'হক ভাই, রশীদ ভাই এবং আমার কিছু ব্যক্তিগত কথা'
িবগত কয়েক িদনের ঘটনায় আিম আমার অনেক গোপন কথা হক ভাইকে বলে িদয়েিছ!! যা কখনও কাউকে বিলিন। অনেক ভাবলাম, কেন বললাম? না বললেও তো পারতাম!!! হক ভাই ব্লগে না আসলে আমার িক? আিম তো তাকে িচিনও না!! কাছ থেকে কখনও দেিখিনও!! তাহলে? কেন বললাম? গত কাল পর্যন্ত আমার মধ্যে এই কথাটা ভর করে িছল!! অনেক ভেবেিছ িকন্তু কোন উত্তর পাইিন।
মজার ব্যপার, হক ভাইয়ের সাথে দেখা হওয়ার সেই উত্তরটা পেলাম! িপ্রয় হক ভাই, যখন আপনার বুকের সাথে আমার বুকটা সেটে গেল! যখন আপিন আবেগ িনয়ে আমাকে জিড়য়ে ধরে বললেন, 'এইটাই আমার িজনিজর ভাই!! আিম দুর থেকে দেখেই বুঝেিছ!' তখন। আমার মনে হল বা আিম অনুভব করলাম, অনেক িকছু আপনার হৃদয় থেকে আমার হৃদয়ে চলে আসছে!!! তাইত আিম আপনাকে ছাড়তে চািচ্ছলাম না, বুকের চাপটা থেকে সরতে চািচ্ছলাম না!!! মনে হিচ্ছল সারািদন আপনাকে ধরে রাস্তার ওই হাজার মানুষের সামনে দািড়য়ে থািক। কারন আিম িকছু পািচ্ছলাম আপনার হৃদয় থেকে। যার নাম আমার জানা নেই। আপনার আবেগ আমাকে মোহগ্রস্থ করে ফেলেিছল!!! িঠক এরইরকম একটা ঘটনার কথা বিল। তবে বুঝাতে পারব, কেন আিম এই বুকে চেপে ধরার কথাটাকে এত মূল্য িদিচ্ছ!!
ডাক্তার আমাদের িনিশ্চত করলেন, আমার বাবার ক্যান্সার হয়েছে। তাদের আর িকছু করার নেই। শুধু কেমো থেরািপ দেওয়া ছাড়া। আিম তখন মোটামুিট িদশেহারা। কারন অর্থনৈিতক সচ্ছলতা বলতে যা বুঝায় আমাদের তা নাই। তাই একিদকে টাকার টেনশন আর অন্য িদকে বাবার ক্যান্সার িনয়ে টেনশন। আিম তখনও জািন না, বাবা চলে যাবেন খুব দ্রুত! কারন ক্যান্সার িনয়ে আমার কোন পূর্ব জানাশোনা িছল না। এর স্বরুপ িক, তাও জানতাম না। অন্য সব কিঠন রোগের মতই একটা রোগ ভেবেিছলাম। ডাক্তাররাও িক্লয়ার করে িকছু বলে না। শুধু বলে, এই ঔষধ গুলো খাওয়ান আর কেমো থেরািপ দ্যান, উিন িঠক হয়ে যাবেন। আমরা তাই করতে লাগলাম।
চারিদনের একটা থেরািপর কোর্স শেষ করে বাবাকে বৃহস্পিতবার বাসায় িনয়ে এলাম। তখন সন্ধ্যা। তাকে বাসায় রেখে আিম চলে গেলাম পয়সার খোঁজে। ব্যবসার কাজে। কারন কাজ না হলে টাকা হবে না, আর টাকা না হলে, অনেক সমস্যা!!! কারও কাছে হাত পাততে আমার কখনই ভাল লাগে না। তাই িনজের চেষ্টা জাির িছল। যাইহোক, রাতে বাসায় িফরলাম। তখন রাত ১০টা। বাবাকে িকছু খাওয়ানোর চেষ্টা করলাম। িকন্তু িতিন িকছুই খেলেন না। অগত্যা, আিম তার পাশে বসে তাকে নানান গল্প বলা শুরু করলাম!! কারন আিম খেয়াল করেিছলাম, আিম কথা বললে িতিন খুব খুিশ হন!!! আমাকে বলেন, 'বাজান সারািদন বসে থাকো আমার সাথে! কাজ করার দরকার নাই! আমার কাছে বসে দুটা কথা বল। আিম তোমার কথা শুনতে চাই, তোমার সাথে কথা বলতে চাই!!!' তাই আিম রাতে বাসায় িগয়েই তার পাশে বসে নানান গল্পটাইপ কথা বলতে থাকতাম। বেিশর ভাগই বানানো মন গড়া গল্প। িতিন খুিশ হতেন। কেন হতেন জািন না। কারন িজজ্ঞেস কিরিন।
সেিদনও তাই করিছ। বাবাকে নানান গল্প বলিছ। আসলে তাকে একটু খুিশ এবং অন্যমনস্ক করার জন্যই আিম সেটা করিছলাম। ওইিদন বৃহস্পিতবার রাতে বাবাকে একটা গল্প শুনালাম। যেটার িবষয়বস্তু হল, একজন বাবা তার সন্তানদের উত্তরািধকার িহেেসব যা দান করলেন, তাই িনয়ে! গল্পের বাবাটা িছল অিত দিরদ্র মানুষ! তার িকছুই িছল না! তবে িক দান করল সে সন্তানকে? এখানেই িছল গল্পের মূল কথা।
আমার বলা গল্পটা শুনে বাবা আমার হাত ধরে িবছানায় শুয়ে হাউ মাউ করে কাঁদতে লাগলেন। আিম তার পাশে বসে আিছ, তার অক্ষম সন্তান, যে িকছুই করতে পারছে না তার বাবার জন্য!!! এক সময় বাবা আমাকে বললেন, 'বাজান, তোমার বলা গল্পের মত, আিমও এক ফিকর বাবা! আমারও তেমন িকছুই নাই! যা তোমাদের িদয়ে যাব! তবু িকছু িদতে চাই, িনবা?' এই কথা বলার সময় আমার বাবার চোখ িদয়ে পািন পরছে! আিম তার পাশে বসে আিছ। ধরে আিছ তার হাত। বললাম, 'বাবাগো, িক িদবা, দাও!! যা িদবা তাই িনব!' বাবা আমার কথা শুনে আমার ডান হাতটা তার বুকের উপর িনয়ে বললেন, 'অবহেলা করবা না তো? কারন পয়সা কিড় িকছু তো িদব না িকন্তু!!!' তার কথা শুনে আিমও কাঁদতে লাগলাম। বললাম, 'না বাবা, অবহেলা করব না! দাও!' বাবা আমার ডান হাতটা তার বুকে চেপে ধরে বললেন, 'আজ এই মুহুর্তে, আমার যত ভাল, যত সৎ, যত ভালবাসা বুকে আছে, তা সব িদয়ে িদলাম তোমাকে। আমার বুক থেকে তোমার হাত বেয়ে তোমার হৃদয়ে। আিম অিত দিরদ্র বাবা, আমার আর িকছু নাই, তাই এগুলাই িদলাম। নাও, পূর্ণ করো হৃদয়! আিম তোমার মধ্যে এইগুলা িদয়ে বেঁচে থাকতে চাই, যখন আিম থাকব না। আিম মরে গেলে আমাকে ভুলে যাবা না তো?' আিম তার কথা শুনে কতক্ষন বোকা হয়ে রইলাম। যখন অনুভব করলাম, ঘটনা িক ঘটল, তখন বাবাকে জিড়য়ে ধরে অনেকক্ষন কাঁদলাম। বললাম, 'বাবাগো, তুিম সারা জীবন আমার কাছে থাকবা। আমার কাছ থেকে তোমাকে কেউ িনতে পারবে না। তুিম টেনশন করো না। সব িঠক হয়ে যাবে।'
এই ঘটনার দুিদন পর, শিনবার দুপুর ৩.১৫ িমিনটে আমার বাবা আমার বুকের উপর মারা গেলেন। আমাকে এই সুযোগ না িদয়েই যে, তাকে একটাবার বিল, তাকে কত ভালবািস। তাই বর্তমানে, অন্ধকার মধ্য রাত্রে যখন আমার ঘুম ভেঙ্গে যায় কোন কারনে, তখন বাসায় আমার ডেস্কের উপর রাখা বাবার ছিবটার িদকে তািকয়ে িবর িবর করে বিল, 'বাবাগো, তোমাকে অনেক ভালবািস, অনেক। তোমাকে কখনও বলা হয়িন কথাটা!'
