শারীরিক ভাষার মজার মজার কিছু অর্থ রয়েছে।শারীরিক অঙ্গ ভঙ্গি গুলো সব জায়গায় এক অর্থ প্রকাশ করে না। আজ যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো সেটা হল বৃদ্ধা আঙ্গুল প্রদর্শন।আপনারা সকলেই জানেন বৃদ্ধা আঙ্গুল প্রদর্শন সব যায়গায় এক অর্থ প্রকাশ...
আজও সেই মুকুল ভরা আম বাগানের তলে পিঁপড়া হেটে যায়,
ডালে দোয়েল লেজ উঁচিয়ে নাচে ।
হলুদ ইষ্টি কুটুমরা হঠাৎ দেখা দেয়।
ঘুঘুরা প্রায় হারিয়ে গেছে মানুষের লোভে ,
বাগানের পরিধি আর আগের মত নেই।
জায়গা করে নিয়েছে বসত বাড়ি ।
আজ অনেক দিন পর হাঁটলাম সেই চেনা পথে ।
ভেতরের শূন্যতা টেনে নিয়ে গেল...
দুঃখ চাই পুড়ে সোনা হব।
অনেক বাধা পার হতে চাই ,
চাই হতে সত্যের মুখোমুখি ।
অন্ধকারের অলি গলি সুরঙ্গ গুলি একবার দেখব ।
ঢাকা পর্দার আড়ালের জু জু টাকে বের করে দেব ।
সে আর কাওকে দেখাবে না ভয় ,
পোষ না মানা পাখি উড়বো রঙ্গিন সব আকাশে ।
সব রঙ এক করে, আঁকবো একটা সুখের ছবি ।
সত্য কেনা বেচার...
গত চার পর্বে আপনাদের সামনে শারীরিক ভাষা কি সে সম্পর্কে ধারণা দেবার চেষ্টা করেছি।আজ থেকে শুরু হল শারীরিক ভাষার বিস্তারিত আলোচনা।শারীরিক ভাষা আমাদের জীবনের বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে, তা আমি পূর্বে ধারণা দিয়েছি।শারীরিক ভাষা বুঝতে হলে তিনটি বিষয় খেয়াল রাখা খুব জরুরী।
১।শারীরিক ভাষা কীভাবে আমাদের ভাষা...
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি অখণ্ড ভুমি,স্বাধীনতা আর লাল-সবুজের পতাকা।আমাদের দেশ সম্পর্কে যাদের ধারণা নেই, তাদের কাছে হয়তো লাল-সবুজের পতাকা এক খণ্ড কাপড় মাত্র।লাল-সবুজের একখণ্ড কাপড় নিছক আমাদের কাছে একখণ্ড কাপড় নয়,এটা আমাদের স্বাধীনতা ও দেশের প্রতীক।এবার আসা যাক মূল...
উপমহাদেশের চলচ্চিত্র মূলত বাঙালিদের হাত ধরেই যাত্রা করে । বাংলাদেশের মানিকগঞ্জে জন্ম গ্রহন করা হিরালাল সেনের হাত ধরে ১৮৯৮ সালের দিকে বাংলা তথা উপমহাদেশের চলচ্চিত্র-এর গোড়াপত্তন হয়।
১৯৫৫ সালে আব্দুর জাব্বার খানের ‘মুখ ও মুখোশ’ দিয়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এক নতুন দিগন্ত শুরু হয়। ষাটের দশকে...
আমাদের জীবনটা অনেক ছোট,আর এই ছোট্ট জীবনে করতে হয় অনেক কাজ,তাই ব্যস্ততা আমাদের নিত্য সঙ্গী।নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার দুরন্ত প্রয়াস আমাদের সকলের।দুবেলা দুমুঠো ভাতের জন্য হয়তো কারো জীবন যুদ্ধে নামা, নয়তো সম্পদের নেশায় নিজেকে সমর্পণ।দুরন্ত-ব্যস্ত জীবনে ছোট ছোট অনেক বিষয় আছে যেগুলো, এড়িয়ে যাচ্ছি...
এর আগের পর্বে আপনাদের সাথে শারীরিক ভাষার একটা সামগ্রিক ধারণা দেবার চেষ্টা করেছি ।আজকের বিষয় হল শারীরিক ভাষার সাথে আমাদের শরীরের কোন কোন বিষয় ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলো বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ ।
সাংবাদিকতায় বস্তুনিষ্ঠতা এক অপরিহার্য বিষয় বলতে গেলে সাংবাদিকতার প্রান বলতে পারেন । আসলে বস্তুনিষ্ঠতা কি ? আমরা সাধারন ভাবে বলতে পারি কোন দলকে পক্ষপাতিত্ব না করা । মোদ্দা কথা বিষয়টা বাড়িয়ে বা কমিয়ে না বলা বা লেখা । আসলে সাংবাদিকতা এমন এক পেশা যেখানে নিজের মন্তব্য লেখার কোন সুযোগ নেই । আপনি যা...
শারীরিক ভাষা, এই শব্দটার সঙ্গে আমাদের পরিচয় আছে তবে,আমাদের শরীর যে কত ভাবে ভাষা প্রকাশ করতে পারে সে সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা নেই বললেই চলে।আমাদের হাসি-কান্না,সুখ-দুঃখ,উচ্ছ্বাস–হতাশা,ইশারা-ইঙ্গিত,সত্য-মিথ্যা,ভালবাসা-ঘৃণা,আত্মবিশ্বাস এরকম বিষয় গুলো শারীরিক ভাষার সাথে সম্পৃক্ত।শারীরিক ভাষা আপাত...
