বুধবার ২২ মে ২০১৩, ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২০ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


নোংরা প্রতিশোধ ( গল্প )

ক্লাসের শেষ দিকে বসেছে জাবেদ। একেবারে কোণে। মুঠফোনে কথা বলছে। একেবারে নিচু গলায়। পাশের জনেরও বোঝার উপায় নেই কি কথা হচ্ছে। তবে পাশের জন সাহায্য করছে। সামনের জন মাথা উঁচু করে রেখেছে যাতে স্যার বুঝতে না পারেন ঘটনা। উল্টা দিকে বসেছে মনিহা। মেয়েদের বসার সারিতে। সে স্যারের দিকে চোখ ইশারা করে দেখিয়ে দেয় ব্যাপারটা। শুধুমাত্র মজা করার জন্য। তা বেশ কয়েক জন খেয়াল করে।

তা দেখে স্যার বিশ্রী কিছু কথা বলে। সামনে ডেকে আনেন জাবেদকে। জাবেদের সব বিরক্তি গিয়ে পড়ে মনিহার উপর। স্যারের কথাগুলো শুনে অনেক লজ্জা লাগছিল। এত জনের সামনে কথা শুনতে হচ্ছিলো বলে ইচ্ছা হচ্ছিলো মাটির সাথে মিশে যেতে। কিন্তু নিচে যে ফ্লোর। অদৃশ্য হয়ে যেতে ইচ্ছা করছে। অদৃশ্য হয়ে যেতে পারলে ভাল হতো। কিন্তু সেটাও যে অসম্ভব। স্যারের কথাগুলো তীরের ফলার মত কানে বিঁধছিল।

-সামনে তো সময় আছে অনেক। ক্লাসের বাহিরে তো অনেক সময় পাও। অন্তত ক্লাসের সময় ফোনটা অফ রাখো। আর এত অল্প বয়সে এত ফিস ফিস করে কথা বলা ঠিক না। মোবইল যে কি রকম ক্ষতি করছে তা বলার মত না। শুধুমাত্র তোমাদের মত ছেলেদের কারণে।

স্যারের কথাগুলো শুনে চোখ কান গরম হয়ে যায় জাবেদের। স্যার চলে যাওয়ার পর সবাই অনেকে কথা বলতে চেয়েছে। গম্ভীর হয়ে অন্য স্যারের ক্লাসগুলো করেছে। কারো সাথে একটা কথাও বলে নি।

সব ক্লাস শেষে পাশের সিটে বসা নিশান বলল, আরে ও তো শুধু মজা করার জন্য বলল। স্যার যে এক কিছু বলবেন, ব্যাপারটাকে এত সিরিয়াস ভাবে নেবেন জানতো নাকি। বাদ দে তো। ভুলে যা।

জাবেদ কোন কথা বলে না।

বাসায় ফিরেই চিন্তা করে প্রতিশোধ নিতে হবে। মনিহা মেয়েটা বেশি বেড়ে গেছে। কেমন ঢং করে সব সময়। অতিরিক্ত আহ্লাদী। অসহ্য। কিছু একটা করতে হবে।

শেষে একটা উপায় বের করে। ওর পরিচিত একজন আছে। নাম আমজাদ। যাকে বেশির ভাগ সময়ই দেখা যায় মোবাইলে কথা বলছে। একটা দোকানে সেলসম্যানের কাজ করে। কিন্তু কথা বার্তা শুনলে মনে হয় সে নামকরা কোন বেসরকারি ইউনিভার্সিটিতে ভাল একটা বিষয়ে পড়ছে। ফোনেও সে কথাই বলে। অনেক স্মাট ভাবে কথা বলে। মেয়েরাই কল দেয়। তিনটা মোবাইল ব্যবহার করে। সিম অজস্র। জাবেদদের এলাকাতেই একটা বাসায় মেসে ভাড়া থাকে। এত সুন্দর ভাবে কথা বলে যে মেয়েরা খুব সহজে গলে যায়। এখনকার মেয়েদের যে কি হয়েছে মোবাইলে কথা বলেই প্রেম করে বসে, সম্পর্ক গভীরতায় নিয়ে যায়। একটু ও ভাবে না এর পরিণাম কি হবে? অনেক মেয়ের সাথেই সম্পর্ক হয়েছে আমজাদের।

