বুধবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ২ আশ্বিন, ১৪২১ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


শরতের খেয়ালী কাশবন



‘নুরী ও মা নুরী কই গেলি রে মা…? মাইয়াডা যে কই গেল?’
অনেকক্ষণ ধরে ডেকে ডেকে সারা বাড়ী খুঁজে চলে জরিনা। মেয়েটা সেই দুপুরে পান্তা খেয়ে বের হয়েছে এখনও বাসায় ফিরে আসেনি। মেয়েটা দিন দিন বড় হচ্ছে কিন্তু বুদ্ধি হচ্ছে না। আজকাল দিন ভাল না এমন করে বনে বাদাড়ে ঘুরে বেড়াবার দিনকি এখন আছে? ছোট বেলায় সে নিজে সারা গ্রাম ঘুরে বেড়ালেও মা বাবা ভয় পেত না। আর তখন তো এতো লাইটের আলোও ছিল না,ছিল না ঘরে ঘরে টেলিভিশন। পড়াশুনার শব্দ তাও খুব খুমই শোনা যেত। কিন্তু ছিল মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর নিজের যাই থাকুক না কেন অন্তর জুড়ে অন্যের জন্য শুভকামনা। আর ছিল অসীম আন্তরিকতা। দু একজন যে ব্যতিক্রম ছিল না তাও না। তবে সেই খারাপ মানুষ ভাল মানুষের কারনে টিকে থাকতে পারত না। কিন্তু এখন দিন পাল্টে গেছে,পাল্টে গেছে মানুষের মন-মানসিকতা।

জরিনাদের ঘরে তিনবেলা খাবার নেই তাতে কি! আছে আত্মসম্মান বোধ। স্বামী তার নিজেদের যেটুকু জমি আছে তাই দেখাশুনা করে। তারউপর এবার বাড়তি আয়ের জন্য বর্গা নিয়েছে মেম্বার সাহেবের জমি। নুরী স্কুলে যায়, সে অনেক ভাল একজন ছাত্রী । ফাইভে বৃত্তি পেয়েছে এখন সিক্সে পড়ে। এইটেও বৃত্তি দেবে আর তাই এখন থেকেই সে অনেক লেখাপড়া করে। স্কুলের শিক্ষকদের একটাই কথা যদি একজন এই গ্রাম থেকে ভাল রেজাল্ট করে সে হচ্ছে নুরী। তার বাবার অনেক সাধ, মেয়েকে অনেক দূর লেখাপড়া শেখাবে। গঞ্জের কলেজে পাঠাবে । দরকার হলে শহরে রেখে লেখা পড়া করাবে। আর তাই বর্গা জমিতে এবার অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করে যত্ন দিয়ে সোনায় সোনায় ভরে তুলেছে। মেয়েকে পড়ালেখা শেখাতে হবে,ভাল বিয়ে দিতে হবে। স্বপ্নের পাহাড় গড়ে তোলে নুরীর বাবা মা।

আজ ছুটির দিন মেয়েটা যে কোথায় গেছে? জরিনা এতো করে বলেছে কোথাও যেন না যায় তারপরও যে কোথায় গেছে? দুই ছেলে মেয়েকে ঘরে একা রেখে ছোট্ট ছেলেটাকে কোলে নিয়ে খুজঁতে বের হয়েছে সে। এদিকে সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়েছে। আর একটু পরেই হারিয়ে যাবে অন্ধকারের বাহুডোরে। ছয়টা হাঁসের পাঁচটা ঘরে ফিরে এলেও একটা ফিরে আসেনি। পুকুরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোথাও পায়নি। নুরীর অনেক প্রিয় হাঁস। ও একবার ডাক দিলে যেখানেই থাকুক ঠিকই সাড়া দেবে। দুজনের মাঝে অন্যরকম একটা সম্পর্ক আছে যা জরিনার বোধগম্য হয়না।

মেয়েটা যে কোথায় গেলো? আশেপাশে খুজেঁ এসে বাড়ীর দাওয়ায় বসে হাঁপাতে থাকে জরিনা। আবার চিৎকার দিয়ে ডাকে

-‘নুরী ও মা নুরী কই গেলি রে মা…দেখচাই ক্যামনে সারা গ্রাম ঘুইরাও মাইয়াডারে পাইলাম না? নুরী ও মা নুরী…!’

