রবিবার ২৬ মে ২০১৩, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২০ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


বইয়ের কাছে ফিরি

বই দিবে, বই। হরেক রকম বই দরকার আমার। দিতে পারবে ? সেটা কালজয়ী হোক কিংবা অখ্যাত কোন লেখকের প্রথম বই হোক কোন আপত্তি নেই। তারপরও আমার বই চাই। এটা এখনকার যুগে হয়ত অস্বাভাবিক শোনাচ্ছে । তবে আজ থেকে ৮/১০ বছর আগের তরুণ-তরুণীদের মনো চাহিদা ছিল এটিই।
মোবাইলের হরেক রকম অফার, ডিশের শত চ্যানেল, ইন্টারনেটে সারা বিশ্বের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং, এফ এম রেডিও ইত্যাদির চাপে তরুণ সমাজের বিশাল একটা অংশের সাথে আজ বইয়ের সম্পর্ক নেই বললেই চলে। অথচ এক সময় বই-ই ছিল বিনোদনের সবচেয়ে বড় উপায়।
দশ বছর আগের কথা। পাশের বিল্ডিংয়ের পলি আপু। হালকা গড়নের কি সুন্দর চেহারা। কোমর অবধি লম্বা সিলকি চুল। মাথায় ভালভাবে ওড়না দিয়ে যখন বের হতেন সবাই তাকিয়ে থাকত। পাড়ার হারুণ ভাই, কামরুল ভাই, সুজন ভাইদের আড্ডায় বেশির ভাগ তিনিই থাকতেন কেন্দ্রবিন্দু। সে আপু আমাদের বাসায় আসলে গল্পের বইয়ের খোঁজে আমার বইয়ের সেলফ ঘেঁটে ফেলতেন।
এত বেশি গল্পের বই পড়তেন বিধায় অ্যান্টি রাগ করতেন। অ্যান্টির ভয়ে পলি আপু বাথরুমে দরজা বন্ধ করে গল্পের বই পড়তেন। গল্পের বইয়ের এরকম নেশা অনেকেরই ছিল। আমি গল্পের বইয়ের ছোট খাট একটা লাইব্রেরী বানিয়ে ছিলাম। যেটা এখনো আছে। দুঃখ লাগে কেউ আর এখন গল্পের খোঁজতে আসে না।
গল্পের বই পড়ার জায়গা যে ভাল কিছু দখল করেছে তা কিন্তু নয়। এখন বন্ধুর সাথে মোবাইলে কথা বলে (মাঝে মাঝে একাধিক জনের সাথে প্রেম বিনিময় চলে), হিন্দি সিরিয়াল দেখে, নেটে গিয়ে অনেক সময় অসভ্য ওয়েবে ঢুকে নিষিদ্ধ জিনিষ দেখতে দেখতে বই পড়ার ব্যাপারটাই আর মাথায় আসে না। এজন্য বই পড়তে যে কি আনন্দ এ ব্যাপারটা জানতে পারছে না।