হক ভাইয়ের সাথে যখন বুক মেলালাম রাস্তায় হাজার মানুষের সামনে, তখন আমার বাবার সেই ঘটনার কথা মনে পরে িগয়েিছল। আমার জৈিবক চোখ নয়, হৃদয়ের চোখে অনেক পািন চলে এসেিছল। তবে তা প্রকাশ করা হয় নাই। রশীদ ভাইকে তাই অনেক ধন্যবাদ। তার ভালবাসা পূর্ণ নানান কথাই আমাকে এভাবে ভালবাসতে সাহায্য করেিছল হক ভাইকে।
িপ্রয় রশীদ ভাইকে এই জন্য ভালবাসা জানাব, তেমন সামর্থ আমার নাই। কারন অিত সামান্য মানুষ আিম। িতিন মহৎপ্রান একজন মানুষ। আিম তার সাথে িকছু সময় কািটয়ে এবং দীর্ঘ সময় কথা বলে বুঝেিছ। িতিন অনেক উপরের মানুষ, আর এই আিম নীচের মানুষ তার স্পর্শ পেয়ে ধন্য হয়েিছ। আমার শুধু ভালবাসা ছাড়া আর কোন সম্বল নাই। সেই ভালবাসাই িদলাম আমার িপ্রয় রশীদ ভাইকে। িযিন বাস করেন আমার হৃদয়ের খুব কাছে। যার কথায় আিম প্রিতিনয়ত িশিখ অনেক িকছু। যার কথায় আিম বুিঝ, িতিন আমাকে ছোট ভাইয়ের মত বুক বুক করে আগলে রাখেন, নানান িবষয়ে নানান অনুভব প্রদান করে। আমাকে পূর্ণ মানুষ বানানোর চেষ্টা যে গুিট কয়জন হৃদয়বান মানুষ করেন, িবনা স্বার্থে, তাদের মধ্যে রশীদ ভাই এবং হক ভাই অন্যতম। তাদের কাছে আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
সকল কথা, সকল ব্যথা, সকল কষ্ট অনুভব িপছনে ফেলে আমাদের সবার িপ্রয় হক ভাই িফরে এসেছেন, এটাতেই আমরা এবং আিম, খুিশ। আমার আর িকছু বলার বা চাইবার নেই। তাদের পাশে চেয়েিছলাম, পেয়েিছ। এখন শুধু মন ভরে শ্রদ্ধা জানানো এই দুই িপ্রয় মানুষকে। যারা মহান তাদের অনন্য কাজের জন্য।
আপনাদের জন্য অনেক অনেক ভালবাসা রইল, এই সামান্য আিম'র পক্ষ থেকে। আপনারা ভাল থাকুন, খুব ভাল থাকুন, হৃদয়ের খুব কাছে থাকুন। আর আমাদের সব সময় আলো িদয়ে যান, যে আলো জীবনের কথা বলে, সুন্দরের কথা বলে, যে আলো শেখায়, জীবন িকভাবে যাপন করতে হয়। মহৎ আর মায়ার িভতর বাস করে.................।
(শেষ)
মজার ব্যপার, হক ভাইয়ের সাথে দেখা হওয়ার সেই উত্তরটা পেলাম! িপ্রয় হক ভাই, যখন আপনার বুকের সাথে আমার বুকটা সেটে গেল! যখন আপিন আবেগ িনয়ে আমাকে জিড়য়ে ধরে বললেন, 'এইটাই আমার িজনিজর ভাই!! আিম দুর থেকে দেখেই বুঝেিছ!' তখন। আমার মনে হল বা আিম অনুভব করলাম, অনেক িকছু আপনার হৃদয় থেকে আমার হৃদয়ে চলে আসছে!!! তাইত আিম আপনাকে ছাড়তে চািচ্ছলাম না, বুকের চাপটা থেকে সরতে চািচ্ছলাম না!!! মনে হিচ্ছল সারািদন আপনাকে ধরে রাস্তার ওই হাজার মানুষের সামনে দািড়য়ে থািক। কারন আিম িকছু পািচ্ছলাম আপনার হৃদয় থেকে। যার নাম আমার জানা নেই। আপনার আবেগ আমাকে মোহগ্রস্থ করে ফেলেিছল!!! িঠক এরইরকম একটা ঘটনার কথা বিল। তবে বুঝাতে পারব, কেন আিম এই বুকে চেপে ধরার কথাটাকে এত মূল্য িদিচ্ছ!!
