উষ্ণতার আবেদনে আর আদিমতার কামনায়
একটু কাছাকাছি গাঢ় তপ্ত নিশ্বাসের ছোয়ায়
ওষ্ঠ যুগল তো একে অপরের গভীর বন্ধনে আবদ্ধ
দলিত মথিত এ বক্ষ, তবে নয়ন জোড়া বন্ধ ...
আপদমস্তক উন্মাদ রক্তকনিকার ছোটাছুটি
জাগিয়ে দেয় ক্ষিপ্র বাঘের উত্তেজনা ...
দেহের প্রতিটি ঘুমন্ত কোষে, শিরায় শিরায়,
এমনকি...
হঠাত কোন এক গোধুলী বেলায়
অস্তগামী সূরযের মত দিগন্তের ওপাশে চলে যাবো।
আর আসবো না , কখোনই আসবো না,
তোমাদের দুই নয়নের দৃষ্টিসীমায় ...
এতটা কষ্ট সহ্য করার চেয়ে মৃত্যুই শ্রেয়
কেবল মৃত্যুই আমাকে শান্তি দিতে পারে ...
আর কিছুই এতটা শান্তি দিতে পারবে না !!
যেদিন বন্ধু তোর চোখে চোখ রাখলাম
সেদিনই আমি আমার চিরচেনা পথ হারালাম
যেদিন বন্ধু তোর চুলে হাত বুলালাম
সেদিন আমি নিজেই নিজের কাছে হেরে গেলাম
আর এখন নিজেই নিজের কাছে অচেনা একজন
তাইতো তোকে ছাড়া ভালো লাগেনা একটা সেকেন্ড এখন ।
হে অভিজাত !! চোখে কি টিনের চশমা দিয়েছো ???
কিছুই কি দেখতে পাও না ??নাকি রঙ্গীন সানগ্লাস ??
যে সবই রঙ্গীন লাগে ... একটু খালি চোখে দেখ
কতটা কষ্টে আছে মধ্যবিত্ত মানুষ ...
হে অভিজাত তোমার কাছে কেন এত টাকা ?
তাহলে কি তুমিই ভাগ মেরেছো মধ্যবিত্তের ?
তোমার জন্যই কি সাধারন মধ্যবিত্ত মানুষের...
আর কখোনই আমি তোর ঐ দীঘল কালো
চুলের খোপার বাধন খুলব না ।
সত্যি বলছি , আর কখোনই খুলব না ।
তোর ঐ চুলে আমি আর হাত বুলানোর চেষ্টা ও করব না ।
সত্যি বলছি , আর কখোনই করব না ।
জ্যোস্না রাতের মায়াবী রুপালী আলোতে
একসাথে হাটা হবে না আর কালো পিচ ঢালা পথে ।
আজ থেকে বন্ধ করলাম দুজনার স্বপ্নের সওদা...
মাহবুব কিছুতেই বুঝতে পারতেছে না সে এখন কি করবে ? কোথায় যাবে ? কোথায় থাকবে ? এলোমেলো মন নিয়ে মাহবুব রাস্তায় হাটতে লাগলো।মাহবুব যেই দোকানে কাজ করত সেই দোকানের মালিক আজকে দুপুরে তাকে চাকরি থেকে ছাটাই করে দিয়েছে।তার কাছে এখন একটি টাকাও নেই । দোকানের মালিক বলেছে এক সপ্তাহ পর এসে পাওনা টাকা নিয়ে...
হচ্ছে টা কি ??কেন এত হট্টগোল ??
চারিদেকে কেন এত তাজা বারুদের গন্ধ ??
ও মানুষ মেরেছো ?? ভালো , ভালো , বেশ ভালো ।
কতজনকে মেরেছো ? আর কতজনকেই বা মারতে পারবে...
তুমি এতটা নিষ্ঠুর কিভাবে হও??
তোমাকে নিষ্ঠুর হলে কি মানায়??
না, মোটেও না । একেবারেই মানায় না।
ভালো আমি তোমাকে বাসতেই পারি !!
এইজন্য এতটা নিষ্ঠুর হতে হবে তোমাকে ??
কেনই বা আমি তোমাকে ভালোবাসবো না ??
আমি যে দেখেছি তুমি হাসলে নদীতে ডেউ উঠে ,
তুমি কাদলে তোমার চোখ থেকে হেমন্তের শিশির কনা...
আমি কোন অভিজাত বংশের মানুষ না !!
আমি সাধারন মানুষ বলছি , একেবারে ই সাধারন একজন ।
আমি কখনো বিশ্বজিত ,
কখোনো আমি তাজরীন গার্মেন্টসের কর্মী ,
আবার কখণো বা আমি পথচারী্,
আর অভাবের তাড়নায় আমি
বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের নিচে ভাসমান সবজি বিক্রেতা ।
মৃত্যু তুমি আর কত দূরে ??
আমার সাথে তোমার কিসের এত শত্রুতা ??
একবার আলিঙ্গন করতে চাই তোমায় ,
প্রতিদিন বারে বারে মরার চেয়ে
একবারেই মরি , তাই কি ভালো নয় ??
আর আমকে তুমি কাছে না টানলে শক্তি দাও!!
মারার শক্তি দাও !! আরেক জনকে মৃত্যু দেওয়ার শক্তি দাও !!
আমি তাদের মৃত্যু দিতে চাই –...
তুমি শুনতে কি পাও ??
দূরের ঐ সমুদ্রের গর্জন ...
যেখানে মিশে আছে
হাজারো না পাওয়ার ক্রন্দন ।
সমুদ্র আজ কেদে কেদে ক্লান্ত
আর আমি ??
তোমায় খুজে খুজে পরিশ্রান্ত ।
তুমি কি পারোনা
সমুদ্রের এই হাহাকার বুঝতে ??
তুমি কি আমার এই পরিশ্রান্ত মনকে
পারোনা একটু শান্ত করতে ?
আমি অত্যন্ত সাধারন একজন মানুষ।কখোনই অসাধারন হওয়ার চেষ্টা করিনি । আমি সাধারনই থাকতে চাই । তবে আমি প্রচন্ড আবেগী ও স্বপ্নচারী মানুষ । ভালো লাগে স্বপ্ন দেখতে ও অন্যদের স্বপ্ন দেখাতে ।
কবিতা লেখার আপ্রান চেষ্টা করতে করতে যখন ক্লান্ত হয়ে যাই তখন ই বিবিএ র পাঠ্য বই গুলো খুলি, আর যখনই বই গুলো খুলি তখন ই মনে হয় বইয়ের পড়া গুলো আমকে দেখে চরম লজ্জা পেয়ে বই থেকে উড়ে চলে যাছে !! তখন ভাবি বিদ্যা অমুল্য ধন , এই বিদ্যা কে তো নিজের কাছে রাখতে হবে ,উড়ে চলে যেতে দেওয়া যাবে না , তাই তাড়াতাড়ি আবার বই টা বন্ধ করে রাখি !!! যাক বিদ্যা তো নিজের কাছেই আছে !!! শধু পড়া বাকী , অন্য কোন সময় পড়ে নিব .... এই হচ্ছে আমার পড়ার অবস্থা ।
আর যা লিখি তা শুধুমাত্র মনের ক্ষুধা নিবারনের জন্য , তা কবিতা হয় কিনা আমি নিজেও জানি না । সবাই ভালো থাকবেন।