বইয়ের কাছে ফিরি
বই দিবে, বই। হরেক রকম বই দরকার আমার। দিতে পারবে ? সেটা কালজয়ী হোক কিংবা অখ্যাত কোন লেখকের প্রথম বই হোক কোন আপত্তি নেই। তারপরও আমার বই চাই। এটা এখনকার যুগে হয়ত অস্বাভাবিক শোনাচ্ছে । তবে আজ থেকে ৮/১০ বছর আগের তরুণ-তরুণীদের মনো চাহিদা ছিল এটিই।
মোবাইলের হরেক রকম অফার, ডিশের শত চ্যানেল, ইন্টারনেটে সারা বিশ্বের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং, এফ এম রেডিও ইত্যাদির চাপে তরুণ সমাজের বিশাল একটা অংশের সাথে আজ বইয়ের সম্পর্ক নেই বললেই চলে। অথচ এক সময় বই-ই ছিল বিনোদনের সবচেয়ে বড় উপায়।
দশ বছর আগের কথা। পাশের বিল্ডিংয়ের পলি আপু। হালকা গড়নের কি সুন্দর চেহারা। কোমর অবধি লম্বা সিলকি চুল। মাথায় ভালভাবে ওড়না দিয়ে যখন বের হতেন সবাই তাকিয়ে থাকত। পাড়ার হারুণ ভাই, কামরুল ভাই, সুজন ভাইদের আড্ডায় বেশির ভাগ তিনিই থাকতেন কেন্দ্রবিন্দু। সে আপু আমাদের বাসায় আসলে গল্পের বইয়ের খোঁজে আমার বইয়ের সেলফ ঘেঁটে ফেলতেন।
এত বেশি গল্পের বই পড়তেন বিধায় অ্যান্টি রাগ করতেন। অ্যান্টির ভয়ে পলি আপু বাথরুমে দরজা বন্ধ করে গল্পের বই পড়তেন। গল্পের বইয়ের এরকম নেশা অনেকেরই ছিল। আমি গল্পের বইয়ের ছোট খাট একটা লাইব্রেরী বানিয়ে ছিলাম। যেটা এখনো আছে। দুঃখ লাগে কেউ আর এখন গল্পের খোঁজতে আসে না।
গল্পের বই পড়ার জায়গা যে ভাল কিছু দখল করেছে তা কিন্তু নয়। এখন বন্ধুর সাথে মোবাইলে কথা বলে (মাঝে মাঝে একাধিক জনের সাথে প্রেম বিনিময় চলে), হিন্দি সিরিয়াল দেখে, নেটে গিয়ে অনেক সময় অসভ্য ওয়েবে ঢুকে নিষিদ্ধ জিনিষ দেখতে দেখতে বই পড়ার ব্যাপারটাই আর মাথায় আসে না। এজন্য বই পড়তে যে কি আনন্দ এ ব্যাপারটা জানতে পারছে না।
বেণী ঝুলানো গল্পের বই পড়–য়া সেসব কিশোরী যারা এখন হয়ত সংসার করছে, বাচ্চাদের মা তারা তাদের শৈশব যত নির্মল আনন্দের কথা বলতে পারবে এখনকার যুগের তরুণীদের সেরকম বলতে কষ্ট হবে। কেননা আধুনিক যুগে তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে বেড়ে গেছে প্রতারণা, মিথ্যা বলার অভ্যাস। প্রযুক্তিগুলো মিথ্যা বলতে সহায়কের ভূমিকা পালন করছে, মিষ্টি গলা থাকলেই আজ ভাল প্রেমিক- প্রেমিকা হওয়া যায়। একটা না একই সাথে দশ বারোটাও প্রেম করা যায়। আমার এক বন্ধু হিসেব রাখছে। এক বছর আগে তার ১৯ টা হয়েছিল। এখন যোগাযোগ নাই। মফস্বল থেকে ঢাকায় যাওয়া এই বন্ধুর পরিসংখ্যানে এখন কয়টা কে জানে?