বেণী ঝুলানো গল্পের বই পড়–য়া সেসব কিশোরী যারা এখন হয়ত সংসার করছে, বাচ্চাদের মা তারা তাদের শৈশব যত নির্মল আনন্দের কথা বলতে পারবে এখনকার যুগের তরুণীদের সেরকম বলতে কষ্ট হবে। কেননা আধুনিক যুগে তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে বেড়ে গেছে প্রতারণা, মিথ্যা বলার অভ্যাস। প্রযুক্তিগুলো মিথ্যা বলতে সহায়কের ভূমিকা পালন করছে, মিষ্টি গলা থাকলেই আজ ভাল প্রেমিক- প্রেমিকা হওয়া যায়। একটা না একই সাথে দশ বারোটাও প্রেম করা যায়। আমার এক বন্ধু হিসেব রাখছে। এক বছর আগে তার ১৯ টা হয়েছিল। এখন যোগাযোগ নাই। মফস্বল থেকে ঢাকায় যাওয়া এই বন্ধুর পরিসংখ্যানে এখন কয়টা কে জানে?
ভয়ানক ব্যাপার একটা দেখেছি সেদিন। এক ছেলে মেয়ের গলা নিয়ে অন্য ছেলের সাথে আবেগের কথা বলছে। ছি ছি ছি। মেয়ে কন্ঠ পাগল এসব ছেলেদের ভাগ্য খুব একটা ভাল বলে মনে হয় না। মেয়ের গলা নিয়ে কথা বলা ছেলেটির সাথে কথা বললাম। সে বলল, যেসব ছেলের সাথে কথা বলে তারাই নাকি মোবাইলে টাকা পাঠায়।
অন্ধ প্রযুক্তি ব্যবহার থেকে আমরা সতর্ক হই। বুঝে শুনে ব্যবহার করি। দিনে কিছুটা সময়ের জন্য হলেও ফিরে যাই বইয়ের কাছে। অনেক অনেক ভাল লাগবে। অযথা ঠকা থেকে বাঁচব।
৪৭ টি মন্তব্য
rodela রোদেলা৩০ ডিসেম্বর ২০০৯, ০২:১৪
তোমার লেখা পড়ে কোন সে ছোট বেলায় হারিয়ে গেলাম ।
একসময় চুরী করে ধর্ম বইয়ের ভেতরে সেবা প্রকাশনী রেখে পড়তাম ।
আর এখন
তোমার লেখা ভালো হয়েছে ।
boipagol বই পাগল৩০ ডিসেম্বর ২০০৯, ০২:২৮
ছোটবেলায় চুরি করে বই পড়তেন বলেই তো এখন এতো সুন্দর করে লেখালেখি করতে পারেন। আপনার অনেক পোস্ট আমি পড়ছি। ভাল লাগছে। অনেক ভাল। আর ধন্যবাদ লেখা ভাল হয়েছে বলায়। যদিও একটু একটু লজ্জা লাগছে নিজ প্রশংসা শুনে। ভাল থাকবেন।
sanatan সনাতন৩০ ডিসেম্বর ২০০৯, ১২:৩৫
boipagol বই পাগল৩০ ডিসেম্বর ২০০৯, ০২:০৫
ধন্যবাদ সনাতন ভাই। এই আধুনিকতার সময় সনাতন নাম ব্যবহার করা অনেক সাহসীকতার ব্যাপার।
ostorag একলা তেপান্তর৩০ ডিসেম্বর ২০০৯, ১২:৩৬
আর তো কিছু বলার নাই!!
ভালো থাকুন।
boipagol বই পাগল৩০ ডিসেম্বর ২০০৯, ০২:০৪
ওসটোরাগ ভাই আর কিছু বলার নেই কেন। এখনতো বলার সময়। ধন্যবাদ। আপনি বেশি ভাল থাকবেন।
neelsadhoo নীলসাধু৩০ ডিসেম্বর ২০০৯, ১২:৫০
আমি নিজে এক সময় বই পাগল ছিলাম। এখনো আছি।
এক টা বই হলে আমার আর কিছু চাইনা।

