রবিবার ২৬ মে ২০১৩, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২০ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem
RSS

বাংলাসাহিত্য সংবলিত কিছু দিঢ় উচ্চারণ পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে চাই।স্বার্থের বাজারে মিথ্যে বলার অনেক দাম

নিরুদ্যম কালবেলায় লিখেছেন ২৭ মার্চ ২০১৩, ২০:২৫ | কবিতা

দুঃখকে বাগ-মানিয়ে, বুকে ধারণ করে অনিরুদ্ধ সাহস;
জন্মের সাথে প্রাচীন রাস্তায় হাঁটতে থাকা পথচারী
নিশ্ছিদ্র ভিড় ঠেলে কেবল হেঁটেই চলেছে সম্মুখে।
অবিরাম ঘড়ির চাকায়, হৃদযন্ত্রে, ধুয়া দিচ্ছে সস্তা সিগারেট,
জন্ম-মাপকাঠি...
Comment১১ টি মন্তব্য | ১২৩ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

কলম চাষিলিখেছেন ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:১৩ | কবিতা

নিরস্ত্র প্রহরী পাহারায় রেখেছে জ্ঞান,
সম্বল অতটুকুই- বেঁচে থাকার শেষ ভরসা।
প্রতিবাদী ভাষা, দুঃখ, বাসনা, হাসি-তামাশা
নিরস্ত্র প্রহরীর পাহারারত জ্ঞান-
সম্বল অতটুকুই।

কলম কথা বলে এ বিশ্বাস বুকে নিয়ে
এগিয়ে যাওয়া মানে- কলম-চাষি বপন করে
আঁকিবুঁকির বীজ। কোটর ছেড়ে বেরিয়ে আসে সুন্দর,...
Comment১০ টি মন্তব্য | ১৩৭ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

চলে ফেরার চেষ্টা করিলিখেছেন ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৮:৪৬ | কবিতা

দাবা খেলাটা অনেক খেলেছি, নিজে নিজে মনে হতো আমি মনে হয় মহা খেলোয়াড়! যখন হেরে যেতাম তখন মনে হতো আমি খেলতেই পারি না। তবে এখন যাই করি- হোক খেলাধুলা অথবা জীবন দৌড়, আগের মতো প্রথম এবং শেষে থাকি না। যতদূর যেতে হবে, ঠিক ততদূর'ই বুঝে নেবার চেষ্টা করি।
যেমন একটুতে'ই কাওকে বিশ্বাস না করলে, সেদিন তুমি...
Comment০ টি মন্তব্য | ৮১ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

এখন ঝরে পড়ার সময় চলছেলিখেছেন ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ০০:৩১ | কবিতা

বসন্তের পাতাঝরা, শেষ বয়সী বৃদ্ধের মতো রোদ
এখন ঝরে পড়ার সময় চলছে!
ভাড়া খেটে আসা মন- কিস্তিতে কিনে নিতে চাইছে
তাবৎ প্রয়োজন।

শুনছি চারা গজাবে মানুষের!
শক্ত-মাটি ফুঁড়ে, অলকা-হলের দেয়াল ধরে,
এই মাত্র যে শিশু উঠে...
Comment১৪ টি মন্তব্য | ১৩১ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

আমি ঠিক বুঝতে পারছি নালিখেছেন ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৮:৪৮ | কবিতা

পাগলের পঙ্গপাল ভিন ভিন করছে,
আমিও কিছুটা ঘোরের ঘরে বুঁদ হয়ে পড়ে থাকা মাতাল!
তাল বেতাল নেশাগ্রস্থ চলাচল, সবার দৃষ্টি কিছুটা ঝাপসা এই মুহূর্তে!
অথচ! এরাই দল বেঁধে কি সব একটা গড়তে চাইছে!
ধুলোর মিনার?
নাকি ধুলো ছিটিয়ে...
Comment৮ টি মন্তব্য | ১৬৪ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

কালচিত্রলিখেছেন ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২৩:৩১ | কবিতা

মেঘের আড়ালে আকাশ লুকিয়ে
নক্ষত্র গননার হিসেব চেয়েছ!
আমি তো মেঘ অব্দি উঁচু না
ঐ পারে গলা বাড়িয়ে সব নক্ষত্র গুনে শেষে
তোমার কাছে ধন্য হবো? বরং-
তুমি আমাকে- সমুদ্রের মধ্যবর্তী জলের তলে
ভারী একটা পাঁথর বেঁধে তলিয়ে দাও!
আমি নিচের দিকে সমুদ্রের-তলদেশ পাতালপুরীতে
যেতে যেতে ঘুমিয়ে যাবো,...
Comment৬ টি মন্তব্য | ৯৫ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

অশেষেই যাবো ভাবছি।লিখেছেন ৩১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৫:৫২ | কবিতা

অশেষেই যাবো ভাবছি।

সিদ্ধান্ত নিতে হবে চতুরের মতো
কোন পথে যাবো!
এক পথের শেষ নেই,অশেষ-ভর্তি মায়াময় জল।
অন্য পথ সমতল,কিছুটা একেবেকে গোরস্থানে ঠেকেছে।
সময়-আলো নিভে তেড়ে আসছে অন্ধকার!
ঝড়ের পরে ঝড়,
অস্থির বাতাস,অনাথ...
Comment২ টি মন্তব্য | ১২১ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

আমরা নরকে বসে আছিলিখেছেন ৩০ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:২৪ | কবিতা

রাত ভর্তি কালো-কালো ধল-ধল অন্ধকার
নেংটি খুলে দৌড়াচ্ছে।
দে হাততালি আনন্দ কর্‌ আমরা নরকে ঠেকেগেছি!
বল্লম আসুক যাক, হাতিগুলো বেঁচে থাক
বাঁচতে বাঁচতে একদিনে মোরে যাবে সব লোক!
দে হাততালি বাজা শ্লোক, আমরা নরকে এসেগেছি।

হাত...
Comment২৮ টি মন্তব্য | ২৫১ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

ত্রিকোণাটে হাসির্ময় জীবনলিখেছেন ২৩ জানুয়ারি ২০১৩, ০০:৩৭ | কবিতা

ভেতরে কষ্ট লুকিয়ে কতক্ষণ হাসবো বল?
বোবা হয়ে গেছে দুঃখ গুলো, ভাষাহীন পাখীদের মতো
চুপ হয়ে থাকে সারাদিন।
ভারী ভারী মালবাহী বোঝায় গাড়ি যেমন করে
চলতে চলতে টালমাটাল খায় বারে বারে।
আমি তেমনও ভালো নাই বন্ধু, আমি তেমনও ভালো নাই।

চোখের তলে কালো হতে হতে কালচে হয়ে গেছে মুখ।
অযাচিত বিশ্রী...
Comment২ টি মন্তব্য | ১৩৭ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

আসনি সংকেতলিখেছেন ১৪ জানুয়ারি ২০১৩, ১৩:৩৭ | কবিতা

অত্যাচারী আগুনের দলা, হাতের তালুতে রাখা হলে!
হাত পোড়া গন্ধ, অসহ্য যন্ত্রণায়
বেশিক্ষণ দাঁড়ানো যায় না।
শরীর এমনি এমনি ঈশ! আস! করে লড়ে উঠে।
নড়বড়ে হতে থাকে বিবেক!
মাথার ওপর বাড়ি খেয়ে টলতে টলতে সামনে আগায়!
একসময় আঘাতও সয়ে যায়।
প্রতিবাদী শরীর, খিটমিটে মেজাজ, বখে যাওয়া বিবেকে
অন্যায় হয়,...
Comment১ টি মন্তব্য | ১০৭ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

প্রকৃতি এবং আমিলিখেছেন ১৩ জানুয়ারি ২০১৩, ২৩:২৯ | কবিতা

রহস্যের প্রিয় বান্ধবী সন্ধ্যা, ধূসর শাড়ী পড়ে
বাঁশির বেতাল সুর সুরের ধরে, ভারী করছে বাতাসের বাউলা মন!
আমি হাঁটছি! হাঁটছি, হাঁটছি, পথ কথা বলছে!
পথের অসুখে নাকি দুঃখ বেড়েছে রাতের।
রাত এখন মারুতিদের পিছলে শরীরের গন্ধ শুঁকে শুঁকে
মাতাল হয়ে ক্ষেপে আছে।

ছেঁড়া জামা পড়ে পেছন থেকে ডাকছে...
Comment৬ টি মন্তব্য | ১২১ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

লাট্টু লাট্টু ঘাই খেলালিখেছেন ১২ ডিসেম্বর ২০১২, ১৬:১০ | বিবিধ

'বিশ্বজিৎ'
নামটার মধ্যেই একটা ভ্যাজাল আছে । কিছু কিছু লোক থাকেনা যারা মরে গেলেও
সবাইকে জ্বালিয়ে মারে সেইরকম ।
আপনারা উল্টাদিকে নিবেন না শেষ করতে দেন !
তো ওঁর মতো অনেক বিশ্বজিৎ ক্যামেরার অগোচরে ঠুস করে মরে যায় ! ওঁদের কোন চিল্লা পাল্লা হয় না! হয় না এই ভাবে কোন রাজনৈতিক টপিক ! কারণ ওরা যে...
Comment২ টি মন্তব্য | ১৭২ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

এক বিকেলি কবিতা লিখেছেন ২৪ নভেম্বর ২০১২, ২২:০৫ | কবিতা

টনমনে কড়া রোদ, গুমোট-ভাঙ্গা বাতাস,
আমি ঝি-ম ধরে বসে আছি;
একটা বুড় জটা-পাকানো বটগাছের পায়ের কাছে ।
আমার পাশেই পড়ে আছে দামি সিগারেটের খালি ঠোস,
কয়েকটা শুকনো পাতার জড় করা স্তূপ ।
আর সামনের জনশূন্য রেল-স্লিপারে চিকচিকে সাদা দাগ-
সূর্যের আলো পড়ে থেমে-থেম চুপ করে হেঁসে উঠছে ।