ডাক্তার আমাদের িনিশ্চত করলেন, আমার বাবার ক্যান্সার হয়েছে। তাদের আর িকছু করার নেই। শুধু কেমো থেরািপ দেওয়া ছাড়া। আিম তখন মোটামুিট িদশেহারা। কারন অর্থনৈিতক সচ্ছলতা বলতে যা বুঝায় আমাদের তা নাই। তাই একিদকে টাকার টেনশন আর অন্য িদকে বাবার ক্যান্সার িনয়ে টেনশন। আিম তখনও জািন না, বাবা চলে যাবেন খুব দ্রুত! কারন ক্যান্সার িনয়ে আমার কোন পূর্ব জানাশোনা িছল না। এর স্বরুপ িক, তাও জানতাম না। অন্য সব কিঠন রোগের মতই একটা রোগ ভেবেিছলাম। ডাক্তাররাও িক্লয়ার করে িকছু বলে না। শুধু বলে, এই ঔষধ গুলো খাওয়ান আর কেমো থেরািপ দ্যান, উিন িঠক হয়ে যাবেন। আমরা তাই করতে লাগলাম।
চারিদনের একটা থেরািপর কোর্স শেষ করে বাবাকে বৃহস্পিতবার বাসায় িনয়ে এলাম। তখন সন্ধ্যা। তাকে বাসায় রেখে আিম চলে গেলাম পয়সার খোঁজে। ব্যবসার কাজে। কারন কাজ না হলে টাকা হবে না, আর টাকা না হলে, অনেক সমস্যা!!! কারও কাছে হাত পাততে আমার কখনই ভাল লাগে না। তাই িনজের চেষ্টা জাির িছল। যাইহোক, রাতে বাসায় িফরলাম। তখন রাত ১০টা। বাবাকে িকছু খাওয়ানোর চেষ্টা করলাম। িকন্তু িতিন িকছুই খেলেন না। অগত্যা, আিম তার পাশে বসে তাকে নানান গল্প বলা শুরু করলাম!! কারন আিম খেয়াল করেিছলাম, আিম কথা বললে িতিন খুব খুিশ হন!!! আমাকে বলেন, 'বাজান সারািদন বসে থাকো আমার সাথে! কাজ করার দরকার নাই! আমার কাছে বসে দুটা কথা বল। আিম তোমার কথা শুনতে চাই, তোমার সাথে কথা বলতে চাই!!!' তাই আিম রাতে বাসায় িগয়েই তার পাশে বসে নানান গল্পটাইপ কথা বলতে থাকতাম। বেিশর ভাগই বানানো মন গড়া গল্প। িতিন খুিশ হতেন। কেন হতেন জািন না। কারন িজজ্ঞেস কিরিন।
সেিদনও তাই করিছ। বাবাকে নানান গল্প বলিছ। আসলে তাকে একটু খুিশ এবং অন্যমনস্ক করার জন্যই আিম সেটা করিছলাম। ওইিদন বৃহস্পিতবার রাতে বাবাকে একটা গল্প শুনালাম। যেটার িবষয়বস্তু হল, একজন বাবা তার সন্তানদের উত্তরািধকার িহেেসব যা দান করলেন, তাই িনয়ে! গল্পের বাবাটা িছল অিত দিরদ্র মানুষ! তার িকছুই িছল না! তবে িক দান করল সে সন্তানকে? এখানেই িছল গল্পের মূল কথা।
আমার বলা গল্পটা শুনে বাবা আমার হাত ধরে িবছানায় শুয়ে হাউ মাউ করে কাঁদতে লাগলেন। আিম তার পাশে বসে আিছ, তার অক্ষম সন্তান, যে িকছুই করতে পারছে না তার বাবার জন্য!!! এক সময় বাবা আমাকে বললেন, 'বাজান, তোমার বলা গল্পের মত, আিমও এক ফিকর বাবা! আমারও তেমন িকছুই নাই! যা তোমাদের িদয়ে যাব! তবু িকছু িদতে চাই, িনবা?' এই কথা বলার সময় আমার বাবার চোখ িদয়ে পািন পরছে! আিম তার পাশে বসে আিছ। ধরে আিছ তার হাত। বললাম, 'বাবাগো, িক িদবা, দাও!! যা িদবা তাই িনব!' বাবা আমার কথা শুনে আমার ডান হাতটা তার বুকের উপর িনয়ে বললেন, 'অবহেলা করবা না তো? কারন পয়সা কিড় িকছু তো িদব না িকন্তু!!!' তার কথা শুনে আিমও কাঁদতে লাগলাম। বললাম, 'না বাবা, অবহেলা করব না! দাও!' বাবা আমার ডান হাতটা তার বুকে চেপে ধরে বললেন, 'আজ এই মুহুর্তে, আমার যত ভাল, যত সৎ, যত ভালবাসা বুকে আছে, তা সব িদয়ে িদলাম তোমাকে। আমার বুক থেকে তোমার হাত বেয়ে তোমার হৃদয়ে। আিম অিত দিরদ্র বাবা, আমার আর িকছু নাই, তাই এগুলাই িদলাম। নাও, পূর্ণ করো হৃদয়! আিম তোমার মধ্যে এইগুলা িদয়ে বেঁচে থাকতে চাই, যখন আিম থাকব না। আিম মরে গেলে আমাকে ভুলে যাবা না তো?' আিম তার কথা শুনে কতক্ষন বোকা হয়ে রইলাম। যখন অনুভব করলাম, ঘটনা িক ঘটল, তখন বাবাকে জিড়য়ে ধরে অনেকক্ষন কাঁদলাম। বললাম, 'বাবাগো, তুিম সারা জীবন আমার কাছে থাকবা। আমার কাছ থেকে তোমাকে কেউ িনতে পারবে না। তুিম টেনশন করো না। সব িঠক হয়ে যাবে।'
এই ঘটনার দুিদন পর, শিনবার দুপুর ৩.১৫ িমিনটে আমার বাবা আমার বুকের উপর মারা গেলেন। আমাকে এই সুযোগ না িদয়েই যে, তাকে একটাবার বিল, তাকে কত ভালবািস। তাই বর্তমানে, অন্ধকার মধ্য রাত্রে যখন আমার ঘুম ভেঙ্গে যায় কোন কারনে, তখন বাসায় আমার ডেস্কের উপর রাখা বাবার ছিবটার িদকে তািকয়ে িবর িবর করে বিল, 'বাবাগো, তোমাকে অনেক ভালবািস, অনেক। তোমাকে কখনও বলা হয়িন কথাটা!'
