অনেক কথা ৪৭
ঝগড়া--
* প্রথমত--ঝগড়াটে। দ্বিতীয়ত--অসভ্য। তৃতীয়ত--কৃপণ। এই তিন প্রকারের মানুষ থেকে দূরে থাকা ভাল।
* ‘ফ্যাসাদি’ ‘অসভ্য’ ‘কৃপণ’ এরা একটি সমাজের, একটি গ্রামের, একটি শহরের ও একটি দেশের কলঙ্ক।
* কলহপ্রিয় মানুষ কখনো শান্তি পায় না।
* যত বড় হতে চাই ততই ছোট হই তবে...
* দুষ্ট মানুষ কখনো সফল নয়।
* নম্রতা মহত্ত্বের পরিচয়।
* ঝগড়াটে মানুষকে যেমন লোকে ভালবাসে না, তদ্রূপ বিধাতাও ভালবাসেন না।
* পুরুষের ঝগড়া যত গ্লানিকর নয়, নারীর ঝগড়া তারচেয়ে অধিক গ্লানিকর।
* যে পুরুষ নারীর সঙ্গে বিবাদ করে--সে কাপুরুষ।
* যে নারী পুরুষের সঙ্গে ঝগড়া বাধায়--সে নারীযোগ্যতা হারায়।
* যে মানুষ সব সময় ঝগড়া করে সে মানুষের মতো দুষ্ট মানুষ পৃথিবীতে আরেকটা নেই।
* চরিত্রহীন এবং চরিত্রহীনার কাছ থেকে যেমন ভাল মানুষেরা দূরত্ব চায়, তেমনি ঝগড়াটে মানুষের কাছ থেকেও ভাল মানুষেরা বাঁচতে চায়।
* আমি সবকিছুকে ভালবাসতে পারি তবে বিবাদী এবং বিবাদপ্রিয়কে নয়।
* ঝগড়াটে মানুষের হৃদয় মলিন।
* ঝগড়া মানুষকে বদনাম করে দেয়।
* ঝগড়া করে কেউ কোনদিন বড় হতে পারে নি।
* ঝগড়া সব সময় বংশনীচতার পরিচয় দেয়।
* অসভ্য মানুষেরা সব সময় ঝগড়াফ্যাসাদ করে।
* স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়াতে কোনো গ্লানি থাকে না--থাকে ত অভিমান। আর যে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ায় গ্লানি দেখা যায় সে স্বামী-স্ত্রী অচিরেই বন্ধনমুক্ত হওয়া উত্তম।
* যে ঝগড়া করে, সে মহৎ হতে পারে না; আর যে মহৎ, সে ঝগড়া করতে পারে না।
* ঝগড়াঝাটি যার ভূষণ তার জীবন কালিমার অঙ্কন।
* ঝগড়াঝাটির পরিমণ্ডলে যে বড় হয়েছে, সে একটা মারাত্মক গণ্ডির মধ্যে বড় হয়েছে; সুতরাং ঝগড়াটা তার রক্তমাংসে মিশে গেছে--তার থেকে আর কিছু আশা করা যায় না।
* ঝগড়াঝাটির মণ্ডপে বাস করা যায় তবে মানুষ হওয়া যায় না।
* ঝগড়াঝাটি-বিপর্যয়--এসব মহত্ত্বের বিপরীত ও মানবতার বিরুদ্ধ।
* কলঙ্কের এক নাম ‘ঝগড়া’।
* ঝগড়া নয়, ঝগড়া নয়, ঝগড়াতে সব গ্লানি
নির্দয় হয় দয়াদ্রহস্ত ছিন্ন হয় করুণার পাণি--
ঝগড়াতে সব গ্লানি।
* প্রথমত--ঝগড়াটে। দ্বিতীয়ত--অসভ্য। তৃতীয়ত--কৃপণ। এই তিন প্রকারের মানুষ থেকে দূরে থাকা ভাল।
* ‘ফ্যাসাদি’ ‘অসভ্য’ ‘কৃপণ’ এরা একটি সমাজের, একটি গ্রামের, একটি শহরের ও একটি দেশের কলঙ্ক।
* কলহপ্রিয় মানুষ কখনো শান্তি পায় না।
* যত বড় হতে চাই ততই ছোট হই তবে...