ভয়ানক ব্যাপার একটা দেখেছি সেদিন। এক ছেলে মেয়ের গলা নিয়ে অন্য ছেলের সাথে আবেগের কথা বলছে। ছি ছি ছি। মেয়ে কন্ঠ পাগল এসব ছেলেদের ভাগ্য খুব একটা ভাল বলে মনে হয় না। মেয়ের গলা নিয়ে কথা বলা ছেলেটির সাথে কথা বললাম। সে বলল, যেসব ছেলের সাথে কথা বলে তারাই নাকি মোবাইলে টাকা পাঠায়।
অন্ধ প্রযুক্তি ব্যবহার থেকে আমরা সতর্ক হই। বুঝে শুনে ব্যবহার করি। দিনে কিছুটা সময়ের জন্য হলেও ফিরে যাই বইয়ের কাছে। অনেক অনেক ভাল লাগবে। অযথা ঠকা থেকে বাঁচব।
মোবাইলের হরেক রকম অফার, ডিশের শত চ্যানেল, ইন্টারনেটে সারা বিশ্বের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং, এফ এম রেডিও ইত্যাদির চাপে তরুণ সমাজের বিশাল একটা অংশের সাথে আজ বইয়ের সম্পর্ক নেই বললেই চলে। অথচ এক সময় বই-ই ছিল বিনোদনের সবচেয়ে বড় উপায়।
দশ বছর আগের কথা। পাশের বিল্ডিংয়ের পলি আপু। হালকা গড়নের কি সুন্দর চেহারা। কোমর অবধি লম্বা সিলকি চুল। মাথায় ভালভাবে ওড়না দিয়ে যখন বের হতেন সবাই তাকিয়ে থাকত। পাড়ার হারুণ ভাই, কামরুল ভাই, সুজন ভাইদের আড্ডায় বেশির ভাগ তিনিই থাকতেন কেন্দ্রবিন্দু। সে আপু আমাদের বাসায় আসলে গল্পের বইয়ের খোঁজে আমার বইয়ের সেলফ ঘেঁটে ফেলতেন।
এত বেশি গল্পের বই পড়তেন বিধায় অ্যান্টি রাগ করতেন। অ্যান্টির ভয়ে পলি আপু বাথরুমে দরজা বন্ধ করে গল্পের বই পড়তেন। গল্পের বইয়ের এরকম নেশা অনেকেরই ছিল। আমি গল্পের বইয়ের ছোট খাট একটা লাইব্রেরী বানিয়ে ছিলাম। যেটা এখনো আছে। দুঃখ লাগে কেউ আর এখন গল্পের খোঁজতে আসে না।
গল্পের বই পড়ার জায়গা যে ভাল কিছু দখল করেছে তা কিন্তু নয়। এখন বন্ধুর সাথে মোবাইলে কথা বলে (মাঝে মাঝে একাধিক জনের সাথে প্রেম বিনিময় চলে), হিন্দি সিরিয়াল দেখে, নেটে গিয়ে অনেক সময় অসভ্য ওয়েবে ঢুকে নিষিদ্ধ জিনিষ দেখতে দেখতে বই পড়ার ব্যাপারটাই আর মাথায় আসে না। এজন্য বই পড়তে যে কি আনন্দ এ ব্যাপারটা জানতে পারছে না।
বেণী ঝুলানো গল্পের বই পড়–য়া সেসব কিশোরী যারা এখন হয়ত সংসার করছে, বাচ্চাদের মা তারা তাদের শৈশব যত নির্মল আনন্দের কথা বলতে পারবে এখনকার যুগের তরুণীদের সেরকম বলতে কষ্ট হবে। কেননা আধুনিক যুগে তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে বেড়ে গেছে প্রতারণা, মিথ্যা বলার অভ্যাস। প্রযুক্তিগুলো মিথ্যা বলতে সহায়কের ভূমিকা পালন করছে, মিষ্টি গলা থাকলেই আজ ভাল প্রেমিক- প্রেমিকা হওয়া যায়। একটা না একই সাথে দশ বারোটাও প্রেম করা যায়। আমার এক বন্ধু হিসেব রাখছে। এক বছর আগে তার ১৯ টা হয়েছিল। এখন যোগাযোগ নাই। মফস্বল থেকে ঢাকায় যাওয়া এই বন্ধুর পরিসংখ্যানে এখন কয়টা কে জানে?