বদলে যাচ্ছে সময়।
ঠিক বলেছেন।
এই বদল ভাল হলে কথা ছিলনা।
কিন্তু তা নয়।
আমরা দিন দিন নীচে যেন নামছি।
আমার তাই মনে হয়।
boipagol বই পাগল৩০ ডিসেম্বর ২০০৯, ০২:০৩
নীল সাধু ভাই ঠিক বলেছেন বদলটা অনেক ক্ষেত্রেই নেতিবাচক হচ্ছে। সব বদলই ভালো না। ভাল থাকবেন।
farzana_lissa ফারজানা লিছা৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৩:০৫
আমি কিন্তু সত্যিই বইয়ের পোকা । বই পাইলে আমার আর কিচ্ছু লাগে না (পাঠ্যবই বাদে )। অনেক ছোটবেলা থেকে আমার বই পড়ার অভ্যাস। একবার তো পরীক্ষার আগে পড়ার বই বাদ দিয়া গল্পের বই পড়তাছি দেখে আম্মু রাগের চোটে কতগুলা গল্পের বই পুড়ায়া ফেললো । কোথাও বেড়াইতে গেলেও আমি সেখানে যায়া বই পড়ি। এই নিয়া কম বকা খাইতে হয়না । বই পড়তে আমার অনেক ভালো লাগে...অনেক... । তবে কোন বইয়ের ভাষা কঠিন হইলে আমি সেই বই পড়ার আগ্রহ পাইনা
farzana_lissa ফারজানা লিছা৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৩:০৯
আপনার পোস্ট নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানাচ্ছি
boipagol বই পাগল৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৩:১৮
পরীক্ষার আগের দিন রাতে গল্পের বই পড়ার মজাটাই আলাদা। অন্যরকম অনুভুতি। খুউব কম জনেরই ভাগ্যে এইটা জোটে। এই দুর্লভ অভিজ্ঞতা আমার আছে।
আপনাকে অনেক অভিভন্দন লেখা নির্বাচিত পোস্টে মেধার স্বাক্ষর রেখে নির্বাচিত হওয়ায়। হাত তালি দিচ্ছি।
ভাল থাকবেন।
farzana_lissa ফারজানা লিছা৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৩:২০
মেধার স্বাক্ষর !
boipagol বই পাগল৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৩:২৭
তাইলে কিসের স্বাক্ষর?
আমিতো অলরেডি নিজেকে অনেক বড় মেধাবী ভাবা শুরু করে দিয়েছি। হা হা হা
farzana_lissa ফারজানা লিছা৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৩:২৯
nasrinjubaer নাসরীন জুবায়ের৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৩:২০
চুরি করে গল্পের বই পড়ার কারনে কঠিন মাইর খেয়েছিলাম................ আমার ছেলে হয়তো মাইর খাবে পিসি অধিক ব্যাবহারের জন্য। আসলে প্রজন্ম বদলাচ্ছে.... কি করবেন বলুন?
boipagol বই পাগল৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৩:২৫
এই সমস্যাটা এত সহজভাবে প্রকাশ করলেন!!!!!!!!!
আমিও তো ভেবে কুল পাইতেছি না সমাধান কি? সময়ের কাছে যে আমরা বড় অসহায়।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইল।
ahannan আব্দুল হান্নান৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৪:১৯
অসাধারন সুন্দর একটা বিষয়ের অবতারনা করেছেন। আমিও শৈশবে কৈশোরে বই পাগল ছিলাম। গল্পের বই শুরু করলে শেষ না করা পর্যন্ত ছাড়তাম না। কিন্তু আজকের প্রজন্মের বই বিমুখতা সত্যিই দুঃখের বিষয়।
খুব ভাল লাগল পোস্টটা। নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইল।
boipagol বই পাগল৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ০৪:২৪
আপনি বই পাগল শুনে ভাল লাগল।
আপনাকেও নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
gangaa গঙা০১ জানুয়ারি ২০১০, ০১:০৮
বইয়ের প্রতি এ প্রজন্ম ক্রমশই উদাসীন হতে চলছে ...... জানি না , ভবিষ্যতে কী হবে ! তবুও আশায় আছি .............. আবার ফিরে আসবে সোনালি সেই সুদিন !

