আমার একা থাকা-২ (হরর)
কোনদিন জীবনে ভয় পাইনি। ভয় পেতে কেমন লাগে জানার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু এখানে ঠিক ভয় পেলাম না। যন্ত্রণা হচ্ছিল শব্দ শুনে। ধারের কাছে কাউকে দেখতে না পেয়ে আমি হাটা শুরু করলাম। চোরের ভয় নেই। আমার বাড়িতে এমনিতেই কিছু নেই। তাও যা আছে চুরি হলে বেচে যাই। ট্রেনে করে বার বার বহ্ন করতে হয়না তাহলে। মা যে কেন বাড়তি জিনিস ধরিয়ে দেয় আমি বুঝি না। হাটতে ভাল লাগছে। জায়গাটার নাম মাটিকাটা। ঢাকায় এ জায়গা মনে হয় বেশি মানুষ চেনে না। চিনলে এত ফাকা থাকতো না। খোলা জায়গায় হেটে বেশ চাঙ্গা লাগতে লাগল। বেশ অনেকদুর হেটে একটা হোটেলের দেখা মিলল। কিছু ভাত সব্জি দিয়ে চমৎকার রাতের খাওয়া হয়ে গেল। পাশে বসা এক ভদ্রলোকের সাথে কথাও হলো। আমি কোথায় থাকি শুনে জায়গাটা চিনতে পারলো না। আসলে দূরে তো। আমিও আর চেনাতে গেলাম না। কি দরকার? মানুষ যত কম চিনবে, আমার জন্য ততই ভালো। আমি বাড়ীর দিকে রওনা দিলাম।
বোধহয় আনমনা হয়ে হাটছিলাম, এত অন্ধকার হয়ে আসবে বুঝতে পারি নি। হোটেলের ওদিকে এত অন্ধকার ছিল না। আমাদের মফস্বলেও এত অন্ধকার নেই। নিজের মোবাইলের টর্চটা বের করে নিলাম। কেন জানি মনে হল, গোমোট এই আঁধার রজনী আমার ওপর নারাজ হল। কতক্ষণ হেটেছি মনে নেই। যাওয়ার পথে এক পাখিওয়ালার সাথে দেখা হয়ে গেল। এক হাতে হারিকেন দিয়ে আমাকে তার অপূর্ব সুন্দ্র কাকাতুয়া পাখিটা দেখাল। অনেকদিনের শখ আমার পাখি পুষবো। মায়ের জন্য কখনো হয়ে ওঠেনি। তাই এবার কিনেই ফেললাম। বাড়িতে গিয়ে খাঁচাসহ ঝুলিয়ে দিলাম সেটাকে। কোনো ধরনের শব্দের কথা আমার মনে রইল না ।
সকালে উঠে পাখিটার নিখুঁত কংকাল দেখতে পেলাম। খাঁচার দরজা বন্ধই ছিল। কেউ যেন যত্ন করে হাড়ের বাকি অংশ গায়েব করে দিয়েছে। বিচিত্র ব্যাপার হচ্ছে আমি খাঁচাতে কোনো পালকও খুজে পেলাম না.......(চলবে)
বোধহয় আনমনা হয়ে হাটছিলাম, এত অন্ধকার হয়ে আসবে বুঝতে পারি নি। হোটেলের ওদিকে এত অন্ধকার ছিল না। আমাদের মফস্বলেও এত অন্ধকার নেই। নিজের মোবাইলের টর্চটা বের করে নিলাম। কেন জানি মনে হল, গোমোট এই আঁধার রজনী আমার ওপর নারাজ হল। কতক্ষণ হেটেছি মনে নেই। যাওয়ার পথে এক পাখিওয়ালার সাথে দেখা হয়ে গেল। এক হাতে হারিকেন দিয়ে আমাকে তার অপূর্ব সুন্দ্র কাকাতুয়া পাখিটা দেখাল। অনেকদিনের শখ আমার পাখি পুষবো। মায়ের জন্য কখনো হয়ে ওঠেনি। তাই এবার কিনেই ফেললাম। বাড়িতে গিয়ে খাঁচাসহ ঝুলিয়ে দিলাম সেটাকে। কোনো ধরনের শব্দের কথা আমার মনে রইল না ।
সকালে উঠে পাখিটার নিখুঁত কংকাল দেখতে পেলাম। খাঁচার দরজা বন্ধই ছিল। কেউ যেন যত্ন করে হাড়ের বাকি অংশ গায়েব করে দিয়েছে। বিচিত্র ব্যাপার হচ্ছে আমি খাঁচাতে কোনো পালকও খুজে পেলাম না.......(চলবে)
লেখক শাহরিন
- শাহরিন -এর ব্লগ
- ৭ টি মন্তব্য
- ১২ জুলাই ২০১১, ১৮:২২
- গল্প
প্রিন্ট করুন





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
তাও ভালো লেগেছে, পরবর্তীর অপেক্ষায়