-’মা আমি এইহানে…’গলা ছেড়ে জবাব দেয় কোকিল কন্ঠী নুরী। জরিনা এবার ছেলেটাকে কোল থেকে নামিয়ে ছুটে যায় নুরীর আওয়াজ লক্ষ্য করে। গিয়ে দেখে সে পেয়ারার নীচু ডালটায় বসে পেয়ারা খাচ্ছে আর পা দুলিয়ে গুন গুন করে গান গাচ্ছে-‘হিরামতি হিরামতি ও হিরামতি… তোমার লাইগা আনমু কি পুঁতির মালা পরবা কি’ এই দৃশ্য দেখে জরিনার রাগ মাথায় উঠে-

-’ঐ বান্দির বাচ্ছা বান্দি আমি হারা গ্রামের মাটি দিয়া পা ভিজাইয়া ফালাইলাম আর লাটহায়েবের বেডী এই হানে হিরামতিরে লইয়া হপন দেহে ?’

মায়ের অগ্নিমূর্তি দেখে মজা পায় সে। মাকে চেতাবার জন্য বলে

-’তোমার চিক্কর হুন্তে হুন্তে আমার ক্ষিদা লাইগা গেছে…!’

-ঐ ছেরি তর বাজানের কি গোলা ভরা চাউল আছে যে হারাদিন খালি খাওন আর খাওন? জরিনার রাগ চরমে উঠে যায়।

-মা তোমার গলা ফাইট্টা রক্ত বাইর হইব…পুঁতির মালা পরতে পারবা না! এহন থামো’

জরিনা ভুলে যায় কেন নুরীকে খুজঁছিল? একটা পেয়ারার ডাল ভাঙ্গে তাই দেখে নুরী খিলখিল করে হাসে। পেয়ারা গাছের মগডালে উঠার চেষ্টা করতে করতে বলে

-হি হি আমারে ধরন এত্ত সোজা না… হি হি…জমিদারের মাইয়া ধরব আমারে?’নুরীকে জরিনা রেগে লাটসাহেবের মেয়ে ডাকে আর নুরী মাকে ক্ষেপানোর জন্য জমিদারের মেয়ে ডাকে। মা আর বোনের এমন খেলা দেখে ছোট ছেলে মেয়েগুলো খুব মজা পায়। হাতে তালি দিয়ে তারাও হেসে যায়।

জরিনা জানে এভাবে সে নুরীকে নামাতে পারবে না। আর তাই হাঁপাতে হাঁপাতে ডালটা ফেলে দিয়ে আদর মাখা স্বরে বলে-

‘আরে মা নাইমা আয়…দেখ অন্ধকার হইয়া আইতেছে…নাম রে সোনা’

মুখের মাঝে পেয়ারা নিয়ে নীচে নামতে নামতে একটা ডালে এসে বসে। বলে-

-‘এহনে কউ হারা গ্রাম টো টো হরছিলা কেন? সুধারাম রে খোঁজতে? হি হি হি ‘জরিনা কথাটা শুনে রেগে যেতে যেতে পশ্চিম দিকে তাকায়। আরে সূর্য তো একেবারে লাল হয়ে গেছে! মনে পড়ে নুরীকে সে কেন খুজেঁছিল। আর কথা বাড়ানো যাবে না।

-’মারে সাদা হাঁসটা অহন তরি ঘরে আয় নাই! যা না মা একটু খুইজা লইয়ায়’নরম সুরে কথাগুলো বলে। জরিনার কথা শেষ হতেই একটা লাফ দিয়ে নীচে নেমে আসে নুরী। জরিনার মনে হয় যেন গাছ থেকে একটা লাল নীল প্রজাপতি নেমে এলো। নীল সালোয়ার কামিজের সাথে লাল উড়না। নীচে নেমে অবাক হয়ে বলে-

-’কি কউ মা যেই হাঁসটা দিম দিতাছে…?’

-’হ রে মা ছয়ডা দিম হইছে আর ছয়ডা হইলেই বিক্রি কইরা তরে দুধ কিন্না খায়ামু…তর না পরিক্সা…?’

-’হেইলে আমি জামু না তুমি যাও…’অভিমানে ঠোঁট উল্টিয়ে অভিমান করে। জরিনা ব্যস্ত হয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে বলে-

-’যারে মা সন্ধ্যা হইয়া গেছে…তর বাজান আইয়া পরবো…অখন তরি ভাত রানতে পারি নাই ,তুই যা নারে মা’

-’না যামু না…ঘরে ডিম আছে তাইলে পচা,গন্ধ সালুন দিয়া পান্তা দিলা কেন দুপুরে? আমার পেটে ব্যাতনা হইছে…যাও আমি যামু না’ কথাটা বলে কুট কুট করে দাঁতে আঙ্গুলের নখ ভাঙ্গে। জরিনা বুঝতে পারে মেয়ে রাগ করেছে। বুকের মাঝে টেনে নেয় মেয়েকে আদর করে বলে

