বড়সড় নয়
বেশ ছোটই ছিল আমার
ছোটখাটো ঘেসো জীবন
মাটি থেকে ছয় ফিট উপরে নয়
একদম নির্বাক ঘাসের কাছে ।
এই যে প্রতিদিন
দেখো , এত আপন যে ঘাস
তার থেকে দূরে, উপরে
শেষ হয়ে গেছে
তবু ঠিকই আছে
হতভম্ব বেঁচে থাকা ।
তাই ,
চেয়েছি বারবার
দড়ি ছিঁড়ে পড়ে যাই ,
পড়ি দাউদাউ আগুনে...
আমাদের এখন কি করা উচিৎ, সেটা হাজার ভেবেও বের করতে পারছি না। বৃহত্তর দেশ এবং ক্ষুদ্রতর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সিস্টেম’ রক্ষাকারী ‘পলিটিক্স’-এর মাঝে আগে যে গিট্টু ছিল, সেটা ঢিলা না, একেবারে খুলে ছড়িয়ে গেছে। দেশ পরিচালনার আসন টানাটানির সাথে চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের গদি ধরে হ্যাঁচড়া-হেঁচড়ি; একেবারে...
প্রিয়তমা,
তোমার বিরহে নির্ঘুম রাত কাটাইনি বলে
গালাগাল করেছ অনেক ।
এ অক্ষমতার লজ্জায় ছারখার করেছ বারবার ।
কিন্তু প্রিয়তমা,
কখনও জানতে চাওনি আমার বিছানাটা কেমন;
দৈর্ঘ্য, প্রস্থ অথবা গভীরতা।
বালিশ-চাদর তেল চিটচিটে কি না;
আদও আছে কি না!
না প্রিয়তমা, তুমি জানতে চাওনি।
আর জানবেও না ।...
দ্যাখো, আমি বড়ই স্বার্থপর ।
সিন্দুকের ভেতর কিপটের মতো
আগলে রাখা যে ভালোবাসা ,
তা নিতান্তই ব্যক্তিগত ।
ওতে ভাগ বসাবে বলে
ঠোঁটে রং মেখে, বুক উঁচিয়ে
যতই হাঁটাহাঁটি কর ;
লাভ নেই ।
দ্যাখো, আমি বড়ই স্বার্থপর ।
যতদিন না তুমি আমার ভালোবাসার ভ্রূণকে
নিজের বলে মানছ ,
আম্বিলিকল...
এখনো জোয়ান আছি বলে
দু'পায়ের নয়
কেবল রুগ্ন বুকের জোরে
রৌদ্র মাথায় হেঁটেই যাব চলে
শান্ত ঘর, উষ্ণ বিছানা ছেড়ে
প্রেমিকার প্রেম এবং দশটি গোলাপ ঝেড়ে
ফেলে যাব আমার নগ্ন-করুণ শব
উপহার না হোক, উচ্ছিষ্টই হবে সেটা
শূন্য চোখে তাকিয়ে দেখ তা
পুঁতে অথবা পুড়িয়ে দিও সব ।
ব্লগারদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য যে বার্তা পাঠানোর ব্যবস্থা আছে তা একটু সময় সাপেক্ষ। ব্লগে Chat করা গেলে যোগাযোগ আরও দ্রুত হবে। তাতে সময় বাঁচবে, যোগাযোগের আগ্রহ বাড়বে এবং নতুন ব্লগারদের জন্য সিনিয়র অভিজ্ঞ ব্লগারদের সাথে সম্পর্ক তৈরির পথ আরও সহজ হবে।
আমি বড় হয়ে গিয়ে বিরাট ভুল করেছি। স্মৃতিকাতর হয়ে হা-হুতাশ করার মতো ছেলেবেলা হয়তো আমার ছিল না; তারপরও ছেলেবেলা তো ছেলেবেলাই। আনন্দের সাথে বেঁচে থাকতে মনে হয় একমাত্র ছোটরাই পারে। চরম বৈরি পরিবেশেও আমার কখনও আনন্দের অভাব হতো না। মিথ্যা বলতে হতো না। স্বার্থ নিয়ে রেষারেষিও ছিল না। অন্য মানুষের প্রতিভা...
অনুগত ভৃত্যের জীবন
কাটিয়েছি বহুদিন ।
পুরুষের পর পুরুষ
রক্তের মাঝে বোনা হয়েছে
পুষ্ট শৃঙ্খলের বীজ ।
তবু কুঁজো পিঠ সোজা করে দাঁড়াবো বলে
হয়তো দেখতে চেয়েছিলাম আশাভরে
ক্ষীণ দুচোখে আস্পর্ধার শেষ ।
বিবর্তনের ঢিল ছিল হাতের মুঠোয় ।
প্রাচীন শিশমহল ভাঙার কামনা ছিল ;
বুকে বন্দী ।...
দ্রুতগামী বাসের জানালা দিয়ে
বিরুদ্ধ বাতাসে মাথা বাড়িয়ে
থু করে যখন ফেলে দিয়েছিলাম
বিবেকের কফ;
সহযাত্রীদের নিঃস্পৃহ চোখ দেখে বুঝিনি,
ব্যাপারটা অশালীন হল কি না ।
কাউকেই তো বিরক্তিভরে বলতে শুনলাম না,
“আরে ভাই, কি করেন!”
অথচ আমি প্রস্তুত ছিলাম ,
দুর্দান্ত বেহায়ার মতো
একবারও দুঃখিত না...
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি। ফার্মেসি বিভাগ, ৪র্থ বর্ষ। আমি অলস, অপদার্থ, উদ্ধত, অন্তর্মুখী, কর্মবিমুখ, অনুভূতিহীন, শিশুসুলভ, সন্দেহপ্রবণ একজন মানুষ। আমার সাথে পরিচিত হওয়াটা কারও জন্য সুখকর না।