ভয়ানক ব্যাপার একটা দেখেছি সেদিন। এক ছেলে মেয়ের গলা নিয়ে অন্য ছেলের সাথে আবেগের কথা বলছে। ছি ছি ছি। মেয়ে কন্ঠ পাগল এসব ছেলেদের ভাগ্য খুব একটা ভাল বলে মনে হয় না। মেয়ের গলা নিয়ে কথা বলা ছেলেটির সাথে কথা বললাম। সে বলল, যেসব ছেলের সাথে কথা বলে তারাই নাকি মোবাইলে টাকা পাঠায়।
অন্ধ প্রযুক্তি ব্যবহার থেকে আমরা সতর্ক হই। বুঝে শুনে ব্যবহার করি। দিনে কিছুটা সময়ের জন্য হলেও ফিরে যাই বইয়ের কাছে। অনেক অনেক ভাল লাগবে। অযথা ঠকা থেকে বাঁচব।
লেখক বই পাগল
- বই পাগল -এর ব্লগ
- ৪৭ টি মন্তব্য
- ৩০ জানুয়ারি ২০০৯, ১১:২৭
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৪৭ টি মন্তব্য
-
নীলসাধু৩০ ডিসেম্বর ২০০৯, ১২:৫০
আমি নিজে এক সময় বই পাগল ছিলাম। এখনো আছি।
এক টা বই হলে আমার আর কিছু চাইনা।
বদলে যাচ্ছে সময়।
ঠিক বলেছেন।
এই বদল ভাল হলে কথা ছিলনা।
কিন্তু তা নয়।
আমরা দিন দিন নীচে যেন নামছি।
আমার তাই মনে হয়। -
ফারজানা লিছা৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৩:০৫
আমি কিন্তু সত্যিই বইয়ের পোকা । বই পাইলে আমার আর কিচ্ছু লাগে না (পাঠ্যবই বাদে
)। অনেক ছোটবেলা থেকে আমার বই পড়ার অভ্যাস। একবার তো পরীক্ষার আগে পড়ার বই বাদ দিয়া গল্পের বই পড়তাছি দেখে আম্মু রাগের চোটে কতগুলা গল্পের বই পুড়ায়া ফেললো
। কোথাও বেড়াইতে গেলেও আমি সেখানে যায়া বই পড়ি। এই নিয়া কম বকা খাইতে হয়না
। বই পড়তে আমার অনেক ভালো লাগে...অনেক...
। তবে কোন বইয়ের ভাষা কঠিন হইলে আমি সেই বই পড়ার আগ্রহ পাইনা
। -
নাসরীন জুবায়ের৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৩:২০
চুরি করে গল্পের বই পড়ার কারনে কঠিন মাইর খেয়েছিলাম................ আমার ছেলে হয়তো মাইর খাবে পিসি অধিক ব্যাবহারের জন্য। আসলে প্রজন্ম বদলাচ্ছে.... কি করবেন বলুন? -
আব্দুল হান্নান৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৪:১৯
অসাধারন সুন্দর একটা বিষয়ের অবতারনা করেছেন। আমিও শৈশবে কৈশোরে বই পাগল ছিলাম। গল্পের বই শুরু করলে শেষ না করা পর্যন্ত ছাড়তাম না। কিন্তু আজকের প্রজন্মের বই বিমুখতা সত্যিই দুঃখের বিষয়।
খুব ভাল লাগল পোস্টটা। নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইল। -
গঙা০১ জানুয়ারি ২০১০, ০১:০৮
বইয়ের প্রতি এ প্রজন্ম ক্রমশই উদাসীন হতে চলছে ...... জানি না , ভবিষ্যতে কী হবে ! তবুও আশায় আছি .............. আবার ফিরে আসবে সোনালি সেই সুদিন !
