যত বাধা আসুক গ্যাস তুলবোই : প্রধানমন্ত্রী
যত বাধা আসুক না কেন গ্যাস উত্তোলনের ব্যাপারে সরকারের অনঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাধা এলেও দেশের উন্নয়নে যা করা দরকার সরকার তা-ই করবে। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
এনামুল হকের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমুদ্রে গ্যাস ব্লকগুলো থেকে আমরা নতুনভাবে গ্যাস উত্তোলনের ব্যবস্থা করছি। অনেকে বাধা দিচ্ছে। তারা চায় না বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাক, দেশের উন্নয়ন হোক। আমরা সিসমিক সার্ভে করে নতুন নতুন গ্যাস ক্ষেত্র উদ্ভাবন করবো। যত বাধা আসুক না কেন দেশের উন্নয়নে যা করা দরকার আমরা তাই করবো। যে যত বাধা দিক না কেন আমরা গ্যাস উত্তোলন করবোই।
আরেক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ঝগড়াঝাটি না করে আলোচনার ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান করতে চাই। আলোচনা করলেই সমস্যা সমাধান হয়। নালিশ দিয়ে নয়, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি করেছিলাম। ঝগড়া করে কোনো কিছু হয় না।’
টিপাইমুখ বাঁধের কারণে বাংলাদেশ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য সরকারের দৃষ্টি রয়েছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী জানান, এজন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এর আগে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাংসদ নাজিম উদ্দিন আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভারতের বরাক নদীর উজানে প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বহুমুখী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের বিষয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। যৌথ নদী কমিশনের বিভিন্ন বৈঠকেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
সম্প্রতি মিসরে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনের সময় আলাদা বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর কোনো কিছু করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন।’
নোয়াখালী-৬ আসনের সাংসদ মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যানজট নিরসনে ২ লেনের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ৪ লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। বর্তমান সড়ক নির্মাণ কাজের ১০টি প্যাকেজের দরপত্র মূল্যায়নের কাজ চলমান আছে। আশা করা যায় চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করা যাবে। ২০১২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।’
ঢাকার যানজট নিরসনে সরকাররের পক্ষ থেকে কি কি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেÑ মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শহরে যানজট থাকবে স্বাভাবিক। রাস্তাঘাট, অফিস-আদালত পরিকল্পিতভাবে করা উচিত ছিল। এগুলো পরিকল্পিতভাবে করা হয়নি বলেই আজ এ অবস্থা।’
তিনি জানান, যানজট নিরসনে পুরনো গাড়ি বাতিল, দ্বিতল রাস্তা প্রণয়ন করা ও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এগুলোর জন্য মোটামুটি একটা ধারণা নিয়ে কিছু কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
যানজট নিরসনে স্কুল, ব্যাংক, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সময়সূচি ভাগ করার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি অনুরোধ করি রাজধানীর প্রতিটি স্কুল কর্তৃপক্ষ যেন শিক্ষার্থীদের জন্য নিজস্ব বাসের ব্যবস্থা করে। এতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য অভিভাবকরা একটি করে গাড়ি নিয়ে বের হবেন না।’
গাড়িচালকদের রাস্তায় ট্রাফিক রুল মেনে চলার আহ্বানও জানান তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যাও কম। আমরা ইতিমধ্যে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের ব্যবস্থাও নিয়েছি।’
অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এশিয়ান হাইওয়েতে এএইচ-১, এএইচ-২ এবং এএইচ-৪১ ৩টি মহাসড়ক হবে। ঢাকা-চট্টগাম মহাসড়ক এএইচ-৪১-এর অন্তর্র্ভুক্ত। এখন এ মহাসড়ক ৪ লেন বিশিষ্ট করা হচ্ছে। এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে এটা ৫ লেন বিশিষ্ট বা তাদের চাহিদামতো হবে।
সুত্র : দৈনিক পত্রিকা
এনামুল হকের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমুদ্রে গ্যাস ব্লকগুলো থেকে আমরা নতুনভাবে গ্যাস উত্তোলনের ব্যবস্থা করছি। অনেকে বাধা দিচ্ছে। তারা চায় না বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাক, দেশের উন্নয়ন হোক। আমরা সিসমিক সার্ভে করে নতুন নতুন গ্যাস ক্ষেত্র উদ্ভাবন করবো। যত বাধা আসুক না কেন দেশের উন্নয়নে যা করা দরকার আমরা তাই করবো। যে যত বাধা দিক না কেন আমরা গ্যাস উত্তোলন করবোই।
আরেক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ঝগড়াঝাটি না করে আলোচনার ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান করতে চাই। আলোচনা করলেই সমস্যা সমাধান হয়। নালিশ দিয়ে নয়, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি করেছিলাম। ঝগড়া করে কোনো কিছু হয় না।’
টিপাইমুখ বাঁধের কারণে বাংলাদেশ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য সরকারের দৃষ্টি রয়েছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী জানান, এজন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এর আগে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাংসদ নাজিম উদ্দিন আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভারতের বরাক নদীর উজানে প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বহুমুখী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের বিষয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। যৌথ নদী কমিশনের বিভিন্ন বৈঠকেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
সম্প্রতি মিসরে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনের সময় আলাদা বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর কোনো কিছু করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন।’
নোয়াখালী-৬ আসনের সাংসদ মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যানজট নিরসনে ২ লেনের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ৪ লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। বর্তমান সড়ক নির্মাণ কাজের ১০টি প্যাকেজের দরপত্র মূল্যায়নের কাজ চলমান আছে। আশা করা যায় চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করা যাবে। ২০১২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।’
ঢাকার যানজট নিরসনে সরকাররের পক্ষ থেকে কি কি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেÑ মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শহরে যানজট থাকবে স্বাভাবিক। রাস্তাঘাট, অফিস-আদালত পরিকল্পিতভাবে করা উচিত ছিল। এগুলো পরিকল্পিতভাবে করা হয়নি বলেই আজ এ অবস্থা।’
তিনি জানান, যানজট নিরসনে পুরনো গাড়ি বাতিল, দ্বিতল রাস্তা প্রণয়ন করা ও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এগুলোর জন্য মোটামুটি একটা ধারণা নিয়ে কিছু কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
যানজট নিরসনে স্কুল, ব্যাংক, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সময়সূচি ভাগ করার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি অনুরোধ করি রাজধানীর প্রতিটি স্কুল কর্তৃপক্ষ যেন শিক্ষার্থীদের জন্য নিজস্ব বাসের ব্যবস্থা করে। এতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য অভিভাবকরা একটি করে গাড়ি নিয়ে বের হবেন না।’
গাড়িচালকদের রাস্তায় ট্রাফিক রুল মেনে চলার আহ্বানও জানান তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যাও কম। আমরা ইতিমধ্যে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের ব্যবস্থাও নিয়েছি।’
অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এশিয়ান হাইওয়েতে এএইচ-১, এএইচ-২ এবং এএইচ-৪১ ৩টি মহাসড়ক হবে। ঢাকা-চট্টগাম মহাসড়ক এএইচ-৪১-এর অন্তর্র্ভুক্ত। এখন এ মহাসড়ক ৪ লেন বিশিষ্ট করা হচ্ছে। এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে এটা ৫ লেন বিশিষ্ট বা তাদের চাহিদামতো হবে।
সুত্র : দৈনিক পত্রিকা
লেখক হাফিজ
- হাফিজ -এর ব্লগ
- ২ টি মন্তব্য
- ০৮ অক্টোবর ২০০৯, ০২:২৫
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
আপনার টা পড়ে লাভ হইল।