত ব্লগার)
ইমন ভাই তার নতুন বৌয়ের সাথে কথা বলছে, নতুন বৌ উত্তরা থেকে উঠবে সেজন্য উত্তরা পর্যন্ত পুরো রাস্তা এভাবেই কথা বলেছে বৌয়ের সাথে।
বিশিষ্ঠ চান্দা বাজ চিন্তা ভাই ইনাকে ধরিয়ে দিন
আমাদের নাসরিন আপু সাথে জাহিন ও দুলাভাই আমাদের সাথে বাসে যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু পারলেন না ছেলের কান্নাকাটির জন্য । অবশেষে নিজের গাড়িতে গেলেন ।উনি যে সকালের নাস্তা পেয়েছেন তার প্রমান আপির হাতে
আমাদের পারিজা অনেক এনার্জিটিক
পাশা ভাই বাচ্চার ক্ষিদা লাগছে বইলা বিস্কুট নিছে শেষে নিজেই ভক্ষন করছে
চরম রাগী ড্রাইভার যে কিনা রাগের চোটে মাঝ পথে কয় আমি আর যামু না
সেলিনা আশরাফ আপা যিনি ফুল দিয়ে শুভেচ্চছা জানিয়েছেন । এত হাসিখুশি আন্তরিক যা কোনো ভোলার নয় । আর আমাদের এই আপা ২০০২ সালে আশুগঞ্জ এলাকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হয়েছিলেন।
আহারে জামাই বহৌ মনখুলে কথা বলতেছে
মাহমুদ ভাই খাবার আগেই এক বোল সাবাড়
হাড়িতে ডাল রান্না হচ্ছে
আহা সেই পোলাও মুখে এখনো স্বাদ লেগে আছে
মাহমুদ ভাই শেষ এ চেয়ার না পেয়ে মাটিতে বসেই হিসাব মিলাচ্ছেন
আড্ডা আর আড্ডা জামান ভাই,লুবনা আপি, আমি আর তুলা ভাবী
মডারেটর ভবিষ্যত ব্লগার কে বলছে আম্মাজান ভুলেও ব্লগে ক্যচাল করবা না আর মডারেট কে গালি দিবা না
আরো ছবি নিয়ে হাজির হবো পরের পোষ্টে।
লেখক িশমু
- িশমু -এর ব্লগ
- ৪৭ টি মন্তব্য
- ০৬ মার্চ ২০১০, ১১:০২
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৪৭ টি মন্তব্য
-
নীলসাধু০৬ মার্চ ২০১০, ০২:৩৩
দারুন সুন্দর ছবি আর ক্যাপশনে সাজিয়েছেন পোস্টটি।
খুব ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
ভাল থাকবেন।
শুভকামনা। -
আহমেদ শামীম০৬ মার্চ ২০১০, ০৩:২১

হেসে নেই আগে।
চমৎকার হয়েছে। খুবই ভাল লাগছে, আর এক চামুচ দিলে ভাল হয়।
ধন্যবাদ , দারুন মজা পাচ্ছি, যেতে পারলে আরো মজা পেতাম।
ইস ........... -
নাসরীন জুবায়ের০৬ মার্চ ২০১০, ০৩:৫১
ধন্যাপাতা দিলাম তোরে
রাইন্ধা খাইছ মজা করে,
আমারেও দিস খানিটা
ভালো থাকিস, মানিকটা।
-
দেবদাস০৬ মার্চ ২০১০, ০৪:৫০
ঝামেলার দরুন পিকনিকে এটেন্ড করতে পারিনি। আগামী বেচেঁ থাকলে ইনশাল্লাহ আপনাদের সাথে শরীক হবো!
-
নাসরীন জুবায়ের০৬ মার্চ ২০১০, ০৪:৫৮
আপনি না থাকাতে আমার যে পরিমান কান্নাকাটি করিয়াছি...তাতে উক্ত এলাকা তার সকল স্হল ভাগ হারাইয়াছে.......এখন কেবল পনি আর পানি।
-
দেবদাস০৬ মার্চ ২০১০, ০৫:১১
আসলেই তো!! বাসে হুবুহু আমার মতো দেখতে ঐ বান্দর ক্যাডা? ওরে সামনে পাইছি আমি খাইছি
-
কবির য়াহমদ০৬ মার্চ ২০১০, ০৬:০৩
আসলে আমি মনে-প্রাণে চাইছিলাম আমার উপস্থিতি ব্লগীয় পিকনিকের এই আয়োজনে কিন্তু এ দিন ছিল আমাদের অফিসেরও পিকনিক। তার ওপর আমার ওপর আরো কিছু বাড়তি দায়িত্ত্বও ছিল বলে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও যাওয়া হয়ে ওঠেনি।
ভালো লাগছে আপনাদের ঐ ভালো লাগা কিছু টুকরো দৃশ্য দেখে -
কোহিন০৬ মার্চ ২০১০, ০৬:১২
য়াপণাঢ়া বেষি বেষি য়াণণডো কোঢ়িআ
বোলেগেঢ় বাড়োটা বাযিআষে
ষকল বোলোগাঢ় ঢোঢ়জো ঢরিবেণ
য়াসা কঢ়িটেসি ষবকিষু ঠিক হয়আ যায়বে
ভালো ঠাকিবেণ -
আ,শ,ম,এরশাদ০৬ মার্চ ২০১০, ১২:৩৬
কিছু কিছু ছবির ক্যাপশন দেখা যাচ্ছে কিন্তু মানুষ গুলো অদৃশ্য হয়ে গেছে।
এটা মনে হয় কোন আতাতায়ীর কারসাজি।
-
আ,শ,ম,এরশাদ০৬ মার্চ ২০১০, ১২:৪২
আপা ছবির নাম যদি বড় হয় তখন ইমেজ লোকেশন কপি করার সময় jpg
পর্যন্ত আসে না। তাই ইমেজ লোকেশন গুলোতে শেষে jpg এসেছে কিনা দেখে নিতে পারেন। রিনেম করে ছোট করে নিতে হয়। -
ট্যাঁশগরু০৬ মার্চ ২০১০, ০১:২৪
কালপুরুষ দা আমাকে বলছিলেন আমার নাম নাকি আলপিন হওয়া উচিত ছিলো আর আলপিনের দরকার ছিলো ট্যাঁশগরু নাম... হাহ! হাহ! হা!... মডু হয়তো ভাবছিলো দিবে নাকি নিক চেঞ্জ করে...
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য











নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
আমাদের নাসরিন আপু সাথে জাহিন ও দুলাভাই আমাদের সাথে বাসে যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু পারলেন না ছেলের কান্নাকাটির জন্য । অবশেষে নিজের গাড়িতে গেলেন ।উনি যে সকালের নাস্তা পেয়েছেন তার প্রমান আপির হাতে