নিমজ্জনের ভেতর নিমগ্নতায় দূর কোন দেশে স্বজন খুঁজে যায় কেও
তাকিয়ে থাকি তাকে দেখে ডানা মেলা পাখি উড়ে যায় ছোট হয়ে
যারা গেছে ভুল পথে ভুল মানুষ নয় মোটে
ফিরে আসে কোন দিন- জেনে গেলে
জীবন শূন্য হয়ে ভূমিকা টানে।
সময় আলিঙ্গনের থেকে প্রিয়- কী হতে পারে?
আবদুর রাজ্জাক
আমিও এমন ছিলাম একগুঁয়ে এক রোখা আনাড়িপনায়
চোখের ভাষা বুঝতাম না। মনের ভাষা! তাও না।
রাত-বিরেতে কেন তাকিয়ে থাকতাম?
জানলা খুলে পাশের বাড়ির দালান, আড়াল করা আকাশ
চাঁদটা আমি সাথে সাথে দেখতে পাই না। অপেক্ষাতে অনেক সময়
তবুও থাকি। মেঘর ফাকে একটু এসে যখন তাকায় অবাক হয়ে...
(কদিন ধরে কেন যেন আলস্য ভিড় করেছে সারা শরীরে। গল্পটা লেখা হল ভাল করে দেখা হল না। বানানে কিছু সমস্যা থাকতে পারে। বানান সচেতন পাঠক একটু শুধরে পড়বেন। আপনাদের এই কষ্টের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।) একটা গল্প লিখতে হবে আবদুর রাজ্জাক
এক
সারাদিন এলামেলো বৃষ্টি।...
আবদুর রাজ্জাক
যদি ফিরে এসো তবে তোমায় বলবো
বেদনায় জেগে উঠা রাতের কথা
বৈশাখে তপ্ত বাতাসে দিক বি দিক ছুটে চলা মন
কত দূরে, কত দূরে কাকে খুঁজেছিল
চোখ বেধে মনে করেছিল কানা মাছি
সেই আছি
যদি ফিরে এসো এই ধুলোর জলসায়
মেঠো পথে, আবার ঐ হাতে বিশ্বাসের ডালা তুলে দেব
যাবো না কোথাও..
আবদুর রাজ্জাক
অতৃপ্ত আত্মা আর রাতজাগা পাখি- ঘুরে বেড়ায় চারপাশে
ঘুট ঘুটে অন্ধকার, আলো নেই- দেখা যাচ্ছে না কিছু
ঘর হারা বুনো শরীর যাবেই, খুঁজে নেবে প্রাকৃত প্রমাণ
দূরে অতি উৎসাহী পাখি নিশিগন্ধা প্যাঁচা
গেয়ে যায় গান, কেও যেন কাছে এসে মিহি সুরে
ঘার নেড়ে দিল, শুধল- দিন গুলো...
আবদুর রাজ্জাক
(বাঙালি মুসলমান বিশেষত উচ্চ বংশীয় মুসলমান বরাবরই বাঙালিয়ানাকে নাক সিটকে এসেছেন। তারা প্রায়ই নিজেদের আরব দেশ থেকে আগত কোন মহামানবের উত্তর পুরুষ বলে দাবি করতেন। আমাদের বংশ সৈয়দ। আমার এক দাদিকে (আমার বাবার ফুফু) প্রায়ই বলতে শুনেছি আমরা নাকি আরব হইতে আগত। কিন্তু আমার বাবা এ ধারণা...
দরোজায় দাঁড়াতেই বেজে উঠল ঘণ্টাধ্বনি। এখানে আসার সাথে সাথে একটা কাল বিড়াল দৌড়ে পালাল। এ পাড়ায় এর আগে কাল বিড়াল দেখিনি একটাও। শম্পা বলেছিল সে মরে গিয়ে কাল বিড়াল হবে। শম্পা মরেনি। তবে তার আত্মা আমার চারপাশে ঘুর ঘুর করে। অভিশাপ দেয়। কারণ তাকে আমি একবার রাতে ঘুরে বেড়ান বাদর...
আবদুর রাজ্জাক
শূন্য এ দুয়ার খুলে দাও, বন্ধুর ডাক এসেছে
উজানে ডেকেছে সভ্যতা নামের নাও
তাতে চড়ে আরো উজানে ছুটে যাও
আমি দৌড়ে দৌড়ে ক্লান্ত হব না- বলে বেড়াব পূর্ণিমা চাঁদ উঠেছে
দুটো চাঁদ একসাথে নিয়ম না মেনে
এ পারে ও পারে অনবরত আধারে আলো হয়ে আছে...
অসম্ভব বাড়াবাড়ি আর জানার যথেচ্ছা আগ্রহই কাল হয়েছে
জেনে গেছ এ বিশ্ব চরাচরে এর থেকে ভাল আর নেই
অহিংস নই বলে কিছু কিছু বিষয়কে বড় ঈর্ষা করি
তাই ভাল করতে চাইলেও দূরে তাকানোই শ্রেয়তর হয় কখনও
অবাক বিস্ময় কিছুটা নিজের প্রতি ঢেলে
উড়ে যেতে ইচ্ছে করে অন্য কোথাও
একা...
জটলা পাকানো একচোখা দানবের দেশে এসে দেখি
সব কিছু এক রঙে দাঁড়িয়ে
অন্তরে নেই কিছুই বাহ্যিক আবরণে আবির ঢেলে;
পথের ধারে উবু হয়ে পড়ে থাকে
সুযোগ পেলেই শুভাশুভ গিলে খায়
দম টেনে নিয়ে আসে নাকের ডগায়...
তত্বাবধায়ক সরকারের মত একটি অনির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন করার মাঝে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সম্মানের কিছু নাই। অতীতে আওয়ামীলীগ তত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন করেছে বিএনপিও করেছে। তাদের আন্দোলনের ফসল হিসাবে তত্বাবধায়ক সরকারগুলো এসে নির্বাচন করেছে। এই নির্বাচনগুলোর ভেতর একটি কিংবা দুটি...
দেশে উল্টা পাল্টা কি সব হইতাসে। মতিন চা খায় আর মানুষের কথা শুনতে শুনতে নিজ মনে নানা কথা বলে। মকবুল মিয়া অফিস থেকে ফিরেছে। যাবার আগে মতিনের সাথে তার কথা না বললে ভাল লাগে না। কিরে মইত্তা পাগলা একলা একলা কি কস? মকবুল মিয়ার ডাকে মতিন মাথা তুলে তাকায় আর বলে- না কিছু না। মকবুল মিয়া জানে মতিন কিছু...
জ্বালো জ্বালো আগুন জ্বালো। হ্যাঁ ওরা আগুন জ্বালাতে চায়। ওরা বলতে কারা। ওরা সবাই। কোন কিছু হলেই আগুন জ্বালো। আগুনটা আসলে শীতার্ত মানুষকে একটু উষ্ণতা দেবার জন্য নয়। ধ্বংস করে দেবার জন্য। আগুন কোথায় জ্বালবে। জ্বালবে বাস গাড়িতে। ট্রেনে। ধর্মীয় উপাসনায়। পথে পথে পোড়ায় কাকে? নিজের সম্পদকে। তারা আমাদের...
সকল প্রকার অপশাসন, অপরাজনীতি, অপপ্রচার, অপরাধ দমনের জন্য দরকার গণমুখী রাজনৈতিক নীতি আদর্শের। কিন্তু লুটপাটের সভ্যতায় সে চর্চার ঘাটতি মানুষকে অসহায় ছাড়া আর কিছু করতে পারে না। রাজতন্ত্রের দেশে জনগণ যে শুধুই গণতন্ত্র বলে চিৎকার করে তাও কি প্রকার তামাশা সেটা ভেবে দেখার কারও সময় হবে না কোন দিন। তাই...
বিকট কটু গন্ধে নাক কুচকে আছি। নাম পরিচয়হীন এক মেয়ে
তার লাশ এসে পৌঁছেছে এ চত্বরে
সে মরে গিয়ে বেঁচে গেছে। তারপরও বাঁচল কি সে?
মাথায় পট্টি বেধে দাঁড়িয়ে গুটিকয়
ভাষণে মুখরিত করে দিতে হবে তার চলছে প্রস্তুতি
আর নানা সংশয়। কথা বলা হয়ে উঠবে তো!
নিজেকে সাহিত্য কর্মী হিসাবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। লেখালেখির শুরু কবিতার মাধ্যমে। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, মৃত্তিকা ও লতার বিকাশ ও পথশূন্য এক টুকরো পাথর। গল্প, উপন্যাসে দক্ষতা অর্জন করার চেষ্টায় আছি। চাই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা মুক্ত এক বিশ্ব। ভালবাসি আড্ডা দিতে, মানুষের মঙ্গলে কাজ করতে।