ধন্যবাদ , আপনার অনুভূতিগুলো শেয়ার করার জন্য । -
কৃষ্ণ তরুণ০১ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৪৪
বই ব্যাগে সারাদিন ঘুরি-ফিরি; একটু অবসর খুঁজি; রাত ১১ টায় ঘরে ফিরি। ক্লান্তি/ ইন্টারনেটে কিছুক্ষণ বসা/ তারপর বই নিয়ে পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে যাওয়া। -
পথে-প্রান্তরে০১ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৪৩
চমৎকার পোষ্ট । ধন্যবাদ জানাই এই কারণে ।
কিন্তু আপনার সব বক্তব্যের সাথে আমি একমত নেই । আমরা যারা সারাদিন নেট ইউজ করি তাদের কাছে বইয়ের পৃষ্ঠা গুলো ডিজিটাল ফরম্যাট হয়ে গেছে । পড়তে চাইলে শুধু বই লাগেনা । অন্তর্জালের বিরাট জ্ঞানের রাজ্যে ঠিকই পড়ে নেয়া যায় । সবাই যে অসভ্য সাইটে সারাদিন কাটিয়ে দেয় সেটাও ঠিক নয় । যে যেভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করছে সেটা তার উপরই নির্ভর করছে ।
আমার কথাই বলতে পারি । আমিও গল্পের বই পড়ি । বিভিন্ন দেশের । বিভিন্ন লেখকের । ইভেন নিজের ষ্টাডির বই গুলো নেট থেকে পড়ে নিই । প্রিন্টে ছাপা বই পড়ার সময় হয়না । জীবনটাই এখন মনিটরের সাথে মিশে গেছে । যেভাবেই পড়িনা কেন , পড়াটাই আসল । এক ব্লগেই কতরকম বৈচিত্রের , কত রকম মজাদার , কত তথ্যবহুল পোষ্ট যে পড়া যাচ্ছে সেটার কি আসলেই কোন তুলনা হয় । অনেক ভালো ভালো ব্লগার কত চমৎকার ব্যতিক্রম পোষ্ট দিয়ে আমাদের জানার পরিধি প্রতিনিয়ত বাড়িয়ে দিচ্ছেন । -
মাহাফুজুর রহমান০৪ জানুয়ারি ২০১০, ১১:৪৩
বই পড়ার ভাটা সবচেয়ে বেশি পড়েছে গ্রামে।এইতো গত শতাব্দীর শেষ দশকেও পয়লা বৈশাখে,বসন্তে,শারদীয় পূজায়,ঈদ ঊৎসবে,জম্মদিনে অনেক বই বন্ধুদের মাঝে উপহার হিসেবে বিনিময় হতো।আমার এক কাজিনের বিয়ে হওয়ার পর সে আমাকে বই ভর্তি তার টিনের ট্রাংকটা উপহার দিয়েছিল।তার চোখে জল দেখেছি তখন।না আমাকে বই দেয়ার কষ্টে নয়,শ্বশুর বাড়িতে বই পড়তে পারবেনা এই কষ্টে।বিকেলে স্কুল কলেজে পড়ুয়াদের গল্পের বই হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোও একটা ফ্যাশন ছিল।প্রিয় মানুষকে ইমপ্রেসড করার একটা ব্যাপারও ছিল।আমার পড়া প্রথম গল্পের বই দ্স্যু বনহুর,সালটা ১৯৯৪,ক্লাস সেভেনে উঠেছি তখন।চাচাত ভাই মাসুদ আমাকে বইটা দিয়েছিল।তার কাছে কৃতঙ্ঞ যে সে বইয়ের সাথে আমার বন্ধুত্বটা করিয়ে দিয়েছিল যা এখনো ফুটন্ত।বই নিয়ে অনেক সুখ স্মৃতি জমা আছে স্মৃতির আলমারিতে।
তখন বড়দের কাছে বায়না থাকত বইয়ের।আর গতকাল আমার সে মাসুদ ভাইয়ের আট বছর বয়সের ছেল আমাকে ফোন করে বলে চাচ্চু এবার বাড়ী আসার সময় থ্রি ইডিয়েটস এর ডিভিডিটা নিয়ে এসো।
আর এখন গ্রামে গেলে দেখি স্কুল কলেজের ছেলেরা ব্যাস্ত বিভিন্ন ইনস্যুরেন্স কোম্পানি আর ডেস্টিনির স্বপ্ন বিক্রিতে।