হক ভাইয়ের সাথে যখন বুক মেলালাম রাস্তায় হাজার মানুষের সামনে, তখন আমার বাবার সেই ঘটনার কথা মনে পরে িগয়েিছল। আমার জৈিবক চোখ নয়, হৃদয়ের চোখে অনেক পািন চলে এসেিছল। তবে তা প্রকাশ করা হয় নাই। রশীদ ভাইকে তাই অনেক ধন্যবাদ। তার ভালবাসা পূর্ণ নানান কথাই আমাকে এভাবে ভালবাসতে সাহায্য করেিছল হক ভাইকে।
িপ্রয় রশীদ ভাইকে এই জন্য ভালবাসা জানাব, তেমন সামর্থ আমার নাই। কারন অিত সামান্য মানুষ আিম। িতিন মহৎপ্রান একজন মানুষ। আিম তার সাথে িকছু সময় কািটয়ে এবং দীর্ঘ সময় কথা বলে বুঝেিছ। িতিন অনেক উপরের মানুষ, আর এই আিম নীচের মানুষ তার স্পর্শ পেয়ে ধন্য হয়েিছ। আমার শুধু ভালবাসা ছাড়া আর কোন সম্বল নাই। সেই ভালবাসাই িদলাম আমার িপ্রয় রশীদ ভাইকে। িযিন বাস করেন আমার হৃদয়ের খুব কাছে। যার কথায় আিম প্রিতিনয়ত িশিখ অনেক িকছু। যার কথায় আিম বুিঝ, িতিন আমাকে ছোট ভাইয়ের মত বুক বুক করে আগলে রাখেন, নানান িবষয়ে নানান অনুভব প্রদান করে। আমাকে পূর্ণ মানুষ বানানোর চেষ্টা যে গুিট কয়জন হৃদয়বান মানুষ করেন, িবনা স্বার্থে, তাদের মধ্যে রশীদ ভাই এবং হক ভাই অন্যতম। তাদের কাছে আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
সকল কথা, সকল ব্যথা, সকল কষ্ট অনুভব িপছনে ফেলে আমাদের সবার িপ্রয় হক ভাই িফরে এসেছেন, এটাতেই আমরা এবং আিম, খুিশ। আমার আর িকছু বলার বা চাইবার নেই। তাদের পাশে চেয়েিছলাম, পেয়েিছ। এখন শুধু মন ভরে শ্রদ্ধা জানানো এই দুই িপ্রয় মানুষকে। যারা মহান তাদের অনন্য কাজের জন্য।
আপনাদের জন্য অনেক অনেক ভালবাসা রইল, এই সামান্য আিম'র পক্ষ থেকে। আপনারা ভাল থাকুন, খুব ভাল থাকুন, হৃদয়ের খুব কাছে থাকুন। আর আমাদের সব সময় আলো িদয়ে যান, যে আলো জীবনের কথা বলে, সুন্দরের কথা বলে, যে আলো শেখায়, জীবন িকভাবে যাপন করতে হয়। মহৎ আর মায়ার িভতর বাস করে.................।
(শেষ)
লেখক জিনজির
- জিনজির -এর ব্লগ
- ১৮০ টি মন্তব্য
- ০৩ জুন ২০১২, ১৮:৫৯
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ১৮০ টি মন্তব্য
-
অনিন্দ্য অন্তর অপু০৩ জুন ২০১২, ১৯:০৪
ভাই, আপনি এত্ত আবেগ দিয়ে লেখেন কিভাবে? পড়লেই কেমন জানি আবেগাচ্ছন্ন হয়ে যায় মন। -
মোহাম্মদ এনামুল কবির০৩ জুন ২০১২, ২২:২৭
জিন জির ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ । কালকের অনুষ্ঠানটি খুব উপভোগ্য হয়েছিল । সব ব্লগার এক জায়গায় এসেছিল । বলা যায় এটা ছিল ব্লগারদের মিলনমেলা । এরকম একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনের পেছনে যারা ছিলেন তাঁদেরকে ধন্যবাদ জানাই । এতদিন যাঁদেরকে দেখনি । কিন্তু ব্লগে যোগাযোগ ছিল । তাঁদেরকে সাথে কাল দেখা হল , কথা হল ।


-
অনিরুদ্ধ অন্তরীক্ষ ০৩ জুন ২০১২, ১৯:০৫
কি বলবো শুধু পড়ে গেলাম থামতে ইচ্ছা করলনা ভাই এতো কষ্টের কথা বলেন ক্যান ? আপনার সাথে আমরাও কষ্ট পাই -
মোঃ হাসান জাহিদ০৩ জুন ২০১২, ১৯:১১
জিনজির ভাই আপনার লেখাটা মাঝে মাঝে পড়তে পারছিলাম না ।
চোখটা ঝাপসা হয়ে আসছিলো ।
-
মেঘলা_দুপুর ০৩ জুন ২০১২, ১৯:১২
অনেক অনেক ভালবাসা রইলো সবার জন্য ।
আমার বাবার কথা আবার আমার মনে পড়ে গেলো ।
শুভ সন্ধ্যা । -
মোঃউমর আলী খান০৩ জুন ২০১২, ১৯:১৭
আচ্ছা আপনি এতো আবেগ কোথায় পান? আপনি বোধহয় জানেন এই আবেগ মানুষকে সবচেয়ে কমজোর করে দেয় আবার ,মানুষকে বড় করে দেয়।আপনার ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টা সবসময় ঘটুক এই কামনা করি। আর কিছু বলার পাচ্ছিনা,শব্দ ভাণ্ডারে ফুরিয়ে গেছে...................।
শহিদুল হক ভাই ফিরে আসায় বেশ ভালো লাগছে,ব্লগ আবার তার অভিভাবক ফিরে পেয়েছে সাথে আমরাও -
মোঃউমর আলী খান০৩ জুন ২০১২, ১৯:৫৩
আল্লাহর কাছে কামনা করি আমাদের জিনজির ভাই যেন সবসময় এমনি থাকেন,তুমি তাকে এমনই রেখ।
সাধারন মানুষ কিন্তু মানুষটা অসাধারণ................অসাধারণ -
মানচেষ্টার০৩ জুন ২০১২, ১৯:১৯
িপ্রয় রশীদ ভাইকে এই জন্য ভালবাসা জানাব, তেমন সামর্থ আমার নাই। কারন অিত সামান্য মানুষ আিম। িতিন মহৎপ্রান একজন মানুষ। আিম তার সাথে িকছু সময় কািটয়ে এবং দীর্ঘ সময় কথা বলে বুঝেিছ। িতিন অনেক উপরের মানুষ, ।
আর উনার সাথে আমি প্রতিদিনই কিছুনা কিচু সময় কাটানো হয়।
আপনার কথা ঠিক আছে জিনজির ভাই। -
নির্ঝর নাসির০৩ জুন ২০১২, ১৯:২৩
প্রিয় জিনজির ভাই আপনার চরম আবেগময় কথাগুলো পড়ে একটা মুহূতে'র জন্য যেন থমকে যেতে হল।মন দিয়ে না পড়ে পারলাম না।আপনার বাবার কথাগুলো আমার মনটাকে দুঃখে ভরাক্রান্ত করে তুলেছে। আপনাকে সান্তনা দেওয়ার মত কোন ভাষা আমার জানা নাই। আপনি আসলে অনেক সৌভাগ্যবান এক পুত্র যার কোলে মাথা রেখে বাবা এ দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। আমাদের সুপ্রিয় হক ভাই এবং রশীদ ভাই এর ভালবাসায় আপনি আপনার বাবার ভালবাসাকে খুজে পেয়েছেন জেনে ভাল লাগল। আশা করি এই দুটো মানুষ আপনাকে অনেক বেশি আপন করে রাখবে সবসময়।ভাল থাকবেন জিনজির ভাই।আপনার প্রতি আমার ও অসংখ্য ভালবাসা রইল অসংখ্য।সব কষ্ট ভুলে ভাল থাকুন ভাই সবসময় এই কামনা করি।











-
নির্ঝর নাসির০৩ জুন ২০১২, ১৯:৫৫
জিনজির ভই ফেসবুকে আপনাকে একটা রিকোয়েষ্ট পাঠিয়েছি নাসির উদ্দিন নামে।ছোট ভাই হিসেবে আপনার ভালবাসা পাওয়ার যোগ্য হলে তা একসেপ্ট করবেন।শুভকামনা রইল ভাই। -
রব্বানী চৌধুরী০৩ জুন ২০১২, ১৯:২৩
আমাদের হয়তো আবেগে ভেসে ভেসে যেতে হচ্ছে। অনেক ভালো লাগলো। জিনজির ভাই।
ভালো থাকবেন। -
মুক্তমন৭৫০৩ জুন ২০১২, ১৯:৩২
লেখক জিনজির ভাইয়ের খুব সুন্দর এই অভিব্যক্তি কে হৃদয় দিয়েই সন্মান জানাই। আপনার বাবার জন্য আল্লাহপাক জান্নাত নাজিল করুন সেই দোয়া করি। সেই সঙ্গে সেলুট জানাই আপনাকে গুনির গুন গাইবার জন্য।
অনেক অনেক ভালো থাকুন প্রিয় জিনজির ভাই। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রেখে গেলাম। -
মুক্তমন৭৫০৩ জুন ২০১২, ১৯:৩৫
আমার এই কমেন্টখানি ৮ বার পোস্ট দেবার পর আসলো। আমি হতবাক।
যাহোক, ভালো থাকুন। শুভকামনা রইল। -
সন্ধ্যার ধ্রুবতারা০৩ জুন ২০১২, ১৯:৩৭
শুভেচছা রইলো আপনার সুন্দর পোস্টের জন্য ।
আপনার ফন্টে বোধহয় কিছুটা সমস্যা আছে । পুনরায় চেক করে নেবেন আশা করছি ।
আপনার বাবার জন্য দোয়া থাকবে । ভালো থাকুন । -
সুমন দাশ০৩ জুন ২০১২, ১৯:৩৭
তাই বর্তমানে, অন্ধকার মধ্য রাত্রে যখন আমার ঘুম ভেঙ্গে যায় কোন কারনে, তখন বাসায় আমার ডেস্কের উপর রাখা বাবার ছিবটার িদকে তািকয়ে িবর িবর করে বিল, 'বাবাগো, তোমাকে অনেক ভালবািস, অনেক। তোমাকে কখনও বলা হয়িন কথাটা!'


লেখাটা পড়ে বুকের গভীর থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বের হল । আপনি খুব শক্তিশালী লেখক । আপনার লেখনীর সম্মোহনী শক্তি নিরাবেগী মানুষকেও আবেগী, আপ্লুত করবে । -
আহমেদ রব্বানী০৩ জুন ২০১২, ১৯:৪৫
ভাই কাঁদালেন !সত্যি প্রিয় মানুষের ভালবাসা পৃথিবীর অমূল্য সম্পদ।ভাল থাকুন প্রিয়..........। -
মোহামমদ ইউসুফ০৩ জুন ২০১২, ১৯:৪৬
জিনজির ভাই, আপনার লেখা পড়ে অনেক আবেগপ্রবণ হয়ে গেলাম । চোখে পানি চলে এসেছে । মাঝে মাঝে ভাবি মানুষ এত ভাল হয় কেন !!! কাজে অনেক ব্যস্ত থাকি কিনতু খুভ কম সময়ের মধ্যে আপনাদের সাথে দেখা হয়েছে ব্লগে । কিন্তু মনে হয় হাজার বছর ধরে কিছু ভাল মানুষের সান্নিধ্যে আছি । ভাল থাকবেন । -
ড. কৃষ্ণ জি নাথ০৩ জুন ২০১২, ১৯:৫৩
এখানে আছি আমি,
আমাতে আছো তোমরা,
তাতেই আমার জীবন আজ
খুশির আলোতে দিশেহারা। -
নুসরাত জাহান আজমি০৩ জুন ২০১২, ২০:০৪
এক নিঃশ্বাষে পড়াটা শেষ করলাম,পরে দেখলাম অনেক বড়।মনেই হলোনা।
জিনজির ভাই,লেখাটাতে এত আবেগ যে ভীষন মন খারাপ হয়ে গেল।
আপনার বাবা আপনাকে যা দিয়ে গেছেন তার মূল্য নির্ধারন করা কখনোই সম্ভব ন।
আপনার বাবার জন্য দোয়া রইলো।ভাল থাকবেন। -
সাজ্জাদ হোসাইন ০৩ জুন ২০১২, ২০:১২
মন ছুঁয়ে গেল প্রতিটি শব্দ
ভালো থাকুন অনেক অনেক।
কালকের দিনটা সত্যি মিস করছি







-
নাসির আহমেদ কাবুল০৩ জুন ২০১২, ২০:১৫
জিনজির অসাধারণ লিখেছো তুমি। তোমাকে দেখার আগে বুঝিনি তুমি কতটা আবেগপ্রবণ- কতোটা ভালো মানুষ তুমি। আজ তোমার লেখা পড়ে মনে হলো কালও তোমাকে পুরোটা চিনতে পারিনি, যতোটা আজ তোমার লেখা পড়ে চিনেছি।
অনেক শুভ কামনা তোমার জন্য। ভালো থেকো সব সময়।


-
শাহিদুল হক০৩ জুন ২০১২, ২০:১৯
প্রিয় জিনজির, আজ মেজাজটা একটু ফুরফুরে রাখতে চেয়েছিলাম। তুমি দিলে তা শিক্ত করে। তোমার বাবার জন্য আল্লাহপাকের দরবারে মাগেফেরাত কামনা করছি। আর তোমার জন্য রইল অনেক দোয়া। তুমি ভাল থেক। আল্লাহপাক তোমাকে আরো ভাল রাখুন। আর কিছু লিখার ক্ষমতা আমার নেই। -
আহমেদ শামীম০৩ জুন ২০১২, ২০:৪৮
চোখ দিয়ে এখোনে পানি জড়ছে। বাবার কথা মনে পড়ছে। পড়ি আর দেখি আমার বাবা আমার পাশে আছেন। এক নিঃস্বাসে পড়লাম। একটা ফোন আসছিল গুরুত্বপূর্ন । রিসিভ করলাম না। কষ্ট লাগল। অনেক............................
ভাল থাকবেন। -
জিনিয়াস০৩ জুন ২০১২, ২০:৫১
ওস্তাদ, তাড়াহুড়ো করে লিখতে গিয়ে এত্ত বানান ভুল হয়েছে বুঝি?