তা জাবেদ মনিহার নাম্বার দেয় আমজাদকে। আমজাদ খুশী হয়। খুশীতে জাবেদকে হোটেলে নিয়ে চা খাওয়ায়।

তা শুরু হয় কথা বলা মনিহার সাথে। মনিহা দুই দিন কথা বলেই পুরা দুর্বল হয়ে যায় আমজাদের প্রতি। কথা চলতে থাকে। একদিনও কথা না বলে থাকতে পারে না। মনিহা-ই বেশির ভাগ সময় কল দেয়। রাত কেটে যায় ভোর হয়, তারপরও কথা চলতে থাকে। রাতে কথাবার্তায় পরিবর্তন আসে। দুজনেরই প্রাপ্ত বয়স্ক। কথা বলতে থাকে বিবাহিতের মত করে।

জাবেদ আর খবর রাখে না। যা হবে হোক। এই ধরণের একটা ভাব।

গভীরতা বাড়ে দুজনের মধ্যে। একদিন পরিকল্পনা করে হোটেলে যায় দুজনে। অনেকখানি সময় কাটিয়ে দেয় দুজনে বদ্ধ রুমে।

..................
০২

আমজাদ হোটেলের ঘটনাটা বলে জাবেদকে। জাবেদ বিশ্বাস করে না। ঘটনার কিছুদিন পর দুজনে বিয়ে করে ফেলে। মনিহার বাবা বড় সরকারি কর্মকর্তা। বিয়ের কাগজ পত্র দেখায় আমজাদকে। জাবেদের বিস্ময়ের সীমা থাকে না। মোবাইলে কথা বলে এত কিছু??

মনিহার বাবা মেনে নেয় না ব্যাপারটা। সিদ্ধান্ত নেন মামলা করবেন। মেয়ের বয়স যে ১৮ পার হয়ে গেছে। আর মেয়েও ছেলের জন্য পাগল। তাছাড়া মামলা করছে সামাজিক মান মর্যাদা কমে যাবে আরো। এসব কিছু বুঝায় অনেকে মনিহার বাবাকে। এসব দিক চিন্তা করে মামলা করার সিদ্ধান্ত থেকে দূরে সরে আসেন মনিহার বাবা।

মনিহার মা শুধু কাঁদেন। মেয়ে এত বড় একটা কাজ করে বসবে তা কল্পনাও করেন নি।

বাধ্য হয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পরিবার থেকে। জাবেদ বিয়ের দাওয়াত পায়। বিয়ের দাওয়াত পায় ক্লাসের অন্য বন্ধুরাও। হাসিমুখে বিয়ে অনুষ্ঠানে কথা বলে বন্ধু বান্ধবদের সাথে। মনে করেছে কেউ গোপণ ব্যাপারটা জানে না। জাবেদের সাথেও হাসিমুখে কথা বলে।

ওরাও ভান করে কিছু জানে না। কিন্তু এগুলো সব যে জাবেদই করিয়েছে সব চেপে যায় সবাই।

বিয়ে হয়। তবে এক প্রতারিত বিয়ে। এমন একটা ছেলের সাথে বিয়ে যে আগে অনেক মেয়ের সাথে বাজে সম্পর্ক করেছে। বিচ্ছরি একটা প্রতিশোধের জন্য মনিহার প্রতারিত বিয়ে হয়েছে।

.......................
০৩
বিয়েতে অনেক মজা করেছে জাবেদ বন্ধুদের সাথে। কিন্তু বাসায় আসার পর থেকে যেন কি রকম মনে হয়!!

