তিনখানা অণু-কাব্য
এক (চোরদের ঝামেলা)
বঙ্গদেশের চোরদের অনেক ঝামেলা ;
কারণ সবাই ঘরের দরজায় ব্যবহার করে বড় বড় সাহারা মার্কা তালা;
তাই চোরদের চুরি করতে হয় কেটে গিলের জানালা ।
দুই (ছলনা)
তুমি বড় সুন্দরী ললনা ।
তোমার রূপের কাছে চাঁদের পূর্ণিমা...
মা হয়ে তোমায় বেঁধেছি স্নেহের আঁচলে ।
কন্যা হয়ে তোমায় সম্মান করেছি ।
প্রেমিকা হয়ে তোমায় ভালবেসেছি ।
আর তুমি,
দেখেছ আমায় শুধু কামনার বস্তু হিসাবে
তোমার চোখে আমি কি শুধু ভোগের পণ্য?
ছি তোমার চিন্তা কত জঘন্য ।
পাশবিকতার করাঘাতে দুমরে মুচরে দিতে চাও আমার আত্মসম্মান,
তোমার অক্ষমতা...
আমি আমার সাথে করছি লড়াই,
অহেতুক না করি বড়াই।
পাশবিকতায় যেন কোন পশুকে না হারাই।
অসৎ পথ যেন না মাড়াই।
অন্য লোকেরে লুটে যেন নিজের পয়সা না বাড়াই।
মিথ্যা বলে যেন সত্যকে না ভুলাই।
লোভের বশে যেন বিবেককে না বিকাই ।
ক্ষমতার লোভে যেন হাত মানুষের লাল রত্তে না রাঙ্গাই।
আমি আমার সাথে প্রতিনিয়ত...
আমি কেন এত উল্টা-পুলটা বন্ধু
কেন হুশ হয়না, পরীক্ষায় হাজার বাঁশ খাওয়ার পর;
কেন ঘুরতে ইচ্ছা করে দেশ হতে দেশান্তর হয়ে যাযাবর;
কেন ইচ্ছা করে প্রথম Crush খাওয়া হিন্দু ছেলেটার হাত ধরে ঘুরতে পথে প্রান্তর;
কেন মন্দিরের ঢাকের শব্দ কাঁপায় অন্তর;
কেন নিস্তবতা কানে শোনায় সন্মোহনি মন্তর;
কনে...
তুমি স্বর্গের দেবতা, শত গুণের অধিকারী ।
আর আমি মর্ত্যের সাধারণ নারী ,
আমি তোমার প্রেমে পড়ি,
এত বড় স্পর্ধা কি করে করি ?
আমি তো কেবল তোমায় পূজিতে পারি ।
বিপদে তোমার আশ্রয় ভিক্ষা চাইতে পারি ।
এর চেয়ে বেশী দাবি কী আমি করতে পারি ?
কি করে ভুলি আমি তুমি স্বর্গের দেবতা, শত গুণের অধিকারী...
মা তোমাকে খুব কাছ থেকে ধরে দেখতে চাই ।
তোমার গায়ের মিষ্টি গন্ধ শুকে দেখতে চাই ।
তোমার মমতা মাখা হাতের পরশ পেতে চাই ।
ইচ্ছে করে তোমার কোলে মাথা রেখে প্রশান্তিতে ঘুমাই ।
তোমার বকুনি খেয়ে কান্নায় বুক ভাসাই,
বোকা বোকা কথা বলে তোমাকে হাসাই ।
মা কোনদিন বলতে পারিনি ভালবাসি তোমায়,
তোমায় একলা...
ইহা একটি ব্যঙ্গ কবিতা লিখিবার ব্যর্থ প্রচেষ্টা
ভাল শুধু আমি ৷
বাকি সব হারামি ৷
আমি নাকি মানুষের টাকা মেরে কিনি বাড়ি গাড়ি দামী ৷
আমি নাকি ক্ষমতা লোভে করে বেড়াই চামচামি ৷
আমি নাকি চার চারটা খুনের আসামি ৷
দুধে ধোয়া তুলশী পাতা আমি ৷
ফুলের মতো চরিএ আমার –জানেন অন্তর্যামী ৷
খালি খালি লোকে...
পএিকার পাতায় খুব ছোট করে এই খবরটা ছাপা হয়েছিল- ছেলেটা মেডিকেল কলেজে
পড়ত ৷ বড় ডাঃ হবে সে একদিন মানুষের সেবা করবে সে ৷ তার এক শিক্ষক বলল
না না তার এই আকাহ্মা কিছুতে পূরণ হতে দেয়া যাবে না ৷ কারণ সে কথা বলার
সময় একটু তোতলাতো ৷ শিক্ষক তাকে চরম অপমান করে বলল- ঠিক মত কথাই তো বলতে
পার না,...
ইহা একটি ব্যঙ্গ কবিতা ৷ ইহা পড়িয়া কেহ মমাহত হইলে আমি মোটেও দুঃিখত নই ৷
পে্রম না ছাতা
ঘোড়ার মাথা
অহেতুক মাথার ব্যথা
সারাক্ষণ শুধু শোন ফালতু কথা
না শুনলে কপালে আছে শলার ঝাটা
মেজাজ তো নয় যেন বিদুতে্যর ছটা
ঝগড়া মাতে সে করে বড় ঘটা
তার সাথে থাকতে গিয়ে আমার বেজেছে বারোটা ৷