-’ঠিক আছে আর ভুল হইব না এখন যা রে মা…রাইতে পুঁইশাক, চিংরি মাছ দিয়া ভাত খাইবি, অহন যা মা’এবার খুশি হয় নুরী। মায়ের ঘামে ভেজা শাড়ীর মাঝে নাক ঢুকিয়ে গভীর শ্বাস নেয়। বেশ আনন্দ নিয়ে বলে

-’ঠিক আছে যাইতেছি মা…’আবার কি মনে করে বিষণ্ণ হয়ে যায়। মাকে বলে

-‘মা আমি ভাত চুলাই দেই …তুমি যাও’

-‘না রে মা তুই ভাত নরম কইরা ফালাবি । তর বাপে বকন দিব…তুই যা দেখ পুকুর পারে আছে না হইলে তর শেফালী কাকী গো বারীতে আছে। অগো হাঁসের লগে লগে দেখ গেছে’

নুরী আর কথা বলে না ওড়নাটা ভাল করে গায়ে পেঁচিয়ে বের হয়। কিছুদূর গিয়ে আবার দৌড়ে এসে মাকে জড়িয়ে ধরে

-’আমি হাঁস আইনা দিতাছি রাইতে ডিম ভাঁজি দিয়া আর পুঁই চিংরি সালুন দিয়া ভাত খামু’

-’পাগলী মাইয়া…যা আমি ডিম ভাইজা রাখতেছি,হাঁস আইনা খাইয়া লইস’হেসে দেয় জরিনা। মেয়েকে জড়িয়ে ধরে কপালে চুমু দেয় ।

-’আইচ্ছা জমিদারের বেডী যাইতেছি…’আনন্দে এক্কা দোক্কা খেলতে খেলতে নুরী ছুটে যায় শেফালী কাকীদের বাড়ীর দিকে। মাঝপথে মেম্বারের ছেলে আর তার বন্ধুরা পথ আগলে ধরে।

-’পথ ছারেন…যাইতে দেন!’ভীরু স্বরে বলে নুরী

-‘কই যাইবা হুন্দরী ? কাছে আও…!’ কথাটা বলে নুরীর গা ছুয়ে দেয়। সারা শরীরের দিকে চোখ বুলিয়ে নেয় মেম্বারের ছেলে শাকিল। নুরী শাকিলের চোখের ভাষা পড়ে ফেলে। একটা ভয় সমস্ত শরীরটাকে কাঁপিয়ে ঝড় তোলে।শিশু মন ভয়ে নিজেকে সঙ্কুচিত করে নেয়

-’আপনি এমন করেন কেন আমারে দেখলে? আমি কি প্রবলেম করছি আপনার?’

-’আরে…! মেরে বুলবুলিয়া দেখি ইংরাজি বাত কয়!’কথাটা বলে নুরীর হাত ধরে। তারপর রেগে যায় ‘কেন যে সরকার মাইয়া গো পড়াশুনা ফ্রি কইরা দিল? সব শিক্ষিত হইয়া দেশ উদ্ধার করব!’

-’আমারে যাইতে দেন …’কথাটা বলে একরকম ধাক্কা দিয়ে নুরী সামনে এগিয়ে যেতে থাকে। টান পড়ে লাল ওড়নায়। থমকে দাঁড়ায় সে। ছবির মত ভেসে উঠে বিচ্ছিন্ন কিছু ছবি যা সে হেডস্যারের বাসায় টেলিভিশনের নাটকে দেখেছে। সামনে এসে শাকিল বলে-

-’কামলার বাচ্চা কামলা দুই ক্লাস পইরাই দেমাগ দেহায়…আইজ গো তর দেমাগ ভাংতাছি খারা…’

থর থর করে কাঁপে নুরী হাত জোড় করে বলে

-’আমারে যাইতে দেন মায়ে চিন্তা করব…খুঁজতে আইয়া পড়ব। আমারে যাইতে দেন’

শাকিল ওড়না দিয়ে নিজের মুখটা মুছে জিভ দিয়ে পুরু কালো ঠোঁট ছুয়ে দেয়। নাটকীয় ভঙ্গি করে ওড়না ছেড়ে দেয়। হাত দিয়ে মাথার চুল ঠিক করে নিজের মুখটা একেবারে নুরীর মুখের সামনে নিয়ে আসে। বাম দিকে সরে মুখ নীচু করতে করতে অনেক খানি নুয়ে পড়ে নুরী। ফিক করে কুটিল হাসি দিয়ে উঠে পিশাচের দল।