ধন্যবাদ , আপনার অনুভূতিগুলো শেয়ার করার জন্য ।
boipagol বই পাগল০৩ জানুয়ারি ২০১০, ০৮:৪৫
গঙ্গা ভাই, ঠিক বলছেন। আমিও আশায় আছি।
ফিরে আসুক সে সোনালী দিন।
rudrasakal কৃষ্ণ তরুণ০১ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৪৪
বই ব্যাগে সারাদিন ঘুরি-ফিরি; একটু অবসর খুঁজি; রাত ১১ টায় ঘরে ফিরি। ক্লান্তি/ ইন্টারনেটে কিছুক্ষণ বসা/ তারপর বই নিয়ে পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে যাওয়া।
boipagol বই পাগল০১ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৫০
অনেক সুন্দরতো। অনেক সুন্দর। বই পড়ার প্রতীক্ষা আসলে অনেক মজার।
ভাল থাকবেন।
নববর্ষের শুভেচ্ছা।
skytouch121 পথে-প্রান্তরে০১ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৪৩
চমৎকার পোষ্ট । ধন্যবাদ জানাই এই কারণে ।

কিন্তু আপনার সব বক্তব্যের সাথে আমি একমত নেই । আমরা যারা সারাদিন নেট ইউজ করি তাদের কাছে বইয়ের পৃষ্ঠা গুলো ডিজিটাল ফরম্যাট হয়ে গেছে । পড়তে চাইলে শুধু বই লাগেনা । অন্তর্জালের বিরাট জ্ঞানের রাজ্যে ঠিকই পড়ে নেয়া যায় । সবাই যে অসভ্য সাইটে সারাদিন কাটিয়ে দেয় সেটাও ঠিক নয় । যে যেভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করছে সেটা তার উপরই নির্ভর করছে ।

আমার কথাই বলতে পারি । আমিও গল্পের বই পড়ি । বিভিন্ন দেশের । বিভিন্ন লেখকের । ইভেন নিজের ষ্টাডির বই গুলো নেট থেকে পড়ে নিই । প্রিন্টে ছাপা বই পড়ার সময় হয়না । জীবনটাই এখন মনিটরের সাথে মিশে গেছে । যেভাবেই পড়িনা কেন , পড়াটাই আসল । এক ব্লগেই কতরকম বৈচিত্রের , কত রকম মজাদার , কত তথ্যবহুল পোষ্ট যে পড়া যাচ্ছে সেটার কি আসলেই কোন তুলনা হয় । অনেক ভালো ভালো ব্লগার কত চমৎকার ব্যতিক্রম পোষ্ট দিয়ে আমাদের জানার পরিধি প্রতিনিয়ত বাড়িয়ে দিচ্ছেন ।
boipagol বই পাগল০১ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৫২
পথে প্রান্তরে, ভাল লাগল আপনার মন্তব্য পড়ে।
তবে আমরা যাই বলি না কেন পরিসংখ্যান কিন্তু বলে ইন্টারনেটের অপব্যবহারটাই বেশি হচ্ছে।
ভাল থাকবেন। নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী০৩ জানুয়ারি ২০১০, ০১:২৩
পোস্ট নির্বাচিত হবার অভিনন্দন
boipagol বই পাগল০৩ জানুয়ারি ২০১০, ০৮:৪৫
সাইদ ভাই, ধন্যবাদ।
trivuz ত্রিভুজ০৩ জানুয়ারি ২০১০, ০৭:৩২
সুন্দর লেখা।
boipagol বই পাগল০৩ জানুয়ারি ২০১০, ০৮:৪৭
ত্রিভুজ ভাই, অনেক ভাল লাগল আপনি লেখাটি পড়ছেন দেখে।
সুন্দর বলার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।
roky13 রকি১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:০৪
এতদিন কোথাই ছিলেন?
boipagol বই পাগল১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:০৯
রকি ভাই ঠিক বুঝলাম না আপনার প্রশ্নটি।
আপনাদের সাথেই তো আছি।
থাকছি সব সময়।

আশা করি আপনি ভাল আছেন।
গতদিনটি কেটেছে অনেক আনন্দে।
অনেক ভাল থাকুন সবসময়।
আজকে পোস্ট দেওয়া আপনার ছড়াটি ভাল লাগল।
mahafuzkanak মাহাফুজুর রহমান০৪ জানুয়ারি ২০১০, ১১:৪৩
বই পড়ার ভাটা সবচেয়ে বেশি পড়েছে গ্রামে।এইতো গত শতাব্দীর শেষ দশকেও পয়লা বৈশাখে,বসন্তে,শারদীয় পূজায়,ঈদ ঊৎসবে,জম্মদিনে অনেক বই বন্ধুদের মাঝে উপহার হিসেবে বিনিময় হতো।আমার এক কাজিনের বিয়ে হওয়ার পর সে আমাকে বই ভর্তি তার টিনের ট্রাংকটা উপহার দিয়েছিল।তার চোখে জল দেখেছি তখন।না আমাকে বই দেয়ার কষ্টে নয়,শ্বশুর বাড়িতে বই পড়তে পারবেনা এই কষ্টে।বিকেলে স্কুল কলেজে পড়ুয়াদের গল্পের বই হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোও একটা ফ্যাশন ছিল।প্রিয় মানুষকে ইমপ্রেসড করার একটা ব্যাপারও ছিল।আমার পড়া প্রথম গল্পের বই দ্স্যু বনহুর,সালটা ১৯৯৪,ক্লাস সেভেনে উঠেছি তখন।চাচাত ভাই মাসুদ আমাকে বইটা দিয়েছিল।তার কাছে কৃতঙ্ঞ যে সে বইয়ের সাথে আমার বন্ধুত্বটা করিয়ে দিয়েছিল যা এখনো ফুটন্ত।বই নিয়ে অনেক সুখ স্মৃতি জমা আছে স্মৃতির আলমারিতে।