আমি মানি না নিয়ম বাঁধা ।
করি না আপোষ অন্যায়ের সাথে।
প্রতিটা নিয়ম জন্ম হয় ভাঙার জন্যে ।
তোরা সময় বুঝিস না বোকা হাঁদারাম !
সময় থেকে অনেক দূরে চলে গেছিস তোরা ।
নিয়ম নিয়ম করতে করতে হারিয়ে যাচ্ছে সময় ।
আমি বলছি না নিয়ম গুড়িয়ে দিতে ,
সময় , পরিস্থি , চাহিদাও বুঝিস না তোরা ।
তোরা...
মরীচিকা হাতছানি দিয়ে ডাকে ।
সে চলে যায় দূর থেকে দূরে ,
আমি দুরন্ত দুর্বার ছুটছি পাবার আশায় ।
আর কত ছুটলে ধরা দেবে বল !
আমি উন্মাদ আমি অস্থির ।
ভেতরে ভালবাসারা খেপিয়ে তুলেছে ,
আমি তৃষ্ণার্ত মেটাতে হবে পিয়াস ।
আমি আর পারছি না শুকিয়েছে ভেতরটা ।
একটু জল চাই, মেটাবো তৃষ্ণা ।
কেন...
নেই দুরন্ত দিন ,কই গেছেরে হারিয়ে ?
ভেসে বেড়ানো ছুটন্ত কিশোর সময় ।
নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব, অসিম আগ্রহ আনন্দময় দিন ।
হারিয়ে গেছেরে ফিরে পাব না আর ।
হারানো দিন মুক্তার মত হাসে হঠাৎ!
সময় তো চলে যায় , যায়না রাখা ধরে ।
তবুও হারানো দিন যায় না...
আমি মুক্তমন । আমিও পৃথিবীর একজন । আমারও পৃথিবীর আলো বাতাস শিল্প সংস্কৃতি চেখে দেখবার অধিকার আছে । আমি সংকীর্ণ নই । আমি সিমাবদ্ধ নই । দেশ ,ধর্ম,বর্ণের খাঁচায় বন্দি নই ।আমার মন মুক্ত তাই চিন্তায় স্বাধীন । আমি যুক্তি দিয়ে বুজতে চাই তাই বলে অন্ধ বিশ্বাসীদের নিয়ে ঠাট্টা করি না । বিশ্বাসে আমার অগাধ শ্রদ্ধা । আমি এক রোখা নই , কট্টর নই । সবার মতকে গভীর ভাবে বুজতে চেষ্টা করি ।যুক্তিতে আমি সব মেনে নেব তাই বলে কারো প্রতি ভালোবাসার কমতি হবে না । যা কিছু ভালো আমি দু হাত পেতে নেব । খুঁজে বেড়াই ভালোবাসা । খুঁজে বেড়াই নিজেকে । পথে চলতে চলতে কুঁড়িয়ে বেড়াই জ্ঞানের ফুল । সে ফুল কতটা সৌরভ ছড়ায় সে আমি জানি না । যে স্রষ্টার সৃষ্টি আমি সে থাকে আমার হৃদয়ে । স্রষ্টার সাথে কোন সওদা নয় । নেই স্বার্থের কচকচানি । নেই ভয়, নেই লোভ । শুধুই ভালোবাসা বিনিময় । আমি তার দাস নই আমি তার অতি যত্নেগড়া এক সৃষ্টি । আমি তার ভালোবাসার প্রতিক । স্রষ্টা সৃষ্টির প্রেমে জগত হয়েছে বৈচিত্র্যময় । স্রষ্টার অস্তিত্ব সৃষ্টিতে সৃষ্টির অস্তিত্ব স্রষ্টায় । স্রষ্টা সৃষ্টি মিলে মিশে একাকার । ভালবাসি যেতে গভীর থেকে গভীরে ।রহস্যের জালে আটকে গেছি । জানি রহস্যের বাঁধন খুলবে না কোনদিন । মাঝে মাঝে জীবনের মানে খুঁজে পাই না।হতাশা ঘিরে রাখে আমাকে । কখনো ভাবি সুখের জোয়ারে ভাসছি আমি পরক্ষনেই ভাবি দুঃখ এসে গ্রাস করে নিচ্ছে। মন আমার হাজার ধাঁধার দোলাচলে দোলে । এলোমেলো ভাবনার ভিড় আমার মনে । জানি মারা – মারি , হানা – হানি , অন্ধ অনুকরন , অন্যায় কখনো শেষ হবার নয় । পৃথিবীর সব মানুষ যদি ভালো হয় তাহলে পৃথিবীর অস্তিত্ব হবে বিলীন । পৃথিবীর ভারসাম্য হবে নষ্ট । শুধু চাই ভালো মানুষের বেড়ে চলুক অবিরাম । পৃথিবী স্থির নয় তাই বদলে যাচ্ছে সব তাই আমিও বদলে যাচ্ছি সময়ের হাত ধরে ।আমার মধ্যেও বাসা বাঁধে স্বার্থ , হিংসা ,ক্রোধ তবুও চেষ্টা করি দমাতে । আমিও ভুল পথে পা বাড়াই পড়ি প্রতারনার ফাঁদে । চলতে চলতে শুধরে নেই নিজেকে । আমি স্বপ্ন দেখি । বাস্তবতার কারাগারে স্বপ্ন কাঁদে নীরবে তবুও স্বপ্ন দেখি । স্বপ্নের মাঝে বেঁচে থাকি । বলতে চাই হৃদয়ের কথা অকপটে । জ্ঞানের ফুলে সাজাতে চাই আমার জীবনের বাসর । আদর সোহাগে বাচিয়ে রাখতে চাই আমার স্বপ্ন ।