মঙ্গলবার ২৯ জুলাই ২০১৪, ১৪ শ্রাবণ, ১৪২১ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


আক্কাছের প্রেম অভিযান


রসরচনা
এলাকার বর্ষীয়ান ইভটিজার আক্কাছ খান, সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে হিন্দি সিনেমার গান ছেরে চিংড়ি মাছের মত লাফাচ্ছে। আজ সে ঈদের চেয়ে বেশী খুশী তাই একটু পর পরই ঠোট জোরা প্রসস্থ করে দাত দেখাচ্ছে। কিছুক্ষন পরেই মোবাইল কন্যা জলি কাপুরের সাথে দেখা করার কথা। মেয়েটার সাথে মোবাইলেই পরিচয় তারপর থেকেই লাইলী-মজনুর প্রেম। এর আগে কখনই মেয়েটার সাথে সরাসরি দেখা হয় নাই তাই কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনায় আক্কাছের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। মেয়েটাও অনেকটা আক্কাছের মতই আল্টা মর্ডান। আসল নাম জলি আক্তার, হিন্দি সিনেমা দেখে নাম হয়েছে জলি কাপুর। আক্কাছেরও ঐ একই অবস্থা ছোট বেলায় নাম ছিল আক্কাছ মিয়া হিন্দি সিনেমার প্রভাবে হয়েছে আক্কাছ খান।

অনেকেই এজন্য হিন্দি সিনেমা বা স্যাটেলাইট চ্যানেলকে দায়ী করতে পারেন। বলতে পারেন এই হিন্দি সিনেমার কারনেই তাদের সংস্কিতি আমাদের সমাজে প্রবেশ করছে এবং যুব সমাজও এর ভালর বদলে খারাপ দিকটাই লুফে নিচ্ছে যার ফলে বাঙ্গালী হারাতে বসেছে তার আপন সংস্কিতি। আমাদের সংস্কিতিতে বড়কে সম্মান করা, ছোটকে স্নেহ করা এবং মানুষে মানুষের সেই মমত্ব বোধ, নৈতিকতা এখন যেন প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে তাইতো বিশ্বজিতের মত আসহায় মানুষকে মরতে হচ্ছে বিনা কারনে।

চলচ্চিত্র একটা দেশের সংস্কিতি বিকাশের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। অথচ আমাদের চলচ্চিত্রে ঘুরে ফিরে সেই একই কাহিনী। নায়ক গরীব, গেরেজে কাজ করে, নায়িকা বড়লোকের একমাত্র কন্যা। নায়িকা দুমধারাক্কা ঘাড়ি চালিয়ে এসে দুনিয়ার আর কোন জায়গা পায় না, নায়কের পাছায় এসে ধাক্কা মারে। প্রতিবাদী নায়ক ঝাঝালো কন্ঠে বলে “মেম সাহেব, চোখ কি হাতে নিয়ে ঘুরেন! গরীব কে কি মানুষ মনে হয় না!!” নায়িকা এবার রেগে গিয়ে বলে উঠে “ছোট লোকের বাচ্চা তুই জানিস আমি কার মেয়ে? আমি চৌদুরী সাহেবের মেয়ে। আমার ডেডি জানলে তোকে কুকুরের মত গুলি করে মারবে ,ইডিয়েট, স্টুপিড” নায়ক এবার ইংলিশে বলে উঠে “ফার্দার ডোন্ট স্পিক ইংলিশ উইথ মি!” নায়িকা এবার নরম সুরে বলে “তুমি ইংলিশ জান! তুমি আসলে কে?” নায়ক বলে “আমিতো বিয়ে পাশ! চাকরী পাই নাই তাই গেরেজে কাজ করি।” নায়িকা শুনে মনে মনে ভাবে আহারে এই এরকম একটা তাগরা যুবককেইতো এতদিন খুজছিলাম। বাসায় গিয়ে সারারাত কোলবালিশ ঝরিয়ে ধরে বিছানার এপাশ-ওপাশ করতে থাকে নায়িকা তারপার কল্পনাতে গান। এই ধরনের গাজাখরি গল্প একের পর এক দেখিয়ে নির্মাতারা মানুষের মনে বিরক্ত উৎপাদন করেছে। তাই মানুষও দেশীয় চলচ্চিত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে ঝুকছে হিন্দি সিনেমার দিকে।