হক ভাইয়ের সাথে জিনজির ভাইয়ের মুলাকাত শুভ হোক।
-
অরিত্র অন্বয়০৪ জুন ২০১২, ১৪:৪৪
সু পরামর্শ সাদরে গৃহিত না হওয়ার জন্য ক্ষমা প্রার্থি রাজা ভাই। পড়ে গেছি তবু সেদিন। কি আর করা।


-
ফেরদৌসা০৩ জুন ২০১২, ২১:৫৬
আপনার এই লিখাটা পড়ে চোখের সামনে আমার বাবার ছবিটা ও ভেসে উঠল । আপনি অনেক ভাগ্যবান ,আপনার বাবার জন্য যতটুকু পারেন করতে পেরেছেন । সময় থাকতে আমরা ও যেন বাবা,মার জন্য কিছু করতে পারি ।সময় চলে গেলে আফসোস করে ও কিছুই হবেনা । -
জান্নাতী০৩ জুন ২০১২, ২৩:৩৭
অনেক ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় মিশ্রিত এই পোস্ট, খুব ভালো লাগলো। কেন যেন মনটাকে দোলা দিয়ে গেল সেইসাথে চোখের কোণে অশ্রু চিকমিক করে উঠছে।
-
সফেদ কুহেলি০৪ জুন ২০১২, ০১:৪৩
কবিতার অপ্রকাশিত পান্ডুলিপি থেকে ছুটে আশা রক্তের ধারার কসম ঘুনে খাওয়া ভালবাসার কসম কেটে বলছি। আমি পালটে দিতে চেয়েছিলাম সেই ঝড়ো বাতাসের কসম আর সাথে সেই ঝড়ের আমি পাল্টাতে পারি নি বরংচ নিজেই পালটে গেছি। যে ভালবাসায় সিক্ত হয়েছি, সেখানে হৃদয়ের বন্ধন খুব কাছের। প্রাণের মেলায়, ভালবাসার ভেলায় আমরা সহযাত্রী। সংসারে ভালবাসায় বেদনার ছটা না থাকলে মধুর হয় না। জিনজিরআন্তরিক ধন্যবাদ হৃদয়ের এই সত্য কে প্রকাশ করার জন্য।
ভালবাসা শাহিদুল ভাই ও জামীল ভাইয়ের লাইগ্যা

-
মিয়া মো: তৌহিদ ০৪ জুন ২০১২, ০২:১৫
আমাদের পাশের বাড়ির কথা বলছি
আপনারে প্রায় দেখি কিন্তু ভয়ে কোন কথা বলি না যদি মাইর দেন -
মিয়া মো: তৌহিদ ০৪ জুন ২০১২, ০২:২৫
দেখছেন শেসমেষ মাইরের কথাই কইলেন
এরজন্যইতো আপনারে কিছু বলতে চাই না এক কিল দিলে তো আমি শেষ -
মিয়া মো: তৌহিদ ০৪ জুন ২০১২, ০২:৩৫
আমি আপনেরে চিনি কিন্তু আপনে আমারে চিনলেন না
না চিনারই কথা তয় আমি কিন্তু আপনেরে চিনি আপনি জিনজির ভাই তাই না -
মিয়া মো: তৌহিদ ০৪ জুন ২০১২, ০২:৩৯
হুনেন কুহেলি মানে কুয়াশা ভাই বিস্কুট খাইতাছে হেরে জিগান এই কামড কি হেয় ঠিক করছে াামাগো না দিয়া একা একা -
মিয়া মো: তৌহিদ ০৪ জুন ২০১২, ০২:৪২
দ্যাহেন আজকে কিন্তু ধূসর ভাই এই প্রেথ্থম বারের মত এতো রাইত পর্যন্ত ব্লগিং করতাছে হেরে একটা ধইন্যবাদ দেন -
মিয়া মো: তৌহিদ ০৪ জুন ২০১২, ০২:৫৫
কাল অাপনারে দেখলাম কালা একটা লুঙ্গি পইরা কই জানি যাইতাছেন আবার দেখলাম হাতত ফুল লইয়া আর বই লইয়া বাড়ি ফিরতাছেন ঘটনাটা কি ভাই সাহেব -
রি )০(০৪ জুন ২০১২, ০২:০০
চোখে পানি এলো। জানিনা কেন? কি মন্তব্য করব বুঝতে পারছি না।
তবে শাহিদুল ভাই ফিরে আসাতে অনেক খুশি হয়েছি।
শুভকামনা রইল জিনজির ভাই। -
রি )০(০৪ জুন ২০১২, ০২:৪২
কষ্ট তো সবারই থাকে। কিন্তু সবার কষ্ট এমন করে প্রাণে বাজে না। সবাই এমন করে আপন হতে পারে না। আপনার কান্নাই যে সাবার কান্না হয়ে যাচ্ছে। -
রি )০(০৪ জুন ২০১২, ০৫:২৭
কোথায় যেন দেখেছিলাম, "নিরবতা হিরণ্ময়"। ভুলে গেছি।
অনেক ভালো থাকুন জিনজির ভাই। শুভকামনা.......
-
রশীদ জামীল০৪ জুন ২০১২, ০২:২১
সৃজনে সুজন আমি, জনে জনে, ছড়িয়ে দিয়েছি তৃষিতের তৃষ্ণামাখা চোখজোড়া
আমি সেই, যাকে তুমি দেখোনি, দেখতে দেইনি বলে, লজ্জায়,
যাকে তুমি জেনেছো, সে আমি না, জানে অন্তর্যামী।
প্রিয় জিনজির ভাই, ফিরিয়ে নিন আপনার মুক্তগুলো। আমার বাস উলোবনে।
সাথে নিন কৃ্তজ্ঞতা, এ আপনার সুন্দর মানসিকতায় আঁকা চিত্র,
আমি তার ধারে নেই, কাছে নেই। আমি এক মুর্খ মানব।
পণ করেছি মানুষ হব, ঠিক মানুষের মত।
-------------------
-
রশীদ জামীল০৪ জুন ২০১২, ০২:৫৩
হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, প্রাপ্তি ও বঞ্চনার অসম্ভব সুন্দর এই দুনিয়া থেকেও কিন্তু বিদায় নিতে হবে একদিন। । এ বিদায় চির বিদায়, অনন্তকালের জন্য। চাইলেও আর ফিরে পাবো না এই মূহুর্তগুলোকে। চাইলেও-------------অনন্তের রিহার্সেল দরকার আছে।
মায়াকে কাটিয়ে ওঠা, ধীরে---------ধীরে-----------কষ্ট কম হয়।
সময়ের শ্লেষাগ্র সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে একটু পেছনে তাকালে দেখবো সুখ-দুঃখ এবং সাফল্য-ব্যর্থতা পাশাপাশি হাঁটছে হাত ধরাধরি করে। হাটছে সামনে অথচ; বার বার ফিরে তাকাচ্ছে পেছনের দিকে। এতো মায়া মমতায় গড়ে তোলা জগত সংসার, ছিন্ন করতে কষ্ট হচ্ছে বলেই ফিরে তাকানো বারবার। তবুও যেতে হয়-------------তবুও।
জিনজির ,
-
রশীদ জামীল০৪ জুন ২০১২, ০২:৫৯
তখন পর্যন্ত শুনেই যাবো------------কখন, প্রশ্ন করা যাবে না। সব প্রশ্নের জবাব হয় না।
আবার কিছু প্রশ্নের জবাব সময়ের হাতেই থেকে যায়,
সময়মত সেই দেয়, -------------------
সরাসরিই বলতে পারো--------------আমি কি সঠিক উত্তর দিতে পেরেছি?