-’যাহ্‌ ছাইরা দিলাম…পাখী আমার বহুত ডরাইছে…’সবাই হেসে গড়াগড়ি খায়।নুরী দৌড়ে যায় শেফালী কাকীদের বাড়ীতে। সেখানে হাঁস না পেয়ে যায় পুকুরের পাঁড়ে । কাঁপা কাঁপা গলা ছেড়ে ডাকে

-’আয় তৈ তৈ আয় আয়’ কোন সাড়া শব্দ নেই। আবার ডাকে,বার বার ডাকে।

পুকুরের পাঁশেই কাশবন। শরতের ঝিরিঝিরি ঠাণ্ডা বাতাসে দোল খায় সুন্দরী তন্বীর দেহবল্লরি। তারই সাথে সাথে নীল আকাশে ভাসে সাদা মেঘের ভেলা। অভিমান নিয়ে রক্তিম আভা ছড়ায় অন্তিম পালকে গোধূলিলগ্ন বেলা। পুকুরে ফোঁটা ধবধবে সাদা শাপলা হাতছানি দিয়ে ডাকে নুরীকে। কিন্তু আজ নুরী সেদিকে ফিরেও তাকায় না। সুপারি গাছের বাঁধা ঘাঁটে নেমে হাতমুখ ধুয়ে ওজু করে নেয় ক্লান্ত শরীরে। ঝিঁঝিঁ আর জোনাকীর আলোয় পা বাঁড়ায় মায়ের কোলের দিকে। শেষ বারের মত আবারও ডাকে

-’আয় তৈ তৈ আয় আয়….আয় তৈ তৈ আয় আয়’এবার নুরী শুনতে পায় হাঁসের ডাক

-’প্যাঁক প্যাঁক প্যাঁক’ নুরীর মুখে ঝিলিক দেয় হাসি। শব্দটা লক্ষ্য করে হেঁটে যায় সেদিকে। মনে মনে ভাবে ‘ইস কাশবনের মধ্যে মধু খাইতে ঢুকছে আর বাইরাবার পথ পায় নায় নবাব সাহেব’!মনে ভাসে মায়ের অপেক্ষার ছবি-‘প্লেটে খুব মজা করে বড় একটা দিমের সাথে হলুদ কুমড়ো ফুল ভাঁজি আর ভাত নিয়ে বসে আছে মা’কথাটা ভাবতেই পেটে গড়গড় করে ডেকে উঠে।লাল নীল প্রজাপতিটা আনন্দের ডানায় ভর করে উড়ে উড়ে হারিয়ে যায় খেয়ালী কাশবনের গভীরে।



রাত বেড়ে গভীর হয়,নুরীর বাবা মার চোখে ঘুম নেই। মেয়েটা হাঁস খুঁজতে গিয়ে এখনো ফিরে আসে নি। নুরীর বাবা আশেপাশে খুঁজেও কোথাও পেল না নুরীকে। জরিনা কাঁচা মরিচ আর পেয়াজ দিয়ে খুব কড়া করে মেয়ের পছন্দ মত ডিম ভেঁজে রেখেছে। অন্য ছেলেমেয়েদেরকেও খেতে দেয়নি। মেয়েটা কত কষ্ট করে পড়াশুনা করে। সেইভাবে তো খাওয়াতে পারেনা সে। মেয়েকে না খাইয়ে কোনদিন ভাত খায়নি জরিনা আজও খায়নি। মেয়ের পথ চেয়ে থাকতে থাকতে ভোরের আলো এসে মুখে পরশ বুলায়।

-’নুরী ও নুরী কই রে মা তুই’ জরিনা ছুটে বের হয়ে যায় পুকুরের পাড়ে।

-’নুরী ও নুরী কই রে মা তুই’কোন সাড়া আসে না। শুধু শো শো বাতাসের শব্দ। পাগলের মত করে ছুটে বেড়ায় জরিনা। তবু নুরীকে কোথাও পায়না। আস্তে আস্তে গ্রাম জেগে উঠছে। শরতের সোনালী সকাল শিশিরে ভেজা ঘাস। কাশবনের হেঁয়ালি বাতাস এনে দেয় নতুন শীতের নিষ্ফল প্রয়াস।

-’নুরী ও মা নুরী তুই কই রে মা…?’