****
আক্কাছ বন্ধুকে দেখেই হাতির সমান দন্তগুলো বের করে কেলাচ্ছে। আক্কাছের এই অকারনে দন্ত প্রদর্শনী দেখে তার বন্ধুর আর বুঝতে বাকী রইল না যে আক্কাছ নতুন কোন কুবদ্ধি নিয়ে এসেছে। কতক্ষন ধরে অপেক্ষা করছিস? বলল আক্কাছের বন্ধু।

“অনেকক্ষন হল। জানিসতো আজ ঐ মেয়েটার সাথে প্রথম দেখা করার কথা। তাই কেমন জানি ভয় ভয় লাগছে।”

“হুম! দেখা করবি ভাল কথা। তুই এলাকার জাঁদরেল ইভটেজার তোর একটা দাম আছে। যেনতেন মেয়ের সাথে প্রেম পীরিতি করলেতো প্রেষ্টিজ থাকবে না! কেমন মেয়ে , কি করে কিছু জানিস?” বলল আক্কাছের বন্ধু।

“মেয়ে ভাল, সারাদিন ফার্মের মুরগীর মত ঘরে চিৎ হয়ে শুয়ে গান বাজনা শোনে এবং কাব্য চর্চা করে,কাম কাজ করে না ।কাজ করব গরীব মানুষ, বড় লোকের কিসের কাজ? তাই কেউ রান্না-বান্নার কথা জিজ্ঞেস করলে ভাব নিয়ে বলে ‘আমি রান্না জানি না।’ আর একটা মজার ঘটনা ঘটছে ,কিছুদিন আগে ভুলে রান্না ঘরে ঢুকে বাইন মাছ দেখে নাকি অজ্ঞান হয়ে গেছিল। সারা জীবন বাবুর্চি রান্না করে দিছে তাই গিলছে। হঠাত জীবন্ত মাছ দেখে এই অবস্থা। ” কিছুটা ভাব নিয়ে বলল আক্কাছ।

“ওরে আক্কাছ তুই এতদিন পর একটা কাজের মত কাজ করলি। যোগ্য একটা মেয়ে খুজে বের করছিস। শোন, যেভাবেই হোক এই মেয়েকে পটাতেই হবে তাহলে রাজ্য আর রাজকন্যা দুটোই পাবি। মেয়েটাকে কাব্য শুনিয়ে দিস যেহেতু কবি মেয়ে। কাব্য দিয়েই আক্রমন করতে হবে । বুঝলি? ”

“হুম জানি এর জন্যতো আমি কবিতা চর্চা চালিয়ে যাব চিন্তা করছি। কি নিকে লেখব সেটাই ভাবছি! ”

“তুই যেহেতু কাব্য চর্চা করবি তাহলে কবি কাজী নজরুলের ইসলাম এর নামের আদলে তোর নিক হতে পারে কাজী আক্কাছ ইসলাম অথবা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদলে হতে পারে আক্কাছ ঠাকুর।”

আক্কাছ একটু ভেবে বলল “আমি নামকরা ইভটেজার। আমি হব ব্যাতিক্রম। আচ্ছা হাইব্রিড হলে কেমন হয় এই যেমন কাজী নজরুলের ইসলাম এর কাজী আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঠাকুর নিয়ে আমার নাম হবে কাজী আক্কাছ ঠাকুর! নামটার মধ্যে একটা ভাব আছে! ”

“কাজী আক্কাছ ঠাকুর , মারাত্বক একটা নিক হইছে। তোর প্রতিভায় আমি মুদ্ধ।”

****
আক্কাছ মেয়েটাকে দেখে ‘থ’ হয়ে দারিয়ে আছে। মেয়েটা দেখতে উচালম্বা তার উপর মারাত্বক সুন্দরী। ঠোটে লাল লিপষ্টিক, চুলগুলোও বড় বড় । পরনে জিন্স সাথে লাল রঙয়ের একটা টি শার্ট। বর্তমানে অতি আধুনিক মেয়ে বলতে যেমন বুঝায় আরকি । “আক্কাছ ভাইয়া চলুন হেটে হটে কথা বলি” বলল মেয়েটা। তারপর দুজন হাটতে থাকল সবুজ মাঠ দিয়ে। পরিবেশটাও চমৎকার, কিছুক্ষন আগে হালকা বৃষ্টি হয়েছিল তাই আকাশটাকে দেখতে দারুন লাগছে। কিছু বলছেন না কেন আক্কাছ ভাইয়া?