একটা মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিলো। একই সাথে পড়ে যে মেয়ে তাকে তুলে দিল একটা নষ্ট ছেলের হাতে।

ওর মন ওকে স্বান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করে, মেয়েরও তো দোষ আছে, সে কেন ছেলেটার দিকে ঝুঁকল।

কিন্তু এই স্বান্তনা ওকে শান্ত করতে পারে না। মনিহার নাম্বার যদি আমজাদকে না দিত তাহলে তো এই সম্পর্ক হতো না।

মনিহার মা-বাবাও নিশ্চয় অনেক সুন্দর স্বপ্ন দেখতেন মেয়েকে নিয়ে। মনিহার জীবন তো নষ্ট হলোই সাথে সাথে ওর বাবা মা-র সুন্দর নির্মল স্বপ্নগুলোও নষ্ট হয়ে গেল।

জাবেদের নিজেকে অপরাধী মনে হয়। অনেক হিংস্র অপরাধী মনে হয় নিজেকে। রাতে ঘুম হয় না। কারো সাথে কথা বলতে ইচ্ছা হয় না। সব কিছু অসহ্য লাগে। মেজাজ খিটখিটে থাকে। অনেক কষ্ট করে দুই একবার তন্দ্রা আসে কিন্তু উলটা পালটা সব দুঃস্বপ্ন দেখে।

দুশ্চিন্তায় হঠাৎ হঠাৎ করে ভিমরি খায় ও।

এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?

( ঘটনার পরিণতি সত্য। বাস্তবেই ঘটেছে। যেসব মেয়ে ফোনে ছেলেদের সুন্দর গলা শুনে মুগ্ধ হয়ে সব ভুলে যায় তারা বিষয়গুলো আরো ভাল ভাবে চিন্তা করবে আশা করি। দুর্বল আবেগের কারণে যেন কোন ভাল মেয়ে প্রতারিত না হয়, মনে প্রাণে এটাই চাই।


গল্পের নাম- নোংরা প্রতিশোধ
তারিখ- ১৬.০৫.০৯
সময়-২৮ মি.
৪২ টি মন্তব্য
roky13 রকি১৬ মে ২০১০, ০৩:০১
প্রকৃতির এই উন্মত্ততাও কখনো হার মানে কারও বুকে উঠা কালবৈশাখীর কাছে। দুঃখের ঘনঘটা।আসে বেদনা। আসে হতাশা। তার গভীরতা বাড়ে রাতের গভীরতার সাথে সাথেই। তারপর অশ্রুধারা। দমকি দমকি উঠে দুঃখ-হতাশা যত।তোলপাড় দেহ মন। মিলে-মিশে একাকার হয় রাতের উন্মত্তাতায়। জীবন বড় অসহায় মনে হয়।-------------------------------আজ আমার এমন একটি সময়।
boipagol বই পাগল১৬ মে ২০১০, ০৩:০৫
তার গভীরতা বাড়ে রাতের গভীরতার সাথে সাথেই।
রকি ভাই কি হলো?
এখন কি অবস্থা আগের চেয়ে ভাল না?
সাহস রাখেন। কেটে যাবে সকল অসহায়ত্ব।
সুন্দর সময় আসুক বারে বারে এই কামনাই করি।
roky13 রকি১৬ মে ২০১০, ০৩:১২
দোয়া করেন যেন আমার জীবনে আর কোন সকাল না আসে।
boipagol বই পাগল১৬ মে ২০১০, ০৩:২৬
রকি ভাই কি হলো?
এরকম ভাবে বলছেন কেন?
কিছু হলে ইনশাল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে।

হ্যা দুইবার আসছিলো।
ঠিক করে নিলাম।
আরো একটা পর্ব যুক্ত করলাম।

সুন্দর সকাল আসুক প্রতিদিন।
roky13 রকি১৬ মে ২০১০, ০৩:০৯
২ বার এসেছে।

কথাগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ন।
আরো অনেক সুন্দর হতে পারত যদি আর একটু যত্ন নিয়ে বা সময় দিয়ে লেখতেন।
roky13 রকি১৬ মে ২০১০, ০৩:১১
চিঠি কাজ করছেনা। না হলে আপনাকে অনেক কিছু বলার ছিল।
shajedunnahar সাজেদুন নাহার১৬ মে ২০১০, ০৩:১১
ধন্যবাদ সুন্দর একটা বিষয় তুলে ধরার জন্য।
boipagol বই পাগল১৬ মে ২০১০, ০৩:৩১
ধন্যবাদ নাহার আপু।
ঘটনার পরিণতি কিন্তু সত্য। এক্কেবারে সত্য।
খুব খারাপ লাগে এই ধরণের ঘটনা দেখলে।