তখন বড়দের কাছে বায়না থাকত বইয়ের।আর গতকাল আমার সে মাসুদ ভাইয়ের আট বছর বয়সের ছেল আমাকে ফোন করে বলে চাচ্চু এবার বাড়ী আসার সময় থ্রি ইডিয়েটস এর ডিভিডিটা নিয়ে এসো।

আর এখন গ্রামে গেলে দেখি স্কুল কলেজের ছেলেরা ব্যাস্ত বিভিন্ন ইনস্যুরেন্স কোম্পানি আর ডেস্টিনির স্বপ্ন বিক্রিতে।

শহরেও যারা বই পড়ে তাদের অধিকাংশই হূমায়ন আহমদে সীমাবদ্ধ।

ফিরে আসুক বইয়ের সুদিন এই কামনা করি।

ভাল লেখার জন্যে লেখককে আন্তরিক ধন্যবাদ।
boipagol বই পাগল০৪ জানুয়ারি ২০১০, ১২:০৫
কথাগুলো ভাল লাগল। আপনি যে বইয়ের সাথে অনেক সুন্দর সময় কাটাইছেন তা প্রমাণ করে আপনার লেখাগুলোতে। মরিচিকাময় স্বপ্নের পিছনে আমাদের অনেকেই ছুটছে অবিরাম।
আপনার এই লেখাটা পোস্টের দাবি রাখে।
আমিও মনে প্রাণে চাই ফিরে আসুক সে সুদিন। নির্মল আনন্দে আবার ভাসুক প্রজন্ম। বই না পড়তে পারার দুঃখ সবাইকে স্পর্ষ করুক।
ভাল থাকবেন। সত্যিই আপনার মন্তব্য অনেক অনেক বেশি ভাল লাগছে।
lubna09 লুবনা১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১০:৫৪
আগে মনে হয় আমাদের বই ছাড়া আর কোন অপশন ছিলো না, না নেট না মোবাইল, তাই এখনকার ছেলে মেয়েরা বইএর চেয়ে ওই দিকে বেশী ঝুকে গেছে, তবে এখনো অনেকে আছে যারা বই এর পোকা, এক সময় আমিও তাই ছিলাম, স্কুলে পড়ার সময় একজন স্যারের লাইব্রেরি ছিলো স্যার আমাকে পড়াতেন বিনে পয়সায় তবে শর্ত ছিলো স্কুল শেষ করে স্যারের লাইব্রেরিতে গিয়ে পড়তে হবে আর স্যারকে বই বিক্রিতে সাহায্য করতে হবে। আমি তো মহা খুশি মনে স্যারের ওখানে যেতাম আর লুকিয়ে লুকিয়ে গল্পের বই পড়তাম স্যার ভাবতেন আমি পড়ার বই পড়ছি।।

এখনো বই পড়ি তবে আড়ের মতো পারিনা চোখের সমস্যার কারণে চশমা দিয়ে পড়লেও চোখ ফুলে যায়, তবু প্রায়ই কিছুনা কিছু পড়ি।।
boipagol বই পাগল১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:০৬
লুবনা আপু অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
জেনে ভাল লাগল আপনিও বইয়ের ভক্ত ছিলেন।

আপনার ঐ স্যারকে অনেক অনেক শ্রদ্ধা।

অনেক ভাল থাকবেন। অনেক ভাল।
ঠিক যেমনটি চান।
roky13 রকি১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:১১
বই পড়তে ভাল না লাগা লোকের সংখ্যা খুব বেশী হবেনা।
আমিও ভাললাগার দলে।