আক্কাছ কিছুটা বিরহী ভাব নিয়ে বলল “আমিতো তোমার উপর অভিমান করছি? কোন কথা বলব না!”

“আক্কাছ ভাইয়া আমি করছি?” বলল মেয়েটা।

“তুমি আমাকে ‘ভাইয়া’ ডাক আর ‘আপনি’ করে বল কেন? ” অভিযোগের সুরে বলল আক্কাছ।

“হি-হি, আমার সরম করে, পরে বলব তুমি করে। আচ্ছা আক্কাছ ভাইয়া আপনি গান পছন্দ করেন না? আমি কিন্তু গান অনেক পছন্দ করি ! ” বলল মেয়েটা।

আক্কাছ মেয়েটাকে ইম্প্রেস করার জন্য বলল “তাই নাকি! তোমার সাথে দেখি আমার দারুন মিল! আমার স্বপ্ন আমি গায়ক হব। সামনের মাসে গানের প্রতিযোগিতা মূলক অনুষ্টান ‘পচা আন্ডা ওয়ান’ শুরু হবার কথা। আমি সেই খানে অংশগ্রহণ করব চিন্তা করছি। ”

“ওমা আক্কাছ ভাইয়া তাই। আপনিতো বড্ড দুষ্টু আগে বলেননি কেন? ” আহ্লাদ করে বলল মেয়েটা।

“তোমাকে সারপ্রাইজ দিব ভাবছিলাম! শোন আমি গায়ক হবার পর কিন্তু আমার নাম সামান্য পাল্টাব ভাবছি। জাষ্টিন বিবাবের আদলে আমার নাম হবে জাষ্টিন আক্কাছ” কিছুটা ভাব নিয়ে বলল আক্কাছ।

“হি-হি, খুব মজা হবে!” বলল মেয়েটা।

এভাবে বিভিন্ন রকমের মিষ্টি মধুর কথা বলতে বলতে হঠাৎ আক্কাছ ঠাস করে আছার খেয়ে পরে গেল। আছার খেয়ে আক্কাছের কমরের অবস্থা বারোটা বেজে গেছে। মেয়ে বলল “কি হয়েছে আক্কাছ ভাইয়া? ব্যাথা পাননিতো?” আক্কাছ মনের দুংখ্য মনে চেপে মেয়েটাকে খুশী করার জন্য কবিতার ভাষায় বলল “বৃষ্টিযুক্ত তুলতুলা মাটিতে থপাস করে পরিয়া গিয়া কমরেতে সুখের ব্যাথা অনুভুত হইতেছে। ” আক্কাছ কবিতা শেষ করতে না করতেই মাঠায় ডান্ডা দিয়ে কে যেন পিছন দিক থেকে বারি মারল। আক্কাছ আসতে আসতে নেতিয়ে পরল, অনেক জোর করেও চোখ খুলতে পারছে না।

****
আক্কাছের মুখ বাধা একটা নির্জন ঘরে, চার পাচ জন হকি ষ্টিক দিয়ে ইচ্ছা মতন পাইকারি হারে রাম ধোলাই দিচ্ছে। মেয়েটা সামনে বসে আক্কাছের কলার চেপে ধরে বলল হারাম জাদা তরে পটাইতে অনেক কষ্ট হইছে, তুই আমাদের হাতে কিডনাপ এখন। মুক্তিপণ পাওয়ার আগ পযর্ন্ত এখানেই আটকা থাকবি। আক্কাছ কইতেও পারে না আবার সইতেও পারছে না, আক্কাছের অবস্থা হল ছেরে দেন আপু কেধে বাচি! (শেষ)
৫৭ টি মন্তব্য
fardousha ফেরদৌসা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:০১
আফনে আক্কাছ মিয়ার পিছে লাগছেন কেন শুনি

এমন কত আক্কাছ যে আছে ভিন্ন ভিন্ন নামে তাদের নামেও মাঝে মাঝে লিখবেন ।

পড়িনি এখনো। বাইরে যাচ্ছি , এসে পড়বো ।

আর আক্কাছ মিয়ার পিছু নেয়া ছাইড়া দেন
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৪৯
আহারে আজকাল মানুষ ইভটিজারের পক্ষ নিয়াও কথা কয়