* দুষ্ট মানুষ কখনো সফল নয়।
* নম্রতা মহত্ত্বের পরিচয়।
* ঝগড়াটে মানুষকে যেমন লোকে ভালবাসে না, তদ্রূপ বিধাতাও ভালবাসেন না।
* পুরুষের ঝগড়া যত গ্লানিকর নয়, নারীর ঝগড়া তারচেয়ে অধিক গ্লানিকর।
* যে পুরুষ নারীর সঙ্গে বিবাদ করে--সে কাপুরুষ।
* যে নারী পুরুষের সঙ্গে ঝগড়া বাধায়--সে নারীযোগ্যতা হারায়।
* যে মানুষ সব সময় ঝগড়া করে সে মানুষের মতো দুষ্ট মানুষ পৃথিবীতে আরেকটা নেই।
* চরিত্রহীন এবং চরিত্রহীনার কাছ থেকে যেমন ভাল মানুষেরা দূরত্ব চায়, তেমনি ঝগড়াটে মানুষের কাছ থেকেও ভাল মানুষেরা বাঁচতে চায়।
* আমি সবকিছুকে ভালবাসতে পারি তবে বিবাদী এবং বিবাদপ্রিয়কে নয়।
* ঝগড়াটে মানুষের হৃদয় মলিন।
* ঝগড়া মানুষকে বদনাম করে দেয়।
* ঝগড়া করে কেউ কোনদিন বড় হতে পারে নি।
* ঝগড়া সব সময় বংশনীচতার পরিচয় দেয়।
* অসভ্য মানুষেরা সব সময় ঝগড়াফ্যাসাদ করে।
* স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়াতে কোনো গ্লানি থাকে না--থাকে ত অভিমান। আর যে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ায় গ্লানি দেখা যায় সে স্বামী-স্ত্রী অচিরেই বন্ধনমুক্ত হওয়া উত্তম।
* যে ঝগড়া করে, সে মহৎ হতে পারে না; আর যে মহৎ, সে ঝগড়া করতে পারে না।
* ঝগড়াঝাটি যার ভূষণ তার জীবন কালিমার অঙ্কন।
* ঝগড়াঝাটির পরিমণ্ডলে যে বড় হয়েছে, সে একটা মারাত্মক গণ্ডির মধ্যে বড় হয়েছে; সুতরাং ঝগড়াটা তার রক্তমাংসে মিশে গেছে--তার থেকে আর কিছু আশা করা যায় না।
* ঝগড়াঝাটির মণ্ডপে বাস করা যায় তবে মানুষ হওয়া যায় না।
* ঝগড়াঝাটি-বিপর্যয়--এসব মহত্ত্বের বিপরীত ও মানবতার বিরুদ্ধ।
* কলঙ্কের এক নাম ‘ঝগড়া’।
* ঝগড়া নয়, ঝগড়া নয়, ঝগড়াতে সব গ্লানি
নির্দয় হয় দয়াদ্রহস্ত ছিন্ন হয় করুণার পাণি--
ঝগড়াতে সব গ্লানি।
লেখক খন্দকার আযাহা সুলতান
- খন্দকার আযাহা সুলতান -এর ব্লগ
- ৫ টি মন্তব্য
- ২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:৩৭
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৫ টি মন্তব্য
-
ফেরদৌসী বেগম (শিল্পী)৩১ জানুয়ারি ২০১৩, ০৩:৪৫
হুম! কিন্তু বুঝব কেমন করে? সবাইকেইতো ভাল বলে মনে হয়। তবে সুন্দর কথাগুলো বলেছেন।ধন্যবাদ।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক