এ কেমন প্রখর রোদ শরীরে এলে
ঝলোমলো ব্যঞ্জনায় ;
জড়াতে না পারি না ছাড় দেই
একাকী দহনে পুড়ি
সুকৌতুক নিরালায় ;
বিধাতার পৃথিবীতে
আরো কিছু দূরত্ব বেড়েছে
নিয়ত না পেয়ে ।
এইসব কারাগারও জীবন ধারণ করে
ভীষণ নিষ্প্রয়োজনে বেঁচে থাকা
অন্যরকমভাবে বেঁচে থাকা - দিবা রাত্রি
স্বপ্নহীন গল্পময়
মৃত্যুহীন ছন্দময়
বাতাসে পাক খায় প্রাক্তন পাপ ;
সব বিষন্নতা
উড়তে থাকে বিনাশী বাষ্পে রক্তাক্ত ঠোঁটের...
অথৈ জল নামছে , নামুক
বালিকা বেণী হয়ে ঝরছে সোনালুর থোকা থোকা রূপ
কামিনী ধ্যাণে মগ্ন থাকুক গ্রহণ লাগা কৃষ্ণচূড়া ঝোপ
স্তুতিহীন জারুলের তাতে কি এসে যায় !
ফিরতি শহরে পেস্টুন ওড়াক প্রেমিকার অস্থির চোখ
" তখনো এখানে...
খুব ধীরে বেদনার ছায়া পড়ছে দখিনে দখিনে
বিষণ্ণ হাওয়ায় জমছে আমাদের শরীর
প্রেরণার মতো বাজ পড়ছে মৃত্তিকার নরোমে
অদ্ভুত ! খুব যতনে খুব নীরবে কখন
বরিষণের প্রতিরূপ হয়ে উঠেছো বুঝতেই পারেনি
এইসব নাগরিক বেদনারা ।
রাত্রির আঁধারটা তোমার একাকীত্বের মতই কোমল ;
আর অদ্ভুত প্রণয়ী রহস্যের স্তরগুলো সরে সরে যখন
কুয়াশার বৃত্ত তৈরি হয় তখন অবাক চোখের
ঘোলাটে প্রান্তরে রেখে আসি বেদনার আলো ।
বলতে দ্বিধা নেই
ভালবাসার মতই ভীষণ একাকী হয়ে যাচ্ছে আমাদের সময়
তিনটে গাংচিলের ঠোঁটের তলে পরে থাকে বেদনাহত শালিখ...
আমাদের মাঝে শুয়ে থাকে নিষ্পাপ রাতের কলি
তোমার দৃষ্টি অনুসরণ করতে গিয়ে আটকা পড়ি
ডাগর চোখের সীমানাহীন পরিসীমায়
গোলগাল নীল টিপে ; কোন প্রতিভাধর আঁকিয়ে
এঁকেছে পরম...
এমনি এক শাদা মেঘের কাছে এক টুকরো রোদ চেয়েছিল দুপুর হতে
শূন্যতায় ভাসমান খানিক জীবন ;
সবাই বলে দু’দিনের ক্যানভাস
নিত্য ঝমক তীব্র খোলসে মগ্ন সারাংশ
পলকে হারিয়ে যাওয়া অট্টহাসি
ধ্রুপদী রাগ...
ফেরারী জোছনায় দুয়ার খুলে এসে দাঁড়িয়েছিলাম এই অশ্মথের ছায়ায়
খুব একা , শুধু একা
কালক্ষেপণে বয়েসী চাঁদের বুক ফুঁড়ে নির্ঝর শিশিরের আবছায়া দাগে
ছিলে তুমি আর তুমি
তোমার হাতে শব্দের...