হুম এর পর অন্য কিছু নিয়াও লেখব রসরচনা ।


আফনার একটা বাস্তব গল্প দেবার কথা ছিল ব্লগে, সেটা এখনো পেলুম না , অনশন শুরু করব নাকি চিন্তা করছি
toruntora তরুন্তরা খালিদ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:৩১
আক্কাছের প্রতি এত মায়া?!!! কেনো?!!
shmongmarma এস এইচ মং মারমা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:০৬
বৃষ্টিযুক্ত তুলতুলা মাটিতে থপাস করে পরিয়া গিয়া কমরেতে সুখের ব্যাথা অনুভুত হইতেছে। ” আক্কাছ কবিতা শেষ করতে না করতেই মাঠায় ডান্ডা দিয়ে কে যেন পিছন দিক থেকে বারি মারল। আক্কাছ আসতে আসতে নেতিয়ে পরল, অনেক জোর করেও চোখ খুলতে পারছে না।

গল্পটা ভাল লাগল খুব প্রিয় কাছের মানুষ.............
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৫১
পড়েছেন দেখে উৎসাহিত হলাম প্রিয় মারমা ভাই।

শুভ কামনা রইল । অনেক ভাল থাকুন
MainulAmin মাইনুল আমিন১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১৩
স্বল্প পরিসরের ইভ-টিজিংএর বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টকারী গল্পটি বেশ কাজে লাগবে ।
ভালো লিখেছেন ।
সুন্দর গল্পের জন্যে আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা প্রিয় কাছের মানুষ ভাই । ভালো থাকুন ----------------------
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৫২
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ প্রিয় মাইনুল ভাল।

আপনার মন্তব্য সবসময়ে আমার ভাল লাগে।

অনেক শুভেচ্ছা নিবেন ভাই
pronoy51 দুরন্ত ছেলে১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১৭
ভাল্ললাগছে
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৫৩
ভাল লেগেছে শুনে খুশী লাগছে । শুভেচ্ছা নিবেন।
sopnerdin45 এনামুল রেজা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৪৬
সেরেছে। আক্কাসের একি দুর্দিন আসলো!

শুভেচ্ছা কাছের মানুষ।
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৫৪
ধন্যবাদ ভাই। পড়েছেন দেখে কৃতজ্ঞ ।

আপনার নতুন কোন লেখা পাচ্ছি না অনেক দিন
sopnerdin45 এনামুল রেজা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:১৫
শীত পড়ছে তো জাঁকিয়ে!! একটু অলস হইয়া গেছি।
চাদ্দরের ভিতর থেকে হাত বের করা দায়!!

একদিন একটু ব্যস্ততাই যাচ্ছে প্রিয় কাছের মানুষ। আপনাদের লেখা পড়ে ব্লগিং দিবস রজনী যাপন চলছে। তবে একটা লেখা প্রস্তুত হচ্ছে ব্লগের জন্য।
sopnerdin45 এনামুল রেজা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:১৭
কমেন্টের বাকি অংশ গায়েব হলো কিভাবে কে যানে!! হায়রে সার্ভার প্রিয় ব্লগটার!!

ভালবাসা এবং শুভকামনা জানবেন।
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:২৪
শীত আমাগো এইখানে ও প্রচুর

মন্তব্য কিছুদিন আগে আমার ও একটার অধ্যেক গায়েব হইছিল


শেষ আপনার 'তাজমহল রোড' গল্পটা পড়ছিলাম তারপর বিরাট গ্যাপ ।

যেই লেখাটা রেডি করতেছেন তাড়া দেন তাহলে ব্লগে , অপেক্ষায় রইলাম ।
sopnerdin45 এনামুল রেজা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:২৮
মনে রাখছেন বইল্লা কৃতজ্ঞতা।>
sopnerdin45 এনামুল রেজা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৩১
ফিরসে গায়েব। আবার ইমো বিষয়ক জটিলতা!!

এখানের শীত হাড়ে ঘন্টা বাজানোর পায়তারা করছে এই শুরু থেকেই।

হুম, গ্যাপ তো আসলেই বেশি হয়ে গেছে দেখছি। কাল দেবার চেষ্টা করবো ভাইজান।

ভাল থাকুন খুব। ভালবাসা জানবেন।
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৩১
গল্পটা মনে রাখার মতই ছিল
sopnerdin45 এনামুল রেজা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৩৩
দিল খুশ প্রিয় কাছের মানুষ। একটা ভালবাসার গল্প আপনাদের এত্ত ভালবাসা পেয়েছে, ভাব্লেই বুকটা ভরে ওঠে।
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৩৩
ফিরসে গায়েব। আবার ইমো বিষয়ক জটিলতা!!

সমস্যা নাই এটা আমার হয় মাঝে মাঝে

ওকে কালকে আপনার লেখা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম
sopnerdin45 এনামুল রেজা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৪০
শুভকামনা এগেন।
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:২১
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৫৫
হাহাহা! শেষে দৃশ্যটি বেশ আচমকাই আসলো আমার দৃষ্টিতে। এমনভাবে শেষ হবে ভাবি নি। মজা পেলাম।

আক্কাসদের অবস্থা আজকাল ভালো না। জলিদেরও না।
তবে মেয়েরা সত্যিই যদি ছেলেদেরে কিডন্যাপ করতে পারে, তাহলে সমাজে আর ইভটিজিং থাকবে না।
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:০০


তবে মেয়েরা সত্যিই যদি ছেলেদেরে কিডন্যাপ করতে পারে, তাহলে সমাজে আর ইভটিজিং থাকবে না।


মইনুল ভাই, আজকালকার অনেক মেয়েরা কিন্তু ডেঞ্জারাস। অনেকদিন আগে পেপারে দেখলাম ইডেনে মেয়েরা চুলাচুলি/মারামারি করছি!!

আক্কাছ ভাই ও সেই ধরনের মেয়েদের পাল্লায় পরছে আরকি !
Rjamil রশীদ জামীল১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১৩
আক্কাস মিয়া তো বহুত কামেল আদমী দেখি
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:০৩
ভাইজান কামেল উপাদি দিলেন আক্কাছ কে ! সুবাহান আল্লাহ !!

এখন কেউ মুরিদ হইতে আইলে কিন্তু সব দোষ আপনার
Numan75 নুমান১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:০৪
পড়তাছি
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:১০
ওকে
asrafulkabir আশরাফুল কবীর১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:২৭
মেয়েটাও অনেকটা আক্কাছের মতই আল্টা মর্ডান। আসল নাম জলি আক্তার, হিন্দি সিনেমা দেখে নাম হয়েছে জলি কাপুর। আক্কাছেরও ঐ একই অবস্থা ছোট বেলায় নাম ছিল আক্কাছ মিয়া হিন্দি সিনেমার প্রভাবে হয়েছে আক্কাছ খান।

#একদম সরস লেখা, ঝরঝরে

#অভিনন্দন আপনাকে কাছের মানুষ,শুভেচ্ছা হিউমারপূর্ণ লেখাটি পোস্ট দেয়ার জন্য, পড়ে দারুন ভাল লেগেছে

#যদিও দুয়েকটি লাইনে স্যাটায়ার করেছেন তদুপরি শেষ দিকে নির্মল আনন্দ পেয়েছি এবং চমৎকৃত হয়েছি,দারুনস!...১৫ আউট অফ ১০...ভাল থাকুন
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৩৮
অনেক ধন্যবাদ প্রিয় কবীর ভাই।

আমি চেষ্টা করছি বিনোধনের মাধম্যে একটা মেসেজ দেবার জন্য। আপনাদের ভাল লেগেছে জেনে সত্যিই ভাল লাগছে।