-
রশীদ জামীল০৪ জুন ২০১২, ০৩:১০
কারো কারো জীবনে, একদা বৃষ্টি হয়
বৃষ্টির সাথে কারো থাকা হয়
কেউ হয় বৃষ্টি
---------------স্রষ্টার রহস্যঘেরা তুষ্টি
-
রশীদ জামীল০৪ জুন ২০১২, ০৩:২৬
দেনা পাওনার হিসাব তো করিনি আগে
বিলিয়েছি সব, ছিলোই বা কত----
সবকিছুরই প্রথম থাকে
কিছু প্রথম গেঁথে যায়
কোথাও-------------
----------------------দায় অনভ্যস্ততার, এ দায় সারল্য'র, জীবনের প্রয়োজনে কাজে লাগে।
সময় চলতেই থাকে। থেমে থাকে না কোনো ঘড়ির কারণে।
ঘড়িতো আর সময় না, সময়ের সহায়িকা-------------
ব
কাছেই থাকছি, হৃদয়ের ----------
-
সেলিনা ইসলাম০৪ জুন ২০১২, ০২:৩৩
ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় ভরা এই পোষ্ট । জিনিজির বাবাকে মনে করিয়ে দিলেন , বারবার চোখ ভীজে আসছিল । অনেক শুভকামনা সবার জন্য
-
সেলিনা ইসলাম০৪ জুন ২০১২, ০৩:১৩
আপা মানুষটাই এমন ! আমারও অনেক গর্ব লাগছে আপনাদের সবার মনে আপা অল্প সময়েই অনেক খানি জায়গা করে নিয়েছে দেখে । আপনি অনেক ভাল মনের একজন মানুষ যা বর্তমান সময়ে খুবই কম দেখা যায় । নিজে ভাল না হলে কখনই কাউকে ভাল বলা যায়না । অনেক ধন্যবাদ ভাল থাকুন আল্লাহ হাফেয -
উননুর০৪ জুন ২০১২, ০২:৫৭
এই ধরনের মনের অধিকারী আজকাল বিরল
ভাই আপানাকে সালাম. আপনার বাবার আত্বার শান্তি কামনা করছি. -
বিষাদনীলিমা০৪ জুন ২০১২, ১৬:৪৫
রশীদ ভাইয়া আসলেই একজন চমৎকার একজন মানুষ! উনার সাথে পরিচয় আছে এবং নিজেকে উনার বোন বলতে পারি এটা ভাবলে আসলেই খুব সৌভাগ্যবতী মনে হয়! অসাধারণ মানুষেরা নিজের অজান্তেই অনেক কিছু শিক্ষা দেন অন্যকে।
শাহিদুল ভাইয়া, রশীদ ভাইয়া এবং আপনার জন্য রইল শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা।
আর একটা কথা- আপনার লেখনী এত চমৎকার যে আমার খুব হিংসে করতে ইচ্ছে করে। হিংসে করা গুনাহ না হলে আমি কিন্তু সত্যি সত্যি হিংসে করতাম আপনাকে!
অনেক ভালো থাকুন সবসময়
-
বিষাদনীলিমা০৪ জুন ২০১২, ১৮:৩৯
অনুমতি পেলেও তো লাভ নেই! কারন হিংসা মানুষকে ধ্বংস করে!
তারচেয়ে বরং আপনি বোনটির জন্য দু'আ করুন যেন ভালো লিখতে পারি!
আর ভালো লেখা সবাই লিখতে পারেন না। আপনার মতো এতটুকু লিখতে পারলেও মনে হয় আমি লেখা বিষয়ক আর কিছু চাইতাম না আল্লাহর কাছে! আপনার পরিচিত এখন কম হতে পারে কিন্তু একদিন ইনশাআল্লাহ আপনিও বড় লেখক হবেন, যদি আপনার ইচ্ছে থাকে এবং লেখার চর্চা চালিয়ে যান। আমার তেমনই বিশ্বাস! বিশ্বাসটা কেন? ঐ যে, আপনার লেখনী আমার কাছে অসাধারণ লাগে!
-
নোমান সারকার০৫ জুন ২০১২, ১৪:১২
এখানে ,এইখানে আছে খনি ,যেখানে হীরার চেয়ে দামী কিছু আছে ,লুকিয়ে আছে । সেই হৃদয় খুড়ে আনতে হবে প্রেম আর আদর যত ! -
নোমান সারকার০৫ জুন ২০১২, ২০:২২
কান্না হচ্ছে জীবনের এমন একটা অংশ যেখানে মানুষ নিজের আত্মা কে দেখতে পায় । মানুষ বুঝতে পারে জীবনের সীমাবদ্ধতা । তাই আপনার কাছে আবেদন , এই পোস্ট মুছে দিবেন না । যখন মনে অনেক কষ্ট ভিড় করবে ,তখন একটা জায়গা থাকতে হয় , যে ছায়াটার নীচে আশ্রয় মিলে । -
নোমান সারকার০৬ জুন ২০১২, ১১:৪১
এ প্রাসাদ ভেঙ্গে ফেল না । এখানে তিনি ছিলেন , যাকে প্রিয় নামে ডাকতাম ।
তার দুই হাতের তালুর কথা মনে পরে । দুইহাত জড়ো করা প্রার্থনায় আমিও যে ছিলাম । চুমু খেতে বড় ইচ্ছে করে তার হাতের তালুতে ।
কোন শূন্য স্থান খালি পরে থাকে না ,এটা সত্যি ।
কিন্তু একজন মানুষের অভাবও পুরন হয় না কোন দিনও ,
হৃদয়ে খালি স্থান বলে কিছু নেই ।।
হে খোদা , আমি আমার আনন্দগুলো বিক্রি করে দিতে চাই ,
বিনিময়ে আহার দিও তাকে , আর আরাম ।
আমাকে বাধ্য কর সেজদায় চলে যেতে , স্মরণ করিয়ে দিও তার ব্যথা ।।
খা খা রোদে আমি খুজি ছায়া ,
ছায়ার নীচে আচল । কি কিনা খুজি আমি !
কি কিনা ভাবি ! খুজে ফিরি ছায়া কেবল । -
নোমান সারকার০৬ জুন ২০১২, ১৭:৫৯
যদি তুমি তুমি না হতে ,
আমি তো সেই বাগানে যেতাম না ।
যার ফল আমাকে ঘুম পারানির গান শুনায়
আমি ঘুমিয়ে পরি সেই ছায়ায় ।।
বাবা আমার বাবা , কোথায় আমার জামা ?
কোথায় আমার বাবা ?
