তবুও তুমি ফিরে তাকালে না।
বজ্রপাতে ঝলসে গেল
আমার প্রবাহমান জীবন খানি।
আমার মনের গহীন বনে
ছিল আরও একটি জগৎ।
সেখানে ছিল পাখি,
পাখির কিচিরমিচির ধ্বনি
ছিল ফুল-ফুলের সুরভী।
মাঝরাতে ডেকে যাওয়া দোয়েলের
মৃদু ছন্দও ছিল।
ছিল আম্রমুকুল-মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ।
কাল বৈশাখীর তান্ডব লীলায়
সবি ধ্বংস হয়ে...
সব পুড়ে ছাই হয়ে যাবে
পুড়বে না এই বাংলা।
রং তুলিতে এঁকে যাব
এই বাংলার ছবি।
হায়েনারা আর আঘাত হানতে পারবে না।
ছিঁড়ে ফেলতে পারবে না আর
এই কবিতার পাতা।
প্রতিটি মলাটের ভাঁজে ভাঁজে আছে জমাট রক্ত
থমকে দাঁড়াতেই হবে ওদের।
ওরা জেনে গেছে নিঃস্বার্থে রক্তদানের ইতিহাস
এতটুকু কাঁপেনি আমাদের...
আমি ছন্দওয়ালা ছদ্মবেশী
হিম হয়েছি------
যখন কালের সীমা শুন্য।
তপ্ত আমি রক্ত স্রোতে
যাচেছ যখন তরী ডুবে
বৈঠা আমার নাই...।
এ কূল ও কূল শেষ যে আমার
ভাসি যখন নয়ন জলে-
প্রেমের মালা বাড়ায় জ্বালা
স্তব্ধ আমি চুপটি বলি
ফিরিয়ে দাও আমার জগত।
সু নয়না সু কন্যা
ভাসছো যখন সুখের জলে
একলা আমি...
চঞ্চল হব,সংগ্রামী হব,মোরা হব বড় বীর
পৃথিবীর বুকে গাব জয়গান বাঁধব সাহসের নীড়।
আসুক শত বাধা বিপদ হব নাকো পিছু পা
জয় মোদের হাতের মুঠোয় এগিয়ে তবে যা।
আমরা যাব তোমরা যাবে যাব মোরা এক সাথে
শত সংগ্রাম কাটিয়ে দেব জীবনের প্রতিঘাতে।
জীবনের পথে আসে দুঃখ,সুখ,কান্না
তাই বলে কি থেমে রব ! তা কখনো...
( গল্পটা রোজার ঈদের আগের দিন ওপারে চলে যাওয়া জারিন কে স্মরণ করে লেখা-২০১২ )
ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ্ মানে খুশি। প্রতিবছর এই ঈদ আসে নতুনরুপে নতুন আনন্দ নিয়ে। আবার কিছু কিছু ঈদ আসে দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে যা সত্যিই কষ্টের। আর মাত্র একদিন পর ঈদ তাই ঈদকে সামনে রেখে গত ঈদের কিছু ঘটনা বার বার আমার মনে দাগ...
এ বেলা শেষ।
ও বেলায় চেয়ে দেখি
কিছুই করিনি অর্জন।
এ পাশে ওঠা সূর্য্য
ও পাশে ডুব দিয়েছে।
জীবনের কালো পৃষ্ঠার
যেন মিলন ঘটলো-
ডূবন্ত সূর্যের দিয়ে যাওয়া
ঘনঘটা অন্ধকারে।
মেঘে আচ্ছন্ন আকাশে
চাঁদ দেখিবার প্রতিক্ষা
ঘোর পাগলামি আমার।
এ পাশে বসে আছি
কেউ যেন ডাকছে ও পাশে
ভাবার সময়...
আমি বড় অলস রে ভাই
শুয়ে বাজায় বীণ।
যেদিন আমি চালাক হব
থাকবে না আর দিন।
দিন যদি আর নাই থাকে
আসবে তবে রাত।
রাত আসলে আমি যে ভাই
আবার হব কাত।
শুই যে আমি মাঝ রাতে
উঠি দুপুর বেলা।
এর মাঝে জগতের সব-
শেষ হয়ে যায় খেলা।
সন্ধ্যা বেলায় বাহিরে যাই
ওরে আমি হিরো-
কাজের বেলায় জিরো আমি
ঘোরার...
ধরণীর পেট আজ ফেঁপে উঠেছে
হজম শক্তি হারিয়ে অচল এক যন্ত্র সে
এক পেয়ালা সুরা যেন এক সাগর গরল হয়ে
…………লেগে আছে তার গায়।
হারামির হারাম উপার্জন,ধোকা বাজির অজুহাত
ধরণীর বুকে বিঁধেছে লোহার করাতের মত করে
রক্ত বমিতে লেপ্টে আছে কবিতার সমূহ পাতা।
আত্নচিতকার আর হাহাকার বাতাসের গায়ে লেগে থাকে...
আমি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রনিক্স এন্ড টেলিকমনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়াশুনা করছি। লেখা লেখি একটু ভাল লাগে। তাই আমার কথাগুলি আপনাদের সাথে একটু ভাগাভাগি করি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। সবার জন্য আমার শুভ কামনা রইলো ।