সোমবার ২৭ মে ২০১৩, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২০ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


শান্তি কানন আর নেই (কাঁচা হাতের গল্প-০০৩)

ঋতু খাটের এককোণায় বসে আছে বেশ কিছুক্ষণ ধরে। এরই মধ্যে ওর মা ফিরোজা বেগম ভাত খেতে ডাকলেন। ঋতু কোন সাড়া দিলো না। মা এসে বোঝালেন : ভাগ্য যা ছিলো তা হয়েছে। মন খারাপ করিসনে। আয় অল্প একটু খেয়ে নেয়। এবার টাকা জমিয়ে অন্য কোথাও জায়গা কিনব। সেখানে বাগানের জন্য অনেক বড় জায়গা রাখা হবে। তুই তোর ইচ্ছে মতো সব গাছ লাগাতে পারবি। আয় মা খেতে আয়। ভাত ঠান্ডা হয়ে গেল।
ঋতু পিচ্ছি খোকা নয়। ও এবার জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা দেবে। মায়ের কথা যে শুধুই স্বান্তনা, তা যে রাখা সম্ভব নয় তা ও বেশ ভালো ভাবেই জানে। এই জায়গাটা পেতে অনেক ঝামেলা হয়েছে। আবার নতুন জায়গা।
রুমের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে ইট-সিমেন্টের কণা পড়ে আছে। ফিরোজা বেগম পরিষ্কার করতে চেয়েছিলেন। ঋতু করতে দেয় নি- থাক মা। পরে করো। মেয়ের মানসিক অবস্থা দেখে ফিরোজা বেগম রুম পরিষ্কার না করেই বের হয়ে গেলেন।
খাটের পাশ দিয়ে তিনটা টব রাখা। ভীষণ বেমানান লাগছে। সকালেও এগুলো বারান্দার গ্রিলে লটকানো ছিলো। বাহির থেকে কেউ আসলে বলত - বারান্দায় টব গুলো চমৎকার মানিয়েছেতো। বিকেল বেলায় ঋতু টব গুলোতে পানি দিত। গ্রিলের ফাঁকে বিশাল আকাশের দিকে তাকিয়ে অদ্ভূত অদ্ভূত সব কল্পনা করত। তবে চোখে অবশ্যই চশমা থাকতে হতো। চশমা ছাড়া ও সবকিছুই ঝাপসা দেখে। একবার চশমার একটা লেন্স ভেঙে যাওয়ায় সেকি দুরাবস্থা ওর। আকাশের দিকে তাকায়। অথচ সবকিছুই মনে হয় ঘোলা। কেমন এলোমেলো লাগে। বাবাকে বলে সেদিনই চশমা ঠিক করে আনিয়েছিলো।
বাড়ির সামনে যে অল্প জায়গা আছে সেখানে ঋতু বাগান করে। বাগানটার একটা নামও দিয়ে দেয় ও – শান্তি কানন। বিভিন্ন ফুল গাছ লাগায় ও সেখানে। গাধাঁ ফুলটাই বেশি। গোলাপ লাগানো হলেও সেখানে কোন ফুল ধরেনি। ওর ইচ্ছে ছিলো সামনে বৃক্ষ মেলা এলে ভালো গোলাপ চারা কিনবে। মাঝে মাঝে লতিফ সাহেবও বাগানে মেয়েকে সাহায্য করতেন। তার একটিই মেয়ে। মেয়েকে খুউব খুউব ভালবাসেন। যদি ও আর্থিক অসমর্থতার জন্য অনেক কিছু ইচ্ছে করলেও দিতে পারেন না। প্রকাশ পায় না বিপুল ভালবাসা। তিনি মাঝে মাঝে চিন্তা করেন মেয়েটি এত ভাল কেন হলো। মেয়েটি কখনো এমন কোন আব্দার করে না যা তার মত কেরাণি মানুষের পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়। এই বয়সী মেয়েদের কত চাহিদা থাকে। কত কিছু কিনতে চায় তারা। মেয়ের ফুলের প্রতি এত আগ্রহ দেখে তিনি মনে মনে ঠিক করে ফেলেন এবার বৃক্ষ মেলা এলেই মেয়েকে অনেক চারা কিনে দেবেন। এজন্য তিনি কিছু টাকা আলাদা করে রাখছেন। টাকা জমানোর জন্য গত এক সপ্তাহ ধরে তিনি অফিসে সকালের নাস্তা খান না।
ঋতুর প্রিয় বারান্দাটা আর নেই। সেটি সরকারী জায়গার মধ্যে পড়েছে এই ছোট্ট কথা বলে তা ভেঙে ফেলা হয়েছে। সামনের বাগানটা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীন সদস্যদের বুটের জুতার আঘাতে তছনছ হয়ে গেছে। কোন প্রাকৃতিক কারণ নয় চোখের সামনে ঘর ভাঙা বাহিনী তা ভাঙল অথচ কেউ এতটুকু প্রতিবাদ করতে পারল না। যখন ভাঙা শুরু করে তখন ঋতু ভিতরের রুমে চলে আসে। ওর মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠে। সারা পৃথিবীটা কেমন যেন অন্ধকার হয়ে আসে। ঋতু ভাবে ও তো ভাঙছে না। ভাঙছে ঐই পোষাকী বাহিনী। তাহলে ওর শরীর ওকে এভাবে শাস্তি দিচ্ছে কেন।
মাথাটা একটু ঠিক হলে ঋতু ওর চোখ থেকে চশমাটা খুলে রাখে। চোখ ফেলে বাগানটার উপর। খালি চোখে ও বুঝতে পারে না বাগানটা আছে কি নাই। চশমাহীন চোখে দেখে মনে মনে জোর করে ভাবার চেষ্টা করে বাগানটা ঠিক আছে। আগের মতই আছে সব।
বড় একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে ও। বারান্দা কিংবা বাগানের দিকে তাকানোর সময় ও জীবনে আর কক্ষণো চশমা ব্যবহার করবে না। ওর সুপ্ত বাসনা ছিল ল্যাসিক অপারেশন করে চশমা থেকে মুক্ত হবে। কিন্তু ঠিক করে এখন যেমন আছে, তেমনই থাকবে। কোন অপারেশন করবে না।
আরেকটা ছোট সিদ্ধান্তও নেয়..................................................... কক্ষণো যাবে না।