কেমন আছেন?
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
khelurebalok স্বপ্নবালক১৬ মে ২০১০, ০৩:১৪
দুই বার প্রকাশ হয়েছে।
আর মুঠোতরঙ্গ শব্দটা বেশ শ্রুতিকটু, মুঠোফোন হলেও কথা ছিল।
ভালো লাগল গল্প।
boipagol বই পাগল১৬ মে ২০১০, ১৮:৫৭
দুই বার প্রকাশ হয়েছে।
আর মুঠোতরঙ্গ শব্দটা বেশ শ্রুতিকটু, মুঠোফোন হলেও কথা ছিল।
ভালো লাগল গল্প।
ধন্যবাদ জুয়েল ভাই।
ভুলে দুইবার প্রকাশ হয়ে গেছে।
ঠিক করে নিলাম।
ঠিকই বলছেন মুঠো তরঙ্গ দৃষ্টকটু।
পরিবর্তন করে নিলাম।

কেমন আছেন?
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
roky13 রকি১৬ মে ২০১০, ০৩:৩৩
আজ আমি নিজ হতে নিজের পায়ে কুরাল বসিয়েছি।
যার ফলটা সকালে পাব!
roky13 রকি১৬ মে ২০১০, ০৩:৩৪
আপনি এত রাতে? কারন!
boipagol বই পাগল১৬ মে ২০১০, ১৭:৫৫
রকি ভাই আর বইলেন না।
গত রাতে ছয় ঘন্টা লোডশেডিং হয়েছে।
গরমের যন্ত্রণায় ঘুম হয় নাই।
তাই বিদ্যুত আসার সাথে সাথে ব্লগে এলাম।
আর ভালই লাগছে রাতের ব্লগিং।
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী১৬ মে ২০১০, ০৪:১৬
গল্পের ভাষায় তুলে ধরেছেন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু, বেশ ভালো হয়েছে।
কিন্তু "মুঠোতরঙ্গ"?!!
boipagol বই পাগল১৬ মে ২০১০, ১৮:৩৫
ধন্যবাদ সাইদ ভাই।
মুঠো তরঙ্গ আসলেই খারাপ লাগছে।
পরিবর্তন করে দিলাম।

কেমন আছেন?
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
dhusorbikel841 সপ্তর্ষি অরন্য১৬ মে ২০১০, ০৯:১৪
আজকে রপৃথিবীর সবচেয়ে দরকারী জিনিসটার খুবই অপব্যবহার হচ্ছে ছেলেমেয়েদের এই প্রেমের ক্ষেত্রে
boipagol বই পাগল১৬ মে ২০১০, ১৮:৫৯
আজকে রপৃথিবীর সবচেয়ে দরকারী জিনিসটার খুবই অপব্যবহার হচ্ছে ছেলেমেয়েদের এই প্রেমের ক্ষেত্রে
ঠিক বলেছেন।
অনেক বেশি অপব্যবহার হচ্ছে। এখনই সতর্ক হওয়া দরকার। অভিভাবকদের আরো সচেতন হওয়া দরকার।
গল্পটা পরিণতি কিন্তু সত্য ঘটনা।