আজো নতুন কাপড় পরি , তোমায় আমি খুজি ।
আজ থাক -
মাইনুল আমিন০৭ জুন ২০১২, ১৮:৩৫
জিনজির ভাই
আমিও আপনার সাথে সহমত |
আপনার সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি |
শুভেচ্ছা থাকলো | -
মাটিরময়না১১ নভেম্বর ২০১২, ০৩:২১
ডাক্তার আমাদের িনিশ্চত করলেন, আমার বাবার ক্যান্সার হয়েছে। তাদের আর িকছু করার নেই। শুধু কেমো থেরািপ দেওয়া ছাড়া। আিম তখন মোটামুিট িদশেহারা। কারন অর্থনৈিতক সচ্ছলতা বলতে যা বুঝায় আমাদের তা নাই। তাই একিদকে টাকার টেনশন আর অন্য িদকে বাবার ক্যান্সার িনয়ে টেনশন। আিম তখনও জািন না, বাবা চলে যাবেন খুব দ্রুত! কারন ক্যান্সার িনয়ে আমার কোন পূর্ব জানাশোনা িছল না। এর স্বরুপ িক, তাও জানতাম না। অন্য সব কিঠন রোগের মতই একটা রোগ ভেবেিছলাম। ডাক্তাররাও িক্লয়ার করে িকছু বলে না। শুধু বলে, এই ঔষধ গুলো খাওয়ান আর কেমো থেরািপ দ্যান, উিন িঠক হয়ে যাবেন। আমরা তাই করতে লাগলাম।
চারিদনের একটা থেরািপর কোর্স শেষ করে বাবাকে বৃহস্পিতবার বাসায় িনয়ে এলাম। তখন সন্ধ্যা। তাকে বাসায় রেখে আিম চলে গেলাম পয়সার খোঁজে। ব্যবসার কাজে। কারন কাজ না হলে টাকা হবে না, আর টাকা না হলে, অনেক সমস্যা!!! কারও কাছে হাত পাততে আমার কখনই ভাল লাগে না। তাই িনজের চেষ্টা জাির িছল। যাইহোক, রাতে বাসায় িফরলাম। তখন রাত ১০টা। বাবাকে িকছু খাওয়ানোর চেষ্টা করলাম। িকন্তু িতিন িকছুই খেলেন না। অগত্যা, আিম তার পাশে বসে তাকে নানান গল্প বলা শুরু করলাম!! কারন আিম খেয়াল করেিছলাম, আিম কথা বললে িতিন খুব খুিশ হন!!! আমাকে বলেন, 'বাজান সারািদন বসে থাকো আমার সাথে! কাজ করার দরকার নাই! আমার কাছে বসে দুটা কথা বল। আিম তোমার কথা শুনতে চাই, তোমার সাথে কথা বলতে চাই!!!' তাই আিম রাতে বাসায় িগয়েই তার পাশে বসে নানান গল্পটাইপ কথা বলতে থাকতাম। বেিশর ভাগই বানানো মন গড়া গল্প। িতিন খুিশ হতেন। কেন হতেন জািন না। কারন িজজ্ঞেস কিরিন।
সেিদনও তাই করিছ। বাবাকে নানান গল্প বলিছ। আসলে তাকে একটু খুিশ এবং অন্যমনস্ক করার জন্যই আিম সেটা করিছলাম। ওইিদন বৃহস্পিতবার রাতে বাবাকে একটা গল্প শুনালাম। যেটার িবষয়বস্তু হল, একজন বাবা তার সন্তানদের উত্তরািধকার িহেেসব যা দান করলেন, তাই িনয়ে! গল্পের বাবাটা িছল অিত দিরদ্র মানুষ! তার িকছুই িছল না! তবে িক দান করল সে সন্তানকে? এখানেই িছল গল্পের মূল কথা।
আমার বলা গল্পটা শুনে বাবা আমার হাত ধরে িবছানায় শুয়ে হাউ মাউ করে কাঁদতে লাগলেন। আিম তার পাশে বসে আিছ, তার অক্ষম সন্তান, যে িকছুই করতে পারছে না তার বাবার জন্য!!! এক সময় বাবা আমাকে বললেন, 'বাজান, তোমার বলা গল্পের মত, আিমও এক ফিকর বাবা! আমারও তেমন িকছুই নাই! যা তোমাদের িদয়ে যাব! তবু িকছু িদতে চাই, িনবা?' এই কথা বলার সময় আমার বাবার চোখ িদয়ে পািন পরছে! আিম তার পাশে বসে আিছ। ধরে আিছ তার হাত। বললাম, 'বাবাগো, িক িদবা, দাও!! যা িদবা তাই িনব!' বাবা আমার কথা শুনে আমার ডান হাতটা তার বুকের উপর িনয়ে বললেন, 'অবহেলা করবা না তো? কারন পয়সা কিড় িকছু তো িদব না িকন্তু!!!' তার কথা শুনে আিমও কাঁদতে লাগলাম। বললাম, 'না বাবা, অবহেলা করব না! দাও!' বাবা আমার ডান হাতটা তার বুকে চেপে ধরে বললেন, 'আজ এই মুহুর্তে, আমার যত ভাল, যত সৎ, যত ভালবাসা বুকে আছে, তা সব িদয়ে িদলাম তোমাকে। আমার বুক থেকে তোমার হাত বেয়ে তোমার হৃদয়ে। আিম অিত দিরদ্র বাবা, আমার আর িকছু নাই, তাই এগুলাই িদলাম। নাও, পূর্ণ করো হৃদয়! আিম তোমার মধ্যে এইগুলা িদয়ে বেঁচে থাকতে চাই, যখন আিম থাকব না। আিম মরে গেলে আমাকে ভুলে যাবা না তো?' আিম তার কথা শুনে কতক্ষন বোকা হয়ে রইলাম। যখন অনুভব করলাম, ঘটনা িক ঘটল, তখন বাবাকে জিড়য়ে ধরে অনেকক্ষন কাঁদলাম। বললাম, 'বাবাগো, তুিম সারা জীবন আমার কাছে থাকবা। আমার কাছ থেকে তোমাকে কেউ িনতে পারবে না। তুিম টেনশন করো না। সব িঠক হয়ে যাবে।'
এই ঘটনার দুিদন পর, শিনবার দুপুর ৩.১৫ িমিনটে আমার বাবা আমার বুকের উপর মারা গেলেন। আমাকে এই সুযোগ না িদয়েই যে, তাকে একটাবার বিল, তাকে কত ভালবািস। তাই বর্তমানে, অন্ধকার মধ্য রাত্রে যখন আমার ঘুম ভেঙ্গে যায় কোন কারনে, তখন বাসায় আমার ডেস্কের উপর রাখা বাবার ছিবটার িদকে তািকয়ে িবর িবর করে বিল, 'বাবাগো, তোমাকে অনেক ভালবািস, অনেক। তোমাকে কখনও বলা হয়িন কথাটা!'
দুস্ত-- তুমি অনেক খারাপ মানুশ। শুধু শুধু মানুষ কান্দায়ে মজা পাও। -
রশীদ জামীল১২ নভেম্বর ২০১২, ০১:০৭
এই পৃথিবীটা একটু কেমন রকম যেনো! কখন কার কেমন রূপ সামনে আসে, বোঝা মুশকিল!
কে যেনো বলেছিলো, পৃথিবীকে তুমি তোর শ্রেষ্ঠটুকুন দেবে।
বিনিময়ে পাবে তাচ্ছিল্য, পাবে কষ্ট
তবুও দিয়েই যাবে।
........আর কিছু বলার নেই
মন খারাপ করার কোনো কারণ দেখছি না ...... -
মাটিরময়না১২ নভেম্বর ২০১২, ০৪:২৬
ঠিক আছে মন খারাপ করলাম না আর। কিন্তু বাবার কথা নিয়া কিছু দেখলে আর মনে হইলে ঠিক থাকতে পারিনা।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য






নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক