সম্ভাবনাময় আমাদের অর্থনীতিঃ প্রয়োজন গতিশীল সঠিক কর্ম পরিকল্পনা
সমস্যা সঙ্কুল পরিস্থিতি অতিক্রম এর পরও বেশ কিছু সেক্টর এর উপর ভর করে বাংলাদেশ এর অর্থনীতি সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে।।।অন্তত পক্ষে বিভিন্ন অর্থনৈতিক সমীক্ষার প্রাপ্ত রিপোর্ট,বছর জুড়ে জিদিপির ক্রমবর্ধমান পরিসংখ্যান এটাই নির্দেশ করছে।এরপর ও কথা থেকে যায়,কোথায় যেন একটা গ্যাপ রয়ে যায় এখানে,প্রান্তিক পর্যায় এর জনগন অর্থনীতির এ সুবিধা টা যেন ভোগ করতে পারছেনা।ধনীরা সম্পদের পাহাড় বানাচ্ছে আর গরিবেরা অনেক ক্ষেত্রেই দারিদ্র থেকে আর ও দারিদ্র সীমার নিচে চলে যাচ্ছে।গত বছর জুন এর দিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিসংখ্যান থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু গড় বার্ষিক আয় ৩০৬৩৬/-টাকা,এবং পরিবারপ্রতি মাসিক গড় আয় ১০৬৪১/- টাকা।হয়তবা পুরো ব্যাপার টা বিশ্লেষণ করলে এ গড় আয় টা উঠতির দিকে তবে সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি অনুযায়ী ঠিক সন্তোষজনক নয়। একজন মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবার এ বাস করা মাত্র্ই যে কেউ ব্যাপার টা উপলব্ধি করবেন যে জীবন যাত্রা কতটা কঠিন।পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থা এই অর্থনৈতিক অসামঞ্জস্যতার জন্য বহুলাংশে দায়ি হলে, এর পেছনে রয়েছে সমাজের কিছু মানুষের এক চেটিয়া ভোগের ঐচ্ছিক শক্তি।ধনী গরীবের অর্থনৈতিক ব্যবধান এটা অতীতের সকল সমাজ ব্যবস্থায় ছিল, আজো আছে।আজ যেন সম্পদ আহরণ নেশার মত পেয়ে বসেছে।ধনী আর ধনী হচ্ছে,গরিব হচ্ছে আর ও গরিব।
বেশ কিছুদিন হয়ে গেল,বাংলাদেশ ব্যাংক এর প্রতিবেদন এর বরাত দিয়ে অনেক পত্রিকা একটা খবর প্রকাশ করে যে,দেশে মোট কোটিপতির সংখ্যা ২৮০০০।অনেক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ শেষে সেখানে বলা হয়েছে, কোটিপতির সংখ্যা আর ও বেশি। কারন,বাংলাদেশ এর ব্যাংক সমুহে যারা টাকা আমানত রেখেছেন,সে তালিকা থেকে হিসাব টি বের করা।অনেকেই দেশের বাইরের ব্যাংক এ টাকা রেখেছেন,তাদের হিসাব বেড় করা সম্ভব হয়নি।আবার এ ২৮০০০ কোটিপতি হচ্ছেন মোট আমানতকারির ০.৬% অথচ তাদের একাউন্ট এ জমা টাকার পরিমান মোট জমা টাকার এক তৃতীয়াংশ।এ থেকে বুঝা যায়,আমাদের দেশে সম্পদের অভাব নেই,তবে সেটা এক চেতিয়া দখলে চলে গেছে।গার্মেন্টস খাত হল বাংলাদেশ এর সব চেয়ে সম্ভাবনাময় একটা খাত।এই খাতের সম্ভাবনা কে মাথায় রেখে বাংলাদেশ কে দ্বিতীয় চীন হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে।অথচ আজো আমাদের দেশের শ্রমিকদের মজুরির দাবিতে রাজপথে নামতে হয়,দেশে আজো ৪০%এর বেশি মানুষ চরম দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করছে,তারা জিডিপির ঊর্ধ্বগতি বুঝেনা, সঠিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রনয়নের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায় এর মানুষ দের জীবন যাত্রার নিশ্চয়তার সাথে সম্পৃক্ত করলেই দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি পূর্ণদোমে আর ও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।।
বেশ কিছুদিন হয়ে গেল,বাংলাদেশ ব্যাংক এর প্রতিবেদন এর বরাত দিয়ে অনেক পত্রিকা একটা খবর প্রকাশ করে যে,দেশে মোট কোটিপতির সংখ্যা ২৮০০০।অনেক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ শেষে সেখানে বলা হয়েছে, কোটিপতির সংখ্যা আর ও বেশি। কারন,বাংলাদেশ এর ব্যাংক সমুহে যারা টাকা আমানত রেখেছেন,সে তালিকা থেকে হিসাব টি বের করা।অনেকেই দেশের বাইরের ব্যাংক এ টাকা রেখেছেন,তাদের হিসাব বেড় করা সম্ভব হয়নি।আবার এ ২৮০০০ কোটিপতি হচ্ছেন মোট আমানতকারির ০.৬% অথচ তাদের একাউন্ট এ জমা টাকার পরিমান মোট জমা টাকার এক তৃতীয়াংশ।এ থেকে বুঝা যায়,আমাদের দেশে সম্পদের অভাব নেই,তবে সেটা এক চেতিয়া দখলে চলে গেছে।গার্মেন্টস খাত হল বাংলাদেশ এর সব চেয়ে সম্ভাবনাময় একটা খাত।এই খাতের সম্ভাবনা কে মাথায় রেখে বাংলাদেশ কে দ্বিতীয় চীন হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে।অথচ আজো আমাদের দেশের শ্রমিকদের মজুরির দাবিতে রাজপথে নামতে হয়,দেশে আজো ৪০%এর বেশি মানুষ চরম দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করছে,তারা জিডিপির ঊর্ধ্বগতি বুঝেনা, সঠিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রনয়নের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায় এর মানুষ দের জীবন যাত্রার নিশ্চয়তার সাথে সম্পৃক্ত করলেই দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি পূর্ণদোমে আর ও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।।
লেখক ফয়সল চৌধুরী
- ফয়সল চৌধুরী -এর ব্লগ
- ৬ টি মন্তব্য
- ০৮ নভেম্বর ২০১২, ২২:৪৩
- অর্থনীতি
প্রিন্ট করুন
- ৬ টি মন্তব্য
-
পাহাড়ী০৮ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২৭
আমার তো মাথায় ঢোকে না , ওদের এত প্রয়োজন কিসের ?
মানুষের মিনিমাম জীবনযাত্রার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব । -
মাইনুল আমিন০৯ নভেম্বর ২০১২, ০৩:৩৪
প্রিয় ফয়সাল ভাই
আপনার তথ্যনির্ভর লিখাটি চমত্কার হয়েছে । শুভকামনা রইলো আপনার জন্যে । চালিয়ে যান ---------
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
সম্পদের সমবন্টন জরুরী। চমৎকার একটা পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।