তাহলে এখানেও...
Comment৬ টি মন্তব্য | ১৬৩ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত

আমার কিছু এলেবেলে কবিতা লিখেছেন ০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৫:০৩ | কবিতা

"দ্বিধা"

মনের ভেতরে এসে যখন উড় বার্তা চলে যায়,
তখন পড়ে থাকে কিছু মুখস্থ কথা-
হিব্রু, আরাবিয়ান, আর চলমান সময়ের-
লাল বাবু, ক্রুসিয়ান, সুরাইয়াদের হাড়ী ভাঙ্গা দর্শন।

আমি কে? কোথায় যাবো? কেন এসেছি এখানে?
এসবের উত্তর হাতের তালু বন্ধ করে কেউ রেখেছে?
যার কাছে একটু আশ্রয়ী হবো !
যাকে বলব আমার...
Comment৬ টি মন্তব্য | ১৭১ বার প্রদর্শিত | বিস্তারিত
moishotori লেখক :নৈশতরী
দৈন্যতার পায়ের কাছে শুয়ে থাকা অতি সাধারণ একজন মানুষ আমি...! বর্তমান ঠিকানা রাজশাহী জেলার মুল শহর থেকে উত্তরের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে। এখানে আমার একটা কুড়ানো ইটের ঘর আছে। জন্ম ১৯৮৬ সালে রাজশাহীতে। স্থায়ী এবং অস্থায়ী ঠিকানা একটাই। সার্টিফিকেট নেইম মুহাঃ শাহজাহান আলী। পড়ালিখা হাইস্কুলে ৯৯ এর শেষ দিকে সেভেনে কয়েকদিন ক্লাস করেই থেমে যায়। তারপর শুরু হয় বেঁচে থাকার পড়ালেখা! স্কুলের বইখাতা, অল্প দামে কিনে দেয়া স্কুলব্যাগ, পড়ে রইলো ভাঙা-আলমারির অন্ধকার কোণায়। ৮৬ থেকে শুরু করে ৯৯ তারপর ২০০৯ এসে পুনঃরাই বাউবি’তে ভর্তি হোই, এখন ওখানেই আপাতত ঠ্যাকাধরা পড়ালিখাটা চলছে...। সাহিত্য আমি ঠিক কতটুকু বুঝি আর কবে থেকে শুরু হয়েছে জানি না! তবে আমার মনে হয়- যখন সেই মেয়েটার কাছে একপক্ষ প্রেমের ভাঁজ করা বার্তা লিখতাম, তাকে পাওয়ার জন্যে অনেক পরিশ্রম করে একটার পর একটা প্রণয়-পত্র লিখে লিখে ছিঁড়ে ফেলতাম- একটা অন্তত মনঃপূত মৌলিক প্রেমপত্র না হওয়া পর্যন্ত। যদিও শেষমেশ ওসব প্রেমপত্র কোন কাজেই আসেনি, তারপরেও আমি বলবো- আমার তখন(২০০৩/২০০৪ সাল)থেকেই সাহিত্য চর্চা শুরু হয়েছে। প্রবল বই পড়ার নেশাটা এখনো তীব্র, হাতের কাছে যা পাই গিলে খাওয়ার মতো করে খেয়ে ফেলি(পড়ে ফেলি) বলা যায় এটা আমার আজন্ম নেশা, যার দোরগোড়ায় আমি প্রতিদিন জল ঢেলে বলি- নেশা তুমি বেঁচে থাকো। ২০০৯ সালে বাউবি’তে ভর্তি হবার কিছুকাল আগে ‘রাজশাহী সাহিত্য পরিষদ’ থেকে আমার আনকোরা হাতের কয়েকটা কবিতা প্রকাশ পায়, পাশাপাশি এখানকার কিছু আঞ্চলিক পত্রিকাতেও মাঝে মাঝে প্রকাশ পেত। তারপর সেই জন্মগত দোলাচল, পড়ালিখার মতো করে সাহিত্যও একই ভাবে থেমে গেল...। এইত কয়কদিন আগে আবার নতুন করে কাগজের বুকের উপর আঁকিবুঁকি শুরু করেছি, দেখি অভিমানের দ্বিতীয় সুত্র, মুষ্টিবদ্ধ মৃত যুবকের হাতের বন্ধ মুঠো খুলে কবে নাগাদ অভিমান ভাঙার একটা কবিতা লিখতে পারি...। আবার ফিরে আসা বা নতুন করে স্বপ্ন দেখাবার জন্য অশেষ ধন্যবাদ “গল্পকবিতা” “কবিতা আশ্রম” “আদরের নৌকা” "প্রথম আলো ব্লগ" সহ এ যাবত পর্যন্ত যারা আমাকে সাহস যুগিয়েছেন সবাইকে। ____নৈশতরী

আমার যত লিংকStar

আমার যত ফেভারিটStar

পূর্বতন পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment

আমার সাম্প্রতিক মন্তব্যComment