কেমন আছেন?
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
murubbe মুরুব্বী১৬ মে ২০১০, ০৯:১৮
শুভ সকাল।
boipagol বই পাগল১৬ মে ২০১০, ১৯:৪৫
ধন্যবাদ মুরুব্বী জামান ভাই।
কেমন আছেন?
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
muin মঈন চৌধুরী১৬ মে ২০১০, ০৯:৪৬
অয়েলডান বই পাগল ভাই। সচেতনতাটা সবার মাঝে ছড়িয়ে যাক।
boipagol বই পাগল১৬ মে ২০১০, ২০:২১
ধন্যবাদ মঈন ভাই।
সচেতনতাটা সবার মাঝে ছড়িয়ে যাক।
এটাই চাই।
কেমন আছেন?
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
pabits ছেলেবেলা১৬ মে ২০১০, ১১:০৩
মোবাইলের এই বিষয়টা সত্যি খুব দুঃখ জনক ও একই সাথে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে চলে এসেছে। প্রত্যেক মা বাবার উচিৎ এ দিকটা খেয়াল রাখা।
মোবাইলের এই ক্ষতিকর দিকটা আমরা সবাই জানি। আমরা এটাও জানি যে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের মধ্যে কিভাবে এটা মহামারি আকার ধারণ করেছে। কিন্তু আশ্চর্য্যের বিষয় এটাই এটা নিয়ে কোন লেখা লেখি বা সভা সেমিনার হয় না। সাম্প্রতিক সময়ে যতগুলো আত্নহত্যার ঘটনা ঘটেছে তার অধিকাংশতেই মোবাইলের শক্তিশালি ভূমিকা আছে। আর স্বীকার করতে দোষ নেই আমাদের আশে পাশে অনেক পরিচিত জন আছে যারা নিজেরাই অনেক রাত জেগে বিপরীত লিঙ্গের সাথে মোবাইলে কথা বলতে অভস্থ্য।

সচেতন হওয়ার এখনই সময়। ধন্যবাদ সুন্দর একটা পোষ্টের জন্য।
boipagol বই পাগল১৭ মে ২০১০, ০৫:২৪
ধন্যবাদ ছেলেবেলা ভাই।
সাম্প্রতিক সময়ে যতগুলো আত্নহত্যার ঘটনা ঘটেছে তার অধিকাংশতেই মোবাইলের শক্তিশালি ভূমিকা আছে। আর স্বীকার করতে দোষ নেই আমাদের আশে পাশে অনেক পরিচিত জন আছে যারা নিজেরাই অনেক রাত জেগে বিপরীত লিঙ্গের সাথে মোবাইলে কথা বলতে অভস্থ্য।
কথাগুলো শুনতে খারাপ লাগলেও মহা সত্য কথা।
ভাল লাগল।

কেমন আছেন ছেলেবেলা ভাই?
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
amjewel জুয়েল১২১৬ মে ২০১০, ১১:২৭
ভালো হইছে ভাই
দারুন জিনিস তুলে ধরেছেন ।
ধন্যবাদ ভাই ।
boipagol বই পাগল১৭ মে ২০১০, ১৪:৫৩
ধন্যবাদ জুয়েল ভাই।
মোবাইলের অপব্যবহারের ব্যাপারটা দেখলে খারাপ লাগে।
আবেগের কারণে অনেকে সর্বনাশ হয়ে যায়।

কেমন আছেন?
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
nayandhaka নয়ন ঢাকা১৬ মে ২০১০, ১১:৪৬
এক্সিলেন্ট!
boipagol বই পাগল১৭ মে ২০১০, ১৪:৫৭
ধন্যবাদ নয়ন ঢাকা ভাই।
কেমন আছেন?
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
hasinmahjabeen পুনপুনি১৬ মে ২০১০, ১২:৩৫
জাবেদটারে একটা থাপ্পড় দেওয়া দরকার!
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী১৬ মে ২০১০, ১২:৩৮
ওম্মা কি কয়?
আফা আফনে কি ক্যাডার
boipagol বই পাগল১৭ মে ২০১০, ১৫:০৭
ধন্যবাদ পুনপুনি।
এরকম ঘটনা মাঝে মাঝে ঘটে যায়। পরিণতি সম্পর্কে ভাবে না।
ঘটনাটা কিন্তু সত্য। অথ্যাৎ গল্পের পরিণতি।