আপনার মন্তব্যে লেখাকে অলংকৃত করেছে।

শুভেচ্ছা এবং ভালবাসা নিবেন
fardousha ফেরদৌসা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৪৫
চলচ্চিত্র একটা দেশের সংস্কিতি বিকাশের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। অথচ আমাদের চলচ্চিত্রে ঘুরে ফিরে সেই একই কাহিনী। নায়ক গরীব, গেরেজে কাজ করে, নায়িকা বড়লোকের একমাত্র কন্যা। নায়িকা দুমধারাক্কা ঘাড়ি চালিয়ে এসে দুনিয়ার আর কোন জায়গা পায় না, নায়কের পাছায় এসে ধাক্কা মারে। প্রতিবাদী নায়ক ঝাঝালো কন্ঠে বলে “মেম সাহেব, চোখ কি হাতে নিয়ে ঘুরেন! গরীব কে কি মানুষ মনে হয় না!!” নায়িকা এবার রেগে গিয়ে বলে উঠে “ছোট লোকের বাচ্চা তুই জানিস আমি কার মেয়ে? আমি চৌদুরী সাহেবের মেয়ে। আমার ডেডি জানলে তোকে কুকুরের মত গুলি করে মারবে ,ইডিয়েট, স্টুপিড” নায়ক এবার ইংলিশে বলে উঠে “ফার্দার ডোন্ট স্পিক ইংলিশ উইথ মি!” নায়িকা এবার নরম সুরে বলে “তুমি ইংলিশ জান! তুমি আসলে কে?” নায়ক বলে “আমিতো বিয়ে পাশ! চাকরী পাই নাই তাই গেরেজে কাজ করি।” নায়িকা শুনে মনে মনে ভাবে আহারে এই এরকম একটা তাগরা যুবককেইতো এতদিন খুজছিলাম। বাসায় গিয়ে সারারাত কোলবালিশ ঝরিয়ে ধরে বিছানার এপাশ-ওপাশ করতে থাকে নায়িকা তারপার কল্পনাতে গান। এই ধরনের গাজাখরি গল্প একের পর এক দেখিয়ে নির্মাতারা মানুষের মনে বিরক্ত উৎপাদন করেছে। তাই মানুষও দেশীয় চলচ্চিত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে ঝুকছে হিন্দি সিনেমার দিকে।


এই কথাগুলি একবারে আমার মনের কথা।

কিন্তুক আফনে জানলেন কেম্নে
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৫০
কিন্তুক আফনে জানলেন কেম্নে

আপু এই একই কাহিনী ছোট বেলা থেইকা দেখতে দেখতে মুখস্থ হইয়া গেছে ।

আগে দেখলে ভাল লাগত আর এখন দেখলে কেন জানি কমিডি মনে হয়
fardousha ফেরদৌসা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৫৩
শেষ পর্যন্ত আক্কাছের এমন পরিণতি

ভালাই হয়ছে, এই দেখে যদি ছেলেদের একটু হুশ ফিরে আসে
asrafulkabir আশরাফুল কবীর১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৫৫
fardousha ফেরদৌসা১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:৫৮
আক্কাছের মত ছেলেদের জন্য আমাদের দেশের মেয়েদের সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়।

আমরা ভুক্তভুগি তাই ইভটিজিং যে কি যন্ত্রণার একটা ব্যাপার খুব ভাল বুঝি।

কিছুদিন আগে আমার ছোট বোনের বিয়ে দিয়ে দিল শুধু এই ইভটিজিং এর জন্য
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:০৫
কিছুদিন আগে আমার ছোট বোনের বিয়ে দিয়ে দিল শুধু এই ইভটিজিং এর জন্য

আপু এটা আসলে সত্যিই দুখ্যজনক ।

আমাদের দেশটা বাইরের দেশের অনেকেই মেয়েদের জন্য জেলখানা বলে শুধু এই ইভটিজিং এর জন্য।
পত্রিকাতে মাঝে মাঝে দেখতে পাই অনেক মেয়েরা আত্তহত্যা করে এই ইভটিজিং এর শীকার হয়ে । এটা আমাদের জন্য লজ্জার
fardousha ফেরদৌসা১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:০৮
আমাদের দেশটা বাইরের দেশের অনেকেই মেয়েদের জন্য জেলখানা বলে শুধু এই ইভটিজিং এর জন্য।

আমিও তাই মনে করি

নিজের দেশে ও শান্তি নাই মেয়েদের

দেশে যে আসবো এইসব বাজে চিন্তায় অস্থির থাকি
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:১৮
কোরিয়াতে আমি দেখছি ছেলে মেয়ে বেদাবেদ নাই। এখানে মেয়েরা যখন খুশী ঘুরে বেরায় দিন্গরাত ছেলেদের মতই কোন ভয় নাই, একেবারে নিরাপধ ।

ইচ্ছে করে এই ধরনের ইভটিজারদের তামা তামা করে ফেলি
তাই সব রাগ ঝারি আক্কাছ ভাইয়ের উপর গল্পের মাধ্যমে

আমি আশাবাদি আমাদের দেশ ও একসময় এরকম নিরাপদ হবে।
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:১৬
বিরাট মজা পাইলাম ।
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:২১
মজা দিতে পেরে খুবই খুশীত