একদিন রাকিব হাসানের একটি বই পড়তে পড়তে স্কুলে যাওয়ার কথা ভুলে গিয়েছিলাম বলে আম্মু অনেক মার দিয়েছিল। শুধু মার দিয়েই ক্ষান্ত হননি, মারতে মারতে স্কুলেই রেখে এসেছিলেন।
boipagol বই পাগল১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:১৭
রকি ভাই আপনিও যে আমাদের দলে আছেন তা জেনে অনেক ভাল লাগল।

ছোট কালের বই পড়া নিয়ে স্মৃতি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

বই পড়ার নেশা অনেক ভাল একটা নেশা।

ঘটনা শুনে বুঝতে পারলাম আপনি অনেক বড় বই পাগল।

ভাল থাকবেন সব সময়।
kutubi নিজাম কুতুবী১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:২০
পাগলা বই ভাই , কেমন আছেন
boipagol বই পাগল১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:৫১
পাগলা কেমনে বই হয়?

নিজাম কুতুবী ভাই ধন্যবাদ।
আমি ভালো আছি ।
আশা করি আপনিও অনেক ভাল আছেন।
অনেক সুন্দর কাটায়ছেন গতকাল।
roky13 রকি১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:৪৬
আমি ভাল আছি।
আসলে আমি ত্রিভুজ কে প্রশ্নটি করে ছিলাম।পরে বুঝলাম।
TimE OuT
boipagol বই পাগল১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:৪৯


আপনার এই বিভ্রান্তিতে পড়ার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।
rajeen রাজিন১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০২:০০
পাশ পাশ পাশ (লেটার মার্ক)
raiyana রাইয়ানা১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:৫১
বই কিনে কেই দেউলিয়া হয় না।
boipagol বই পাগল১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১০:২০
রায়হানা আপু ধন্যবাদ।
আমার কোন পোস্টে এটাই বোধ হয় আপনার প্রথম মন্তব্য্।
স্বাগতম।

বই কিনে কেই দেউলিয়া হয় না।

আসলেই কথাটা তীব্র সত্য।
ভাল থাকুন সব সময়।
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:০৮
যথার্থ বলেছেন। বইয়ের বিকল্প নেই।
boipagol বই পাগল১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:৩০
সাইদুর ভাই ধন্যবাদ।
ঠিক বলছেন।
আসলেই বইয়ের বিকল্প নেই।
boipoka বই পোকা১১ অক্টোবর ২০১০, ০২:১৩
অনেক চিন্তাশীল লেখা। খুব ভালো লাগলো। আমার তো মনে হয় সময়ের দ্রুত গতির সাথে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে মানুষ বই থেকে দূরে চলে যাচ্ছে। কিছুটা ধীর সময়ের মালিক ছিলাম ছোটবেলায়। একটা বই দশবার পড়েও সময় ফুরাতো না।

'যেসব ছেলের সাথে কথা বলে তারাই নাকি মোবাইলে টাকা পাঠায়।' ছেলে নাকি মেয়ে হবে?

শুভেচ্ছা অর্ধমিতা।
abida সুলতানা০৪ জুন ২০১১, ২০:৫৯
কি যে নেশা ছিল বই পড়ার বলে বুঝানো যাবে না। কত বই যে আম্মু ছিড়ে ফেলেছে। বই উপহার পেয়ে সবচাইতে বেশী ভাল লাগত। নেশাটা এখনো আছে। বাসার বইগুলো মুখস্থ, তারপরও বার বার পড়ি। কয়েকদিন আগেই আবার পড়লাম তেপান্তেরের ছোট্ট শহর। মূলঃ লরা ইঙ্গলস্ ওয়াইল্ডার, অনুবাদঃ জাহানআরা ইমাম। এখনও একটা বই পড়ছি ব্রিটিশ কাউন্সিলের। অফিস থেকে ব্রিটিশ কাউন্সিলের বই আনা যায়। তবে আগের মতো আর বই কেনা হয়না।

অনেকদিন পর তোমার একটা ভাল পোস্ট পড়লাম। সুন্দর বিষয় অবতারণার জন্য শুভকামনা থাকল।
ভাল থেকো।