কাশবনের ভীতর থেকে ছুটে আসে রফিজ মিয়ার দশ বছরের ছেলে বাবুল। সে এই ভোরের বেলা নদীতে চুরী করে মাছ ধরতে এসেছে। দিনের আলোয় মেম্বারের লোক নদীতে মাছ ধরতে দেয়না।

-ভু..উ.ত। ভু..উ….ত! ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে হাত দিয়ে দেখায় বনের মাঝে। জরিনা ছুটে যায় বনের ভীতরে।



নরম মাটিতে বিষাক্ত সাপের ছোবল,পিশাচের রক্তে ভরা নগ্ন দেহ । ডানা ভাঙ্গা লাল নীল প্রজাপতি নিথর চোখে পথ খুঁজে চলে সীমাহীন নীল আকাশের বুকে। তখনও বাতাসের উন্মাদনায় শরতের খেয়ালী কাশবনে খেলে যায় উত্তাল তরঙ্গ ।

>গল্পটি পত্রিকায় প্রকাশিত।
১৪ টি মন্তব্য
kamaluddin কামাল উদ্দিন২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১১:৩২
এটা তো আমি আগে পড়েছিলাম, রিপোষ্ট করেছেন কি ?

তবে গল্পের কাহিনী সত্যিই আমাদের সমাজের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ হয়ে দাড়িয়েছে বর্তমানে ।
Niloy1073 নির্ঝর নাসির২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:০৩
Shongkhobas সেলিনা ইসলাম২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ০৩:০০
ঠিক বুঝতে পারছিনা রিপোষ্ট কিনা-দুঃখিত। ধন্যবাদ পড়ার জন্য শুভকামনা
kamaluddin কামাল উদ্দিন২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৪৪
দুঃখিট ঃবার কিছু নেই, গল্প ভালো ।
kamaluddin কামাল উদ্দিন২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৪৫
দুঃখিত হবার কিছু নেই আপু, গল্প খুব ভালো হয়েছে ।
shsiddiquee ছাইফুল হুদা ছিদ্দীকি২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:১১
কিন্তু ছিল মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর নিজের যাই থাকুক না কেন অন্তর জুড়ে অন্যের জন্য শুভকামনা।
আর ছিল অসীম আন্তরিকতা।

আমাদের দেশে শিক্ষিতের হার বেড়েছে।মানে আগের চাইতে দেশের মানুষ লেখাপড়া বেশী করছে।
কিন্তু মানুষের সেই আন্তরিকতা কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে।অশেষ ধন্যবাদ।
Shongkhobas সেলিনা ইসলাম২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ০৩:০৭
আমাদের দেশে শিক্ষিতের হার বেড়েছে।মানে আগের চাইতে দেশের মানুষ লেখাপড়া বেশী করছে।
কিন্তু মানুষের সেই আন্তরিকতা কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে। সহমত
ধন্যবাদ সময় দিয়ে গল্প পড়ার জন্য শুভেচ্ছা রইল
Rabbani রব্বানী চৌধুরী২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:১৮
" পুকুরের পাঁশেই কাশবন। শরতের ঝিরিঝিরি ঠাণ্ডা বাতাসে দোল খায় সুন্দরী তন্বীর দেহবল্লরি। তারই সাথে সাথে নীল আকাশে ভাসে সাদা মেঘের ভেলা। অভিমান নিয়ে রক্তিম আভা ছড়ায় অন্তিম পালকে গোধূলিলগ্ন বেলা। পুকুরে ফোঁটা ধবধবে সাদা শাপলা হাতছানি দিয়ে ডাকে নুরীকে।"

অসাধারণ এক দৃশ্যপট অংকিত হয়েছে আপনার গল্পে, খুব ভালো লাগলো গল্প। শুভেচ্ছা জানবেন।
Shongkhobas সেলিনা ইসলাম২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ০৩:০২
ধন্যবাদ অনেক অনেক শুভকামনা রইল
sulary আলভী২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:২৪
চমৎকার গল্প প্রিয় সেলিনা আপু......।

Shongkhobas সেলিনা ইসলাম২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ০৩:০৫
ধন্যবাদ শুভেচ্ছা রইল
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:০৪
স্বল্প পরিসরে একটি চমৎকার গল্প পড়লাম। অন্য কোন মাধ্যমে এর মন্তব্য দেবো আরও বিস্তারিত ভাবে।

সেলিনা আপুকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
Shongkhobas সেলিনা ইসলাম২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ০৩:০৯
অন্য কোন মাধ্যমে এর মন্তব্য দেবো আরও বিস্তারিত ভাবে।

বিস্তারিত জানার অপেক্ষায় রইলাম ভাইয়া অনেক অনেক শুভকামনা রইল ধন্যবাদ
moishotori নৈশতরী৩১ জানুয়ারি ২০১৩, ১১:৩০
আপনিও তো জটিল লিখেন প্রিয়
খুব ভালো লাগলো কিন্তু।