আর জাবেদ ও আছে কিন্তু।
তবে ওর তেমন কোন আফছোস নাই। গল্পের প্রয়োজনে আফছোসটা আমিই যুক্ত করলাম।
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।

সাইদ ভাই, আমারো ভয় লাগছে, জাবেদ বুঝি ঠিক ঠিক থাপ্পর খাইবো।
ayesha আয়েশা১৬ মে ২০১০, ১৪:৪২
শুধু থাপ্পর দিলে কাজ হবে?
boipagol বই পাগল১৭ মে ২০১০, ১৯:২২
ধন্যবাদ আয়েশা আপু।
শুধু থাপ্পর দিলে কাজ হবে না।
আমাদের পরিবেশ, মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে।
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
m_i_khan এম.আই.খান১৬ মে ২০১০, ১৪:৪৫
ভালো লাগলো।
boipagol বই পাগল১৭ মে ২০১০, ১৯:৩১
ধন্যবাদ এম আই খাঁন ভাই।
আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশী লাগল।
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
mohammadhakim ‍েমা. হাকিম১৬ মে ২০১০, ১৫:১৮
একটাই জীবন।
মুখোশধারীদের চিনতে হবে এবং
আবেগকে বুদ্ধি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
boipagol বই পাগল২২ মে ২০১০, ২১:৪২
ধন্যবাদ হাকিম ভাই।
একটাই জীবন।
মুখোশধারীদের চিনতে হবে এবং
আবেগকে বুদ্ধি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
অনেক সুন্দর বলেছেন।
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
208 রনি .১৬ মে ২০১০, ১৭:২৬
আমার কাছে মনে হয় স্টুডেন্টদের নিজস্ব মোবাইল থাকার কোন দরকার নেই। মা-বাবার মোবাইল দিয়েই বন্ধুদের সাথে প্রয়োজনীয় কথা বলা যায়। এ ক্ষেত্রে মা-বাবা জানতে পারবে মেয়ে-ছেলেরা কাদের সাথে মিশছে এবং মোবাইলে প্রেম করারও কোন সুযোগ থাকবে না।
আর ইন্টারনেটের তুলনায় মোবাইলে মানুষ সহজেই প্রেমে পরে যায়। কথাই মনে হয় প্রেমের ভিত্তি।

বাস্তবতা নির্ভর লেখাটা ভালো লাগলো । ভালো থাকবেন।
boipagol বই পাগল২৪ মে ২০১০, ২৩:৫০
ধন্যবাদ রনি ভাই, সুন্দর ভাবে আপনার মন্তব্য প্রকাশ করার জন্য।
কিছু ক্ষেত্রে হয়ত প্রয়োজন হয় তাই বলে অপব্যবহার করা মোটেই উচিত নয়।
আর অভিভাবকেদর আরো বেশি সচেতন হতে হবে।
লেখাটা আপনার ভাল লেগেছে জেনে অনেক ভাল লাগল।
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন সব সময়।
sujon1944 সুজন শিকদার১৭ মে ২০১০, ০৪:২৪
অনেক সুন্দর করে অসুন্দরকে তুলে আনার জন্য ধন্যবাদ ।
boipagol বই পাগল২৫ মে ২০১০, ০০:৩০
ধন্যবাদ সুজন।
কেমন আছিস?
অনেক সুন্দর ভাবে বলছিস।
এক লাইনের মন্তব্য অথচ অনেক বেশি ভাল লাগল।
আল্লাহ তোকে ভাল রাখুক সব সময়।
sahitto বখতিয়ার শামিম১৭ মে ২০১০, ০৯:৫১
চমৎকার মুন্না ভাই চমৎকার ।
ভালো লাগলো ভালো থাকুন সব সময়।
boipagol বই পাগল২৩ জুন ২০১০, ১০:৩৪
ধন্যবাদ শামিম ভাই।
আপনার ভাল লাগছে জেনে খুশী হলাম।
শুভ কামনা সব সময়।