{জরুরী অবস্থা সময় যখন অবাধে ঘর ভাঙা হচ্ছিলো তখন লেখা,. }

(((মনে করছিলাম আজ পোস্ট আর দিবো না, সুজন ভাইয়ের পোস্টেও সেরকম বলেছিলাম। কিন্তু হঠাৎ বাড়তি স্প্রিড দেখে হাত নিশপিশ করে উঠছে। আর তা থেকেই দিয়ে দিলাম অনেক আগের লেখা এই গল্পটি}}}}
৫৩ টি মন্তব্য
suminsawon সুমিন শাওন০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০১:০০
খুব সেনশেসানস আছে লেখাটায়,,বিষয়টি ভীষণ গভীরতার!
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০১:০৭
সুমিনভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ গল্পটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য।
ভাল থাকবেন। আর লেখালেখির ব্যাপারে আপনার পরামর্শ আশা করছি।
ahmedmamun আহমেদ মামুন০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০১:০১
আপনার লেখার
গভরিতা দেখে মুগ্ধ হচ্ছি।
আপনি পড়েন বেশি লেখে কম।
এই দেশে এমন মানুষের বড় অভাব।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০১:১২
মামুন ভাই, আপনার এই সুন্দর মন্তব্যের উত্তর দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আপনার কথায় আমি পুরা অভিভূত।
ভাই আপনার পোস্টগুলো চমৎকার হয়। আপনার প্রোফাইলের কথা গুলো এত সুন্দর। ঐরকম লেখা যে কখন লিখতে পারব? সে অপেক্ষায় আছি।
alrahim আলরাহিম০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০১:১২
ভাল লাগলো আপনার লিখাটি পড়ে
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৯:০৮
আল রহিম আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
rudrookhhor রুদ্র-অক্ষর০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০১:৩২
অনেক গভিরের এই ক কষ্ট।
একদিন এমনি করেই কি সব নষ্টের দখলে চলে যাবে। আমাদের অভিমানে কবলি পিছিয়ে আসতে হবে।

কি বলবো ?
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:০২
না রুদ্র ভাই। সব গুলো নষ্টের দখলে যাবে না।
যদি তাই হতো তাহলে প্রথম আলো ব্লগ হতো না।
এত সুন্দর নাম আপনার হতো না।
অনেক কিছু আছে এখনো সুন্দরের দখলে।
ভাল থাকবেন।
farzana_lissa ফারজানা লিছা০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০২:০৯
হুম...পড়িয়াছি..
তবে ঋতু ছেলে না মেয়ে ইহা বুঝিবার চেষ্টা করিতে করিতে যখন বুঝিতে পারিলাম তখন দেখিলাম অর্ধেক গল্প শেষ হইয়া গিয়াছে..
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০২:৩৭
ঋতু যে ছেলেরও নাম হতে পারে তাহা কোনদিন ভাবি নাই। আমি নিতান্ত অবাক না হইয়া পারিলাম না। তাহার চেয়ে বেশি অবাক হইলাম গল্পের অর্ধেক টুকু পড়িয়াই মন্তব্য করা শুরু করে দিয়েছেন দেখে।
লেখাটি কি এতই খারাপ যে পুরা পড়ার মহান ধৈর্য আপনার হয় নি।
আপনি পুরা গল্প পড়েন নাই বুঝিতে পারিয়া আমি আকস্মিক দুঃখ পাইয়াছি।
farzana_lissa ফারজানা লিছা০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০২:৪৮
হায়রে খোদা....কই যামু...
ঋতুকে প্রথমে আমি মেয়েই ভাবছি...কিন্তু তারপরে..."ঋতু পিচ্ছি খোকা নয়" এই লাইনটা পইড়া ছেলে ভাবছি...অবশেষে গল্পের মাঝে আইসা বুঝতে পারছি।

আর আমি অর্ধেক গল্প পড়ছি কে বলছে? আমি বলছি ঋতু ছেলে না মেয়ে বুঝতে বুঝতে গল্প অর্ধেক শেষ হয়া গেছে। গল্প আমি পুরাটাই পড়ছি
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০২:৫৭
ঝগড়া কে করে এখানে?
farzana_lissa ফারজানা লিছা০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:০০
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:১০
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:১৩
গল্পের প্রতিটি অক্ষর নিয়ে পাঠকের এরকম ভাবনা আমি আগে কখনো দেখি নাই। আমার চোখ জুড়ায় গেলো।
আপনার কথা চিন্তা করিয়া পাঠকের জন্য নোবেল পুরুষ্কারের ব্যবস্থা করা নোবেল বাহিনীর দরকার বলিয়া মনে হইতেছে।
আশা করি সাইদুর ভাইও আমারে সমর্থন দিবেন।
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:১৮
ফারজানার মত এত মনোযোগী পাঠক যে পেয়েছেন, সেজন্য ধন্যবাদ দেন আগে।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:২১
মনের একেবারে ৩৫০ ফিট গভীর খাদ থেকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।
farzana_lissa ফারজানা লিছা০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:২১
কথাটা কি রাগ করিয়া বলিলেন? নাকি দুষ্টামি করিয়া বলিলেন?

ইমোটিকন ইউজ করেন না কেন? ইমোটিকন ভাব প্রকাশে সহায়ক
farzana_lissa ফারজানা লিছা০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:২৪
"গল্পের প্রতিটি অক্ষর নিয়ে পাঠকের এরকম ভাবনা আমি আগে কখনো দেখি নাই। আমার চোখ জুড়ায় গেলো।
আপনার কথা চিন্তা করিয়া পাঠকের জন্য নোবেল পুরুষ্কারের ব্যবস্থা করা নোবেল বাহিনীর দরকার বলিয়া মনে হইতেছে।
আশা করি সাইদুর ভাইও আমারে সমর্থন দিবেন।"


কথাটা কি রাগ করিয়া বলিলেন? নাকি দুষ্টামি করিয়া বলিলেন?

ইমোটিকন ইউজ করেন না কেন? ইমোটিকন ভাব প্রকাশে সহায়ক
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:২৮
আপু আপনার সাথে রাগ করবো?:??? এটা সম্ভব???
ধন্যবাদ এটা সত্যি সত্যি দিয়েছি।
ইমো ব্যবহার করলে কেমন জানি নিজেকে ফাঁকি বাজ ফাঁকি বাজ মনে হয়।
মেসেঞ্জারেও আমি পারত পক্ষে ইয়াহু ব্যবহার করি না।
farzana_lissa ফারজানা লিছা০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৩৭
ইমোটিকন ইউজ না করলে ভুল বুঝাবুঝির আশংকা থাকে
যেমন: "গল্পের প্রতিটি অক্ষর নিয়ে পাঠকের এরকম ভাবনা আমি আগে কখনো দেখি নাই। আমার চোখ জুড়ায় গেলো।
আপনার কথা চিন্তা করিয়া পাঠকের জন্য নোবেল পুরুষ্কারের ব্যবস্থা করা নোবেল বাহিনীর দরকার বলিয়া মনে হইতেছে।
আশা করি সাইদুর ভাইও আমারে সমর্থন দিবেন।" লিখাটা পইড়া আমি আপনার মনের ভাবটা বুঝিনাই। সাথে ইমোটিকন দিলে বুঝতাম।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৪৬
আপু সরি তাহলে ভুল হয়ে গেল। দুঃখ প্রকাশ করছি।
সামনে থেকে ব্যবহার করতে হবে বুঝছি।
এবার থেকে এ জাতীয় লেখায় অবশ্যই ইমো দিব।
ভুল বুঝবেন না আশা করি।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাপারটা বিচার করবেন।
হা হা হা হা।
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৫৪
আপনি কি বয়সে আমার বেশ ছোট হবেন বলে মনে করেন? আপনার যদি তুমি শুনতে বেশি আন্তরিক মনে হয়, না হয় ডাকলাম। খেলুড়েবালক আর টুনটুনঝুনঝুনকে তুমিই ডাকি ওদের ইচ্ছার কারনে।
farzana_lissa ফারজানা লিছা০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৫৮
আমারে ডাকেনা....
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৫৮
আরে সাইদুর ভাই কিনা বলে। নিজেকে ছোট ভাবি না। আসলে প্রিয় জনরা আপনি করে বললে খারাপ লাগে। এজন্যই বললাম।
বিশ্বাস করেন আমি নিজেকে বেশি ছোট মনে করি না।
সবাই তুমি করে বললেই বোধ হয় ব্লগের অনুভুতি গুলো আরো স্বাধীন ভাবে লেন দেন করা যাবে।
এটি শুধু মাত্র আমার ব্যাক্তিগত অভিমত।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:০০
প্লিজ ভুল বুঝবেন না।
আপনাকে ধন্যবাদ, লিংক দেয়া শিখতে পারছি |
অনেক ভাল লাগছে।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:০৭
লিসা আপু কে ডাকে না?
সাইদুর ভাই!!!
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:০৮
নিজে থেকে কেউ ইনসিস্ট না করলে কাউকেই আমি 'তুমি' ডাকিনা।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৯
এই মুহুর্তে আমার মন খারাপ। সাইদুর ভাই, লিসা আপু আমারে ভুল বুঝছে। [ বিষাদঘন কান্না ইমো হবে]
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৪০
লিসা আপু কি ঘুমাইতে চলে গেছেন।
এত কেমনে ঘুমাতে পারেন?
nasrinjubaer নাসরীন জুবায়ের০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৩৩
ভাল লাগলো
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৪৫
আপু অনেক কৃতজ্ঞতা গল্পটি পড়ছেন বলে।
ভাল থাকবেন।
sokal_ratri সকাল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৩৭
আমি নিজে মূলত একজন গল্প লেখূয়া কিন্তু ব্লগে এসে কবিতাই লিখি
আমি তোমার লেখা খুব সময় নিয়ে পড়ে দেখলাম বেশ লিখছো
আরো আশা করছি

যদি সময় পান তো আমার গল্পগুলোতে ঢু মেরে আসবেন
এই আমি ১ম পর্ব
এই আমি ২য় পর্ব

এরপর আমি আর গল্পই লিখিনি কারণ আমার গল্প পড়তে কারো ভালো লাগেনা
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৫১
সকাল ভাই অনেক ভাল লাগল, গল্পটি পড়লেন বলে।
কিন্তু অন্যের ভাল লাগে নাই বলে আর গল্প লিখেন না এটা শুনে কষ্ট লাগল। সবার ভাল লাগবে এমন কথা নেই।
আমি আপনার লেখা পড়ব। একবার দেখে নিয়েছি।
আশা করি আবার গল্প লেখা শুরু করবেন কবিতার পাশাপাশি।
ups উপল বড়ুয়া০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৫১
ভাল লাগায় আচ্ছন্ন হলাম........শুভেচ্ছা রইল।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:০৬
ধন্যবাদ উৎপল ভাই। অনেক ধন্যবাদ।
আমার পোস্ট প্রথম মন্তব্যের জন্য আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ভাল থাকবেন।
zhsoykot জেড এইচ সৈকত০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২১
পড়লাম। ভাল লিখেছেন।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৩২
ধন্যবাদ সৈকত ভাই।
আপনার ভাল লাগছে জেনে আমারো ভাল লাগছে।
ভাল আছেন তো?
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৩৯
ঠিক আছে, আপনি বলাই অতি উত্তম।
নিজে আপনি শুনতে বিব্রত হলেও আমিও কিন্তু সবাইকে অভ্যাস বশত আপনি করেই বলি।
আপনার আর আমার মধ্যে মিল আছে।
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী০৬ জানুয়ারি ২০১০, ১০:১৭
শান্তি কানন আর নেই (কাঁচা হাতের গল্প-০০৩)
এর জন্য টাইপ করেন-
<a href="http://prothom-aloblog.com/users/base/boipagol/23">শান্তি কানন আর নেই (কাঁচা হাতের গল্প-০০৩)</a>
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী০৬ জানুয়ারি ২০১০, ১১:৩৩
আপনার সমস্যার কি সমাধান হয়েছে?

গল্পটা এবার পড়ি
neemphul ‍নিমফুল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ১০:২৮
কিন্তু শেষ ভাবনাটা কি এটা জানতে মন চাইছে, তারমানে গল্পটা মন ছুঁয়েছে।.
খুব বাস্তবতা ঘেরা কাহিনী.....ভাল লাগল।

বাস্তবতায় আমরা অনেকসময়ই অসহায় আবার বাস্তবতা আমাদের জন্যই.....কি দারুণ বৈপিরত্য!
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:১১
নিমফুল আপু, ধন্যবাদ।
আপনার কমেন্ট অনেক উৎসাহ যোগায়।
অনেক ভাল থাকবেন।
ostorag একলা তেপান্তর০৬ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৪৫
বই পাগল ভাই, অভিমান গল্পটা কি এটার আগে লিখেছিলেন??:q
ostorag একলা তেপান্তর০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:০২
আপনার এই গল্পের গভীরতা বেশি, ফিনিশিংটাও ভালো।এই জন্য জিজ্ঞেস করলাম।
ধন্যবাদ আপনাকে।ভালো থাকুন।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:১৯
বুঝতে পারছি।
আসলে অভিমান গল্পটা আমার নিজেরো মনে হয় অগভীরতা সম্পন্ন। কি লিখছিলাম আমি নিজেও জানি না।
ভাল লাগল আপনার মন্তব্য।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৫১
ওসটোরোগ ধন্যবাদ,
অভিমান গল্পটা শান্তিকানন আর নেই গল্পটার অনেক পরে লেখা।
কেন?
neelsadhoo নীলসাধু০৬ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৪৬
কাঁচা হাতের গল্প দেখছি বেশ পাকা আর সুস্বাদু

শুভেচ্ছা ।
ভালো লেগেছে।
নিপাট সুন্দর।


ভাল থাকুন।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৫২
নীল সাধু ভাই,
অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনিও অনেক ভাল থাকবেন।
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী০৬ জানুয়ারি ২০১০, ১১:৪১
আপনার গল্পের হাত বেশ ভালো, নিয়মিত লিখুন।

দুএকটা সাজেশন আছে (যদি কিছু মনে না করেন)

লটকানো - ঝুলানো
বাহির - বাইর
গাধাঁ - গাঁদা
অসমর্থতা - অসামর্থ
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ১১:৪৯
সাইদুর ভাই ঠিক বলছেন। শব্দের ক্ষেত্রে আমার বেশ সমস্যা হয়।
শব্দগুলো আমি ঠিক করে নিচ্ছি।
ভাই মনে করবো কেন?
আরো উপদেশ আশা করছি।
পড়ছেন দেখে অনেক ভাল লাগল
forid জেমস বন্ড০৬ জানুয়ারি ২০১০, ১২:৩১
তুমি পাগল
বই পাগল!
আমি বন্ড
জেমস বন্ড
এসেছি বাংলাদেশে।
boipagol বই পাগল০৬ জানুয়ারি ২০১০, ১২:৩৪
ওয়েল কাম জেমস বন্ড।
আপনার আগমণে আজ বাংলাদেশ ধন্য হইল।
রিয়াজ সাকিব ফেরদৌস এদের কিছু টিপস দিয়ে যাইয়েন। ওদের জ্বালায় আর পারতেছি না।
বাংলাদেশ কেমন লাগল জানাতে ভুলবেন না।