শহরেও যারা বই পড়ে তাদের অধিকাংশই হূমায়ন আহমদে সীমাবদ্ধ।
ফিরে আসুক বইয়ের সুদিন এই কামনা করি।
ভাল লেখার জন্যে লেখককে আন্তরিক ধন্যবাদ। -
লুবনা১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১০:৫৪
আগে মনে হয় আমাদের বই ছাড়া আর কোন অপশন ছিলো না, না নেট না মোবাইল, তাই এখনকার ছেলে মেয়েরা বইএর চেয়ে ওই দিকে বেশী ঝুকে গেছে, তবে এখনো অনেকে আছে যারা বই এর পোকা, এক সময় আমিও তাই ছিলাম, স্কুলে পড়ার সময় একজন স্যারের লাইব্রেরি ছিলো স্যার আমাকে পড়াতেন বিনে পয়সায় তবে শর্ত ছিলো স্কুল শেষ করে স্যারের লাইব্রেরিতে গিয়ে পড়তে হবে আর স্যারকে বই বিক্রিতে সাহায্য করতে হবে। আমি তো মহা খুশি মনে স্যারের ওখানে যেতাম আর লুকিয়ে লুকিয়ে গল্পের বই পড়তাম স্যার ভাবতেন আমি পড়ার বই পড়ছি।।
এখনো বই পড়ি তবে আড়ের মতো পারিনা চোখের সমস্যার কারণে চশমা দিয়ে পড়লেও চোখ ফুলে যায়, তবু প্রায়ই কিছুনা কিছু পড়ি।। -
রকি১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:১১
বই পড়তে ভাল না লাগা লোকের সংখ্যা খুব বেশী হবেনা।
আমিও ভাললাগার দলে।
একদিন রাকিব হাসানের একটি বই পড়তে পড়তে স্কুলে যাওয়ার কথা ভুলে গিয়েছিলাম বলে আম্মু অনেক মার দিয়েছিল। শুধু মার দিয়েই ক্ষান্ত হননি, মারতে মারতে স্কুলেই রেখে এসেছিলেন। -
রকি১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:৪৬
আমি ভাল আছি।
আসলে আমি ত্রিভুজ কে প্রশ্নটি করে ছিলাম।পরে বুঝলাম।
TimE OuT -
বই পোকা১১ অক্টোবর ২০১০, ০২:১৩
অনেক চিন্তাশীল লেখা। খুব ভালো লাগলো। আমার তো মনে হয় সময়ের দ্রুত গতির সাথে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে মানুষ বই থেকে দূরে চলে যাচ্ছে। কিছুটা ধীর সময়ের মালিক ছিলাম ছোটবেলায়। একটা বই দশবার পড়েও সময় ফুরাতো না।
'যেসব ছেলের সাথে কথা বলে তারাই নাকি মোবাইলে টাকা পাঠায়।' ছেলে নাকি মেয়ে হবে?
শুভেচ্ছা অর্ধমিতা। -
সুলতানা০৪ জুন ২০১১, ২০:৫৯
কি যে নেশা ছিল বই পড়ার বলে বুঝানো যাবে না। কত বই যে আম্মু ছিড়ে ফেলেছে। বই উপহার পেয়ে সবচাইতে বেশী ভাল লাগত। নেশাটা এখনো আছে। বাসার বইগুলো মুখস্থ, তারপরও বার বার পড়ি। কয়েকদিন আগেই আবার পড়লাম তেপান্তেরের ছোট্ট শহর। মূলঃ লরা ইঙ্গলস্ ওয়াইল্ডার, অনুবাদঃ জাহানআরা ইমাম। এখনও একটা বই পড়ছি ব্রিটিশ কাউন্সিলের। অফিস থেকে ব্রিটিশ কাউন্সিলের বই আনা যায়। তবে আগের মতো আর বই কেনা হয়না।
অনেকদিন পর তোমার একটা ভাল পোস্ট পড়লাম। সুন্দর বিষয় অবতারণার জন্য শুভকামনা থাকল।
ভাল থেকো।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
একসময় চুরী করে ধর্ম বইয়ের ভেতরে সেবা প্রকাশনী রেখে পড়তাম ।
আর এখন
তোমার লেখা ভালো হয়েছে ।