জাহিদ ভাই আপনাকে খুব কম দেখা যাচ্ছে ব্লগে ইদানিং নাকি আমি বেশী রাতে আসি !! অনেক দিন আপনার লেখা পাচ্ছি না !
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০১:২৬
আমি প্রতিদিনই একবার করে আসি ব্লগে । কেমন আছেন ভাই ? এখন কি করছেন ?
হ্যা, ইদানিং লেখা লেখি করার সময় কম পাচ্ছি ।
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:২৯
এইতো ভাই ভাল আছি । আপনিও ভাল আছেন আশা করি।

এখন তেমন কিছু করছি না, হাতের কাজ গুলো শেষ করে কবে দেশে ফিরব এই প্রতিক্ষায় আছি।
BABLA মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:২৪
প্রিয় কাছের মানুষ,
রসের হাঁড়ির ভেতরে দারুন শিক্ষা।
রস দিয়ে মানুষকে শেখাতে পারলে তা মনে থাকবে অনেকদিন।
আশাকরি দারুন সব শিক্ষনীর রস রচনা আপনার হাত থেকে বেরিয়ে আসবে।
চলতে থাকুক আপনার লেখনী রসরচনার রাজপথ ধরে।
শুভকামনা।

kabirbdboy কাছের মানুষ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১৩
আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম ।

গল্প ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল ।

অনেক শুভেচ্ছা নিবেন ভাই
toruntora তরুন্তরা খালিদ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:৩৩
জবর মজাইছেন!!!
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:২৮
মজা পেয়েছেন জেনে আনন্দিত হলাম
toruntora তরুন্তরা খালিদ২০ ডিসেম্বর ২০১২, ০০:২৯
ধন্যবাদ।
bdacca ঢাককা১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০১:২২
//
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৪২
Jalampwd আলম পিডাব্লিউডি১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ০৭:৪৭
অনেক মজার গল্প। শুভ কামনা রইল। ভাল থাকবেন।
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৫২
শুভেচ্ছা নিবেন ভাই।

পড়ে মজা পেয়েছেন জেনে সার্থক মনে হচ্ছে।
anindyaantar অনিন্দ্য অন্তর অপু১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৩৪
মেম সাহেব, চোখ কি হাতে নিয়ে ঘুরেন! গরীব কে কি মানুষ মনে হয় না!!” নায়িকা এবার রেগে গিয়ে বলে উঠে “ছোট লোকের বাচ্চা তুই জানিস আমি কার মেয়ে? আমি চৌদুরী সাহেবের মেয়ে।
anindyaantar অনিন্দ্য অন্তর অপু১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৪১
আক্কাস শেষে ধরা খাইল। ফার্মগেট এলাকায় এভাবে অনেকেই স্বর্বস্ব খুইয়ে আসে। অনেক সুন্দর একটা গল্পের জন্য অভিনন্দন গল্পাকার।
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:০৪
অনেক ধন্যবাদ অপু দা।

ফার্মগেট এলাকায় এভাবে অনেকেই স্বর্বস্ব খুইয়ে আসে।

আমাদের দেশে যে কত ভাবে মানুষকে মানুষ বোকা বানাচ্ছে !! দেশে যখন মোবাইলে জ্বীনের বাদশার উপদ্রপ দেখা দিছিল , আমাদের বাসাতেও একদিন গভীর রাতে ফোন করে বলে "আমি জ্বীনের বাদশা" হা হা
pramanik99 শ‍হীদুল ইসলাম প্রামানিক১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৪৫
গল্প ভাল লাগল। ধন্যবাদ
kabirbdboy কাছের মানুষ ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২৩:১৪
পড়েছেন জেনে কৃতজ্ঞ ।

শুভেচ্ছা নিবেন অনেক।
nomaansarkar নোমান সারকার২৫ ডিসেম্বর ২০১২, ১৮:৫২
হা হা হা অনেক অনেক হেসেছি। বেশি হাসলে বা আনন্দ হলে আমার খুব চা খেতে ইচ্ছে করছে ,এখন ও তাই। খুব খুব মজা লেগেছে। অনেক কিছু আছে একটা গল্পে। খুব সুন্দর উপস্থাপনা । অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।
kabirbdboy কাছের মানুষ ২৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৫১
পড়ে মজা পাওয়ার জন্য আনন্দ লাগছে প্রিয় নোমান ভাই।

আমার পক্ষ্য থেকে চা -